Tag: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

  • নতুন অধ্যায়ের সূচনা: বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

    নতুন অধ্যায়ের সূচনা: বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় জয় নিশ্চিত করে সরকার গঠনের পথে এগোয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন।

    মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন-এর দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীকে শপথ পাঠ করান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি

    এর আগে একই দিন সকালে জাতীয় সংসদে শপথ নেওয়ার পর সংসদীয় দলের বৈঠকে বিএনপির সংসদ সদস্যরা তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেন। শপথের মধ্য দিয়ে নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • ক্ষমতায় ফেরার পর সামনে কঠিন বাস্তবতা: অর্থনীতি সচল ও আইনশৃঙ্খলা ফেরানোই বড় চ্যালেঞ্জ—মির্জা ফখরুল

    ক্ষমতায় ফেরার পর সামনে কঠিন বাস্তবতা: অর্থনীতি সচল ও আইনশৃঙ্খলা ফেরানোই বড় চ্যালেঞ্জ—মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ: আগামী সরকার দায়িত্ব নিলে অর্থনীতি সচল করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতির লাগাম টানাই হবে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা—এমন মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    বিএনপি মহাসচিবের ভাষ্য, দেশের অর্থনৈতিক গতি ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সক্রিয় ও জবাবদিহিমূলক করে তুলতে না পারলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান না নিলে রাষ্ট্রের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়বে।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর একটি উৎসবমুখর ও তুলনামূলকভাবে স্বচ্ছ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার মতে, বহু ত্যাগ ও রক্তক্ষয়ের মধ্য দিয়ে অর্জিত এই নির্বাচন গণতান্ত্রিক ধারায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যোগ করেছে।

    তবে এই সাফল্যের মাঝেও বেদনার কথা তুলে ধরেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এই ঐতিহাসিক বিজয় দেখে যেতে পারেননি—এটি দলের জন্য গভীর বেদনার বিষয়।

    গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলেই দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্থায়িত্ব নিশ্চিত হবে। ভোটের সংস্কৃতি নিয়মিত ও গ্রহণযোগ্যভাবে চালু থাকলে জনগণের আস্থা আরও দৃঢ় হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন হওয়া এবং দলটির ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজনৈতিক বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির আলোকে পরবর্তী সময়ে দলটির ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত হবে, তা নির্ধারিত হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

  • নির্বাচনের চূড়ান্ত চিত্র: ২৯৭ আসনের ফল প্রকাশ, নিরঙ্কুশ জয়ে সরকার গড়ছে বিএনপি

    নির্বাচনের চূড়ান্ত চিত্র: ২৯৭ আসনের ফল প্রকাশ, নিরঙ্কুশ জয়ে সরকার গড়ছে বিএনপি

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৭টি আসনের আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ফল ঘোষণার সমাপনী বক্তব্যে ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, চট্টগ্রামের দুটি আসনের ফল আদালতের নির্দেশে আপাতত স্থগিত রয়েছে। এছাড়া একটি আসনে প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোটগ্রহণ হয়নি।

    ঘোষিত ফল অনুযায়ী, বিএনপি ও তাদের মিত্ররা মোট ২১২টি আসনে জয় পেয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট পেয়েছে ৭৭টি আসন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে ১টি আসন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জিতেছেন ৭টি আসনে।

    দলভিত্তিক হিসাবেও বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—এককভাবে তাদের দখলে গেছে ২০৯টি আসন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি ৬টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি, খেলাফত মজলিস ১টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি–বিজেপি ১টি, গণসংহতি আন্দোলন ১টি এবং গণঅধিকার পরিষদ ১টি আসনে জয় পেয়েছে।

    এই ফলাফলে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে এগিয়েছে বিএনপি। কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় আওয়ামী লীগবিহীন এই সংসদে দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরছে দলটি—এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

    ভোটের পরিসংখ্যান তুলে ধরে ইসি সচিব জানান, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫৯.৪৪ শতাংশ। একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোটে অংশগ্রহণের হার দাঁড়িয়েছে ৬০.২৬ শতাংশে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি।

    তিনি আরও জানান, ২৯৯টি আসনের গণভোটের হিসাব করা হয়েছে। চট্টগ্রামের দুই আসনে প্রার্থীদের ভোট আদালতের স্থগিতাদেশে গণনায় ধরা না হলেও সেখানে গণভোটের ফল অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আর যে আসনে নির্বাচন হয়নি, সেটি গণনার বাইরে রাখা হয়েছে।

  • বাগেরহাটে ভোটের চূড়ান্ত ফল: চার আসনে ক্ষমতার পালাবদল, জামায়াতের তিনটিতে জয়, বিএনপির একটিতে সাফল্য

    বাগেরহাটে ভোটের চূড়ান্ত ফল: চার আসনে ক্ষমতার পালাবদল, জামায়াতের তিনটিতে জয়, বিএনপির একটিতে সাফল্য

    এবিএনএ, বাগেরহাট: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনা শেষে বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসনের বেসরকারি ফল প্রকাশ করা হয়েছে। শুক্রবার ভোরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মো. বাতেন তার দপ্তরে ফল ঘোষণা করেন। ঘোষিত ফলাফলে জেলার তিনটি আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা এবং একটি আসনে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

    বাগেরহাট-১ (চিতলমারী–ফকিরহাট–মোল্লাহাট) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা মশিউর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে থেকে জয় পান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কপিল কৃষ্ণ ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৯০ ভোট সংগ্রহ করেন।

    বাগেরহাট-২ (সদর–কচুয়া) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর প্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৩৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এই আসনে বিএনপির ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে পান ৬৬ হাজার ২৭৪ ভোট।

    বাগেরহাট-৩ (মোংলা–রামপাল) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল মনোনীত প্রার্থী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩ হাজার ৭১১ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অ্যাডভোকেট আব্দুল ওয়াদুদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৮৩ হাজার ৭০৫ ভোট।

    অন্যদিকে বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ–শরণখোলা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল আলিম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সোমনাথ দে ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৩২৬ ভোট।

    ফল ঘোষণার পর সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশের পর ফল চূড়ান্ত রূপ পাবে।

  • সিইসি বললেন: ত্রয়োদশ নির্বাচনে জয়-পরাজয় গ্রহণের আহ্বান, শান্তিপূর্ণ ভোটের প্রত্যাশা

    সিইসি বললেন: ত্রয়োদশ নির্বাচনে জয়-পরাজয় গ্রহণের আহ্বান, শান্তিপূর্ণ ভোটের প্রত্যাশা

    এবিএনএ: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব দল ও প্রার্থীকে জয়-পরাজয় মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    ১১ ফেব্রুয়ারি জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, এই নির্বাচনে ভোটদান শুধু নাগরিক অধিকার নয়, বরং দায়িত্বও। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে ভোটার, প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলগুলো সতর্ক ও দায়িত্বশীলভাবে অংশগ্রহণ করবেন।

    সিইসি আরও বলেন, ভিন্নমত থাকা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক অংশ। তাই উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করে ভোটকেন্দ্রে অংশগ্রহণ করা উচিত। জয় বা পরাজয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক ফলাফল হিসেবে সকলকে গ্রহণ করতে হবে।

    তিনি ভোটার, প্রার্থী, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকসহ সকলকে আহ্বান জানান, ব্যক্তিগত ক্ষতি বা অসুবিধা উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচনের সুষ্ঠু কার্যক্রমে সহায়তা করতে।

    সিইসি বলেন, আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত হবে। ভোটগ্রহণ আগামী বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত সারাদেশে অনুষ্ঠিত হবে।

    এবারের নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল, মোট ২,০২৯ জন প্রার্থী এবং ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯, যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১,২২০ জন। সারাদেশে ৪২,৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ২,৪৭,৪৮২টি ভোটকক্ষ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

  • শেরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের মৃত্যু

    শেরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের মৃত্যু

    এবিএনএ: শেরপুরে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষে শ্রীবরদী উপজেলার জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম মারা গেছেন।

    ঘটনাটি ঘটে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ মাঠে, যেখানে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সংঘর্ষে তিনি গুরুতর আহত হন এবং রাত পৌনে ১০টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

    শেরপুর-৩ আসনের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “দুঃখজনকভাবে আমাদের নেতা রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত টানাপোড়েনপূর্ণ।”

    স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক এবং উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি শান্ত রাখতে মাঠে উপস্থিত রয়েছেন।

  • জুলাই সনদ উপেক্ষা করে নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের শামিল: এনসিপি

    জুলাই সনদ উপেক্ষা করে নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের শামিল: এনসিপি

    এবিএনএ:  নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি জানায়, নির্বাচন আয়োজন ইতিবাচক হলেও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আগে রোডম্যাপ প্রকাশকে তারা সরকারের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ হিসেবে দেখছে।

    এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব লিখিত বক্তব্যে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে জনগণ সংস্কার ও বিচার প্রত্যাশা করেছিল। সেই লক্ষ্যেই সরকার সংস্কার কমিশন গঠন করেছিল। কমিশন থেকে প্রণীত জুলাই সনদের খসড়া ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক দলগুলোকে দেওয়া হয়েছে এবং এনসিপিও নিজেদের প্রস্তাব জমা দিয়েছে। কিন্তু খসড়ায় সনদ বাস্তবায়নের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া না থাকায় হতাশা তৈরি হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ছয়টি সম্ভাব্য পথ নিয়ে আলোচনা হলেও তা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এর মধ্যে গণপরিষদ নির্বাচন, গণভোট ও সংবিধান সংস্কার সভার প্রস্তাব রয়েছে। কিন্তু এসব আলোচনার মাঝেই একতরফাভাবে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের সময় ঘোষণা দিয়ে দিয়েছেন। যদিও দলটি বৃহত্তর স্বার্থে বিষয়টি মেনে নিয়েছে, তবে আশা করেছিল নির্বাচনী রোডম্যাপের আগে সংস্কার বাস্তবায়নের পরিকল্পনা স্পষ্ট হবে।

    এনসিপির মতে, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের রূপরেখা ছাড়া নির্বাচন প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সংকট ডেকে আনতে পারে। আরিফুল ইসলাম আদীব সতর্ক করে বলেন, “সংস্কার কার্যক্রম চূড়ান্ত না হলে নির্বাচনকালীন সংকটের দায় সরকারকেই বহন করতে হবে।”

    তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এনসিপি নির্বাচন বিরোধী নয়; বরং গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য নির্বাচন অপরিহার্য। তবে সনদ বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা ছাড়া নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হওয়া গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

  • রোডম্যাপ ঘোষণা: ডিসেম্বরেই তফসিল, রোজার আগেই জাতীয় নির্বাচন

    রোডম্যাপ ঘোষণা: ডিসেম্বরেই তফসিল, রোজার আগেই জাতীয় নির্বাচন

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, ২৪ দফা অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ডিসেম্বরের প্রথমার্ধেই তফসিল ঘোষণা করা হবে এবং রোজার আগেই নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে।

    ঘোষিত রোডম্যাপ অনুসারে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক দল, অংশীজন, মিডিয়া এবং নারী নেতৃত্বের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপ সেপ্টেম্বরে শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

    আখতার আহমেদ বলেন, “নির্বাচন নিয়ে আমরা ২৪টি পৃথক পরিকল্পনা তৈরি করেছি, যেখানে প্রতিটি কাজ একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত। এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে সংলাপ, যা আগামী মাস থেকেই শুরু হবে।”

    ইসির এ কর্মপরিকল্পনায় নির্বাচনী পরিবেশ স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকালীন সময়ে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা, প্রযুক্তি ব্যবহার ও ভোটারদের আস্থা অর্জনের দিকেও নজর দেওয়া হবে বলে কমিশন জানিয়েছে।