Tag: পোস্টাল ব্যালট

  • ভোট ও গণভোটকে ঘিরে কড়া নির্দেশনা, নির্বাচনের সময় মিশন ছাড়তে পারবেন না বাংলাদেশের কূটনীতিকরা

    ভোট ও গণভোটকে ঘিরে কড়া নির্দেশনা, নির্বাচনের সময় মিশন ছাড়তে পারবেন না বাংলাদেশের কূটনীতিকরা

    এবিএনএ: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশের কূটনীতিকদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন সময় এবং এর পরপরই কোনো মিশন প্রধান কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না।

    সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সব মিশনে (অনারারি কনস্যুলেট ব্যতীত) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়। এতে রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও স্থায়ী প্রতিনিধিদের নির্ধারিত সময়জুড়ে মিশনে উপস্থিত থাকার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভোট গ্রহণ থেকে শুরু করে ব্যালট সুষ্ঠুভাবে দেশে পাঠানো পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন করতেই মিশন প্রধানদের সরাসরি তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার দিন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়েও সংশ্লিষ্ট কূটনীতিকদের কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা আবশ্যক। এতে বিদেশের মাটিতে ভোট গ্রহণে স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা নিশ্চিত হবে বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়।

    ঢাকার একটি কূটনৈতিক সূত্র জানায়, পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিলম্ব এড়াতেই এই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। প্রবাসী ভোটারদের ভোট নিরাপদে গ্রহণ ও যথাযথ প্রক্রিয়ায় দেশে পাঠানোই এই নির্দেশনার মূল উদ্দেশ্য।

  • তিন দফা দাবিতে অনড় ছাত্রদল, সোমবার সকালেই ইসির সামনে ফের ঘেরাও কর্মসূচি

    তিন দফা দাবিতে অনড় ছাত্রদল, সোমবার সকালেই ইসির সামনে ফের ঘেরাও কর্মসূচি

    এবিএনএ: ব্যালট পেপারে অনিয়ম এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কার্যালয়ের সামনে চলমান অবস্থান কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ছাত্রদল। তবে সোমবার সকাল থেকেই আবারও কর্মসূচি শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

    রোববার রাতে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার হোসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব জানান, সোমবার বেলা ১১টা থেকে পুনরায় ইসি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান ও ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হবে।

    তিনি বলেন, রোববার সকাল থেকে ছাত্রদলের কয়েক হাজার নেতাকর্মী শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন কমিশনের সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন। পুরো কর্মসূচি ছিল সুশৃঙ্খল এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

    রাকিব আরও বলেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু মহল আন্দোলন নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছে, তবে সেগুলো তাদের নিজস্ব মতামত। আমাদের মূল তিনটি দাবির বিষয়ে নির্বাচন কমিশন অবগত রয়েছে। পোস্টাল ব্যালট সংক্রান্ত বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় কমিশন সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

    ছাত্রদলের সভাপতি অভিযোগ করেন, অতীতে একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠী নির্বাচন কমিশন ভবনে এসে একাধিক সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করেছে। বিষয়টি ইসির নজরে আনা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে যেন কেউ এমন প্রভাব খাটাতে না পারে, সে বিষয়ে কমিশন সতর্ক থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছে।

    তিনি জানান, রোববারের মতো ঘেরাও কর্মসূচি সাময়িকভাবে শেষ করা হলেও সোমবার আবারও তা শুরু হবে এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা উল্লেখ করে রাকিব বলেন, ২২ জানুয়ারির পর যদি কোনো ষড়যন্ত্র বা কৃত্রিম অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করা হয়, তাহলে ছাত্রদল তা কঠোরভাবে প্রতিহত করবে।

    এর আগে, পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বেলা ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয়, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণসহ বিভিন্ন থানা ইউনিটের সহস্রাধিক নেতাকর্মী।

    কর্মসূচির কারণে নির্বাচন ভবনের সামনের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশি ব্যারিকেডের সামনে ও বিপরীত সড়কে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। এতে সাধারণ মানুষকে বিকল্প পথে চলাচল করতে হয়।

    ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির সরাসরি কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।

    ছাত্রদলের উত্থাপিত তিন দফা অভিযোগ হলো—পোস্টাল ব্যালট ইস্যুতে পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত, একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর চাপে ইসির স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়া এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিতর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি।

  • পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষ বিতর্ক: প্রতীকের অবস্থান নিয়ে যা জানাল নির্বাচন কমিশন

    পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষ বিতর্ক: প্রতীকের অবস্থান নিয়ে যা জানাল নির্বাচন কমিশন

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পোস্টাল ব্যালটে বিএনপির প্রতীক ‘ধানের শীষ’-এর অবস্থান নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্যালট পেপার ছাপানোর ক্ষেত্রে সরকারি গেজেটে প্রকাশিত ক্রমধারাই অনুসরণ করা হয়েছে।

    বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, কমিশনের কাছে যে সরকারি গেজেট প্রকাশিত হয়েছে, তার ধারাবাহিকতা অনুযায়ীই পোস্টাল ব্যালটে দল ও প্রতীকগুলো সাজানো হয়েছে।

    এর আগে বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, ধানের শীষ প্রতীকটি ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যালটের মাঝামাঝি স্থানে রাখা হয়েছে। দলটির নেতাদের দাবি, ব্যালট ভাঁজ করলে এই প্রতীক অনেক সময় ভোটারের চোখ এড়িয়ে যেতে পারে। এ কারণে বিদেশে পাঠানো হয়নি—এমন পোস্টাল ব্যালট সংশোধনের দাবিও তোলে বিএনপি।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, পোস্টাল ব্যালট পুনর্মুদ্রণ বা সংশোধনের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত নয়। কমিশনের সভায় আলোচনা করেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    এই বিতর্ককে ঘিরে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • নির্বাচনে বড় পরিবর্তন: ফেরারি আসামি অযোগ্য, বাধ্যতামূলক হলো ‘না ভোট’

    নির্বাচনে বড় পরিবর্তন: ফেরারি আসামি অযোগ্য, বাধ্যতামূলক হলো ‘না ভোট’

    এবিএনএ:  আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর সংশোধনী চূড়ান্ত করেছে। সংশোধনীটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে, যা অনুমোদন পেলে নতুন বিধান কার্যকর হবে।

    বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, নতুন সংশোধনীতে নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো, আদালত কর্তৃক ঘোষিত ফেরারি আসামিরা আর কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। পাশাপাশি প্রার্থী যদি হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেন বা তথ্য গোপন করেন, কমিশন তদন্ত সাপেক্ষে তার প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে। এমনকি নির্বাচিত হওয়ার পরও প্রমাণিত হলে সংসদ সদস্যের পদ শূন্য ঘোষণা করা হবে।

    এবার থেকে ভোটকেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারকে সর্বময় ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তিনি চাইলে সরাসরি ভোটগ্রহণ বন্ধ বা চালু করার সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। আগে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করতে হতো।

    আরেকটি যুগান্তকারী পরিবর্তন হলো ‘না ভোট’ বাধ্যতামূলক করা। কোনো আসনে একক প্রার্থী থাকলেও তাকে সরাসরি বিজয়ী ঘোষণা করা যাবে না। প্রার্থীকে অবশ্যই ‘না ভোট’-এর বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। যদি দেখা যায় ‘না ভোট’ বেশি পড়েছে, তবে পুনঃতফসিল ঘোষণা হবে।

    সংশোধনীতে আরও যুক্ত হয়েছে—

    • ইভিএম পুরোপুরি বাতিল এবং পোস্টাল ব্যালট চালু। এতে প্রবাসী ভোটার, সরকারি কাজে বাইরে থাকা কর্মকর্তা, কারাগারে থাকা ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন।

    • নির্বাচনি ব্যয়ের সীমা সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা বা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা (যেটি বেশি হবে)।

    • প্রার্থীর জামানত ২০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা

    • পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ করে পরিবেশবান্ধব প্রচার নিশ্চিতকরণ।

    • নির্বাচনি এজেন্টকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট আসনের ভোটার হতে হবে।

    • প্রার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান বা সদস্য হলে নির্বাচন করতে পারবেন না।

    এছাড়া সাংবাদিকরা এবার থেকে ভোটগণনার সময় ভোটকেন্দ্রের ভেতরে উপস্থিত থাকতে পারবেন, তবে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত থাকতে হবে।

    নির্বাচন কমিশনের আশা, এসব সংশোধনী নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতামূলক এবং জনগণের আস্থার উপযোগী করবে।

  • অর্ধলাখ প্রবাসীর ভোটার আবেদন, শীর্ষে আমিরাত—প্রস্তুতি চলছে নতুন ছয় দেশে

    অর্ধলাখ প্রবাসীর ভোটার আবেদন, শীর্ষে আমিরাত—প্রস্তুতি চলছে নতুন ছয় দেশে

    এবিএনএ:  বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ভোটার হওয়ার আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৪৯ হাজার ৫৭৪ জন প্রবাসী ভোটার হতে আবেদন করেছেন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে—২০ হাজার ২০৯ জন।

    তালিকায় সবচেয়ে কম আবেদন জমা পড়েছে অস্ট্রেলিয়া থেকে, মাত্র ২৫ জন।

    ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নয়টি দেশের ১৬টি স্টেশনে বর্তমানে এই কার্যক্রম চালু রয়েছে। ৬ আগস্ট পর্যন্ত ২৯ হাজার ৭৬৩ জন প্রবাসী বায়োমেট্রিকসহ পূর্ণাঙ্গ নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।

    এ পর্যন্ত যাচাই-বাছাই শেষে ২১ হাজার ৯৭১ জন প্রবাসী ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। ১৮ হাজার ৩৪টি আবেদন ইতোমধ্যে সার্ভারে আপলোড হয়েছে, আরও ৩ হাজার ৯৩৭টি আপলোডের অপেক্ষায়। তবে বিভিন্ন তথ্য ঘাটতি ও ত্রুটির কারণে ৩ হাজার ৯৩৭টি আবেদন বাতিল হয়েছে, যার মধ্যে আমিরাতেই বাতিল হয়েছে সবচেয়ে বেশি—২,১৬৯টি।

    নতুন ছয় দেশে কার্যক্রম শুরু হচ্ছে

    জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এএসএম হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র, জর্ডান, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওমান, মালদ্বীপ এবং জাপানে ভোটার কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। এর আগে ২০১৯ সালে যুক্তরাজ্য ও আমিরাত থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়।

    নতুন এসব দেশে কার্যক্রম শুরুর জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে। প্রস্তুত করা হচ্ছে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি। জাপানে কার্যক্রম প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

    পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন প্রবাসীরা

    প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ইসি ‘পোস্টাল ব্যালট’ পদ্ধতি চালু করতে যাচ্ছে। এতে করে প্রবাসীরা অনলাইনে নিবন্ধন করে ব্যালট সংগ্রহ করবেন এবং নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দিয়ে তা ডাকযোগে পাঠাবেন। ব্যালটে কেবল প্রতীক থাকবে, প্রার্থীর নাম থাকবে না। অনলাইনে ভোটার প্রার্থীদের তালিকা দেখতে পাবেন।

    নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, প্রতি ব্যালট পাঠাতে ৫০০ টাকা ব্যয় হবে। পুরো কার্যক্রমের জন্য ৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।

    প্রবাসীদের বাধ্যতামূলক তথ্যপত্র

    ভোটার হতে অনলাইনে আবেদন করার সময় প্রবাসীদের চারটি তথ্যপত্র জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক:

    1. পূরণকৃত ফরম-২(ক)

    2. বৈধ মেয়াদসম্বলিত বাংলাদেশি পাসপোর্ট

    3. জন্মনিবন্ধন সনদ

    4. পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি

    এছাড়া নির্দিষ্ট এলাকার (বিশেষ করে চট্টগ্রাম অঞ্চলের) নাগরিকদের জন্য অতিরিক্ত কিছু ডকুমেন্ট চাওয়া হচ্ছে—যেমন, শিক্ষা সনদ, পিতামাতার এনআইডি, নাগরিকত্ব সনদ, নিকাহনামা, ইউটিলিটি বিল, ভাড়াটিয়া হলে বাড়িওয়ালার অনাপত্তিপত্র ইত্যাদি।

    প্রবাসী নাগরিকরা এসব কাগজপত্র নিবন্ধন কেন্দ্রে না জমা দিতে পারলে দেশে অবস্থানরত আত্মীয়দের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট উপজেলা অফিসে জমা দিতে পারবেন।

    বর্তমান নির্বাচন কমিশন বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই লক্ষ্যেই ধাপে ধাপে দেশের বাইরেও ভোটার কার্যক্রম সম্প্রসারিত হচ্ছে। সীমিত আকারে শুরু হলেও ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত পরিসরে ভোট দিতে পারবেন প্রবাসী নাগরিকরা।