Tag: ফেসবুক পোস্ট

  • রাজা চার্লসের সঙ্গে মুখোমুখি অধ্যাপক ইউনূস, বাকিংহাম প্যালেসে সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়ে রাজপ্রাসাদে আলোচনার ঝলক

    রাজা চার্লসের সঙ্গে মুখোমুখি অধ্যাপক ইউনূস, বাকিংহাম প্যালেসে সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়ে রাজপ্রাসাদে আলোচনার ঝলক

    এবিএনএ:

    ব্রিটেন সফরের সময় ঐতিহাসিক এক সৌজন্য সাক্ষাৎ হলো বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসের মধ্যে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় লন্ডনের রাজপ্রাসাদ বাকিংহাম প্যালেসে।

    সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই বিশেষ মুহূর্তের একটি ছবি প্রকাশ করেছেন, যেখানে রাজা চার্লস ও অধ্যাপক ইউনূসকে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলাপে মগ্ন দেখা যাচ্ছে।

    বাকিংহাম প্যালেসে পৌঁছালে রাজা চার্লস নিজেই অধ্যাপক ইউনূসকে অভ্যর্থনা জানান। সাক্ষাৎকারে উঠে আসে সামাজিক ব্যবসা, দারিদ্র্য নির্মূল এবং পৃথিবীকে টেকসইভাবে রক্ষা করার জন্য ড. ইউনূসের ‘তিন শূন্যের’ আন্দোলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

    প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, রাজা চার্লস বহুদিন ধরেই অধ্যাপক ইউনূসের কাজের প্রশংসা করে আসছেন। ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম হোক কিংবা সমাজকল্যাণে সামাজিক উদ্যোগ—সব ক্ষেত্রেই ব্রিটিশ রাজা তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন।

    তিনি আরও জানান, রাজা চার্লস এক সময় ড. ইউনূসের একটি গ্রন্থের ভূমিকাও লিখেছিলেন, যা দুই বিশিষ্ট ব্যক্তির মনের মিল ও মূল্যবোধের অভিন্নতার প্রমাণ।

    এই সৌজন্য সাক্ষাৎ শুধু দুই দেশের বন্ধুত্বের ইঙ্গিত নয়, বরং বিশ্বব্যাপী শান্তি, মানবতা ও টেকসই উন্নয়নের দিশাও দেখায়।

  • বিভাজনের অতীত ভুলে ঐক্যের আহ্বান উপদেষ্টা মাহফুজের — আন্তরিক দুঃখপ্রকাশ ফেসবুক বার্তায়

    বিভাজনের অতীত ভুলে ঐক্যের আহ্বান উপদেষ্টা মাহফুজের — আন্তরিক দুঃখপ্রকাশ ফেসবুক বার্তায়

    এবিএনএ: 

    তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম অতীতের কিছু মন্তব্য ও শব্দচয়নের জন্য গভীর অনুশোচনার কথা জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন পোস্টে তিনি দেশপ্রেমিক জনগণের প্রতি ঐক্যবদ্ধ হবার আহ্বান জানান।

    তিনি লেখেন, “ব্যক্তিগত আদর্শ কিংবা আবেগের চেয়ে দেশের স্বার্থ সর্বাগ্রে। অতীতের কিছু বক্তব্য যদি বিভাজনের জন্ম দিয়ে থাকে, তবে আমি তা নিয়ে আন্তরিকভাবে দুঃখিত।”

    তিনি আরও বলেন, “যতদিন সরকারে আছি, ততদিন সকল মত ও শক্তির প্রতি সম্মান বজায় রেখে সংবেদনশীলভাবে কাজ করতে চাই।” সেইসঙ্গে তিনি অতীতের বিভেদমূলক স্লোগান ও তকমা ব্যবহারের বিরোধিতা করে বলেন, এসব উপেক্ষা করে আমরা যদি একসাথে এগিয়ে যাই, তবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হবে গণতান্ত্রিক ও সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক।

    ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র আজ হুমকির মুখে, কারণ আক্রমণাত্মকভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে উঠেছে দেশের শত্রুরা। এই প্রেক্ষাপটে, তিনি সেই সব দেশপ্রেমিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, যারা জুলাই অভ্যুত্থানের সময় একসঙ্গে ছিলেন— “এই মুহূর্তে আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা ঐক্য ও ধৈর্যের। এবং এই পরীক্ষায় আমাদের সফল হতেই হবে।”

    এমন বার্তা দেশের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিচ্ছে— বিভেদের বদলে সংহতির পথেই যে ভবিষ্যত নিরাপদ, সেটিই যেন বোঝাতে চাইলেন উপদেষ্টা মাহফুজ।