Tag: পাকিস্তান ক্রিকেট

  • পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেন শাহীন, নেই বাবর-রিজওয়ান!

    পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেন শাহীন, নেই বাবর-রিজওয়ান!

    এবিএনএ: বাংলাদেশ সফর শেষে এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের পথে রওনা দিচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে তারা খেলবে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। সফরের জন্য ঘোষিত স্কোয়াডে এসেছে বড় কিছু পরিবর্তন, বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি দলে বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ানকে রাখা হয়নি, যা অনেককে অবাক করেছে।

    অপরদিকে, পাকিস্তানের পেস তারকা শাহীন শাহ আফ্রিদি ফিরেছেন টি-টোয়েন্টি দলে। দীর্ঘ সময় পর বল হাতে ফেরার অপেক্ষায় থাকা শাহীন এই ফরম্যাটে নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন।

    ওয়ানডে স্কোয়াডে আছেন ২২ বছর বয়সী তরুণ ব্যাটার হাসান নওয়াজ, যিনি সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে নজরকাড়া পারফরম্যান্সে সকলের দৃষ্টি কেড়েছেন। তার দ্রুততম সেঞ্চুরির ঝলক এবার ওয়ানডেতে দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    সফল টি-টোয়েন্টি সিরিজের পরও ঘরের মাঠে খেলা হাসান আলী বাংলাদেশ সিরিজে ছিলেন না। তবে এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের দুই ফরম্যাটেই রয়েছেন তিনি। বাদ পড়েছেন সালমান মির্জা ও আব্বাস আফ্রিদি।

    এছাড়া মোহাম্মদ নওয়াজ ও হুসেইন তালাত ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দুই দলেই নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন।

    এই সিরিজ দিয়ে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের ওয়ানডে দলের দায়িত্ব নিচ্ছেন সাদা বলের প্রধান কোচ মাইক হেসন। তার অধীনে রিজওয়ান ও বাবর আজম ওয়ানডেতে মাঠে নামবেন। পেস বোলিং বিভাগে নেতৃত্ব দেবেন শাহীন শাহ আফ্রিদি ও নাসিম শাহ।

    টি-টোয়েন্টি সিরিজের সূচি:
    শুরু হবে ৩১ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের লডারহিলে। বাকি দুটি ম্যাচ হবে ২ ও ৩ আগস্ট।

    ওয়ানডে সিরিজ:
    ৮, ১০ ও ১২ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে ব্রায়ান লারা ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে, ত্রিনিদাদে।


    টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড:

    সালমান আলী আগা (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, ফাহিম আশরাফ, ফখর জামান, হারিস রউফ, হাসান আলী, হাসান নওয়াজ, হুসেইন তালাত, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ হারিস (উইকেটকিপার), মোহাম্মদ নওয়াজ, শাহিবজাদা ফারহান (উইকেটকিপার), সাইম আইয়ুব, শাহীন শাহ আফ্রিদি, সুফিয়ান মুকিম।


    ওয়ানডে স্কোয়াড:

    মোহাম্মদ রিজওয়ান (অধিনায়ক), সালমান আলী আগা, আব্দুল্লাহ শফিক, আবরার আহমেদ, বাবর আজম, ফাহিম আশরাফ, ফখর জামান, হাসান আলী, হাসান নওয়াজ, হুসেইন তালাত, মোহাম্মদ হারিস (উইকেটকিপার), মোহাম্মদ নওয়াজ, নাসিম শাহ, সাইম আইয়ুব, শাহীন শাহ আফ্রিদি, সুফিয়ান মুকিম।


    পাকিস্তানের এই সফরে অভিজ্ঞ ও নতুনদের মিশেলে দল সাজানো হয়েছে। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে নতুন পরিকল্পনার ইঙ্গিত মিলেছে স্কোয়াডে বাবর ও রিজওয়ানকে না রাখার মাধ্যমে। এখন দেখার বিষয়, দল কেমন পারফর্ম করে এই চমকজাগানো কম্বিনেশন নিয়ে।

  • হোয়াইটওয়াশের স্বপ্ন ভেঙে ধস, পাকিস্তানের কাছে ৭৪ রানে হার টাইগারদের

    হোয়াইটওয়াশের স্বপ্ন ভেঙে ধস, পাকিস্তানের কাছে ৭৪ রানে হার টাইগারদের

    এবিএনএ: সিরিজ জয় নিশ্চিতের পর তৃতীয় ও শেষ টি-২০ ম্যাচে হোয়াইটওয়াশের লক্ষ্যে মাঠে নামে বাংলাদেশ। তবে পাঁচটি পরিবর্তন করে একাদশে ‘নতুনত্ব’ আনতেই ঘটে যায় বিপর্যয়। ব্যাটিং লাইনআপ মুখ থুবড়ে পড়ে মাত্র ১৬.৪ ওভারে ১০৪ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা।

    বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং নেন অধিনায়ক লিটন দাস। তবে নতুন বলের সুবিধা নিতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশের বোলাররা। পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি শাহিবজাদা ফারহান ও সাঈম আইয়ূব মিলে যোগ করেন ৮২ রান। ফারহান ৪১ বলে ৬৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ৬টি চার ও ৫টি ছক্কা মারেন। সাঈম করেন ১৫ বলে ২১ রান।

    শুরুটা জমকালো করেই পাকিস্তান তুলে ফেলে ২০ ওভারে ১৭৮ রান। মাঝের ওভারগুলোয় হাসান নওয়াজ ১৭ বলে ৩৩ এবং মোহাম্মদ নওয়াজ ১৬ বলে ২৭ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন।

    বাংলাদেশের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ, যিনি ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। তবে অন্য বোলাররা ছিলেন মার খাওয়া অবস্থায়—তাসকিন ৪ ওভারে ৩৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট, শরিফুল ৩৯ রানে ১ উইকেট, সাইফউদ্দিন ১ উইকেট পেলেও রান দেন ২৮।

    জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ওপেনার তানজিদ তামিম পেছনে ক্যাচ দেন, পরের ওভারে বিদায় নেন লিটন দাস (৮ বলে ৮)। এরপর একে একে সাজঘরে ফেরেন মেহেদী মিরাজ (১০), জাকের আলী (১), শেখ মেহেদি (০)। স্কোরবোর্ডে তখন মাত্র ২৫ রান, উইকেট ৫টি পড়ে গেছে।

    নাঈম শেখও দায়িত্ব নিতে ব্যর্থ হন, ১৭ বলে করেন মাত্র ১০ রান। শেষ দিকে সাইফউদ্দিন কিছুটা লড়াই করে ৩৪ বলে ৩৫ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন, মেরে দেন ২টি চার ও ২টি ছক্কা। তবে তা যথেষ্ট ছিল না পরাজয় এড়াতে।

    পাকিস্তানের বোলিং ছিল ধারালো—সালমান মির্জা ৪ ওভারে ৩ উইকেট (২০ রান), ফাহিম আশরাফ ২ ওভারে ২ উইকেট, মোহাম্মদ নওয়াজ ১.৪ ওভারে ৪ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নেন।

    এই হারে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে শেষ করল বাংলাদেশ। হোয়াইটওয়াশের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, সেটি ভেঙে শেষ হলো বড় ব্যবধানে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে।

  • মাত্র ১১০ রানে গুটিয়ে পাকিস্তান, মুস্তাফিজের দুর্দান্ত রেকর্ডে উল্লসিত বাংলাদেশ

    মাত্র ১১০ রানে গুটিয়ে পাকিস্তান, মুস্তাফিজের দুর্দান্ত রেকর্ডে উল্লসিত বাংলাদেশ

    এবিএনএ:  টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে শুরু থেকেই দাপট দেখালো বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে মাত্র ১১০ রানে গুটিয়ে দিল টাইগাররা। এই সংস্করণে বাংলাদেশের বিপক্ষে এটিই পাকিস্তানের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। আগের রেকর্ডটি ছিল ২০১৬ সালে মিরপুরে ১২৯ রান।

    ইনিংসের শেষ ওভারে তাসকিন আহমেদ একাই তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানের ইনিংসে শেষ ছাপ টানেন। মাত্র ২২ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা বোলারদের একজন হয়ে ওঠেন তিনি। তবে আলোচনার কেন্দ্রে মুস্তাফিজুর রহমান। ৪ ওভার বোলিং করে মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করে তিনি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে কম রান দেওয়া বোলিংয়ের রেকর্ড গড়েন।

    এর আগে, পাকিস্তানের শুরুটা ছিল হতাশাজনক। ৫০ রান পূরণের আগেই তারা হারায় ৫ উইকেট। ফখর জামান ৪৪ রান করলেও রান আউট হয়ে ফিরতে হয় তাকে। খুশদিল শাহ করেন ১৭ রান। বাকিরা ছিলেন নড়বড়ে। শেখ মেহেদী, তানজিম সাকিব ও রিশাদ হোসেনের সুশৃঙ্খল বোলিংয়ে ধসে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ।

    বাংলাদেশের অধিনায়ক লিটন দাস টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান। নিজের সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল, তা প্রমাণ করে দিয়েছেন তার বোলাররা। নতুন বল হাতে শেখ মেহেদী প্রথম ওভারেই সুযোগ তৈরি করেন, যদিও ক্যাচ ছাড়েন তাসকিন। পরের ওভারেই সেই ভুলের শোধ নেন তিনি সাইম আইয়ুবকে ফিরিয়ে।

    পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আগা ৯ বলে করেন মাত্র ৩ রান। মোহাম্মদ হারিস, হাসান নওয়াজরা ছিলেন আরও ব্যর্থ। রান আউট, ক্যাচ আউট আর দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ের কারণে একের পর এক উইকেট হারায় সফরকারীরা।

    বাংলাদেশ একাদশে একমাত্র পরিবর্তন ছিল শরিফুল ইসলামের বদলে তাসকিন আহমেদের প্রত্যাবর্তন। সেই সিদ্ধান্তই দলের পক্ষে বড় সুবিধা বয়ে আনে। স্পিনারদের সঙ্গে পেসারদের দুর্দান্ত সমন্বয়ে গড়া একাদশ পাকিস্তানকে রীতিমতো ধসিয়ে দেয়।

    এই ম্যাচের আগে বাংলাদেশ ২১টি টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ৩টি জয় পেয়েছিল। তবে শ্রীলঙ্কা সফরের সাফল্যের পর আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ এবার শুরুতেই বার্তা দিল—তারা এবার ভিন্ন কিছু করতে প্রস্তুত।

    বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন, তাওহিদ হৃদয়, শামীম হোসেন, জাকের আলি, শেখ মেহেদী, রিশাদ হোসেন, মুস্তাফিজ, তাসকিন, তানজিম।

    পাকিস্তান একাদশ: ফখর জামান, সাইম আইয়ুব, মোহাম্মদ হারিস, হাসান নওয়াজ, সালমান আগা (অধিনায়ক), মোহাম্মদ নওয়াজ, খুশদিল শাহ, ফাহিম আশরাফ, আব্বাস আফ্রিদি, সালমান মির্জা, আবরার আহমেদ।

  • হোয়াইটওয়াশ এড়াতে গর্জে উঠল টাইগাররা, পাকিস্তানের বিপক্ষে ঝলমলে ব্যাটিংয়ে ১৯৬ রান

    হোয়াইটওয়াশ এড়াতে গর্জে উঠল টাইগাররা, পাকিস্তানের বিপক্ষে ঝলমলে ব্যাটিংয়ে ১৯৬ রান

    এবিএনএ:

    পাকিস্তানের মাঠে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর মিশনে আজ মরিয়া হয়ে নামে বাংলাদেশ। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দারুণ ব্যাটিং করে ৬ উইকেটে ১৯৬ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করিয়েছে টাইগাররা। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ শুরু থেকেই দেখিয়েছে আক্রমণাত্মক মনোভাব।

    প্রথম দুই ম্যাচে হেরে সিরিজ আগেই হারিয়েছে লাল-সবুজের দল। আজকের ম্যাচ ছিল সম্মান রক্ষার লড়াই। এমন পরিস্থিতিতে দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও পারভেজ হোসেন ইমন ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন। পাওয়ার প্লেতে আসে ৫৩ রান। ইমন মাত্র ২৭ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন, এবং একাদশ ওভারের শুরুতে বিশাল ছক্কায় দলীয় স্কোর নিয়ে যান তিন অঙ্কে।

    উদ্বোধনী জুটিতে তামিম-ইমন যোগ করেন ১১০ রান। এরপর তামিম ৩২ বলে ৪২ রান করে আউট হলে ভাঙে প্রথম উইকেট। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ইমনও ফিরে যান শাদাব খানের বলে ক্যাচ দিয়ে। তিনি করেন ৩৪ বলে ৬৬ রান, যেখানে ছিল ৭টি চার ও ৩টি ছক্কা।

    তৃতীয় উইকেটে লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় গড়েন গুরুত্বপূর্ণ জুটি। তবে অধিনায়ক লিটন ১৮ বলে ২২ রান করে বোল্ড হন হাসান আলীর বলে। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও, ব্যাটাররা থামেননি।

    শেষ দিকে আফিফ হোসেন, হৃদয় ও জাকির হাসানের ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ পৌঁছে যায় ১৯৬ রানের সংগ্রহে। প্রতিপক্ষের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য এখন ১৯৭।

     

    টাইগারদের এ পারফরম্যান্স দলীয় আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি, ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে আশার আলো জ্বালিয়েছে। এখন দেখার পালা, এই সংগ্রহ রক্ষা করতে কতটা সফল হয় বাংলাদেশের বোলাররা।

  • সিরিজ বাঁচাতে মরিয়া বাংলাদেশ, লাহোরে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে টাইগাররা

    সিরিজ বাঁচাতে মরিয়া বাংলাদেশ, লাহোরে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে টাইগাররা

    এবিএনএ:

    লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আজ বাঁচা-মরার লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয় ছাড়া কোনো পথ নেই টাইগারদের সামনে। কিন্তু শুরুটা আশানুরূপ হলো না—টস হেরে প্রথমে ফিল্ডিং করতে হচ্ছে লিটন দাসের দলকে।

    সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৩৭ রানে পরাজিত হয়ে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। ফলে আজকের ম্যাচে হার মানেই সিরিজ হাতছাড়া। সেই চাপ নিয়েই মাঠে নামছে টাইগাররা।

    টস জিতে পাকিস্তান অধিনায়ক ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। এদিন দুই দলের একাদশেই এসেছে পরিবর্তন। বাংলাদেশ দল থেকে বাদ পড়েছেন শেখ মেহেদি হাসান, তার জায়গায় দলে ফিরেছেন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। অন্যদিকে, চোটের কারণে পাকিস্তান একাদশে নেই ফখর জামান, তার পরিবর্তে ওপেনিংয়ে এসেছেন শাহিবজাদা ফারহান।

    বাংলাদেশের একাদশ:
    তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, লিটন দাস (অধিনায়ক), তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলি অনিক (উইকেটরক্ষক), শামীম হোসেন পাটোয়ারী, মেহেদী হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলাম।

    ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখ এখন লাহোরের মাঠের দিকে। এই ম্যাচে কি টাইগাররা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে? উত্তরের অপেক্ষায় কোটি ভক্ত।