Tag: দুর্নীতি দমন কমিশন

  • দুদকে নতুন মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলী হোসাইন

    দুদকে নতুন মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলী হোসাইন

    এবিএনএ: বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন দায়িত্ব পেলেন বিচার বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। দুর্নীতি দমন কমিশনের (Anti-Corruption Commission) মহাপরিচালক (লিগ্যাল) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে Mohammad Ali Hossain-কে।

    সোমবার (৯ মার্চ) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে Ministry of Public Administration। সরকারি ওই আদেশে বলা হয়েছে, আইন ও বিচার বিভাগের সংযুক্ত কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আলী হোসাইনকে দুদকের মহাপরিচালক (লিগ্যাল) পদে পদায়ন করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তার চাকরি সাময়িকভাবে Cabinet Division-এ ন্যস্ত করা হয়েছে।

    দুদকের আইনি কার্যক্রম পরিচালনা, মামলা সংক্রান্ত পরামর্শ ও দুর্নীতি বিরোধী তদন্তের আইনি দিক তদারকিতে মহাপরিচালক (লিগ্যাল) পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।

    প্রশাসন সূত্র বলছে, বিচার বিভাগের অভিজ্ঞতা এবং আইন বিষয়ে দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতার কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে তাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। নতুন দায়িত্বে যোগ দেওয়ার পর তিনি কমিশনের আইনি কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে কাজ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

  • এনএসআইয়ে দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড়, ১৩ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক

    এনএসআইয়ে দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড়, ১৩ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক

    এবিএনএ: জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এনএসআই)-এর একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগের তালিকায় রয়েছেন তিনজন অতিরিক্ত পরিচালক, ছয়জন যুগ্ম পরিচালকসহ মোট ১৩ জন শীর্ষ কর্মকর্তা।

    রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রত্যেক অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথকভাবে অনুসন্ধান পরিচালনার জন্য দুদকের ১৩ জন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম।

    দুদক সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ গ্রহণ, চাঁদাবাজি, অর্থপাচার এবং নিজের ও স্ত্রীর নামে জ্ঞাত আয়ের বাইরে বিপুল সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাই করতেই এই অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

    যাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন এনএসআইয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আজিজুর রহমান, এম এস কে শাহীন ও মোহাম্মদ জহীর উদ্দিন। পাশাপাশি যুগ্ম পরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তা মো. ইসমাইল হোসেন, জি এম রাসেল রানা, এফ এম আকবর হোসেন, মো. নাজমুল হক, বদরুল আহমেদ ও শেখ শাফিনুল হকও তালিকাভুক্ত রয়েছেন।

    এছাড়া উপপরিচালক পদমর্যাদার কামরুল হাসান, আমিনুল হক, শেখ খাইরুল বাসার ও জহরলাল জয়ধরের বিরুদ্ধেও অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। দুদক জানিয়েছে, অনুসন্ধান শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • অবৈধ সম্পদের অভিযোগে সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা!

    অবৈধ সম্পদের অভিযোগে সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা!

    এবিএনএ:  অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের (মানি লন্ডারিং) অভিযোগে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল (অব.) শেখ আব্দুল হান্নান ও তাঁর স্ত্রী তাহমিদা বেগমের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    রবিবার এই মামলাগুলো দায়ের করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. তানজির হাসিব সরকার। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

    দুদকের দায়ের করা প্রথম মামলায় অভিযোগ রয়েছে, শেখ আব্দুল হান্নান নিজের বৈধ আয়ের বাইরে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৫১ হাজার ৫০৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। তাঁর ছয়টি ব্যাংক হিসাবে ২৭ কোটি ৬৩ লাখ ৬৬ হাজার ৭০১ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনও পাওয়া গেছে, যা মানি লন্ডারিংয়ের আওতায় পড়ে।

    এই অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    অপরদিকে, দ্বিতীয় মামলায় তাহমিদা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি অজানা উৎস থেকে ১ কোটি ৯১ লাখ ৯০ হাজার ৩০৪ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। তাঁর নামে থাকা ৩২টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য দুদক পেয়েছে।

    এই মামলায় তাহমিদাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে এবং তাকে অবৈধ সম্পদ সৃষ্টিতে সহায়তা করার অভিযোগে শেখ আব্দুল হান্নানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

    তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে।

    এ ব্যাপারে দুদক জানিয়েছে, সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন ও সম্পদ বিবরণীতে গরমিলের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

  • দুদকের নতুন সচিব হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মোহাম্মদ খালেদ রহীম

    দুদকের নতুন সচিব হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মোহাম্মদ খালেদ রহীম

    এবিএনএ:  দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) নতুন সচিব হিসেবে মোহাম্মদ খালেদ রহীম দায়িত্ব গ্রহণ করছেন। তিনি এর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    দুদকের বর্তমান সচিব খোরশেদা ইয়াসমিন সম্প্রতি অবসরোত্তর ছুটিতে যাওয়ায় শূন্য পদে খালেদ রহীমকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (১৬ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের ঘোষণা আসে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীমকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব পদে পদায়ন করা হয়েছে।

    দুদকে নতুন সচিবের দায়িত্ব পেয়ে মোহাম্মদ খালেদ রহীম এখন দুর্নীতি প্রতিরোধ, তদন্ত এবং বিচারিক কার্যক্রমে প্রশাসনিক নেতৃত্ব দেবেন।

    সরকারি সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনে তার অভিজ্ঞতা কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।


    👉 এই পদে নতুন নেতৃত্বের আগমনে দুদকের কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে প্রত্যাশা করছে সরকারি মহল।

  • নগদ কার্যালয়ে আবারো দুদকের অভিযান, অনুসন্ধানে উঠে আসছে হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির চিত্র

    নগদ কার্যালয়ে আবারো দুদকের অভিযান, অনুসন্ধানে উঠে আসছে হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির চিত্র

    এবিএনএ, ঢাকা:

    ডাক বিভাগের ডিজিটাল লেনদেনসেবার প্ল্যাটফর্ম ‘নগদ’-এর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের অভিযোগে আবারও অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ রবিবার দুপুরে দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক রবিউল হকের নেতৃত্বে একটি এনফোর্সমেন্ট টিম নগদের প্রধান কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করে।

    দুদকের জনসংযোগ দপ্তর জানিয়েছে, এটি পূর্ববর্তী তদন্তের ধারাবাহিকতা। নগদের একাধিক নিয়োগ, আর্থিক লেনদেন ও প্রশাসনিক ব্যয়ের অনিয়ম নিয়ে অভিযোগ জমা পড়েছে দুদকে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আজকের অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

    এর আগে, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি প্রথম দফায় নগদ কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছিল দুদক। সেবার এনফোর্সমেন্ট টিম প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ২,৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের প্রমাণ খুঁজে পাওয়ার দাবি করেছিল। সে সময়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিভিন্ন খাতে অস্বচ্ছ ব্যয়ের পাশাপাশি দুর্নীতিগ্রস্ত নিয়োগ প্রক্রিয়ার চিত্রও উঠে আসে।

    নতুন অভিযানে, আগের তদন্তের সঙ্গে মিলিয়ে নথিপত্র, চুক্তি এবং আর্থিক তথ্য যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এক দুদক কর্মকর্তা। অভিযান শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    নগদ-এর বিরুদ্ধে এভাবে বারবার তদন্ত ও অভিযানের ঘটনায় সারাদেশে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়টি প্রমাণ করে, দেশের ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থাপনাতেও দুর্নীতির জাল বিস্তৃত।

    জনগণের অর্থ ও আস্থার সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ সত্য হলে এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহলে।