Tag: ফজলুর রহমান

  • কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে ফজলুর রহমানের বড় জয়

    কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে ফজলুর রহমানের বড় জয়

    এবিএনএ: কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রাম) সংসদীয় আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট ফজলুর রহমান বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। কেন্দ্রভিত্তিক প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে তিনি ৭৭ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে পেছনে ফেলেছেন।

    মোট ১৫০টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলের হিসাবে ফজলুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৫০৩ ভোট। অপরদিকে জামায়াতে ইসলামীর দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এডভোকেট শেখ রোকন রেজার ঝুলিতে গেছে ৫৪ হাজার ৭৯৯ ভোট।

    ফল ঘোষণা শেষে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ফজলুর রহমান ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রামের মানুষের আস্থা ও প্রত্যাশাই এই বিজয়ের মূল শক্তি।

    নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে হাওরাঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থা জোরদার এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকারও করেন তিনি।

  • “জামায়াতকে ভোট দিলে আমার মৃতদেহই পাবেন” বক্তব্যে তোলপাড় কিশোরগঞ্জ নির্বাচনী এলাকা

    “জামায়াতকে ভোট দিলে আমার মৃতদেহই পাবেন” বক্তব্যে তোলপাড় কিশোরগঞ্জ নির্বাচনী এলাকা

    এবিএনএ: কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফজলুর রহমানের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ইটনা উপজেলার মৃগা ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে তিনি বলেন, “যদি জামায়াতকে ভোট দেন, তাহলে আমার মৃতদেহই পাবেন।” তার এই বক্তব্য মুহূর্তেই সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।

    সভায় তিনি নিজের ‘ফজা পাগলা’ উপাধি প্রসঙ্গে বলেন, “যারা আমাকে এই নাম দিয়েছে, তারা স্বাধীনতাবিরোধী, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতকারী। তারা যদি ভোটে জিতে যায়, তাহলে মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ বিপন্ন হবে। তাই তাদেরকে ভোট দেওয়া মানে সত্যের পাশে না দাঁড়িয়ে ইতিহাস বিকৃতিকে মেনে নেওয়া।”

    তিনি আরও জানান, “আমি মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের বিরুদ্ধে কথা বলেছি বলে আমাকে নানা অপমানের শিকার হতে হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে অনেক কথা বলা হলেও আমি সত্যের পথে অটল। কারণ যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদদের প্রতি অসম্মান দেখায়, তাদের বিরুদ্ধে কথা বলা আমার দায়িত্ব।”

    ফজলুর রহমান দাবি করেন, তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের একজন সাহসী কণ্ঠস্বর। তিনি বলেন, “আমি সাধারণ মানুষের সন্তান, কিন্তু স্বাধীনতার জন্য যারা যুদ্ধ করেছেন আমি তাদের একজন বন্ধু ও সহযোগী। তাই সত্যের পথে থাকতেই আমি আপসহীন।”

    এদিনের কর্মী সভায় উপস্থিত ছিলেন তার সহধর্মিণী ও জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি উম্মে কুলসুম রেখা, অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম রতন, ইটনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস. এম. কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান স্বপন ঠাকুরসহ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    সভা শেষে এলাকাজুড়ে তার বক্তব্য নিয়ে উত্তেজনা ও জোর আলোচনা চলতে থাকে।

  • ড. ইউনূসের নেতৃত্বে নিরপেক্ষ নির্বাচন অসম্ভব, জামায়াতই দেশ চালাচ্ছে: ফজলুর রহমানের বিস্ফোরক অভিযোগ

    ড. ইউনূসের নেতৃত্বে নিরপেক্ষ নির্বাচন অসম্ভব, জামায়াতই দেশ চালাচ্ছে: ফজলুর রহমানের বিস্ফোরক অভিযোগ

    এবিএনএ:  জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে ফের বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থগিতকৃত উপদেষ্টা ফজলুর রহমান। তার দাবি, জামায়াত ইসলাম এখন দেশের অর্থনীতি থেকে প্রশাসন—সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করছে।

    সম্প্রতি এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে কোনো নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে না। এনসিপি আসলে তার নিজস্ব দল, আর রাতের আঁধারে তিনি জামায়াতের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। বাস্তবে জামায়াতই দেশ চালাচ্ছে।”

    তিনি আরো বলেন, “সমস্ত ব্যাংক, বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংক ও আর্থিক খাত জামায়াতের নিয়ন্ত্রণে। শেয়ার বাজারেও তাদের কর্তৃত্ব স্পষ্ট। প্রশাসনে কর্মকর্তা বদলি পর্যন্ত তাদের ইশারায় হচ্ছে। বিএনপি যদি দ্রুত বিষয়টি অনুধাবন না করে তবে নিজেদের অস্তিত্বও ঝুঁকির মুখে ফেলবে।”

    লতিফ সিদ্দিকীর গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফজলুর রহমান বলেন, “মুক্তিযুদ্ধে লতিফ সিদ্দিকীর অবদান অপরিসীম। ৮৭ বছরের একজন মুক্তিযোদ্ধাকে এভাবে গ্রেপ্তার করা দেশ ও মুক্তিযুদ্ধের প্রতি চরম অবমাননা।”

    তিনি বিএনপিকে সতর্ক করে বলেন, “রাজনৈতিক প্রতিরোধ ছাড়া এই দমননীতির অবসান হবে না। আজ লতিফ সিদ্দিকীর ওপর অন্যায় হলো, কাল তা বিএনপির ওপর আসবে।”

    বিএনপি থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার হলেও দল ছাড়ার কোনো ইঙ্গিত দেননি তিনি। তার ভাষায়, “আমি এখনো বিএনপির মানুষ। তিন মাস পর হয়তো তারা আমাকে ফের নেবে, আবার আমিও থাকতে পারি। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—এ দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তার জায়গা ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে।”

  • বিএনপির কঠোর সিদ্ধান্ত: ৩ মাসের জন্য স্থগিত ফজলুর রহমানের সব দলীয় পদ

    বিএনপির কঠোর সিদ্ধান্ত: ৩ মাসের জন্য স্থগিত ফজলুর রহমানের সব দলীয় পদ

    এবিএনএ:  শোকজ নোটিশের জবাব অসন্তোষজনক হওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের সব দলীয় পদ তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিএনপির কেন্দ্রীয় দফতরের দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে। জানা গেছে, এ বিষয়ে ফজলুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হবে।

    চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ আগস্ট তার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি লিখিত জবাব না দিয়ে সময় বাড়ানোর আবেদন করেন। পরবর্তীতে গত সোমবার তাকে অতিরিক্ত ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হলেও তিনি যে জবাব দিয়েছেন, তা সন্তোষজনক হয়নি।

    তবে মুক্তিযুদ্ধে তার অবদানকে সম্মান জানিয়ে কঠোর শাস্তি না দিয়ে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ তিন মাসের জন্য স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপি।

    এ ছাড়া চিঠিতে আরও বলা হয়, ভবিষ্যতে তিনি যেন টকশো বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার সময় দলের নীতিমালা, দেশের মর্যাদা এবং জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিকে আঘাত না করেন—সেদিকে সর্বদা সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • “মেরে ফেললেও জিডি করব না” — নিরাপত্তাহীনতায় বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান

    “মেরে ফেললেও জিডি করব না” — নিরাপত্তাহীনতায় বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান

    এবিএনএ:  বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান জানিয়েছেন, তিনি জীবনের শঙ্কায় থাকলেও নিজের বিরুদ্ধে কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করবেন না। সোমবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনের ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম (এলআরএফ) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    ফজলুর রহমান বলেন, “আমি যা বলেছি, তা যদি ছাত্ররা, ছেলেরা বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের লোকেরা অপছন্দ করে, তাহলে তারা রাজনৈতিকভাবেই জবাব দিক। এজন্য হত্যার পথ বেছে নেওয়া যুক্তিসঙ্গত নয়। আমার বক্তব্যে কারও অসম্মান হয়ে থাকলে সেটার প্রতিক্রিয়া গণতান্ত্রিকভাবে হওয়া উচিত, বাসার সামনে মব তৈরি করার মতো কাজের কোনো মানে নেই।”

    সম্প্রতি জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে মন্তব্য করায় বিএনপি থেকে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর রোববার মধ্যরাতে তার সেগুনবাগিচার বাসার সামনে বিক্ষোভ হয় এবং পুলিশসহ সেনাবাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তারা তাদের দায়িত্বই পালন করছেন বলে আমি মনে করি।”

    তিনি আরও জানান, বিক্ষোভের সময় পুলিশ খুব দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। ফোন করার মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে তবুও তিনি নিজেকে নিরাপদ মনে করছেন না।

    ফজলুর রহমান বলেন, “আমার জীবন আজ বড় শঙ্কার মুখে। তবে আমি মৃত্যুকে ভয় করি না। অপমৃত্যুই আমার কাছে সবচেয়ে লজ্জাজনক। আমি চাই জনগণ জানুক আমার পরিবারের জন্য আমি বেশি দুশ্চিন্তায় আছি।”

    তিনি আরও বলেন, “আমি নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছি। তবুও আমাকে যদি হত্যা করা হয়, আমি কোনো জিডি করব না। যদি ছাত্ররা মনে করে আমার বক্তব্যে অপরাধ হয়েছে, তারা মামলা করুক, আদালতে বিচার হোক।”

    সংবাদ সম্মেলনে ফজলুর রহমানের স্ত্রী ও ছেলে উপস্থিত ছিলেন। তবে ৫ আগস্টের ঘটনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি কোনো জবাব দিতে অস্বীকৃতি জানান।