Tag: দুর্গাপূজা ২০২৫

  • “দেখা যাক কী হয়!” — পূজা চেরির বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন অবশেষে

    “দেখা যাক কী হয়!” — পূজা চেরির বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন অবশেষে

    এবিএনএ:  শারদীয় দুর্গাপূজার রঙিন আবহে ভক্তদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে অংশ নিয়েছেন ঢালিউড অভিনেত্রী পূজা চেরি। সিঁদুর খেলায় অংশ নেওয়ার সময় গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তিনি—যেখানে উঠে আসে তার মাকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা এবং বিয়ে প্রসঙ্গেও কিছু খোলামেলা মন্তব্য।

    গতকাল বিজয়া দশমীতে রাজধানীর একটি পূজামণ্ডপে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন পূজা। জানতে চাওয়া হয়, দেবী দুর্গার কাছে কী প্রার্থনা করেছেন তিনি?

    পূজা জানান, “আমার মা—যিনি এখন আর এই পৃথিবীতে নেই, তার আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করেছি। চাই, তিনি যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন। আমরা সব সময় নিজেদের জন্য চাই, কিন্তু মা কেমন আছেন, সেটা ভাবি না। আজ তাকে বলেছি—‘তুমি যেন ভালো থাকো।’”

    ➤ বিয়ে প্রসঙ্গে কী বললেন পূজা চেরি?

    দর্শক-অনুরাগীদের কাছে বহুদিন ধরেই আলোচনার বিষয় পূজার বিয়ে। এবার সেই প্রসঙ্গেও কথা বলেন তিনি।

    “একজন আমাকে সিঁদুর পরিয়ে দিচ্ছিলেন, তখন বললেন, ‘প্রার্থনা করি যেন পরের পূজায় স্বামীসহ আসতে পারো।’ কথাটা শুনে একটু হাসলাম… তারপর ভাবলাম—দেখা যাক কী হয়! চিন্তার বিষয় চিন্তা করে দেখা যাবে,” বলেন পূজা চেরি।

    শিশুশিল্পী থেকে শুরু করে বর্তমানে নায়িকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা পূজা এখন তরুণ প্রজন্মের পছন্দের অভিনেত্রীদের একজন।

    ➤ পূজায় তারকাদের উপস্থিতি

    ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে এবার দেখা গেছে অনেক তারকা মুখ। পূজা চেরি ছাড়াও ছিলেন অন্যান্য জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীরা, যারা পূজোর আনন্দে ভক্তদের সঙ্গে সময় কাটান।

  • রাষ্ট্রের দায়িত্ব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা: শারদীয় বাণীতে তারেক রহমান

    রাষ্ট্রের দায়িত্ব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা: শারদীয় বাণীতে তারেক রহমান

    এবিএনএ:  বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব—এ কথা উল্লেখ করেছেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

    তারেক রহমান বলেন, “শারদীয় উৎসবকে ঘিরে যেন কোনো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট বা নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ যুগ যুগ ধরে সম্প্রীতির সঙ্গে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করে আসছে, এটিই আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সৌন্দর্য।”

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, উৎসব আমাদের পারস্পরিক সৌহার্দ, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির প্রতীক। রাষ্ট্র ও সংবিধান প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তাই নাগরিক নিরাপত্তা রক্ষা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব।

    বিএনপি নেতা বলেন, “ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে প্রত্যেক নাগরিক অন্য নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। যারা প্রতিহিংসা ও উৎপীড়নের মাধ্যমে সমাজকে ধ্বংস করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করা ন্যায্য।”

    হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, “আপনারা নিশ্চিন্তে ও উৎসাহ-উদ্দীপনায় সারাদেশে দুর্গোৎসব উদযাপন করুন। আমরা বিশ্বাস করি ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকারও সবার।”

    অন্যদিকে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক পৃথক বাণীতে অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাম্প্রদায়িক উসকানি ও ধর্মীয় স্থাপনায় আক্রমণ সংগঠিত হয়েছে। তবে বর্তমানে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে পূজামণ্ডপ পাহারা দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা সম্পন্ন করার চেষ্টা করছে। তিনি আশ্বস্ত করেন, বিএনপি এসব অপচেষ্টা প্রতিহত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

  • স্বৈরাচারের পতন হলেও ষড়যন্ত্র চলছে: শারদীয় দুর্গাপূজায় সতর্ক থাকার আহ্বান তারেক রহমানের

    স্বৈরাচারের পতন হলেও ষড়যন্ত্র চলছে: শারদীয় দুর্গাপূজায় সতর্ক থাকার আহ্বান তারেক রহমানের

    এবিএনএ: স্বৈরাচার সরকারের পতন ঘটলেও তাদের নানামুখী ষড়যন্ত্র আজও শেষ হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি অটুট রাখতে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তা নষ্ট করার যেকোনো ঘৃণ্য প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে দলের অবস্থান দৃঢ়।

    বুধবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ঐতিহ্যগতভাবে দেশের মানুষ সহযোগিতার মাধ্যমে দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নে পালন করে আসছে, যা ধর্মীয় সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে স্বৈরশাসনের সুবিধাভোগীরা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বারবার এই সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা চালিয়েছে। এবারের দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

    তারেক রহমান আরও বলেন, ‘‘সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান দুর্গা পূজাকে কেন্দ্র করে আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে জনগণের সহযোগিতায় পূজার নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন আয়োজন নিশ্চিত করতে কাজ করতে হবে।’’

    অন্যদিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, হিন্দু সম্প্রদায় পূজার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। দুর্গাপূজা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং তা সব সম্প্রদায়ের মাঝে আনন্দ ও সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি করে। তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক ফায়দার জন্য বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করে।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘‘আসন্ন দুর্গাপূজায় যেকোনো ষড়যন্ত্র বা নাশকতা ব্যর্থ করে দিতে হবে। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য বহন করছে, সেটিকে অটুট রাখতে হবে।’’

    মির্জা ফখরুল আরও আহ্বান জানান, বিএনপি’র নেতাকর্মীরা সারাদেশের পূজামণ্ডপগুলোতে পাহারাদারীর মতো কাজ করবে, যাতে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপন সম্ভব হয়।

  • দেশজুড়ে ৩৩ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা, নিরাপত্তায় কড়া ব্যবস্থা

    দেশজুড়ে ৩৩ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা, নিরাপত্তায় কড়া ব্যবস্থা

    এবিএনএ:  সারা দেশে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য প্রায় ৩৩ হাজার মণ্ডপে আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিষয়ক এক বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

    উপদেষ্টা জানান, এ বছর সনাতন ধর্মাবলম্বীরা কোনো ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেননি। গতবার যেমন শান্তিপূর্ণভাবে পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, এবারের প্রত্যাশাও একই রকম। তবে দুষ্কৃতকারীরা সুযোগ নিতে পারে—তাই সবাইকে একসঙ্গে থেকে তা প্রতিহত করার আহ্বান জানান তিনি।

    ঢাকা মহানগরে ২৫৫টি এবং দেশের বিভিন্ন মহানগরে প্রায় ১ হাজার ২৭০টি মণ্ডপে পূজা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তালিকা আপডেটের কারণে এ সংখ্যা কিছুটা বাড়তে পারে। তিনি বলেন, তালিকার বাইরে মণ্ডপ হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সমস্যা দেখা দেয়, তাই প্রতিটি মণ্ডপের তথ্য প্রশাসনের কাছে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

    নিরাপত্তার অংশ হিসেবে বিসর্জন কার্যক্রম সন্ধ্যা ৭টার মধ্যেই শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পূজাকে ঘিরে কোনো বড় মেলা বসবে না, তবে অনুমতি নিয়ে ছোটখাটো দোকান বসতে পারবে।

    উপদেষ্টা আরও জানান, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আনসার, পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি মোতায়েন থাকবে। সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজিবি মূল দায়িত্ব পালন করবে। আনসার সদস্যরা থাকবেন সর্বত্র, যার সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় সাড়ে তিন লাখ।

    তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সবার সহযোগিতায় এবারের দুর্গাপূজা হবে আরও শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল।

  • দুর্গাপূজায় ভারতে যাবে ১২শ টন ইলিশ, ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণ করল সরকার

    দুর্গাপূজায় ভারতে যাবে ১২শ টন ইলিশ, ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণ করল সরকার

    এবিএনএ:  প্রতিবছরের মতো এবারও দুর্গাপূজার আগে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালে পূজার জন্য এক হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাচ্ছে দুর্গাপূজা। তার আগেই পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে বাংলাদেশি ইলিশ পৌঁছাবে। মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রপ্তানিকারকদের ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে। আবেদনের সঙ্গে ট্রেড লাইসেন্স, আয়কর ও ভ্যাট সার্টিফিকেট, ইআরসি, মৎস্য অধিদপ্তরের লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে।

    প্রতি কেজি ইলিশের ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ দশমিক ৫ মার্কিন ডলার। এ ছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে আবেদন করেছে, তাদেরও নতুন করে আবেদন দাখিল করতে হবে।

    উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়। সেই সময় বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে প্রথম চালান পাঠানো হয়েছিল ছয় ডলার কেজি দরে। পরে মূল্য বাড়তে বাড়তে কেজিপ্রতি ১০ ডলারে দাঁড়ায়।

    গত কয়েক বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অনুমোদিত পরিমাণের তুলনায় কম ইলিশ রপ্তানি হয় ভারতে। উদাহরণস্বরূপ, গত অর্থবছরে ৩ হাজার ৯৫০ টনের অনুমোদন থাকলেও ভারতে রপ্তানি হয়েছে মাত্র ৮০২ টন।

    বাংলাদেশ থেকে রপ্তানিকৃত ইলিশের পরিমাণ মোট উৎপাদনের তুলনায় খুবই সামান্য। তবে পশ্চিমবঙ্গে এই মাছের চাহিদা সবসময়ই থাকে ব্যাপক। এ কারণে দুর্গাপূজার সময় ইলিশ রপ্তানি নিয়ে প্রতিবছরই দুই দেশের বাজারে বাড়তি আগ্রহ দেখা যায়।

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৪৭৬ টন ইলিশ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল প্রায় ৩৯ লাখ ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে রপ্তানি বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৬৯৯ টনে, আয় হয় ১ কোটি ৬৪ লাখ ডলার। এরপরও ধারাবাহিকভাবে প্রতি বছর ইলিশ রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে আসছে বাংলাদেশ।

    এবারও দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে ভারতে ১২শ টন ইলিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।