Tag: পিএসজি

  • মেসির ম্যাজিকে স্তম্ভিত এমবাপে! ট্রেনিং গ্রাউন্ডের সেই অভিজ্ঞতা শুনে অবাক ফুটবল দুনিয়া

    মেসির ম্যাজিকে স্তম্ভিত এমবাপে! ট্রেনিং গ্রাউন্ডের সেই অভিজ্ঞতা শুনে অবাক ফুটবল দুনিয়া

    এবিএনএ:  বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম তারকা কিলিয়ান এমবাপে নিজের ক্যারিয়ারে অনেক বড় খেলোয়াড়ের সঙ্গে খেলেছেন ও অনুশীলন করেছেন। তবে লিওনেল মেসি-র সঙ্গে কাটানো সময় তার কাছে এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা হয়ে আছে।

    যদিও এমবাপে ব্যক্তিগতভাবে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো-কে নিজের অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখেন, তবুও মেসির অসাধারণ প্রতিভা তাকে মুগ্ধ করেছে খুব কাছ থেকে। প্যারিসের ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেইন-এ একসঙ্গে খেলার সময় প্রতিদিনের অনুশীলনে মেসির দক্ষতা দেখে বিস্মিত হতেন তিনি।

    সম্প্রতি ‘দ্য ব্রিজ’ নামের একটি পডকাস্টে এমবাপেকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তার দেখা সবচেয়ে ব্যতিক্রমী ফুটবলার কে? জবাবে তিনি মজার ছলে বলেন, “মেসি যেন প্রতারণা করত!”—এর মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, মেসির খেলা এতটাই নিখুঁত ছিল যে তা অবিশ্বাস্য মনে হতো।

    সেই সময় পিএসজির আক্রমণভাগে ছিলেন নেইমার-ও। তিন তারকার সমন্বয়ে অনুশীলনের সময় ছিল দারুণ উপভোগ্য। তবে দক্ষতার বিচারে মেসি আলাদা বলেই মন্তব্য করেন এমবাপে। তার ভাষায়, “নেইমার অসাধারণ, কিন্তু মেসি সবকিছু আরও নিখুঁতভাবে করতে পারত।”

    একটি নির্দিষ্ট ঘটনার কথা তুলে ধরে এমবাপে বলেন, একদিন অনুশীলনে তারা ১০টি করে শট নিয়েছিলেন। সেখানে তিনি ও নেইমার ৬-৭টি গোল করলেও মেসি ৯টি শটেই গোল করেন, যা দেখে তিনি অবাক হয়ে যান। তার মতে, মেসির কাছে বিষয়টি যেন খুবই সহজ ছিল, ঠিক শিশুদের অনুশীলনের মতো।

    বার্সেলোনা ছাড়ার পর দুই মৌসুম পিএসজি-তে একসঙ্গে খেলেন মেসি ও এমবাপে। সেই সময়টুকু এখনো এমবাপের কাছে এক অনন্য অভিজ্ঞতা হয়ে রয়েছে, যা তাকে বারবার মেসির অসাধারণত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়।

  • ক্লাব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে কোন চার দল? জমবে কারা কার বিরুদ্ধে মহাযুদ্ধ?

    ক্লাব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে কোন চার দল? জমবে কারা কার বিরুদ্ধে মহাযুদ্ধ?

    এবিএনএ: ২০২৫ সালের ক্লাব বিশ্বকাপ এক নতুন রূপে হাজির হয়েছে ফুটবল দুনিয়ায়—প্রথমবারের মতো ৩২ দলের অংশগ্রহণে। মাসব্যাপী এই প্রতিযোগিতার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বজুড়ে। এবার নির্ধারিত হয়ে গেছে শেষ চারের লড়াই। চারটি শক্তিশালী ক্লাব জায়গা করে নিয়েছে সেমিফাইনালে, যা হতে যাচ্ছে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এক ভিন্নমাত্রার রোমাঞ্চ।

    প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ইংলিশ জায়ান্ট চেলসি এবং ব্রাজিলিয়ান ক্লাব ফ্লুমিনেন্স। কোয়ার্টার ফাইনালে সৌদি আরবের আল হিলালকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিতে পৌঁছায় ফ্লুমিনেন্স। অপরদিকে চেলসি সমান ব্যবধানে হারিয়েছে ব্রাজিলের আরেক শক্তিশালী ক্লাব পালমেইরাসকে। এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ৯ জুলাই রাতে ১টায়, যুক্তরাষ্ট্রের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে

    অপর সেমিফাইনালটিও হতে যাচ্ছে চোখ ধাঁধানো এক দ্বৈরথ, যেখানে মুখোমুখি হবে ইউরোপীয় দুই পরাশক্তি—রিয়াল মাদ্রিদপ্যারিস সেইঁ জার্মেই (পিএসজি)। ফরাসি ক্লাব পিএসজি বায়ার্ন মিউনিখকে ২-০ গোলে হারিয়ে জায়গা করে নেয় সেমিফাইনালে। অন্যদিকে রিয়াল মাদ্রিদ ৩-২ গোলে পরাজিত করে জার্মান ক্লাব বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে। এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১০ জুলাই রাত ১টায়, একই ভেন্যু মেটলাইফ স্টেডিয়ামে

    সবশেষে, ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে বহু প্রতীক্ষিত ফাইনাল ম্যাচ—যেখানে বিজয়ীরা লড়বে বিশ্বসেরা ক্লাব হওয়ার জন্য। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এই ম্যাচগুলো হতে যাচ্ছে উত্তেজনায় ভরপুর, যেখানে প্রতিটি মুহূর্তে থাকছে নাটকীয়তা, গতি আর গৌরবের লড়াই।

  • পিএসজির ঐতিহাসিক জয়ের উৎসবে সহিংসতা, প্রাণ গেল ২ জনের, গ্রেপ্তার ৫০০

    পিএসজির ঐতিহাসিক জয়ের উৎসবে সহিংসতা, প্রাণ গেল ২ জনের, গ্রেপ্তার ৫০০

    প্যারিস সাঁ জারমাঁ (পিএসজি)-এর চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জয়ের আনন্দ রূপ নিয়েছে ভয়াবহ সহিংসতায়। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসসহ আশপাশের এলাকায় উদযাপনের নামে ঘটে গেছে বিশৃঙ্খলা, সংঘর্ষ এবং প্রাণহানি। ফরাসি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সহিংসতায় এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ২ জন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ১৯২ জন। এ ঘটনায় ৫৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার রাতে পিএসজি যখন ইতালির ইন্টার মিলানকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ইউরোপ সেরার মুকুট ছিনিয়ে নেয়, তখন প্যারিসের রাস্তায় নেমে আসে হাজার হাজার উল্লসিত সমর্থক। কিন্তু সেই উৎসব কিছুক্ষণের মধ্যেই দাঙ্গায় রূপ নেয়। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত হয় গাড়ি, দোকানপাট ও বাসস্টপ।

    এবিএনএ:

    চ্যাম্পস এলিসেস সড়কে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ও পুলিশি বলপ্রয়োগ করতে বাধ্য হয় নিরাপত্তা বাহিনী। ওই এলাকার বিভিন্ন স্থানে বিক্ষুব্ধ সমর্থকরা পুলিশের ওপর বোতল, লাঠি ও অন্যান্য বস্তু ছুড়ে মারে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্যারিস থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪৯১ জন, যাদের মধ্যে ৩২০ জন বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। শহরজুড়ে অগ্নিসংযোগ, গাড়ি পোড়ানো ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে শতাধিক। অন্তত ২২ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও ৭ জন দমকলকর্মী আহত হয়েছেন এ ঘটনায়।

    এমন এক ঐতিহাসিক রাত, যা হওয়া উচিত ছিল আনন্দ ও গৌরবের, সেটিই শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় সহিংসতার ভয়াবহ দৃষ্টান্তে। ফ্রান্স সরকার ও পুলিশ বিভাগ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।