Tag: ধর্ম

  • বাংলাদেশে জিলকদের চাঁদ দেখা যায়নি, ২০ এপ্রিল থেকে নতুন মাস শুরু

    বাংলাদেশে জিলকদের চাঁদ দেখা যায়নি, ২০ এপ্রিল থেকে নতুন মাস শুরু

    এবিএনএ: বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় শাওয়াল মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে। সে অনুযায়ী আগামী সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে জিলকদ মাস গণনা শুরু হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

    শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ।

    বৈঠকে দেশের বিভিন্ন জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। এসব তথ্য বিশ্লেষণের পর নিশ্চিত হওয়া যায় যে দেশের কোথাও জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে শাওয়াল মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হচ্ছে এবং ২০ এপ্রিল থেকে নতুন মাস শুরু হবে।

    সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব, ওয়াকফ প্রশাসনের প্রতিনিধি, আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, স্পারসোর বিজ্ঞানীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি জানিয়েছে, ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী চাঁদ না দেখা গেলে চলমান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করে পরবর্তী মাস শুরু হয়। সেই নিয়ম অনুসারেই এবার শাওয়াল মাস পূর্ণ করে জিলকদ মাস শুরু হচ্ছে।

  • হজের প্রস্তুতি জোরদার: লাখো হাজির জন্য মিনায় গড়ে উঠছে বিশাল তাঁবুর শহর

    হজের প্রস্তুতি জোরদার: লাখো হাজির জন্য মিনায় গড়ে উঠছে বিশাল তাঁবুর শহর

    এবিএনএ: চলতি বছরের হজকে সামনে রেখে মিনায় অস্থায়ী তাঁবুর শহর নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লাখো হাজির আবাসন নিশ্চিত করতে বিশাল এই অস্থায়ী নগরী গড়ে তুলছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

    পুরো মিনা এলাকায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত তাঁবু স্থাপন, চলাচলের পথ উন্নয়ন এবং উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা তৈরির কাজ চলছে। পাশাপাশি হাজিদের নিরাপদ অবস্থান নিশ্চিত করতে আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে।

    হাজিদের স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে পর্যাপ্ত চিকিৎসা ক্যাম্প, জরুরি সহায়তা কেন্দ্র এবং বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। এতে অসুস্থ বা বয়স্ক হাজিরা দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা পাবেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

    সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবারের হজে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা জোরদার করতে আধুনিক ক্রাউড ম্যানেজমেন্ট ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি হাজিদের অবস্থান পর্যবেক্ষণে ডিজিটাল ট্র্যাকিং প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হবে।

    বিশেষ করে বয়স্ক ও শারীরিকভাবে দুর্বল হাজিদের কথা মাথায় রেখে পরিবহন ব্যবস্থা ও বিশ্রামস্থল নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। এতে তাদের চলাচল সহজ হবে এবং ভিড়ের মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

    এছাড়া প্রতিটি তাঁবু ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনার মান যাচাই করা হচ্ছে কঠোরভাবে। হাজিদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে স্বেচ্ছাসেবক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও শুরু হয়েছে, যাতে তারা দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।