Tag: দাঁড়িপাল্লা প্রতীক

  • ভোটের আগমুহূর্তে ঢাকা-১৫ আসনে উত্তাপ: দাঁড়িপাল্লার ১৩ নির্বাচনী বুথ ভাঙচুরের অভিযোগ জামায়াত আমিরের

    ভোটের আগমুহূর্তে ঢাকা-১৫ আসনে উত্তাপ: দাঁড়িপাল্লার ১৩ নির্বাচনী বুথ ভাঙচুরের অভিযোগ জামায়াত আমিরের

    এবিএনএ: ঢাকা-১৫ আসনে নির্বাচনী উত্তেজনার মধ্যে জামায়াতের প্রার্থী ও দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন, তার প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’র ১৩টি নির্বাচনী বুথ ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনাটিকে পরিকল্পিত ভাঙচুর হিসেবে উল্লেখ করে তিনি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

    বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান জানান, ঢাকা-১৫ নির্বাচনী এলাকায় দাঁড়িপাল্লার প্রতীকের প্রচারণা বুথগুলো ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে তিনি কাপুরুষোচিত আখ্যা দিয়ে বলেন, ভয়ভীতি দেখিয়ে কোনো দল বা প্রার্থীকে থামিয়ে দেওয়া যাবে না।

    তিনি আরও বলেন, যারা নীতিনির্ধারণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে জনসমক্ষে আলোচনা করতে ব্যর্থ, তারাই সহিংসতার পথে হাঁটছে। তবে সাধারণ মানুষের সমর্থনই তাদের শক্তি এবং ভয়ভীতির রাজনীতি দিয়ে জনতার কণ্ঠ রোধ করা সম্ভব নয়।

    ডা. শফিকুর রহমানের দাবি, সাধারণ মানুষের মনে দাঁড়িপাল্লার প্রতীক ইতোমধ্যেই জায়গা করে নিয়েছে। ভোটের দিন সেই সমর্থনের প্রতিফলন ঘটবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নির্বাচনের আগমুহূর্তে এ ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারের দাবি উঠেছে।

  • দাঁড়িপাল্লার জোয়ার বদলে দিচ্ছে রাজনৈতিক স্রোত—চট্টগ্রামে আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যে নতুন বার্তা

    দাঁড়িপাল্লার জোয়ার বদলে দিচ্ছে রাজনৈতিক স্রোত—চট্টগ্রামে আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যে নতুন বার্তা

    চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।।
    বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে ঘিরে জনগণের আগ্রহ ও আস্থা বেড়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’র আমির ডা. শফিকুর রহমান। তার ভাষায়, “দীর্ঘ সময় ধরে জনগণ থেকে দূরে সরিয়ে রাখা দাঁড়িপাল্লা আজ পরিবর্তিত বাংলাদেশে নতুন করে গণমানুষের আশার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।”

    শনিবার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি কনভেনশন হলে আয়োজিত নির্বাচনী দায়িত্বশীল সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    ভোটাধিকার থেকে বঞ্চনার অভিযোগ

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মানুষ গত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি। বহু তরুণ একবারও ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পায়নি। তিনি সতর্ক করে বলেন,
    “জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে কেউ যেন আবার সাহস না দেখায়। অতীতের ভুলের পুনরাবৃত্তি হলে ফল ভালো হবে না।”

    জুলুম, ধৈর্য ও প্রশাসনের ভূমিকা

    তিনি দাবি করেন, দীর্ঘ সময় ধরে তাদের ওপর নানা অত্যাচার হয়েছে, কিন্তু ক্ষমতার বদলের পর তারা প্রতিশোধ নেওয়ার পথ বেছে নেননি। বরং জনগণকে ধৈর্য ধরতে উৎসাহ দিয়েছেন।
    “প্রশাসন ভয় পেয়েছিল, আমরা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি,”—বলেন তিনি।

    গণভোট প্রসঙ্গে মন্তব্য

    আগামী গণভোটকে ঘিরে তিনি বলেন, “যারা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন, তারা পুরোনো অপরিষ্কার রাজনীতি থেকে মুক্ত ভবিষ্যৎ চান। আর যারা ‘না’ বলবেন তারা সেই পুরোনো রাজনীতিকে ফিরিয়ে আনতে চায়।”

    চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতি

    জামায়াতের আমির জানান, তারা চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ চান। অন্য অনেক রাজনৈতিক দল দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে লজ্জা পায় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
    তিনি আরও বলেন, “ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য। কেউ যেন আর জুলুমের শিকার না হয়।”

    ভবিষ্যতে সরকার পরিচালনার সুযোগ পেলে তাদের কোনো এমপি-মন্ত্রী সরকারি বাড়ি বা ট্যাক্সমুক্ত গাড়ি নেবেন না বলেও তিনি ঘোষণা দেন। তার ভাষায়, “বিলাসিতা কোনো জনপ্রতিনিধির চরিত্র হতে পারে না।”

    ভোটের নীতি পরিবর্তনের দাবি

    তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন,
    “‘আমার ভোট আমি দেব, তোমার ভোটও আমি দেব’—এই নীতি আর চলবে না। এবার যার ভোট, সে-ই দেবে।”

    বিশেষ অতিথিদের বক্তব্য

    সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, জুলাই বিপ্লবের পর জনগণ এমন একটি দেশ চায় যা স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ ও লুটপাটমুক্ত হবে। তিনি শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের উদাহরণ তুলে ধরে তাদের উত্তরসূরীদের বিজয়ী করতে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।

    নগর আমীরের প্রত্যাশা

    চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন,
    “জনগণ সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, দখলবাজদের আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লাকেই তারা বিজয়ী করবে।”

    অপেক্ষাকৃত বড় উপস্থিতি

    সম্মেলনে কেন্দ্রীয়, আঞ্চলিক ও জেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন আসনের সম্ভাব্য এমপি প্রার্থীরাও অংশ নেন এবং দলের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।

  • নৌকা প্রতীক স্থগিত, নির্বাচন কমিশন প্রকাশ করলো নতুন ১১৫ প্রতীকের তালিকা

    নৌকা প্রতীক স্থগিত, নির্বাচন কমিশন প্রকাশ করলো নতুন ১১৫ প্রতীকের তালিকা

    এবিএনএ: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) নৌকা প্রতীক স্থগিত রেখে নতুন করে ১১৫টি প্রতীকের তালিকা প্রকাশ করেছে। বুধবার কমিশনের জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। তবে আলোচিত শাপলা প্রতীক এবার তালিকায় রাখা হয়নি।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার, ১৯৭২ (প্রেসিডেন্স অর্ডার নং ১৫৫ অব ১৯৭২) এর আর্টিকেল ৯৪ অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ এ সংশোধনী এনে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে নৌকা প্রতীক স্থগিত রেখে পুরনো দাঁড়িপাল্লা প্রতীক আবার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    প্রকাশিত প্রতীকের তালিকায় রয়েছে—আপেল, আনারস, কোদাল, টেবিল ঘড়ি, ফ্রিজ, মোড়া, খাট, ট্রাক, মোরগ, আম, খেজুর গাছ, টেলিফোন, বাঘ, আলমিরা, রকেট, গরুর গাড়ি, টেলিভিশন, বই, ঈগল, রিকশা, গাভী, ডাব, বটগাছ, লাউ, উটপাখি, গামছা, ঢেঁকি, বাঁশি, লিচু, উদীয়মান সূর্য, গোলাপ ফুল, তবলা, বেঞ্চ, লাঙ্গল, একতারা, ঘণ্টা, তরমুজ, বেগুন, শঙ্খ, কাঁচি, ঘুড়ি, তারা, বাইসাইকেল, সোনালী আঁশ, কবুতর, ঘোড়া, থালা, বালতি ও সেলাই মেশিন।

    এছাড়া রয়েছে—কলম, চাকা, দাঁড়িপাল্লা, বেলুন, সোফা, কলস, চার্জার লাইট, দালান, বৈদ্যুতিক পাখা, সিংহ, কলার ছড়ি, চাবি, দেওয়াল ঘড়ি, স্যুটকেস, কাঁঠাল, চিংড়ি, দোয়াত-কলম, মগ, হরিণ, কাপ-পিরিচ, চেয়ার, দোলনা, মাইক, পাঞ্জা (হাত), কাস্তে, কেটলি, চশমা, ধানের শীষ, মোটরগাড়ি, হাতঘড়ি, ছড়ি, নোঙ্গর, মশাল, হাতপাখা, কুমির, ছাতা, ময়ূর, হাঁস, কম্পিউটার, জগ, প্রজাপতি, মাছ, হাতি, কলা, জাহাজ, ফুটবল, মাথাল, হাতুড়ি, কুড়াল, টিউবওয়েল, ফুলকপি, মিনার, হারিকেন, কুলা, কুঁড়েঘর, টিফিন ক্যারিয়ার, ফুলের টব, মোমবাতি, হুঁকা, টেবিল, ফুলের মালা, মোবাইল ফোন এবং হেলিকপ্টার।

    এবারের প্রতীক তালিকায় শাপলা প্রতীক বাদ পড়লেও অন্যান্য জনপ্রিয় প্রতীক যুক্ত থাকায় আসন্ন নির্বাচনে স্বতন্ত্র ও দলীয় প্রার্থীদের জন্য বিকল্প অনেক প্রতীক উন্মুক্ত থাকছে।