Tag: নৌপথ

  • পারস্য উপসাগরে বিস্ফোরক হুমকি ইরানের—হামলা হলে নৌপথে মাইন, বন্ধ হতে পারে বৈশ্বিক বাণিজ্য!

    পারস্য উপসাগরে বিস্ফোরক হুমকি ইরানের—হামলা হলে নৌপথে মাইন, বন্ধ হতে পারে বৈশ্বিক বাণিজ্য!

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ আরও চড়াল Iran। দেশটি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, যদি United States বা Israel তাদের উপকূল বা দ্বীপপুঞ্জে হামলা চালায়, তবে পুরো Persian Gulf জুড়ে নৌ-মাইন বসানো হবে, যা গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথগুলোকে অচল করে দিতে পারে।

    ইরানের জাতীয় প্রতিরক্ষা পরিষদের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সম্ভাব্য হামলার জবাবে উপসাগরের প্রবেশপথ ও যোগাযোগ লাইনগুলোতে বিভিন্ন ধরনের মাইন পেতে দেওয়া হবে। এর মধ্যে উপকূল থেকে নিক্ষেপযোগ্য ভাসমান মাইনও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে পুরো উপসাগরীয় এলাকা Strait of Hormuz-এর মতো সংকটের মুখে পড়তে পারে, যার ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

    ইরান সতর্ক করে জানিয়েছে, এর দায়ভার বহন করতে হবে হামলাকারী পক্ষকেই। একইসঙ্গে সংঘাতে জড়িত নয় এমন দেশগুলোর জন্য হরমুজ প্রণালী নিরাপদে ব্যবহার করতে হলে ইরানের সঙ্গে সমন্বয়ের প্রয়োজন হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

    এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যৌথ সামরিক হামলার পর থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ওই ঘটনার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান বিভিন্ন স্থানে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যার ফলে হতাহতের পাশাপাশি অবকাঠামোগত ক্ষতি এবং বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পারস্য উপসাগরে নৌ-মাইন স্থাপনের মতো পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে তা শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তাই নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

  • ঈদযাত্রায় কড়াকড়ি: সদরঘাটে অভিযান, জরিমানা ৭০ হাজার টাকা—আটক অর্ধশতাধিক

    ঈদযাত্রায় কড়াকড়ি: সদরঘাটে অভিযান, জরিমানা ৭০ হাজার টাকা—আটক অর্ধশতাধিক

    এবিএনএ: ঈদকে সামনে রেখে নৌপথে শৃঙ্খলা ফেরাতে রাজধানীর সদরঘাট এলাকায় জোরদার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিনভর সেখানে উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি তদারকি করেন মো. রাজিব আহসান

    নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিমন্ত্রী সরাসরি ঘাটের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং অনিয়ম রোধে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেন। তার উপস্থিতিতেই বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়।

    নির্ধারিত সময়সূচি ভঙ্গ করে বিলম্বে লঞ্চ ছাড়ার অভিযোগে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর ভ্রাম্যমাণ আদালত তিনটি লঞ্চকে মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করে। একই সঙ্গে অন্যান্য লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়।

    এ সময় প্রতিমন্ত্রী প্রায় ২০টি লঞ্চ ঘুরে দেখেন এবং যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার কথা শোনেন।

    অভিযানের অংশ হিসেবে যাত্রী হয়রানি ও অবৈধভাবে ঘাট দখলের অভিযোগে ৩৭ জন হকারকে আটক করে নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া অনুমতি ছাড়া নৌকা দিয়ে যাত্রী পারাপারের দায়ে আরও ৬ জন মাঝিকেও আটক করা হয়েছে।

    প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।

    পাশাপাশি যাত্রীদেরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো অনিয়ম চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

    অন্যদিকে, সাম্প্রতিক লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিখোঁজ যাত্রীদের খোঁজে যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ ও ফায়ার সার্ভিসের দল।

  • সদরঘাটে ভয়াবহ লঞ্চ দুর্ঘটনা—সংঘর্ষে প্রাণ গেল যুবকের, নিখোঁজ আরও ২

    সদরঘাটে ভয়াবহ লঞ্চ দুর্ঘটনা—সংঘর্ষে প্রাণ গেল যুবকের, নিখোঁজ আরও ২

  • বঙ্গোপসাগরে চার বনদস্যু চক্রের দাপট, ২০ জেলে অপহরণ

    বঙ্গোপসাগরে চার বনদস্যু চক্রের দাপট, ২০ জেলে অপহরণ

    এবিএনএ, মো.শাহাদাত হোসাইন, শরণখোলা: বঙ্গোপসাগরে পৃথক দুটি স্থানে জেলে বহরে হানা দিয়ে বনদস্যুরা ২০ জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। সোমবার দিবাগত রাতে সাগরের নারিকেলবাড়ীয়া ও আমবাড়ীয়ার খাড়ি এলাকায় এ অপহরণের ঘটনা ঘটে। বনদস্যুদের চারটি গ্রুপ সুন্দরবন ও সুন্দরবন সংলগ বঙ্গোপসাগর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। দস্যুরা বেপরোয়া হওয়ায় জেলেদের মাঝে চরম আতংক দেখা দিয়েছে।

    পূর্ব সুন্দরবনের জেলেপল্লী দুবলা ফরেষ্ট টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেষ্ট রেঞ্জার মিল্টন রায় মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে মোবাইল ফোনে বলেন, সেমবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) দিবাগত রাতে অজ্ঞাত পরিচয় বনদস্যু বাহিনী দুবলার নারিকেলবাড়ীয়া চর সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরারত জেলে বহরে হানা দেয়। দস্যুরা ৮টি ট্রলার থেকে ৮ জেলেকে তাদের ট্রলারে তুলে নিয়ে গেছে। অপহৃত জেলেরা হচ্ছেন, হরিদাস বিশ্বাস (৫০),গোপাল বিশ্বাস (৪৫),রমেশ বিশ্বাস (৫০), প্রশান্ত বিশ্বাস (৪৮), শংকর বিশ্বাস(৩৫),তুষার বিশ্বাস(৪০),মনিরুল বিশ্বাস (৪৮), ও উজ্জল কুমার বিশ্বাস (৪৫)। এদের বাড়ী খুলনার পাইকগাছা এলাকায়।
    এ ছাড়া সোমবার দিবাগত রাতে দুবলারচর সংলগ্ন সাগরের আমবাড়ীয়ার খাড়ি এলাকায় জেলেদের বহরে বনদস্যু সুমনজাহাঙ্গীর বাহিনী হানা দিয়ে অস্ত্রের মুখে ১২টি ট্রলার থেকে আলোরকোলের ১২ জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে বলে দুবলা ফিসারমেন গ্রুপের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ কামাল উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন। অপহৃত জেলেরা হচ্ছে, কালিদাস বিশ্বাস, কাশেম মোড়ল, সাধন বিশ্বাস,শিবপদ বিশ্বাস,রশিদ সরদার,প্রকাশ বিশ্বাস,ইয়াসিন মোড়ল,শিমুল,রুপ কুমার বিশ্বাস,গণেশ বিশ্বাস,উত্তম বিশ্বাস ও বাটু বিশ্বাস। এ সকল জেলেদের বাড়ী পাইকগাছা,কয়রা ও আশাশুনি এলাকায়।

    দুবলা ফিসারমেন গ্রুপের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, চারটি বনদস্যু গ্রুপ সুন্দরবন ও সাগর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এদের দাপটে জেলেদের মাঝে চরম আতংক দেখা দিয়েছে । দস্যুদের দমন করা না গেলে জেলেরা পেশা ছেড়ে দেওয়ার চিন্তা ভাবনা করছেন বলে কামাল উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন।

    সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মোঃ শরীফুল ইসলাম ২০ জেলে অপহরণের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জেলেদের নিরাপত্তায় বনরক্ষীদের টহল কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

  • ভোটের টানে দুবলারচর ছাড়লেন হাজারো শুঁটকিশ্রমিক জেলে, নৌপথে ফিরছে জনস্রোত

    ভোটের টানে দুবলারচর ছাড়লেন হাজারো শুঁটকিশ্রমিক জেলে, নৌপথে ফিরছে জনস্রোত

    এবিএনএ,মোঃ শাহাদাত হোসাইন, শরণখোলা: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য মাছ ধরা বন্ধ রেখে দুবলারচর ছেড়েছেন ৮ সহস্রাধিক জেলে। গত দুই দিনে এ সকল জেলে নিজ নিজ বাড়ীর পথে রওয়ানা হয়ে গেছেন।

    দুবলার আলোরকোল থেকে দুবলা ফিসারমেন গ্রুপের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ কামাল উদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারী) মোবাইল ফোনে বলেন, সুদুর বঙ্গোপসাগরের দুবলারচরেও লেগেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঢেউ। আলোরকোল, মাঝেরকেল্লা, নারিকেলবাড়ীয়া ও শেলারচর নিয়ে দুবলারচর গঠিত। দুবলার এ চারটি চরে দশ সহস্রাধিক জেলে অবস্থান নিয়ে সাগরে মাছ ধরে শুঁটকি করণ করে থাকেন।

    এ সকল জেলেদের বেশির ভাগের বাড়ী সাতক্ষীরার আশাশুনি, শ্যামনগর, তালা, বাগেরহাটের মোংলা ও রামপাল এবং খুলনার দাকোপ, পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলায়। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিভিন্ন দলের সংসদ সদস্য প্রার্থীরা দুবলারচরে জেলেদের মাঝে জনসংযোগ ও প্রচার প্রচারণা চালিয়ে গেছেন। ভোট দেওয়ার জন্য গত দুই দিনে ৮ সহস্রাধিক জেলে মাছ ধরা বন্ধ রেখে দুবলারচর ছেড়ে বাড়ীর পথে চলে গেছেন। ভোট দিয়ে তারা আবার দুবলারচরে ফিরে আসবেন বলে দুবলা ফিসারমেন গ্রুপের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ কামাল উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন।

    আলোরকোলের রামপাল জেলে সমিতির সভাপতি মোঃ মোতাসিম ফরাজী বলেন. গত এক যুগে ভোট দিতে পারিনি এবার ভোটের পরিবেশ ফিরে আসায় ভোট দিতে বাড়ী যাচ্ছি।

    সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের দুবলার আলোরকোল ফরেষ্ট টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেষ্টার তানভির হাসান ইমরান মোবাইল ফোনে বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদের ভোট দেওয়ার জন্য গত দুই দিনে প্রায় ৮ হাজার জেলে নিয়ম অনুযায়ী বন বিভাগের অনুমতি নিয়ে দুবলারচর থেকে বাড়ী চলে গেছেন।