Tag: ফ্লাইট বাতিল

  • মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আকাশপথে ধাক্কা: সোমবারও বাতিল ১৮ ফ্লাইট, বাড়ছে যাত্রী ভোগান্তি

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আকাশপথে ধাক্কা: সোমবারও বাতিল ১৮ ফ্লাইট, বাড়ছে যাত্রী ভোগান্তি

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে আকাশপথে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। এর জেরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী বহু ফ্লাইট বাতিল করা হচ্ছে।

    রোববার (৮ মার্চ) একদিনেই ২৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। একইসঙ্গে সোমবার (৯ মার্চ) নির্ধারিত আরও ১৮টি ফ্লাইট বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার এবং জর্ডান সাময়িকভাবে তাদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করে। এর ফলে ঢাকা থেকে এসব দেশের গন্তব্যে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে।

    বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তথ্য অনুযায়ী, আকাশপথে এই অচলাবস্থার কারণে গত কয়েক দিনে বিপুলসংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
    ২৮ ফেব্রুয়ারি বাতিল হয় ২৩টি ফ্লাইট। এরপর ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি এবং ৭ মার্চ ২৮টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। রোববার (৮ মার্চ) আবারও ২৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার যেসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে তার মধ্যে কুয়েতগামী ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার শারজাহগামী ৬টি, বাহরাইনের গালফ এয়ারের ২টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি এবং এমিরেটস এয়ারলাইনসের ৪টি ফ্লাইট রয়েছে।

    সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে এখন পর্যন্ত বাতিল হওয়া ফ্লাইটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩২০টি। এতে করে হাজারো যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন এবং অনেকের ভ্রমণ পরিকল্পনা অনিশ্চয়তায় পড়েছে।

    বিমানবন্দর সূত্র বলছে, আঞ্চলিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট সূচিতে পরিবর্তন অব্যাহত থাকতে পারে। যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  • যুদ্ধের প্রভাবে আকাশপথ অচল: চার দিনে বাংলাদেশ থেকে বাতিল ১৩১ ফ্লাইট

    যুদ্ধের প্রভাবে আকাশপথ অচল: চার দিনে বাংলাদেশ থেকে বাতিল ১৩১ ফ্লাইট

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে একাধিক দেশের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ বড় ধরনের ফ্লাইট বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেল থেকে টানা চার দিনে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের মোট ১৩১টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এতে বিদেশগামী ও প্রবাসফেরত যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে।

    বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আকাশপথ বন্ধ হওয়ায় প্রতিদিনই ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা বেড়েছে। হিসাব অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি এবং ৩ মার্চের সূচিতে থাকা আরও ২২টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

    ৩ মার্চের বাতিল তালিকায় রয়েছে কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস এয়ারলাইন্স, গালফ এয়ার, ফ্লাই দুবাই, কুয়েত এয়ারওয়েজজাজির এয়ারলাইন্স–এর একাধিক ফ্লাইট।

    কর্তৃপক্ষ জানায়, বর্তমানে কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, আবুধাবি, শারজাহ ও দুবাই রুটে ফ্লাইট চলাচল এখনো সীমিত রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত যাত্রীদের এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে টিকিট ও সময়সূচি যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  • মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইট স্থগিত: আটকে পড়া যাত্রীদের রাত কাটানোর ব্যবস্থা নেবে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়

    মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইট স্থগিত: আটকে পড়া যাত্রীদের রাত কাটানোর ব্যবস্থা নেবে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে উদ্ভূত উত্তেজনাকর পরিস্থিতির জেরে ঢাকা থেকে একাধিক আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন বহু যাত্রী। পরিস্থিতি সামাল দিতে আটকে পড়া যাত্রীদের জন্য রাত কাটানোর ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। শনিবার রাতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জরুরি সহায়তার জন্য বিমানবন্দরের নির্ধারিত ডেস্ক ও লাউঞ্জে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

    বিমান চলাচলে হঠাৎ স্থগিতাদেশে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশিরা। সন্ধ্যার পর রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শত শত যাত্রী অনিশ্চয়তায় অপেক্ষা করছেন। অনেকে জানাচ্ছেন, কতদিন ফ্লাইট বন্ধ থাকবে সে বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য না থাকায় তারা বিমানবন্দরেই থাকবেন নাকি অস্থায়ীভাবে কোথাও আশ্রয় নেবেন—এ নিয়ে দ্বিধায় আছেন।

    বিভিন্ন এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরবর্তী ফ্লাইটে টিকিট রিশিডিউলের সুযোগ দেওয়া হবে। তবে প্রবাসীরা সবচেয়ে বেশি চিন্তিত ভিসার মেয়াদ নিয়ে। নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি ও চুক্তি নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে—এই আশঙ্কা তাদের দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে।

    সরকারি সূত্র জানায়, যাত্রীদের অস্থায়ী আবাসন, প্রয়োজনীয় খাবার ও প্রাথমিক সহায়তা দিতে সমন্বিত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং আকাশপথ নিরাপদ হলেই ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।