Tag: নুরুল হাসান সোহান

  • ফাইনালের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে বোলিং

    ফাইনালের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে বোলিং

    এবিএনএ: এশিয়া কাপে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। জয়ী দল ফাইনালে খেলবে ভারতের সঙ্গে, আর হার মানেই বিদায়। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জাকের আলী। তবে ইনজুরির কারণে আবারও দলে নেই লিটন দাস।

    ভারতের বিপক্ষে না খেলা তাসকিন আহমেদকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে পাকিস্তানের বিপক্ষে। মূলত এই ম্যাচকে সামনে রেখেই তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে একাদশে সুযোগ পেয়েছেন অলরাউন্ডার শেখ মাহেদী। বাদ পড়েছেন ওপেনার তানজিদ তামিম, স্পিনার নাসুম আহমেদ এবং পেসার সাইফউদ্দিন। তাদের জায়গায় নুরুল হাসান সোহান, শেখ মাহেদী ও তাসকিন আহমেদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    অন্যদিকে পাকিস্তান অপরিবর্তিত একাদশ নিয়েই মাঠে নামছে।

    ভারত ইতিমধ্যেই দুই ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। শ্রীলঙ্কা দুই ম্যাচ হেরে বিদায় নিয়েছে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দুদলই শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছে, তাই আজকের জয়ী দল ফাইনালে জায়গা করে নেবে।

    বাংলাদেশের একাদশ: সাইফ হাসান, পারভেজ ইমন, তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন, জাকের আলী, নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, শেখ মাহেদী, তানজিম সাকিব, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান।

    পাকিস্তানের একাদশ: শাহিবজাদা ফারহান, ফখর জামান, সাইম আইয়ূব, সালমান আঘা, হুসেইন তালাত, মোহাম্মদ হারিস, মোহাম্মদ নওয়াজ, ফাহিম আশরাফ, শাহিন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ, আবরার আহমেদ।

  • নেপালকে হারিয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ ‘এ’ দল

    নেপালকে হারিয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ ‘এ’ দল

    এবিএনএ:  ডারউইনে নেপালের বিপক্ষে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। নুরুল হাসান সোহানের নেতৃত্বে ছায়া দলটি ৩২ রানে হারিয়েছে পূর্ণ শক্তির নেপাল জাতীয় দলকে। এর আগে পাকিস্তান ‘এ’-এর কাছে হেরে শুরু করলেও এবার দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল সোহানরা।

    শনিবার টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলে বাংলাদেশ ‘এ’। ৬.৩ ওভারে ৬০ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ে দল। তবে পরের ব্যাটাররা প্রত্যাশা অনুযায়ী রান তুলতে না পারায় ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৬ রানে থামে ইনিংস।

    ওপেনার নাঈম শেখ দ্রুত ২৫ রান করলেও আসল দায়িত্ব নেন জিসান আলম। তিনি ৪৬ বলে পাঁচটি চার ও পাঁচটি ছক্কার মারে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৩ রান করেন। মাঝের দিকে ব্যাট করতে নেমে আফিফ হোসেন ঝড়ো ইনিংস খেলেন—২৩ বলে নয়টি চার মেরে করেন ৪৮ রান। তবে শেষের দিকে নুরুল হাসান ও অন্যরা রান তোলায় ব্যর্থ হন।

    জবাব দিতে নেমে নেপাল শুরুতেই ধাক্কা খায়। মাত্র ৮৬ রানে তারা হারায় ৬ উইকেট। সেখান থেকে অভিজ্ঞ ব্যাটার কুশল মাল্লা কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তার ব্যাটে আসে ৪৭ বলে ৫৯ রান, যেখানে ছিল ৬ চার ও ১ ছক্কা। ওপেনার আসিফ শেখ ২৪ বলে ২৮ রান করেন। তবে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৪ রানের বেশি যেতে পারেনি নেপাল।

    বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে বোলাররা ছিলেন কার্যকর। বাঁ-হাতি স্পিনার রাকিবুল হাসান মাত্র ১৮ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। পেসার হাসান মাহমুদ শিকার করেন ২ উইকেট। রিপন ও তোফায়েল একটি করে উইকেট ভাগ করে নেন।

    নেপালের হয়ে লেগ স্পিনার সন্দীপ লামিচানে ভালো বল করে ২১ রান দিয়ে ১ উইকেট পান। এছাড়া পেসার রিজান ধাকাল ২ উইকেট শিকার করলেও রান দিয়েছেন অনেক—৩৪।