Tag: নির্বাচন পরিস্থিতি

  • ভোট চলাকালেই শেরপুর সদরে ব্যালট বই ছিনতাই—নিরাপত্তা জোরদার, এক বই উদ্ধার

    ভোট চলাকালেই শেরপুর সদরে ব্যালট বই ছিনতাই—নিরাপত্তা জোরদার, এক বই উদ্ধার

    এবিএনএ: শেরপুর সদরের চর মোচরিয়া ইউনিয়নের একটি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলার মধ্যেই ব্যালট বই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকে তিনটি ব্যালট বই নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে এর মধ্যে একটি উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাকি দুটি উদ্ধারে অভিযান চলছে।

    বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে নলবাইদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে। কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভোটের কাজ স্বাভাবিকভাবেই চলছিল। হঠাৎ কয়েকজন ব্যক্তি কেন্দ্রে ঢুকে দুটি কক্ষ থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট বই নিয়ে দ্রুত সরে পড়ে।

    কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার জানান, উদ্ধার হওয়া ব্যালট বইয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কিছু ভোট দেওয়া অবস্থায় পাওয়া গেছে। ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কেন্দ্রে পৌঁছে নিরাপত্তা জোরদার করে। সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

    উল্লেখ্য, শেরপুরের কয়েকটি আসনে নির্বাচন ঘিরে বাড়তি সতর্কতা রয়েছে। সকালে ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে পারে বলে স্থানীয়রা ধারণা করছেন।

  • চট্টগ্রামে ভোট দিতে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা ভোটারদের

    চট্টগ্রামে ভোট দিতে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা ভোটারদের

    এবিএনএ, চট্টগ্রাম: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সকাল হওয়ার আগেই চট্টগ্রামের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগে নারী-পুরুষসহ নানা বয়সী মানুষ কেন্দ্রে এসে অবস্থান নেন।

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকেই মানুষ ভোট দিতে ভোট কেন্দ্রে আসছেন। কেউ পায়ে হেঁটে, কেউ রিকশায় চেপে কেন্দ্রে যাচ্ছেন।

    চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার পশ্চিম আমিলাইষ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোর সাড়ে পাঁচটার সময় কিছুসংখ্যক উশৃংখল লোক ককটেল ফুটিয়ে গোলযোগ করতে আসলে এলাকায় ভোটারদের উপস্থিতিতে ও স্থানীয়রা তা প্রতিহত করেন।

  • ভোরের আলো ফোটার আগেই কেন্দ্রে ভিড়, লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন বিএনপি প্রার্থী—কালো টাকার অভিযোগে সরগরম মোংলা-রামপাল

    ভোরের আলো ফোটার আগেই কেন্দ্রে ভিড়, লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন বিএনপি প্রার্থী—কালো টাকার অভিযোগে সরগরম মোংলা-রামপাল

    এবিএনএ,মোংলা : ভোরের আলো ফোটার আগেই মোংলা ও রামপাল উপজেলার একাধিক ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি চোখে পড়ে। নির্ধারিত সময়ের আগেই কেন্দ্রমুখী মানুষের ঢল নামে। অনেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন ভোট দেওয়ার জন্য।

    সকাল শুরু হতেই বিএনপি প্রার্থী নিজ কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সারিতে দাঁড়িয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। প্রার্থীর এমন উপস্থিতিতে কেন্দ্রে বাড়তি উৎসাহ ও আগ্রহ দেখা যায়। উপস্থিত ভোটাররা জানান, শান্ত পরিবেশে ভোট দিতে পারছেন বলে তারা সন্তুষ্ট।

    এদিকে নির্বাচন ঘিরে মোংলা-রামপাল এলাকায় ‘কালো টাকা’ ব্যবহারের অভিযোগ ঘুরপাক খাচ্ছে। বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা তুঙ্গে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেকোনো অনিয়ম ঠেকাতে টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

    ভোটকেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত রাখতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তৎপর রয়েছেন। ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দিতে সহায়তা করতে কেন্দ্রভিত্তিক ব্যবস্থাপনাও জোরদার করা হয়েছে।

  • সকালেই ভোট দিলেন ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন, বললেন ‘নিরপেক্ষ ভোট হলে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’

    সকালেই ভোট দিলেন ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন, বললেন ‘নিরপেক্ষ ভোট হলে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’

    এবিএনএ, বাগেরহাট: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বাগেরহাট-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি বাগেরহাটের খান জাহান আলী ডিগ্রি কলেজ ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে নিজের ভোট দেন। একই কেন্দ্রে তার স্ত্রী তাহমিনা লিমাও ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

    ভোট দেওয়ার পর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন বলেন, সকালে ভোটকেন্দ্রের যে পরিবেশ দেখেছেন তাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভোটারদের উপস্থিতিও সন্তোষজনক এবং নির্বাচন যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়, তাহলে ফলাফল তাদের অনুকূলে আসবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

    সকাল থেকেই ভোটারদের কেন্দ্রে উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। নারী ও পুরুষ ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে পর্যায়ক্রমে বুথে প্রবেশ করে ভোট প্রদান করছেন। শান্ত পরিবেশে ভোট দিতে পেরে অনেক ভোটার সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন পর নিরুপদ্রব পরিবেশে ভোট দিতে পারাটা স্বস্তিদায়ক।

    নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খান জাহান আলী ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ হাজার ৫০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯৬৬ জন এবং নারী ভোটার ১ হাজার ৮৪ জন। চারটি বুথে একযোগে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

  • শেরপুরের হত্যাকাণ্ডে কঠোর বার্তা জামায়াত আমিরের: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা এখন জনতার পরীক্ষায়

    শেরপুরের হত্যাকাণ্ডে কঠোর বার্তা জামায়াত আমিরের: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা এখন জনতার পরীক্ষায়

    এবিএনএ: শেরপুরে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, এই ঘটনায় জনগণ এখন দেখতে চায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কীভাবে দায়িত্ব পালন করে এবং জাতিকে কেমন নির্বাচন উপহার দেয়।

    বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন। সেখানে শেরপুর-৩ আসনের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমের মৃত্যুর ঘটনা তুলে ধরেন জামায়াত আমির।

    ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার আয়োজিত ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বিএনপি সমর্থকদের সঙ্গে চেয়ার দখলকে কেন্দ্র করে বাক্‌বিতণ্ডা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর জেরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জামায়াত সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

    তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর অন্তত ৫০ জন নেতাকর্মী আহত হন। গুরুতর আহত তিনজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ৯টার দিকে মাওলানা রেজাউল করিম মারা যান।

    এই হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, কোনো ধরনের গড়িমসি জনগণ মেনে নেবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ও কার্যকর ভূমিকার মাধ্যমেই এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

    এ ছাড়া তিনি আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।

  • খুনিদের ধরতে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিল ইনকিলাব মঞ্চ, শাহবাগে আবারও কর্মসূচি

    খুনিদের ধরতে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিল ইনকিলাব মঞ্চ, শাহবাগে আবারও কর্মসূচি

    এবিএনএ: শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। একই সঙ্গে হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে রাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নিয়েছে, সে বিষয়ে জনগণের সামনে স্বচ্ছ জবাবদিহির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

    শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের এ আল্টিমেটাম ঘোষণা করেন। এর আগে দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি বলেন, হত্যার সঙ্গে জড়িত প্রত্যক্ষ ঘাতক থেকে শুরু করে পরিকল্পনাকারী ও সহায়তাকারী—সবার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

    তিনি জানান, আগামী রোববার বিকেল সাড়ে ৫টায় শাহবাগে আবারও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। একইসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও সহকারী উপদেষ্টাকে জনগণের সামনে এসে জবাবদিহি করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা না হলে তাদের পদত্যাগ দাবি করা হবে।

    আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, “এটি কোনো একক ব্যক্তির কাজ নয়। এর পেছনে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয়। আমরা কাউকে অন্ধভাবে দোষারোপ করছি না, আবার কাউকে সন্দেহের ঊর্ধ্বেও রাখছি না।”

    তিনি অভিযোগ করেন, ওসমান হাদির রাজনৈতিক সংগ্রাম কেবল একটি দলের জন্য নয়, বরং বিভিন্ন মহলের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছিল। তাই এই হত্যাকাণ্ডকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

    তিনি আরও বলেন, হত্যার ১৭২ ঘণ্টা পার হলেও রাষ্ট্র এখনো জানাতে পারেনি—খুনিরা কোথায়। “ওসমান হাদির রক্তের বিনিময়ে আমরা ঘোষণা করছি—খুনিদের সঙ্গে কোনো আপস নেই। যারা গণমাধ্যমে বা টকশোতে এই হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করবে, জনগণ তাদের প্রতিহত করবে।”

    নির্বাচন সামনে রেখে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, নির্বাচন বানচাল করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক শক্তিকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করতেই এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    বিক্ষোভ চলাকালে জনগণকে শান্ত থাকার এবং ভাঙচুরে না জড়ানোর আহ্বান জানান ইনকিলাব মঞ্চের এই নেতা।

    এদিকে কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শাহবাগ এলাকায় নেয়া হয় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ, এপিবিএন ও বিজিবির বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়। প্রস্তুত রাখা হয় জলকামান ও এপিসি। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল থেকে মিন্টো রোডমুখী সড়ক সাময়িকভাবে ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ রাখা হয়।

    এর আগে শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা শেষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে দাফন করা হয়। জানাজা ও দাফনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।