Tag: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

  • প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা: লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজারের বেশি প্রার্থী

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা: লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজারের বেশি প্রার্থী

    এবিএনএ: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ এর লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সারাদেশে মোট ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়ে মৌখিক পরীক্ষার জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

    বুধবার সন্ধ্যায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১টি জেলায় (তিন পার্বত্য জেলা বাদে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।

    কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রকাশিত ফলাফলটি সাময়িক হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এর মাধ্যমে কেবল মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ মিলবে। এটি কোনো শূন্য পদে চূড়ান্ত নিয়োগের নিশ্চয়তা নয়।

    এছাড়া ফলাফলে কোনো ভুল, ত্রুটি বা অসঙ্গতি ধরা পড়লে তা সংশোধন কিংবা প্রয়োজনে ফলাফল বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে। ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য প্রদান বা তথ্য গোপনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল করা হবে।

    লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০২৫ অনুসরণ করে চূড়ান্তভাবে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি ও স্থান সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে জানানো হবে।

    মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের রোল নম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

  • দেশজুড়ে চাকরির লড়াই: ৬১ জেলায় একসঙ্গে শুরু প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

    দেশজুড়ে চাকরির লড়াই: ৬১ জেলায় একসঙ্গে শুরু প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

    এবিএনএ: সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য শুরু হয়েছে বহুল প্রত্যাশিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা। শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে দেশের ৬১টি জেলায় একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নিচ্ছেন ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি আবেদনকারী, যা প্রার্থী ও পদের অনুপাতে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সরকারি নিয়োগ পরীক্ষাগুলোর একটি।

    পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ রাখতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। প্রতিটি কেন্দ্রের আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে একাধিক ব্যক্তি একত্রে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। প্রশ্নফাঁস বা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের সুযোগ ঠেকাতে মাঠে রয়েছে পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।

    কড়া নজরদারির মধ্যেও কয়েকটি এলাকায় প্রশ্নফাঁস চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। রংপুরসহ কিছু জেলা থেকে কয়েকজনকে আটক করা হলেও কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা মূলত অবৈধ ডিভাইস ব্যবহারের চেষ্টা করছিলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

    এর আগে অন্য একটি সরকারি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় শিক্ষক নিয়োগ নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা গুজব ছড়ায়। এতে অনেক প্রার্থী উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এসব গুজবকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের পরিচালক এ কে মোহম্মদ সামছুল আহসান বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তার ভাষায়, শতভাগ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে।

    তিনি আরও জানান, বর্তমানে দেশের বহু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট রয়েছে। প্রায় ৪০ হাজার সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের পদোন্নতি হলে নতুন করে বিপুল সংখ্যক পদ শূন্য হবে। সে কারণেই দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা জরুরি।

    এবার ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০টি। অর্থাৎ প্রতিটি পদের জন্য গড়ে প্রায় ৭৫ জন প্রার্থী প্রতিযোগিতায় নেমেছেন।

  • প্রাথমিকের দ্বিতীয় ধাপে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, এবার নিয়োগ ৪ হাজারের বেশি

    প্রাথমিকের দ্বিতীয় ধাপে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, এবার নিয়োগ ৪ হাজারের বেশি

    এবিএনএ: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নতুন এই ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের মোট ৪ হাজার ১৬৬ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

    বুধবার বিকেলে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়। এর আগে প্রথম ধাপের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছিল ৫ নভেম্বর, যেখানে রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, সিলেট, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের জন্য আবেদন গ্রহণ চলছে।

    মোট ১০ হাজার ২১৯টি শূন্যপদ পূরণে দেশজুড়ে পর্যায়ক্রমে নিয়োগ কার্যক্রম চলছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় চলতি বছরের ২৮ আগস্ট প্রকাশিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’-এর ভিত্তিতেই এ নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

    এরপর ৩১ আগস্ট গঠন করা হয় আট সদস্যবিশিষ্ট ‘কেন্দ্রীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ কমিটি’। এই কমিটির চেয়ারম্যান প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং সদস্যসচিব হিসেবে রয়েছেন পলিসি ও অপারেশন পরিচালক। এছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ও সরকারি কর্ম কমিশনের প্রতিনিধিরাও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত।

    প্রথম পর্যায়ের বিধিমালায় কিছু সংশোধনের প্রয়োজন হওয়ায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে বিলম্ব ঘটে। পরে সংশোধিত নীতিমালা ২ নভেম্বর পুনরায় প্রকাশ করা হয়। নতুন বিধিমালায় ‘অন্যান্য বিষয়ে’ শব্দের পরিবর্তে ‘বিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিষয়ে অন্তত’ শব্দটি যোগ করা হয়, যার ফলে বিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রিধারী প্রার্থীরাও এখন সরাসরি নিয়োগে অগ্রাধিকার পাবেন।

    নতুন নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে ৮০ শতাংশ নিয়োগ হবে পদোন্নতির মাধ্যমে এবং বাকি ২০ শতাংশ পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করা হবে।

    এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন উদ্যম সৃষ্টি হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।