Tag: প্রতারণা মামলা

  • পূজা চেরির বাবার ১৩ কোটি আত্মসাত মামলা, কারাগারে প্রেরণ

    পূজা চেরির বাবার ১৩ কোটি আত্মসাত মামলা, কারাগারে প্রেরণ

    এবিএনএ:  ১৩ কোটির বেশি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বাবা দেবু প্রসাদ রায়কে গ্রেফতার করেছে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ। ভুক্তভোগী এক ব্যবসায়ীর দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয় এবং পরে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ এপ্রিল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্যান্টনমেন্ট থানায় প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেন ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান। অভিযোগ দায়েরের দিনই পুলিশ অভিযুক্ত দেবু প্রসাদ রায়কে গ্রেফতার করে। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    আদালত সংশ্লিষ্ট প্রসিকিউশন বিভাগ ও ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এজাহারে উল্লেখ করা হয়, চলচ্চিত্র প্রযোজনার ব্যবসার কথা বলে ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী ও তার এক বন্ধুর কাছ থেকে নগদ ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা ধার নেন দেবু প্রসাদ রায়। পরবর্তীতে একই ব্যবসায় বিনিয়োগের কথা বলে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডের মাধ্যমে আরও ৫০ লাখ টাকা নেন।

    এরপর ২০২৪ সালের ১৫ মে তিনটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তির মাধ্যমে নগদ আরও ৬ কোটি টাকা গ্রহণ করেন তিনি। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে বিকাশ, নগদ ও রকেটের একাধিক নম্বরে মোট ১ কোটি ২০ লাখ টাকা পাঠানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ অভিযুক্তের অনুরোধে আরও ১০ হাজার ২০০ টাকা বিকাশে পাঠান ভুক্তভোগী।

    মামলায় দাবি করা হয়েছে, দীর্ঘ সময় পার হলেও টাকা ফেরত দেননি দেবু প্রসাদ রায়। বরং টাকা চাইলে তিনি নানা অজুহাত দেখান এবং পরে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এতে প্রতারণার মাধ্যমে মোট ১৩ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন মিজানুর রহমান।

    পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ৬০ কোটি রুপির জালিয়াতি মামলায় শিল্পা শেঠির জিজ্ঞাসাবাদ, রাজ কুন্দ্রাকেও তলবের প্রস্তুতি

    ৬০ কোটি রুপির জালিয়াতি মামলায় শিল্পা শেঠির জিজ্ঞাসাবাদ, রাজ কুন্দ্রাকেও তলবের প্রস্তুতি

    এবিএনএ: ৬০ কোটি রুপির প্রতারণা মামলায় বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠিকে দীর্ঘ সাড়ে চার ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে মুম্বাই পুলিশের ইকনমিক অফেন্সেস উইং (EOW)। মামলাটির তদন্ত চলছে এবং এতে তাঁর স্বামী রাজ কুন্দ্রাও অভিযুক্ত হিসেবে নাম রয়েছে।

    মুম্বাই পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিল্পার জবানবন্দি নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং তিনি তদন্তকারীদের হাতে নিজের বিজ্ঞাপন সংস্থার ব্যাংক লেনদেন সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা দিয়েছেন। পুলিশ বর্তমানে সেই নথিগুলো যাচাই করছে।

    EOW–এর একজন কর্মকর্তা জানান, শিল্পার বাড়িতেই তাঁর জিজ্ঞাসাবাদ নেওয়া হয়। পুলিশ জানতে চায়, তাঁর অ্যাকাউন্টে প্রতারণার অর্থ প্রবাহিত হয়েছে কি না, অথবা ব্যবসায়িক চুক্তির আড়ালে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না।

    এর আগে, একই মামলায় শিল্পার স্বামী রাজ কুন্দ্রার জবানবন্দি রেকর্ড করে মুম্বাই পুলিশ। তবে কিছু প্রশ্নের জবাবে নীরব থাকায় তাঁকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তদন্ত সংস্থা।

    অভিযোগকারী ব্যবসায়ী দীপক কোঠারি জানান, ২০১৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ব্যবসা সম্প্রসারণের নাম করে শিল্পা ও রাজ তাঁর কাছ থেকে প্রায় ৬০ কোটির বেশি রুপি প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন। রাজ দাবি করেন, সেই অর্থের একটি অংশ অভিনেত্রী বিপাশা বসুনেহা ধুপিয়াকে পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

    তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত সংস্থার ব্যাংক হিসাব থেকে সরাসরি কয়েকজন বলিউড অভিনেত্রীর অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তরের প্রমাণ মিলেছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শিল্পা শেঠি, বিপাশা বসু ও নেহা ধুপিয়া। এছাড়াও কিছু লেনদেনের সূত্র পাওয়া গেছে বালাজি এন্টারটেইনমেন্টের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে

    তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই মামলাটি বলিউডের অভ্যন্তরীণ আর্থিক লেনদেনের জাল উন্মোচন করতে পারে। শিল্পা ও রাজ কুন্দ্রার পর আরও কয়েকজন তারকাকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

  • প্রতারণা মামলায় আদালতের স্থগিতাদেশ, স্বস্তি পেলেন শাহরুখ ও দীপিকা

    প্রতারণা মামলায় আদালতের স্থগিতাদেশ, স্বস্তি পেলেন শাহরুখ ও দীপিকা

    এবিএনএ:  বলিউড তারকা শাহরুখ খান ও দীপিকা পাড়ুকোন রাজস্থানে দায়ের হওয়া প্রতারণা মামলায় আদালত থেকে স্বস্তি পেয়েছেন। হাইকোর্ট মামলাটিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছেন।

    ঘটনার সূত্রপাত ২৭ আগস্ট, যখন রাজস্থানের কীর্তি সিং নামের এক ব্যক্তি প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। তার দাবি, প্রায় ২৩ লাখ ৯৭ হাজার রুপি খরচ করে হুন্দাই কোম্পানির একটি গাড়ি কিনেছিলেন তিনি। কিন্তু কেনার পর থেকেই গাড়িটিতে নানান সমস্যা দেখা দেয়। বহুবার অভিযোগ জানানো হলেও কোম্পানির পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

    গাড়িটি কেনার ক্ষেত্রে শাহরুখ ও দীপিকার করা বিজ্ঞাপনের প্রভাব কাজ করেছে বলে জানান কীর্তি সিং। তিনি দাবি করেন, বিজ্ঞাপন দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে গাড়িটি কেনেন এবং সেই কারণেই দুই তারকার বিরুদ্ধেও মামলা করেন।

    পরে শাহরুখ খান ও দীপিকা পাড়ুকোন রাজস্থান হাইকোর্টে মামলা খারিজের আবেদন জানান। শুনানিতে শাহরুখের আইনজীবী কপিল সিবল যুক্তি দেন, “কোনো সেলিব্রিটি বিজ্ঞাপন করলেই পণ্যের মানের দায়ভার তার ওপর বর্তায় না।” দীপিকার আইনজীবীও একই বক্তব্য রাখেন।

    আইনজীবীরা আদালতকে আরও জানান, অভিযোগকারী প্রায় তিন বছর গাড়িটি ব্যবহার করেছেন এবং ৬৭ হাজার কিলোমিটার চালিয়েছেন। তাই বিষয়টি ভোক্তা আদালতে নিয়ে যাওয়া উচিত ছিল।

    বিচারপতি সুধেশ বংশাল পর্যবেক্ষণে বলেন, মামলার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। তাই শাহরুখ খান, দীপিকা পাড়ুকোনসহ সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে মামলা স্থগিত করা হলো।

    উল্লেখ্য, শাহরুখ খান ১৯৯৮ সাল থেকে হুন্দাইয়ের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করছেন। দীপিকা পাড়ুকোন ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে একই দায়িত্বে যুক্ত হন।