Tag: ন্যায়বিচার

  • হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তাল শাহবাগ, ন্যায়বিচারের দাবিতে রাজপথে ছাত্র-জনতা

    হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তাল শাহবাগ, ন্যায়বিচারের দাবিতে রাজপথে ছাত্র-জনতা

    এবিএনএ: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা শরিফ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগে উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ছাত্র-জনতা দলে দলে শাহবাগে এসে জড়ো হতে থাকেন।

    সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শাহবাগ মোড়ে বিক্ষোভকারীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। কেউ মিছিল নিয়ে, আবার কেউ ব্যক্তিগত উদ্যোগে সেখানে পৌঁছান। হাতে জাতীয় ও প্রতিবাদী পতাকা, মুখে উচ্চারিত হচ্ছে স্লোগান—হাদির হত্যার বিচার চাই, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান।

    শনির আখড়া এলাকা থেকে আসা মাদ্রাসাছাত্র আশফাকুর রহমান বলেন, শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও সাহসী কণ্ঠস্বর। তার মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। প্রতিবাদ জানাতে আর ঘরে বসে থাকতে পারিনি।

    রামপুরা থেকে আসা ইমরুল কায়েস জানান, হাদির মৃত্যুর খবর গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, এই শোককে শক্তিতে পরিণত করে হত্যার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে।

    এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ শুরু হয়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষোভ ও প্রতিবাদের মাত্রা আরও তীব্র আকার ধারণ করে।

  • উত্তাল চট্টগ্রাম​, হাদির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি​

    উত্তাল চট্টগ্রাম​, হাদির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি​

    এবিএনএ,চট্টগ্রাম​: শরীফ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুর খবরে চট্টগ্রামে উত্তাল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। হাদির হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার রাত ১১ টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা দুই নম্বর গেইটে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে নেমেছেন জুলাই আন্দোলনের কর্মী-সমর্থকরা।

    বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে হাদির মৃত্যুর খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষুব্ধ জনতা নগরের ষোলশহর দুই নম্বর গেট এলাকায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। ক্ষোভে ফেটে পড়েন তার অনুসারীরা। রাত সাড়ে ১১টার দিকে কয়েকশ বিক্ষোভকারী দুই নম্বর গেইট মোড়ে জড়ো হয়ে সড়কের মাঝখানে অবস্থান নেন। এতে নগরীর এই ব্যস্ত সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় এবং সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট।

    বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ইনকিলাব মঞ্চের চট্টগ্রাম মহানগরের এক সংগঠক বলেন,’শরীফ ওসমান বিন হাদি শুধু একজন নেতা ছিলেন না, তিনি আমাদের আন্দোলনের সাহস ও অনুপ্রেরণা ছিলেন। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই—হাদির হত্যার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’ তিনি আরও বলেন, প্রশাসন যদি এই ঘটনায় গড়িমসি করে, তাহলে আন্দোলন আরও কঠোর কর্মসূচির দিকে যাবে।​

    বিক্ষোভ চলাকালে তারা চট্টগ্রামে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন ঘেরাও করার ঘোষণা দেন এবং হাইকমিশন বন্ধের দাবি তোলেন। এছাড়া নগরের অন্যান্য এলাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভের খবরও পাওয়া গেছে।​ রাত ১১টার পরে বিক্ষুব্ধরা দুই নম্বর গেট এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের চশমা হিলের বাসভবনের দিকে যান। সেখানে ভবনের সামনে থাকা একটি মোটরসাইকেলে আগুন জ্বালিয়ে তারা ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালান।

    এদিকে হাদির মৃত্যুর ঘটনায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন,“কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সবাইকে শান্ত থাকার অনুরোধ করছি। কারও ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না।”

    বিক্ষোভকারীদের দাবি, হাদির মৃত্যুর পেছনে সুস্পষ্ট ষড়যন্ত্র রয়েছে এবং এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। তারা অভিযোগ করেন, এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো পরিষ্কার বক্তব্য না আসায় জনমনে আরও সন্দেহ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

  • “অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ জনগণের সেবা, দলীয় স্বার্থ নয়”—হুঁশিয়ারি তারেক রহমানের

    “অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ জনগণের সেবা, দলীয় স্বার্থ নয়”—হুঁশিয়ারি তারেক রহমানের

    এবিএনএ:  অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ জনগণের স্বার্থে, কোনো দলের নয়—এ কথা জোর দিয়ে বলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই সরকারের দায়িত্ব হলো একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠন করা, যেখানে সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে।

    শনিবার রাজধানীর ফার্মগেট কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে মতুয়া বহুজন সমাজ ঐক্য জোটের আয়োজিত হিন্দু প্রতিনিধি সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ কারও দলীয় স্বার্থ বাস্তবায়ন নয়। বিএনপি সবসময় ভিন্ন মতকে শ্রদ্ধা করে, আর মতভেদের জায়গায় আমরা রাখি ‘নোট অফ ডিসেন্ট’। এটাই আমাদের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি।”

    হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “নিজেদের ধর্মীয় পরিচয় যেন কেউ দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আমরা সবাই এই স্বাধীন বাংলাদেশের সমান নাগরিক। বিএনপির কাছে দেশ ও জনগণের স্বার্থই সবার আগে।”

    তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন, “ফ্যাসিবাদের সময়ে বিএনপির প্রায় ৫০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দেড় লাখ মামলা করা হয়েছিল, শত শত কর্মী গুম ও খুনের শিকার হয়েছিলেন। কারণ দেশে তখন আইনের শাসন ছিল না।”

    তারেক রহমান বলেন, “ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন ছাড়া সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু—কোনো নাগরিকই নিরাপদ নয়। ন্যায়বিচারই পারে নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।”

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, “রামু বৌদ্ধ বিহার বা নাসিরনগর হামলার মতো ঘটনাগুলোর কোনো সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি। বিএনপি সবসময় নাগরিক তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে, কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি।”

    বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তিনি সতর্ক করে বলেন, “দেশ অস্থিতিশীল হলে পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকার ও গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোকে এ বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।”

    তিনি বলেন, “গুপ্ত কৌশলে অপশক্তি যাতে দেশকে অস্থিতিশীল না করতে পারে, তার জন্য জাতীয় ঐক্য অটুট রাখা জরুরি। বিএনপি সহযোগিতা ও সমঝোতার রাজনীতি বজায় রাখবে।”

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে তারেক রহমান জানান, ক্ষমতায় এলে বিএনপি প্রাথমিকভাবে ৫০ লাখ নারীপ্রধান পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকদের ফার্মাস কার্ড, এবং বেকার যুবকদের কারিগরি প্রশিক্ষণ ও ভাষা শিক্ষা প্রদানের উদ্যোগ নেবে।

    তিনি বলেন, “আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের জন্য থাকবে সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধির নিশ্চয়তা।”

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাবু সোমনাথ দে, উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুসহ বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের নেতারা।

  • রোহিঙ্গা নিপীড়নের ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করল ওআইসি

    রোহিঙ্গা নিপীড়নের ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করল ওআইসি

    এবিএনএ:  রোহিঙ্গাদের ওপর সংঘটিত নৃশংসতার আট বছর পূর্তিতে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) আবারও এই জনগোষ্ঠীর প্রতি সংহতি জানিয়ে ন্যায়বিচার ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের আহ্বান জানিয়েছে।

    সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানায়, রোহিঙ্গারা এখনও রাষ্ট্রহীনতা, নিপীড়ন এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার। বর্তমানে এক মিলিয়নেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে শরণার্থী হিসেবে দিন কাটাচ্ছেন। অপরদিকে মিয়ানমারে হাজারো রোহিঙ্গা হত্যা, বৈষম্য এবং গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হচ্ছেন।

    ওআইসি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) চলমান মামলার প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানায়, যা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে কাজ করছে। একই সঙ্গে তারা মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মিকে আইসিজের নির্দেশনা মেনে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।

    এ ছাড়া বাংলাদেশসহ ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলো যে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, তা বিশেষভাবে প্রশংসা করেছে সংগঠনটি। বিবৃতিতে বলা হয়, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের সহায়তায় মুসলিম বিশ্বের অবদান প্রশংসনীয় এবং এটি অব্যাহত রাখতে হবে।

    ওআইসি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি সংকটের মূল কারণ নিরসনে সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ জোরদারের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়, এই বিশেষ দিনে ওআইসি রোহিঙ্গা মুসলমানদের সাহস ও দৃঢ়তাকে শ্রদ্ধা জানায় এবং তাদের অধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্নবীকরণ করে।

  • বাংলাদেশে ন্যায়বিচারের নতুন দিগন্তের সূচনা করতে চাই: প্রধান বিচারপতির অঙ্গীকার

    বাংলাদেশে ন্যায়বিচারের নতুন দিগন্তের সূচনা করতে চাই: প্রধান বিচারপতির অঙ্গীকার

    এবিএনএ:  প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শুধু রায় প্রদানে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং আইনের সঠিক প্রয়োগ মানবিকতা নিশ্চিত করবে—এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন দেশের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

    মঙ্গলবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে লিগ্যাল এইডের ভূমিকা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমরা এমন এক দৃষ্টান্ত রেখে যেতে চাই, যাতে ভবিষ্যতে সবাই বলে—বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শুধু রায় দেয়নি, প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেছে।”

    জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি এই সভার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন বিচারপতি কাজী জিনাত হক। আলোচনায় আরও উপস্থিত ছিলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা, আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য সচিব এম জামিউল হক ফয়সাল।

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা যে সংস্কারের পথে হাঁটছি, সেটি কঠিন এবং চ্যালেঞ্জপূর্ণ হলেও দেশজুড়ে বিচার বিভাগ এবং আইন পেশার সদস্যদের সাড়া দেখে আমি আশাবাদী। রাজধানীসহ সাতটি বিভাগে সফর করে আমি বিচার বিভাগের পরিবর্তনের বার্তা পৌঁছে দিয়েছি।”

    তিনি আরও জানান, বিচার ব্যবস্থা উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোরও সমর্থন রয়েছে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) ছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য সুইডেন এই উদ্যোগে কেবল প্রযুক্তিগত নয়, নৈতিক সহায়তাও দিচ্ছে। এতে করে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের পথে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে।

    আইনি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দিকেও বিশেষ দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বলেন, “যারা দূর-দূরান্ত থেকে ন্যায়বিচারের আশায় আসে, তাদের জন্য আমাদের কার্যক্রম কেন্দ্রীভূত হওয়া উচিত।”

    বিচারপ্রার্থীদের অভিযোগ দ্রুত গ্রহণ সমাধানে সুপ্রিম কোর্টের মতো অধস্তন আদালতগুলোতেও হেল্পলাইন চালু করার ঘোষণা দেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, “৬৪ জেলা ৮টি মেট্রোপলিটন এলাকায় এই হেল্পলাইন চালু হবে, যাতে মানুষ সরাসরি দ্রুত অভিযোগ জানাতে পারেন।”

    এই দিনটি উপলক্ষে তিনি সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী, বিচারক, গণমাধ্যম এবং উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতি আহ্বান জানান—তারা যেন আরও মানবিক জনগণকেন্দ্রিক বিচার ব্যবস্থার জন্য নতুন করে প্রতিশ্রুতি নেন।