Tag: প্রার্থী তালিকা

  • সংরক্ষিত আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থী বৈধ, ভোট ১২ মে

    সংরক্ষিত আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থী বৈধ, ভোট ১২ মে

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির জমা দেওয়া ৩৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা এ ঘোষণা দেন।

    যাচাই শেষে বিএনপির দাখিল করা সব প্রার্থীই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য বৈধ হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন। এর ফলে সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনে দলটির পূর্ণ প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছে।

    বৈধ ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন— সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।

    নির্বাচন তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকবে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত। এসব আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল।

    এছাড়া প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল। সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

    এই ঘোষণার মাধ্যমে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির অংশগ্রহণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হলো এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপে এগিয়ে গেল দলটি।

  • ভোটের অঙ্কে ধাক্কা—বাগেরহাটে ২৩ প্রার্থীর মধ্যে ১৪ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত, ইসলামী আন্দোলনের ৩ জনও বাদ

    ভোটের অঙ্কে ধাক্কা—বাগেরহাটে ২৩ প্রার্থীর মধ্যে ১৪ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত, ইসলামী আন্দোলনের ৩ জনও বাদ

    এবিএনএ: বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসনে এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মোট ২৩ জন প্রার্থী। নির্বাচনসংক্রান্ত আইন অনুযায়ী মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে সাড়ে ১২ শতাংশ না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ফলাফল ঘোষণার পর দেখা গেছে, এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় ১৪ জন প্রার্থীর জামানত বাতিল হয়েছে—যা সংখ্যায় অর্ধেকের বেশি এবং শতাংশের হিসাবে প্রায় ৬০ শতাংশেরও বেশি।

    আসনভিত্তিক হিসাবে বাগেরহাট-১ এ ছয়জন, বাগেরহাট-২ এ একজন, বাগেরহাট-৩ এ তিনজন এবং বাগেরহাট-৪ এ চারজন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।

    বাগেরহাট-১ আসনে জামানত হারানোদের মধ্যে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা এমএএইচ সেলিম ও মাসুদ রানা, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আ. সবুর শেখ ও এমডি শামসুল হক, আমার বাংলাদেশ পার্টির মো. আমিনুল ইসলাম এবং জাতীয় পার্টির এস এম গোলাম সরোয়ার। প্রয়োজনীয় ভোটের কোটা না ছোঁয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

    বাগেরহাট-২ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আতিয়ার রহমান ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান। একইভাবে বাগেরহাট-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএএইচ সেলিম, ইসলামী আন্দোলনের শেখ জিল্লুর রহমান এবং জেএসডির মো. হাবিবুর রহমান মাস্টার নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করতে না পেরে জামানত হারিয়েছেন।

    বাগেরহাট-৪ আসনে জামানত হারানো চারজনের মধ্যে আছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা কাজী খায়রুজ্জামান শিপন, ইসলামী আন্দোলনের মো. ওমর ফারুক, জাতীয় পার্টির সাজন কুমার মিস্ত্রি এবং জেএসডির মো. আব্দুল লতিফ খান। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, কাজী খায়রুজ্জামান শিপন প্রচার শেষে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানিয়ে ভোটের কয়েক দিন আগে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবু প্রার্থী তালিকায় থাকায় তাঁর ক্ষেত্রেও জামানত বাজেয়াপ্তের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।

    বাগেরহাট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার দপ্তর জানিয়েছে, ফলাফল চূড়ান্ত হওয়ার পর আইনানুগ প্রক্রিয়ায় জামানত বাজেয়াপ্তের বিষয়টি কার্যকর করা হয়েছে। নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবু আনছার এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

  • সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী বন্যা: ৫১ দলে ২,৫৬৯ জন, কে কত আসনে লড়ছে?

    সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী বন্যা: ৫১ দলে ২,৫৬৯ জন, কে কত আসনে লড়ছে?

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল থেকে বিপুল সংখ্যক প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ২ হাজার ৫৬৯ জন প্রার্থী এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মাঠে নেমেছেন।

    নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্যমতে, দলীয় প্রার্থী রয়েছেন ২ হাজার ৯০ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪৮৭ জন। এ ছাড়া একজন প্রার্থী রয়েছেন অনিবন্ধিত দলের পক্ষ থেকে।

    দলভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, বিএনপি থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৩৩১ জন, জামায়াতে ইসলামী ২৭৬ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৬৮ জন, জাতীয় পার্টি ২২৪ জন, গণঅধিকার পরিষদ ১০৪ জন এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে ৪৪ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন। পাশাপাশি খেলাফত মজলিসের ৬৮ জন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ৬৫ জন, এবি পার্টি ৫৩ জন এবং জনতার দল থেকে ২৩ জন প্রার্থী রয়েছেন।

    গতকাল নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এসব তথ্য জানান। তবে মনোনয়ন জমার ২৪ ঘণ্টা পার হলেও কোন দল থেকে ঠিক কতজন দলীয় ও কতজন স্বতন্ত্র প্রার্থী আছেন—তার পূর্ণাঙ্গ তালিকা তখনও প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।

    বর্তমানে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৫৯টি। তবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত রয়েছে। এ ছাড়া পিডিপি, ফ্রিডম পার্টি ও ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল হয়েছে।

    নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, ৩০ ডিসেম্বর থেকে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। বাছাইয়ে বাদ পড়া প্রার্থীরা ৫ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে আপিল করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। এরপর ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।

    ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে নির্বাচনি প্রচারণা, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

    এদিকে, পোস্টাল ভোটের জন্য ভোটার নিবন্ধনের সময়সীমা আরও বাড়িয়ে আগামী ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন। ইসির তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ১০ লাখ ৫২ হাজারের বেশি ভোটার পোস্টাল ভোটের জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।

    প্রবাসী ভোটার, নির্বাচনি দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারী, নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানরত সরকারি কর্মচারী এবং আইনি হেফাজতে থাকা ভোটারদের জন্য অনলাইনের মাধ্যমে পোস্টাল ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

  • এই মাসেই বিএনপির ২০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত, তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশনা

    এই মাসেই বিএনপির ২০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত, তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশনা

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি এখন প্রার্থী নির্বাচনের চূড়ান্ত ধাপে। দলটি চলতি অক্টোবর মাসের মধ্যেই প্রায় ২০০ আসনে প্রার্থিতা নিশ্চিত করবে বলে জানা গেছে। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের তত্ত্বাবধানে পাঁচটি আলাদা জরিপ সম্পন্ন হয়েছে, যার ভিত্তিতে বেশিরভাগ আসনে একক প্রার্থী নির্ধারিত হয়েছে।

    তবে শতাধিক আসনে এখনো অভ্যন্তরীণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও গ্রুপিং থাকায় সেখানে সমঝোতা গঠনের চেষ্টা চলছে। এরই অংশ হিসেবে প্রার্থীদের ডেকে মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে একযোগে কাজ করার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন তারেক রহমান।


    গোপনীয় প্রার্থী চূড়ান্ত প্রক্রিয়া

    স্থায়ী কমিটির বৈঠকে নেতারা প্রস্তাব দিয়েছেন, মাঠে বিভ্রান্তি এড়াতে প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়া উচিত। কিন্তু বর্তমানে কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে গ্রিন সিগন্যাল বা ‘সবুজ সংকেত’ দেওয়া হচ্ছে একক প্রার্থীদের। অন্যদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা এ তথ্য না জানায় মাঠ পর্যায়ে তৈরি হচ্ছে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ।

    দলীয় সূত্র বলছে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর পার্লামেন্টারি বোর্ডের মাধ্যমে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হবে।


    ইসি’র সঙ্গে বৈঠক আজ

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা হয়। দলের অভিযোগ, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার তালিকায় অনেক জামায়াতপন্থি কর্মকর্তা স্থান পাচ্ছেন। এ বিষয়ে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে আজ বুধবার বিএনপি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করবে।

    বিএনপি দাবি করেছে, ভোটের প্রতিটি ধাপে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।


    প্রশাসনে ‘জামায়াতীকরণ’ নিয়ে উদ্বেগ

    বৈঠকে নেতারা প্রশাসনে সাম্প্রতিক রদবদল ও নিয়োগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিএনপির অভিযোগ, নির্বাচনের আগে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে জামায়াতপন্থি কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, যা নির্বাচনের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

    এই উদ্বেগের বিষয়টি জানাতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেছে।


    বিএনপির লক্ষ্য: নিরপেক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন

    দলটির শীর্ষ নেতারা মনে করছেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচন থেকে দূরে থাকায় আগামী নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামই প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে উঠে আসতে পারে। সে কারণে বিএনপি মাঠে সংগঠিত শক্তি প্রদর্শন করতে চাইছে। প্রার্থী নির্ধারণের মাধ্যমে তারা নির্বাচনকেন্দ্রিক শক্ত অবস্থান নিতে প্রস্তুত হচ্ছে।

  • দেশে ফিরেই প্রার্থী ঘোষণা করবেন তারেক রহমান, বিএনপির মনোনয়ন তালিকা প্রায় চূড়ান্ত!

    দেশে ফিরেই প্রার্থী ঘোষণা করবেন তারেক রহমান, বিএনপির মনোনয়ন তালিকা প্রায় চূড়ান্ত!

    এবিএনএ:  আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় রাজনৈতিক দলগুলো এখন প্রার্থী বাছাইয়ের শেষ পর্যায়ে রয়েছে। অনিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও ভোটের প্রস্তুতি জোরদার করেছে বিএনপি। দলটির শীর্ষ সূত্র জানিয়েছে, ৩০০ আসনের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত হয়েছে, আর এখন চলছে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া।

    জানা গেছে, বিএনপি এবার শরিক দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনি জোট গঠনের পরিকল্পনা করছে। ইতোমধ্যে শরিক দলগুলোর কাছ থেকে আসনবণ্টনের তালিকা চাওয়া হয়েছে এবং কয়েকটি দল তাদের প্রার্থী তালিকাও বিএনপির হাইকমান্ডের হাতে তুলে দিয়েছে। সব তালিকা যাচাইয়ের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য জানিয়েছেন, তারেক রহমান দেশে ফিরেই আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবেন। তবে তার আগেই যোগ্য প্রার্থীদের অনানুষ্ঠানিকভাবে সবুজ সংকেত দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

    সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান মনোনয়ন বাছাইয়ের জন্য পাঁচটি মূল মাপকাঠি নির্ধারণ করেছেন—

    1. এলাকায় ক্লিন ইমেজ: যেসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অনিয়ম, দখল বা দুর্নীতির অভিযোগ নেই, তারা অগ্রাধিকার পাবেন।

    2. জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা: সারা দেশে চালানো জরিপে স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় প্রার্থীদের বেছে নেওয়া হবে।

    3. দল ও দেশের জন্য ত্যাগ: যারা আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন, কারাবরণ করেছেন বা পরিবার থেকে কেউ নিখোঁজ বা নিহত হয়েছেন, তাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে।

    4. সংগঠনে অবদান: দীর্ঘ সময় ধরে দলের সঙ্গে থেকে যারা সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন, তারা অগ্রাধিকার পাবেন।

    5. কোন্দলমুক্ত নেতৃত্ব: যেসব প্রার্থী এলাকায় গ্রুপিং বা অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব থেকে দূরে ছিলেন, তারাও গুরুত্ব পাবেন।

    এই পাঁচটি মানদণ্ডে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন তালিকা তৈরি করা হয়েছে বলে জানায় বিএনপির নীতিনির্ধারণী মহল। তবে যেখানে একাধিক যোগ্য প্রার্থী রয়েছেন, সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তারেক রহমান নিজেই।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এবারের নির্বাচনে প্রার্থী নির্বাচনের মানদণ্ডই নির্ধারণ করবে বিএনপির মাঠপর্যায়ের শক্তি ও ভোটারদের আস্থা পুনরুদ্ধারের সুযোগ।

  • ৩৩ বছর পর জাকসু নির্বাচন: বেলা বাড়ার সাথে বেড়ে চলছে ভোটারদের ভিড়

    ৩৩ বছর পর জাকসু নির্বাচন: বেলা বাড়ার সাথে বেড়ে চলছে ভোটারদের ভিড়

    এবিএনএ:  দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে শুরু হলো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচন। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি আবাসিক হলের ২২৪টি বুথে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

    সকালেই ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। শিক্ষার্থীরা ধীরে ধীরে ভোটকেন্দ্রে ভিড় বাড়াচ্ছেন। শহীদ রফিক-জব্বার হল ও শহীদ সালাম-বরকত হলে সকাল বেলায় ভোটদানের হার খুবই কম ছিল। তবে নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুপুর গড়ানোর পর ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করেছে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হচ্ছে।

    এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৮৯৭। কেন্দ্রীয় ও হল সংসদের ২৫টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৭৮ জন প্রার্থী। ভোট গ্রহণে নিয়োজিত রয়েছেন ৬৭ জন শিক্ষক পোলিং অফিসার এবং সমসংখ্যক কর্মকর্তা সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ভোট শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে বিশেষ ওএমআর মেশিনে গণনা করে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

    প্রার্থীদের মধ্যে ২৫ শতাংশ নারী এবং ৭৫ শতাংশ পুরুষ। যদিও ভিপি পদে কোনো নারী প্রার্থী নেই, তবে জিএস পদে দুইজন ছাত্রী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মেয়েদের পাঁচটি হলে একাধিক পদে কোনো প্রার্থী না থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমিত হয়ে গেছে।

    বাম, শিবির, ছাত্রদল ও স্বতন্ত্রসহ মোট আটটি প্যানেল অংশ নিয়েছে এ নির্বাচনে। প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ছাত্রদলের শেখ সাদী হাসান ও তানজিলা হোসেন বৈশাখী, শিবিরের আরিফুল্লাহ আদিব ও মাজহারুল ইসলাম, ‘শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম’-এর আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল, ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন’-এর আব্দুর রশিদ জিতু ও মো. শাকিল আলী, এবং বিভিন্ন বাম সংগঠনের সংশপ্তক পর্ষদ থেকে একাধিক প্রার্থী।

    ৩৩ বছর পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে শিক্ষার্থীরা উৎসাহের সঙ্গে অংশ নিচ্ছেন। দিনের শুরুতে ভোটের গতি ধীর হলেও দুপুর গড়ানোর সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভোটারদের সরব উপস্থিতি নির্বাচনকে প্রাণবন্ত করে তুলেছে।