Tag: নিরাপত্তা সতর্কতা

  • গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নাশকতার আশঙ্কা: দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

    গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নাশকতার আশঙ্কা: দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

    এবিএনএ: নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি উগ্রবাদী সংগঠনের সমর্থকদের সম্ভাব্য নাশকতার আশঙ্কায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে মাঠ পর্যায়ের সব ইউনিটকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এবং জেলা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট সব ইউনিটকে পাঠানো এক নির্দেশনায় নিরাপত্তা জোরদার, নজরদারি বৃদ্ধি এবং সন্দেহজনক তৎপরতার ওপর কড়া নজর রাখার কথা বলা হয়েছে।

    গোয়েন্দা তথ্যে নাশকতার ইঙ্গিত

    সাম্প্রতিক সময়ে গ্রেপ্তার হওয়া এক উগ্রবাদী সদস্যের সঙ্গে চাকরিচ্যুত দুই সাবেক সদস্যের যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এই চক্রটি সমন্বিতভাবে নাশকতার পরিকল্পনা করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

    গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনা, ধর্মীয় উপাসনালয়, বিনোদনকেন্দ্র এবং গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগম এলাকা বিবেচনায় রয়েছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর ওপরও বাড়তি নজরদারি চালানো হচ্ছে।

    অস্ত্রাগারেও হামলার শঙ্কা

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিভিন্ন বাহিনীর অস্ত্রাগারেও হামলার চেষ্টা হতে পারে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। ফলে এসব স্থাপনায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    তাদের মতে, সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজনরা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এজন্য গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

    নিরাপত্তা জোরদারে নির্দেশনা

    এই পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা বাড়ানো, প্রবেশপথে কড়াকড়ি আরোপ, সন্দেহভাজনদের ওপর নজরদারি বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য যেকোনো নাশকতা ঠেকাতে মাঠ পর্যায়ে তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। সন্দেহজনক ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার কাজ চলছে বলেও জানিয়েছেন তারা।

  • মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা—সৌদি, কাতার ও আমিরাতের তেল স্থাপনা খালি করতে ইরানের হুমকি

    মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা—সৌদি, কাতার ও আমিরাতের তেল স্থাপনা খালি করতে ইরানের হুমকি

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। ইরান সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাস স্থাপনা লক্ষ্য করে সম্ভাব্য হামলার সতর্কতা দিয়েছে এবং সেসব এলাকা দ্রুত খালি করার আহ্বান জানিয়েছে।

    বুধবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এসব স্থাপনায় আঘাত হানার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা, কর্মী ও সাধারণ নাগরিকদের অবিলম্বে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে।

    সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, সৌদি আরবের সামরেফ পরিশোধনাগার ও জুবাইল পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল হোসন গ্যাসক্ষেত্র এবং কাতারের মেসাইদ পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সসহ গুরুত্বপূর্ণ শিল্প এলাকা এখন সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

    ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এসব স্থাপনা এখন ‘বৈধ সামরিক লক্ষ্য’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং খুব শিগগিরই সেখানে হামলা চালানো হতে পারে।

    বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই সতর্কবার্তা সাম্প্রতিক হামলা-পাল্টা হামলার ধারাবাহিকতার অংশ। এর আগে ইরানের সাউথ পার্স ও আসালুয়েহ অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটে, যার পেছনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় ইরানের তেল ও গ্যাস স্থাপনায় আঘাত হেনেছে। এরই প্রেক্ষিতে পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরান এই কঠোর সতর্কতা জারি করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    সর্বশেষ পরিস্থিতিতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ বেড়েছে এবং সম্ভাব্য বৃহৎ সংঘাতের আশঙ্কা আরও জোরালো হয়ে উঠছে।

  • নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশে থাকা মার্কিন নাগরিকদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি

    নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশে থাকা মার্কিন নাগরিকদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি

    এবিএনএ: বাংলাদেশে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। আসন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি ও নির্বাচনকেন্দ্রিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় রেখে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দূতাবাসের পক্ষ থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বার্তায় জানানো হয়, নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জাতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসবে, রাজনৈতিক কর্মসূচি, সমাবেশ ও বিক্ষোভ তত বাড়তে পারে।

    দূতাবাসের সতর্কবার্তায় বলা হয়, শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হওয়া কর্মসূচিতেও হঠাৎ সংঘর্ষ বা সহিংস পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের যেকোনো ধরনের বিক্ষোভ ও বড় জমায়েত এড়িয়ে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এ ছাড়া নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মার্কিন নাগরিকদের আশপাশের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা, নিয়মিত স্থানীয় সংবাদমাধ্যম অনুসরণ করা, ভিড়পূর্ণ এলাকা পরিহার করা এবং অপ্রয়োজনীয় চলাচল সীমিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।