Tag: পুলিশ

  • যোগদানের এক সপ্তাহেই প্রত্যাহার মৌলভীবাজারের এসপি রিয়াজুল, কারণ নিয়ে তোলপাড়

    যোগদানের এক সপ্তাহেই প্রত্যাহার মৌলভীবাজারের এসপি রিয়াজুল, কারণ নিয়ে তোলপাড়

    এবিএনএ: মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র সাতদিনের মাথায় প্রত্যাহার করা হয়েছে মো. রিয়াজুল ইসলামকে। শুক্রবার (১৫ মে) পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জারি করা এক আদেশে তাকে অবিলম্বে দায়িত্ব হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়।

    পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, রিয়াজুল ইসলামকে আগামী ১৬ মে’র মধ্যে দায়িত্বভার জেলার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার কাছে বুঝিয়ে দিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে রিপোর্ট করতে হবে।

    তবে হঠাৎ এই প্রত্যাহারের পেছনের কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে উল্লেখ করা হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক অঙ্গনসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

    অভিযোগ ঘিরে আলোচনা

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অভিযোগ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দাবি করা হয়, আড়াই কোটি টাকার চুক্তির মাধ্যমে রিয়াজুল ইসলাম মৌলভীবাজারের এসপি পদে বদলি হয়েছেন। যদিও এ অভিযোগের পক্ষে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রমাণ প্রকাশ হয়নি, তবুও বিষয়টি নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়।

    এর মধ্যেই তাকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

    আগেও প্রত্যাহার করা হয় দুই এসপি

    এর আগে একইভাবে ফেনী ও পঞ্চগড় জেলার দুই পুলিশ সুপারকেও প্রত্যাহার করেছিল পুলিশ সদর দপ্তর।

    প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তারা হলেন— ফেনীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান এবং পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।

    ক্রমাগত কয়েকজন জেলা পুলিশ প্রধানকে প্রত্যাহারের ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। তবে এসব বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    প্রশাসনিক মহলে বাড়ছে কৌতূহল

    মৌলভীবাজারের এসপি হিসেবে রিয়াজুল ইসলামের নিয়োগ ছিল সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত বদলিগুলোর একটি। দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই তার প্রত্যাহার প্রশাসনিক মহলে কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, পুলিশ প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ স্পষ্ট করা গুরুত্বপূর্ণ।

  • শাহবাগে ছাত্রদল-শিবির উত্তেজনা, থানায় ঢুকে হামলার অভিযোগ

    শাহবাগে ছাত্রদল-শিবির উত্তেজনা, থানায় ঢুকে হামলার অভিযোগ

    এবিএনএ: রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে শাহবাগ থানার ভেতরে আশ্রয় নেওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিকের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এ সময় ডাকসুর আরেক নেতা এ বি জুবায়েরও থানার ভেতরে আটকা পড়েন বলে জানা গেছে।

    সূত্র জানায়, ক্যাম্পাসে কথিত গুপ্ত রাজনীতি এবং জাইমা রহমানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে সন্ধ্যার দিকে শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় এলাকাজুড়ে উত্তেজনা তৈরি হয়।

    একপর্যায়ে এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিকের নেতৃত্বে ছাত্রশিবিরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন নেতা শাহবাগ থানার ভেতরে আশ্রয় নেন।

    অভিযোগ রয়েছে, এ সময় থানার ভেতরে ঢুকে মুসাদ্দিকের ওপর হামলা চালানো হয়। ঘটনাস্থলে ডাকসুর শিবির প্যানেলের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এবং মাস্টারদা সূর্যসেন হলের কার্যনির্বাহী সদস্য সাইয়েদুজ্জামান আলভিও অবস্থান করছিলেন।

    ঘটনার পর থানার বাইরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এলাকায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। ঘটনাটি ঘিরে শাহবাগ এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

  • পুলিশের ৯৯% সদস্য সৎ—কিছু অনিয়মে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেওয়া যাবে না: আইজিপি

    পুলিশের ৯৯% সদস্য সৎ—কিছু অনিয়মে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেওয়া যাবে না: আইজিপি

    এবিএনএ:পুলিশ বাহিনীর অধিকাংশ সদস্য সৎ ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেন, সামান্য কিছু অনিয়মের কারণে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়। এজন্য অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা, তদারকি ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

    সোমবার (২০ এপ্রিল) মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরে আয়োজিত জানুয়ারি–মার্চ ২০২৬ সময়ের দুই দিনব্যাপী ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    আইজিপি বলেন, দায়িত্বশীলতা ও সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীকে আরও জনবান্ধব ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিছুটা চ্যালেঞ্জিং ছিল, তবে সম্মিলিত উদ্যোগে তা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সফলভাবে একটি জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন করায় পুলিশ সদস্যদের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে এবং জনগণের আস্থাও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    তিনি বলেন, অপরাধ তদন্তে সিআইডি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও শীর্ষ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে। সিআইডির সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা, আইনি ক্ষমতা ও দায়িত্ববোধ বিচারব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করছে। তাই তদন্ত কার্যক্রমের গতি বাড়ানো, মান উন্নয়ন এবং সময়মতো নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে পেশাদারিত্ব বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

    আলী হোসেন ফকির বলেন, প্রত্যেক কর্মকর্তা ও সদস্যকে নিজের দায়িত্বকে সুযোগ হিসেবে নিয়ে দক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে। তদন্তের অগ্রগতি নিয়মিত তদারকির পাশাপাশি দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আধুনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক তদন্ত পদ্ধতির ওপর জোর দেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, অপরাধের মূল কারণ বিশ্লেষণ করে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। দ্রুত প্রতিক্রিয়ার জন্য কুইক রেসপন্স টিম প্রস্তুত রাখা এবং মাদক ও সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন আইজিপি।

    পুলিশ বাহিনীর নৈতিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হলে পুরো প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থ বা অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে হবে। জনগণের আস্থা অর্জনে পেশাদার আচরণ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

    সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, দুই দিনের সম্মেলনে জেলা ইউনিট, বিশেষায়িত ইউনিট ও সদর দপ্তরের কার্যক্রম, সাফল্য, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছে। আলোচনা থেকে পাওয়া সুপারিশের ভিত্তিতে আগামী তিন মাসের জন্য একটি বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, একজন সদস্যের ভুলে পুরো পুলিশ বাহিনীর সুনাম নষ্ট হতে পারে—এ বিষয়টি মাথায় রেখে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সাম্প্রতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে পুলিশ বাহিনী সফলভাবে এগিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    অনুষ্ঠান শেষে সিআইডির বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তাদের সাহসী ও কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার প্রদান করা হয়। সভায় সিআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি উপস্থিত ছিলেন এবং জেলা ইউনিটগুলোর কর্মকর্তারা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে অংশ নেন।

  • গভীর রাতে নারীর ঘরে এএসআই: গণপিটুনি, উঠল পরকীয়ার অভিযোগ

    গভীর রাতে নারীর ঘরে এএসআই: গণপিটুনি, উঠল পরকীয়ার অভিযোগ

    এবিএনএ: ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় গভীর রাতে এক নারীর ঘরে ঢুকে স্থানীয়দের হাতে আটক ও মারধরের শিকার হয়েছেন পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই)। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বলিভদ্রদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    আহত পুলিশ কর্মকর্তা এএসআই ইমরান ওই ইউনিয়নের সহকারী বিট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে ঘটনাটি নিয়ে দুই পক্ষের ভিন্ন দাবি সামনে এসেছে। পুলিশ সদস্যের বক্তব্য—তিনি আসামি ধরতে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট পরিবারের অভিযোগ—এটি পরকীয়ার ঘটনা।

    ভাইরাল ভিডিওতে যা দেখা গেছে

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ১৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এএসআই ইমরান সাদা পোশাকে রয়েছেন। তাঁর মাথায় কাপড় বাঁধা এবং মুখে রক্তের চিহ্ন দেখা যায়। ভিডিওতে কয়েকজন তাকে ঘিরে প্রশ্ন করছেন এবং মারধর করছেন। এ সময় তাকে বলতে শোনা যায়, “তুই আমার ভাই না, মারিস কেন?” ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তি দাবি করেন, তার পকেট থেকে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর প্যাকেট পাওয়া গেছে।

    এলাকাবাসীর দাবি

    স্থানীয় সূত্র জানায়, বলিভদ্রদিয়া গ্রামের মো. মেহেদী হাসান নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে সালথা ও বোয়ালমারী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে। ওই মামলার সূত্রে এএসআই ইমরানের যাতায়াত ছিল মেহেদীর বাড়িতে। পরে মেহেদীর স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ করা হয়।

    শুক্রবার গভীর রাতে মেহেদী হাসানের বাড়িতে প্রবেশ করলে স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে আটক করে মারধর করেন। পরে খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

    এএসআইয়ের বক্তব্য

    এএসআই ইমরান দাবি করেন, তিনি মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে ধরতে সেখানে গিয়েছিলেন। তবে গভীর রাতে সাদা পোশাকে একা যাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্ট কোনো উত্তর দেননি।

    আসামির পরিবারের অভিযোগ

    মেহেদী হাসান বলেন, তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হলেও প্রায়ই বাইরে থাকেন। সেই সুযোগে এএসআই ইমরান তার বাড়িতে গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে কথোপকথনের অডিও ও ভিডিও সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, গভীর রাতে ঘরে ঢুকলে এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

    পুলিশের বক্তব্য

    সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, মাদক মামলার আসামি ধরতে গেলে পরিবারের লোকজন ওই পুলিশ সদস্যকে আটক করে মারধর করেছে। তবে কেন তিনি গভীর রাতে একা এবং পুলিশের পোশাক ছাড়া সেখানে গিয়েছিলেন, সেটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।

  • কুষ্টিয়ায় পীর শামীম হত্যাকাণ্ড: চারজনের নামসহ দুই শতাধিক অজ্ঞাত আসামি, দায়ের হলো হত্যা মামলা

    কুষ্টিয়ায় পীর শামীম হত্যাকাণ্ড: চারজনের নামসহ দুই শতাধিক অজ্ঞাত আসামি, দায়ের হলো হত্যা মামলা

    এবিএনএ: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগরে পীর শামীম জাহাঙ্গীর হত্যার ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিহতের বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ফজলুর রহমান বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় মামলাটি করেন।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করে আরও প্রায় দুই শতাধিক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতের পরিবারের দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।

    মামলার অভিযোগে পীরের দরবারে হামলার ঘটনায় উস্কানির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চারজনের নামসহ অজ্ঞাত ২০০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। মামলার ভিত্তিতে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। পাশাপাশি ঘটনার নেপথ্যের কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

    এর আগে নিহত পীর শামীমের পরিবার মামলা না করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল। পরিবারের সদস্যরা পুলিশ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নেন বলে জানা যায়। তবে পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় মামলা দায়ের করা হয়।

    উল্লেখ্য, গত শনিবার দুপুরে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে ধর্মীয় ইস্যুকে কেন্দ্র করে পীর শামীম জাহাঙ্গীরের আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ সময় তাকে ও তার অনুসারীদের মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

    পরদিন রোববার কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যার দিকে ফিলিপনগরের পশ্চিম-দক্ষিণ কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

  • কুষ্টিয়ায় পীরের আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগের পর মৃত্যু; ধর্মীয় বক্তব্য ঘিরে উত্তেজনা

    কুষ্টিয়ায় পীরের আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগের পর মৃত্যু; ধর্মীয় বক্তব্য ঘিরে উত্তেজনা

    এবিএনএ: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় এক পীরের আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মারধরের শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন ওই আস্তানার প্রধান শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর। পরে তাকে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তার মৃত্যু হয়।

    শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধর্মীয় বক্তব্য নিয়ে বিতর্কের জেরে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয় এবং একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ লোকজন আস্তানায় হামলা চালায়।

    সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওতে উত্তেজনা

    স্থানীয়দের দাবি, শামীম রেজার বক্তব্য সংবলিত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তার কিছু বক্তব্য ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসীর একাংশ। এরপর দুপুরের দিকে লোকজন জড়ো হয়ে আস্তানায় হামলা চালায়।

    হামলার সময় স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। পাশাপাশি শামীম রেজা ও তার অনুসারীদের মারধরের ঘটনাও ঘটে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

    বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ

    স্থানীয়দের মতে, শামীম রেজা দীর্ঘদিন ধরে ভিন্নধর্মী মতবাদ প্রচার করছিলেন। ইসলামের প্রচলিত কিছু ইবাদত সম্পর্কে ভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়া এবং অনুসারীদের বিশেষ আচার পালনের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব বিষয় নিয়ে এলাকায় আগে থেকেই ক্ষোভ ছিল।

    এছাড়া অনুসারীদের দাফন কার্যক্রমে প্রচলিত নিয়মের বাইরে কিছু আচরণ এবং ধর্মীয় স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগও ওঠে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ আরও বাড়ে।

    আগেও ছিল মামলা

    জানা গেছে, শামীম রেজার বিরুদ্ধে এর আগেও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২০২১ সালে দৌলতপুর থানায় মামলা হয়েছিল। ওই সময় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি পুনরায় কার্যক্রম শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ

    ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

    পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বকেয়া বেতনের দাবিতে সাভারে সড়ক অবরোধ, থমকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের যান চলাচল

    বকেয়া বেতনের দাবিতে সাভারে সড়ক অবরোধ, থমকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের যান চলাচল

    এবিএনএ: ঢাকার সাভারে বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে সড়কে নেমে আন্দোলন করছেন একটি কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা। তাদের এই কর্মসূচির ফলে গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন স্টেট ফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এতে ওই সড়কে চলাচলকারী যানবাহন আটকে পড়ে এবং সৃষ্টি হয় ভোগান্তি।

    আন্দোলনরত শ্রমিকদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তাদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হচ্ছে না। বারবার কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনো সমাধান না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে তারা সড়ক অবরোধ করেছেন।

    এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে রওনা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

    পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন চালকরা।

  • সুন্দরবনে শুরু হলো যৌথ বাহিনীর টানা কম্বিং অপারেশন

    সুন্দরবনে শুরু হলো যৌথ বাহিনীর টানা কম্বিং অপারেশন

    এবিএনএ: সুন্দরবন জুড়ে বনদস্যুদের দৌরাত্ম্যে সাগর ও নদীঘেঁষা জনপদে জেলেদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অপহরণ, মারধর ও মুক্তিপণের দাবিতে নিপীড়নের খবরে গত কয়েক দিনে বহু জেলে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। প্রাণভয়ে সাগরে নামা বন্ধ করায় উপকূলজুড়ে কয়েক হাজার ট্রলার ও নৌকা ঘাটে নোঙর করে আছে। স্থানীয় মহাজনদের দাবি, এতে শেষ মৌসুমে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

    উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অপহৃত জেলেদের উদ্ধারে এবং দস্যু দমনে মঙ্গলবার সকাল থেকে বনের ভেতরে বিশেষ ‘কম্বিং অপারেশন’ শুরু হয়েছে। দুবলা, হারবাড়িয়া, কোকিলমনি, নন্দবারা ও জোংড়াসহ দুর্গম খাল ও চ্যানেলে একযোগে অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে র‌্যাব, কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী ও পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

    নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, দিনভর বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি ও নজরদারি চালানো হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে উদ্ধার বা দস্যু আটক সম্ভব না হলেও অভিযান থামছে না। অপহৃতদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনা এবং বনাঞ্চলকে দস্যুমুক্ত করাই এই বিশেষ অভিযানের মূল লক্ষ্য।

    জেলে প্রতিনিধিরা দ্রুত উদ্ধার ও টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, সাগরে নামতে না পারায় পরিবার-পরিজন নিয়ে অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে উপকূলীয় অর্থনীতিতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।

  • মীরসরাইয়ে ১৫০টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে দিল পুলিশ

    মীরসরাইয়ে ১৫০টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে দিল পুলিশ

    এবিএনএ,মীরসরাই: মীরসরাই উপজেলায় বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া ১৫০টি মোবাইলফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছে মীরসরাই থানা পুলিশ। তার ধারাবাহিকতায় গত সাপ্তাহে উদ্ধার হওযা ৫ টি ফোন উদ্ধার করে রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মীরসরাই থানায় এই মোবাইলফোনগুলো প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    মোবাইল উদ্ধারকারী অফিসার এএসআই মোঃ শামিনুর রহমান সুমন বলেন ” যখন কোন ব্যক্তির মোবাইল ফোন চুরি,ছিনতাই বা হারিয়ে যাওয়ার পর জিডি করার জন্য অসহায়ের মত থানায় আসেন এবং বলেন মোবাইলে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি আছে তখন তাদের দেখে খুবই মায়া লাগে এবং নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য নিজের সর্বোচ্চ টুকু দিয়ে মোবাইল উদ্ধারে চেষ্টা করি”।

    মীরসরাই থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন ভুক্তভোগীদের হাতে তাদের প্রিয় ফোনগুলো তুলি দিয়ে বলেন বিভিন্ন সময় মানুষের মোবাইল হারিয়েযায়, চুরি চিন্তায় হয়ে যায় সে প্রেক্ষিতে থানায় এসে তারা জিডি করে, আমি আসার পর থেকে এই পর্যন্ত ১৫০ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করি এবং গত এক সাপ্তাহে আমরা ৫টি মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    তিনি আরো বলেন নানা প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের ব্যস্ততা সত্ত্বেও আমরা মানুষের হারানো সম্পদ ফিরিয়ে দিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। সব ফোন উদ্ধার করা সবসময় সম্ভব না হলেও পুলিশের আইসিটি টিম এ বিষয়ে অত্যন্ত তৎপর রয়েছে এবং আগামীতেও এই উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    দীর্ঘদিন পর নিজের হারানো ফোন ফিরে পেয়ে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

  • অভূতপূর্ব নিরাপত্তা: ৮ হাজার ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র, সারা দেশে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

    অভূতপূর্ব নিরাপত্তা: ৮ হাজার ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র, সারা দেশে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে রাত পোহালেই। দেশের ২৯৯টি আসনে ভোট হবে। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি কেন্দ্রে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সেনা, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও আনসার বাহিনী সমন্বয়ে ভোটের মাঠ নিরাপদ করছে।

    প্রায় ৮ হাজার ৭৭০ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ১ লাখ ৮৭ হাজার পুলিশ ও আনসার সদস্য নির্বাচনের নিরাপত্তায় কাজ করছে। কেন্দ্রে স্থির, ভ্রাম্যমাণ এবং স্ট্রাইকিং টিম হিসেবে বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারি করা হবে, যেমন সিসি ক্যামেরা, বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা এবং ড্রোন।

    নির্বাচনে লাইসেন্সধারী অস্ত্র থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। লুট হওয়া হাজারেরও বেশি অস্ত্র উদ্ধারের প্রক্রিয়া চলছে। দেশের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রকে “মশারির মতো” নিরাপদ করার নীতি অনুসরণ করা হয়েছে, যাতে কোনো অপরাধী বা নাশকতাকারী সুযোগ না পায়।

    ডিএমপি ২৬,৫১৫ জন সদস্য, র‍্যাব ৮ হাজার সদস্য এবং আনসার ও ভিডিপি ৫ লাখ ৬০ হাজার সদস্য ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। বিজিবি দেশের বিভিন্ন নির্বাচনী বেইজ ক্যাম্প থেকে হেলিকপ্টার, বিশেষ টহল ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করে নিরাপত্তা দেবে। সেনা ও নৌবাহিনীও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করবে।

    নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষা করতে সকল বাহিনী ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত। সম্ভাব্য সহিংসতা, নাশকতা বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোটাররা নিরাপদে ভোট দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বাড়ি ফিরতে পারবে—এটি নিশ্চিত করার জন্য মাঠে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

    এছাড়া, প্রবাসী ও ভোটারদের মনিটরিং, ইলেকট্রনিক নজরদারি এবং তফসিল অনুসারে নির্বাচনী কার্যক্রম সুষ্ঠু রাখার জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্বাচনের প্রতিটি স্তরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করছে।