Tag: পরিবার

  • শপথের রাতেই আবেগঘন শ্রদ্ধা—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গেলেন বাবা–মায়ের কবর জিয়ারতে

    শপথের রাতেই আবেগঘন শ্রদ্ধা—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গেলেন বাবা–মায়ের কবর জিয়ারতে

    এবিএনএ: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই পারিবারিক আবেগের এক বিশেষ মুহূর্ত কাটালেন তারেক রহমান। মঙ্গলবার রাতে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে গিয়ে বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-র কবর জিয়ারত করেন।

    সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং প্রয়াত ভাই আরাফাত রহমান কোকো-র স্ত্রী শর্মিলা রহমান

    দলীয় সূত্র জানায়, কবর জিয়ারত শেষে পরিবারের সদস্য ও উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া করেন। শপথের পর প্রথম কর্মসূচি হিসেবে এমন পারিবারিক শ্রদ্ধা নিবেদনকে অনেকেই আবেগঘন মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন।

    এর আগে বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। একই আয়োজনে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শপথ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান।

  • দশ বছরের অপেক্ষার পর পাঁচ সন্তানের জন্ম

    দশ বছরের অপেক্ষার পর পাঁচ সন্তানের জন্ম

    এবিএনএ,চট্টগ্রাম: এক নারী দীর্ঘ ১০ বছর নিঃসন্তান থাকার পর একসঙ্গে ৫ সন্তানের মা হয়েছেন। জন্ম নেওয়া সন্তানদের মধ্যে দুই ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মা ও নবজাতকরা সুস্থ আছেন। তবে নিরাপত্তার কারণে নবজাতকদের পার্কভিউ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (এনআইসিইউ) রাখা হয়েছে।

    সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে চট্টগ্রামের পিপলস হাসপাতালে। জানা গেছে, এনি আক্তার (৩০) বিয়ের দশ বছর পার হলেও সন্তান হচ্ছিল না। পরে তাঁরা ডা. ফরিদা ইয়াসমিন সুমির পরামর্শে ইন্ট্রা-ইউটেরাইন ইনসেমিনেশন (আইইউআই) পদ্ধতি গ্রহণ করেন। প্রথম মাসেই এ পদ্ধতিতে সফলতা আসে এবং দম্পতি সন্তানসুখের আশায় উল্লসিত হন। হাসপাতালের কর্মকর্তা মানিক জানিয়েছেন, বিকেলের দিকে এনি আক্তার প্রসূতি ব্যথা নিয়ে ভর্তি হন। ডা. সুমির তত্ত্বাবধানে পাঁচ সন্তানের জন্ম সম্পন্ন হয়। সকল নবজাতকের ওজন স্বাভাবিক এবং তাদের স্বাস্থ্য ঠিক আছে।নবজাতকরা বর্তমানে এনআইসিইউতে রাখা হয়েছে যাতে তারা পর্যাপ্ত যত্ন ও নজরদারির মধ্যে থাকে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, প্রথম কয়েক সপ্তাহের পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে বিশেষ যত্ন নেওয়া হচ্ছে যাতে সব শিশু স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়।

    পরিবারের সদস্যরা সন্তানদের জন্মে আনন্দিত। তারা জানিয়েছেন, দীর্ঘ ১০ বছরের অপেক্ষার পর একসঙ্গে পাঁচ সন্তান জন্মের ঘটনা তাদের জন্য এক নতুন আনন্দের সূচনা। পরিবার নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রস্তুত।ডা. সুমি বলেন, একাধিক সন্তানের জন্মের ক্ষেত্রে মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সতর্কতা খুবই জরুরি। তাই হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরা সব সময় তাদের তত্ত্বাবধানে রেখেছেন। ভবিষ্যতে তারা স্বাভাবিকভাবে বাড়ি ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।এই ঘটনা চট্টগ্রামের চিকিৎসা জগতে বিরল একটি ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মা ও শিশুদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। এটি নিঃসন্তান দম্পতিদের জন্য আশা ও আনন্দের এক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ফরিদা ইয়াসমিন সুমি জানিয়েছেন, জন্মপ্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল মা এবং নবজাতকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পাঁচ শিশুর জন্ম হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজনের ওজন যথাক্রমে ১ হাজার ৬০০ গ্রাম, ১ হাজার ৫০০ গ্রাম ও ১ হাজার ৪০০ গ্রাম। বাকি দুজনের ওজন ১ হাজার গ্রাম। সকল নবজাতক সুস্থ ও স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে।