Tag: তাসকিন আহমেদ

  • তাসকিন–মিরাজের তোপে বিপাকে পাকিস্তান, প্রতিরোধে বাবর আজম

    তাসকিন–মিরাজের তোপে বিপাকে পাকিস্তান, প্রতিরোধে বাবর আজম

    এবিএনএ: সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনটা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বাংলাদেশ। তাসকিন আহমেদ ও মেহেদি হাসান মিরাজের দুর্দান্ত বোলিংয়ে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। তবে অভিজ্ঞ ব্যাটার বাবর আজম একপ্রান্ত সামলে দলকে বিপর্যয় থেকে টেনে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাওয়ার আগে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৯৬ রান। বাবর আজম ৩৭ এবং সালমান আলি আগা ৬ রানে অপরাজিত আছেন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ২৭৮ রানের তুলনায় এখনও ১৮২ রানে পিছিয়ে রয়েছে সফরকারীরা।

    দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরুর পর থেকেই আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে পাকিস্তানের ব্যাটারদের চাপে রাখেন তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম। খুব দ্রুতই সেই চাপের ফল পেতে শুরু করে বাংলাদেশ। দিনের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই ওপেনার আব্দুল্লাহ ফজলকে ফিরিয়ে দেন তাসকিন। উইকেটের পেছনে দারুণ ক্যাচ নেন লিটন দাস। ৯ রান করে বিদায় নেন তরুণ এই ব্যাটার।

    এরপর আরেক ওপেনার আজান আওয়াইসকেও বেশিক্ষণ টিকতে দেননি তাসকিন। দেরিতে সুইং করা বলে ব্যাটের কানায় লেগে শর্ট লেগে থাকা মুমিনুল হকের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি করা আজান এদিন করেন ১৩ রান।

    দুই ওপেনার দ্রুত ফিরে যাওয়ার পর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক শান মাসুদ ও বাবর আজম। তবে এই জুটিও বড় হতে দেননি মেহেদি হাসান মিরাজ। ২১ রান করা মাসুদ কাভার অঞ্চলে খেলতে গিয়ে বদলি ফিল্ডার নাঈম হাসানের হাতে ক্যাচ তুলে দেন।

    এরপর ক্রিজে আসা সৌদ শাকিলও মিরাজের ঘূর্ণিতে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। চাপ কাটাতে সুইপ খেলতে গিয়ে বল ব্যাটের কানায় লেগে আকাশে উঠে যায়, আর সহজ ক্যাচ নেন লিটন দাস। ২৮ বলে ৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

    ৭৯ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর পাকিস্তানকে সামাল দেওয়ার দায়িত্ব নেন বাবর আজম ও সালমান আলি আগা। বিশেষ করে বাবর ধৈর্য ও অভিজ্ঞতার পরিচয় দিয়ে সিঙ্গেল-ডাবল আর বাউন্ডারিতে স্কোরবোর্ড সচল রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের বোলাররা যদিও এখনও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রেখেছেন।

  • নাহিদ রানার আগুনে পুড়ল পাকিস্তান, ইতিহাস গড়ে টানা তৃতীয় টেস্ট জয় বাংলাদেশের

    নাহিদ রানার আগুনে পুড়ল পাকিস্তান, ইতিহাস গড়ে টানা তৃতীয় টেস্ট জয় বাংলাদেশের

    স্পোর্টস ডেস্ক: মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে পাকিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। পেসার নাহিদ রানার বিধ্বংসী বোলিংয়ে সফরকারী দলকে ১৬৩ রানে গুটিয়ে দিয়ে ১০৪ রানের অনন্য জয় তুলে নেয় টাইগাররা। এই জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

    পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের এটি টানা তৃতীয় টেস্ট জয়। ২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজ জয়ের পর এবার ঘরের মাঠেও ঐতিহাসিক সাফল্য পেল টাইগাররা। একই সঙ্গে মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে এটিই বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়।

    ২৬৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ইমাম-উল-হককে ফিরিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ। এরপর আজান আওয়াইস ও অধিনায়ক শান মাসুদও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন।

    দলের বিপর্যয়ের মাঝেও আব্দুল্লাহ ফজল ও সালমান আগা চতুর্থ উইকেটে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। দুজন মিলে ৫১ রানের জুটি গড়লেও সেই জুটি ভাঙেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ৬৬ রানের লড়াকু ইনিংস খেলে এলবিডব্লিউ হন ফজল। পরের ওভারেই তাসকিনের শিকার হন সালমান আগা।

    এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় বাংলাদেশ। উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সৌদ শাকিল কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও তাদের বেশিক্ষণ টিকতে দেননি নাহিদ রানা। টানা দুই ওভারে দুই সেট ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরান এই তরুণ পেসার।

    শেষদিকে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ দ্রুত ভেঙে পড়ে। হাসান আলিকে এলবিডব্লিউ করেন তাইজুল ইসলাম। এরপর শেষ দুই উইকেট তুলে নিয়ে ইনিংসে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন নাহিদ রানা। মাত্র ৪০ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা বোলার হন তিনি।

    বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলাম দুটি করে উইকেট নেন। একটি উইকেট পান মেহেদী হাসান মিরাজ।

    এর আগে প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে দারুণ সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশ। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি এবং মুমিনুল হক ও মুশফিকুর রহিমের ফিফটিতে ৪১৩ রান তোলে স্বাগতিকরা। জবাবে পাকিস্তান ৩৮৬ রান সংগ্রহ করে, যেখানে আজান আওয়াইস করেন সেঞ্চুরি।

    দ্বিতীয় ইনিংসে শান্তর ৮৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে ভর করে ৯ উইকেটে ২৪০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। এতে পাকিস্তানের সামনে ২৬৮ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায়। তবে শেষ পর্যন্ত টাইগার বোলারদের তোপে দাঁড়াতেই পারেনি সফরকারীরা।

  • ফাইনালের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে বোলিং

    ফাইনালের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে বোলিং

    এবিএনএ: এশিয়া কাপে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। জয়ী দল ফাইনালে খেলবে ভারতের সঙ্গে, আর হার মানেই বিদায়। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জাকের আলী। তবে ইনজুরির কারণে আবারও দলে নেই লিটন দাস।

    ভারতের বিপক্ষে না খেলা তাসকিন আহমেদকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে পাকিস্তানের বিপক্ষে। মূলত এই ম্যাচকে সামনে রেখেই তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে একাদশে সুযোগ পেয়েছেন অলরাউন্ডার শেখ মাহেদী। বাদ পড়েছেন ওপেনার তানজিদ তামিম, স্পিনার নাসুম আহমেদ এবং পেসার সাইফউদ্দিন। তাদের জায়গায় নুরুল হাসান সোহান, শেখ মাহেদী ও তাসকিন আহমেদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    অন্যদিকে পাকিস্তান অপরিবর্তিত একাদশ নিয়েই মাঠে নামছে।

    ভারত ইতিমধ্যেই দুই ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। শ্রীলঙ্কা দুই ম্যাচ হেরে বিদায় নিয়েছে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দুদলই শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছে, তাই আজকের জয়ী দল ফাইনালে জায়গা করে নেবে।

    বাংলাদেশের একাদশ: সাইফ হাসান, পারভেজ ইমন, তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন, জাকের আলী, নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, শেখ মাহেদী, তানজিম সাকিব, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান।

    পাকিস্তানের একাদশ: শাহিবজাদা ফারহান, ফখর জামান, সাইম আইয়ূব, সালমান আঘা, হুসেইন তালাত, মোহাম্মদ হারিস, মোহাম্মদ নওয়াজ, ফাহিম আশরাফ, শাহিন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ, আবরার আহমেদ।

  • বাংলাদেশের লড়াকু ব্যাটিং, আফগানিস্তানের সামনে ১৫৫ রানের টার্গেট

    বাংলাদেশের লড়াকু ব্যাটিং, আফগানিস্তানের সামনে ১৫৫ রানের টার্গেট

    এবিএনএ:  এশিয়া কাপে সুপার ফোরের আশা জিইয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাট হাতে লড়াই করেছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে তারা সংগ্রহ করে ১৫৪ রান, ফলে আফগানিস্তানকে জয়ের জন্য ১৫৫ রানের টার্গেট ছুঁড়ে দেয় বাংলাদেশ।

    বাংলাদেশের ইনিংসে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন তরুণ ব্যাটার তানজিদ হাসান তামিম। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে তিনি খেলেন ৫২ রানের দারুণ এক ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান আসে সাইফ হাসানের ব্যাট থেকে, যিনি দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ৩০ রান যোগ করেন।

    এই ম্যাচে বাংলাদেশ একাদশে আনা হয় চারটি পরিবর্তন। ওপেনার পারভেজ ইমনকে বাদ দিয়ে দলে সুযোগ পান সাইফ হাসান। বোলিংয়ে শরিফুল ইসলামের জায়গায় ফেরেন তাসকিন আহমেদ। স্পিন আক্রমণে পরিবর্তন এনে বাঁহাতি নাসুম আহমেদকে নামানো হয়, তিনি জায়গা নেন শেখ মাহেদীর পরিবর্তে। পাশাপাশি দলে ফেরেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার নুরুল হাসান সোহান, বাদ পড়েন তানজিম সাকিব।

    বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, লিটন দাস (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), তাওহিদ হৃদয়, শেখ মেহেদী হাসান, নুরুল হাসান, জাকের আলী অনিক, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, রিশাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ।

    আফগানিস্তান একাদশ: রহমানুল্লাহ গুরবাজ (উইকেটরক্ষক), সেদিকুল্লাহ অটল, ইবরাহিম জাদরান, গুলবাদিন নাইব, করিম জানাত, আজহমতউল্লাহ ওমরজাই, মোহাম্মদ নবি, রশিদ খান (অধিনায়ক), নুর আহমাদ, এএম গজনফার, ফজলহক ফারুকি।

    এখন আফগানিস্তানকে জিততে হলে করতে হবে ১৫৫ রান। ম্যাচটি উভয় দলের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ, কারণ জয়ী দলই টিকে থাকবে সুপার ফোরের দৌড়ে।

  • এশিয়া কাপে দুর্দান্ত শুরু: হংকংকে প্রথম আঘাত দিলেন তাসকিন

    এশিয়া কাপে দুর্দান্ত শুরু: হংকংকে প্রথম আঘাত দিলেন তাসকিন

    এবিএনএ:  এশিয়া কাপের টি-২০ আসরে দারুণ সূচনা করেছে বাংলাদেশ। হংকংয়ের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে টস জিতে বোলিং নেয় লিটন দাসের দল। সেই সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সাফল্য এনে দেন পেসার তাসকিন আহমেদ। তিনি আউট করেন হংকং ওপেনার আংশুমান রাঠকে, যিনি মাত্র ৪ রান যোগ করতে সক্ষম হন।

    দুই ওভার শেষে হংকংয়ের সংগ্রহ ১৩ রান, হাতে ১ উইকেট গেছে। ক্রিজে আছেন জিসান আলী ও বাবর হায়াত।

    টস জয়ের পর লিটন দাস জানান, উইকেটের আচরণ পরিষ্কার না হওয়ায় শুরুতে বোলিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। একাদশে তিন পেসার—তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও তানজিম সাকিব এবং স্পিন বিভাগে রয়েছেন রিশাদ হোসেন ও অলরাউন্ডার শেখ মাহেদী।

    বাংলাদেশ একাদশে আছেন পারভেজ ইমন, তানজিদ তামিম, লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, শামীম পাটোয়ারি, জাকের আলী, শেখ মাহেদী, রিশাদ হোসেন, তানজিম সাকিব, তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান।

    অন্যদিকে, হংকং একাদশে খেলছেন জিসান আলী, আংশুমান রাঠ, বাবর হায়াত, নিজাকাত খান, কালহান ছাল্লু, কিঞ্চিত শাহ, ইয়াসিম মর্তুজা, আইজাজ খান, এসান খান, আয়ূশ শুকলা ও আতিক ইকবাল।

  • এশিয়া কাপে মূল লক্ষ্য চ্যাম্পিয়নশিপ: আত্মবিশ্বাসী তাসকিন

    এশিয়া কাপে মূল লক্ষ্য চ্যাম্পিয়নশিপ: আত্মবিশ্বাসী তাসকিন

    এবিএনএ:  আসন্ন এশিয়া কাপকে সামনে রেখে দৃঢ় প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের পেসার তাসকিন আহমেদ। তার বিশ্বাস, এবারের টুর্নামেন্টে শুধু অংশগ্রহণ নয়, বরং চূড়ান্ত লক্ষ্য শিরোপা জয়।

    সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে টি-২০ ফরম্যাটের এশিয়া কাপ। এই আসরে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কা—যাদের মধ্যে আফগানিস্তান সম্প্রতি নিজেদের এশিয়ার দ্বিতীয় সেরা দল হিসেবে দাবি করেছে। তবে তাসকিন মনে করেন, অতীতে ফাইনালে খেলার অভিজ্ঞতা থাকায় বাংলাদেশকেই ভয় করবে প্রতিপক্ষরা।

    তিনি বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য চ্যাম্পিয়ন হওয়া। শুধু খেলতে নয়, জিততেই মাঠে নামব। সাম্প্রতিক তিনটি সিরিজ জেতায় দল আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। কয়েক বছর আগের মতো আর দুর্বল নই, এখন উন্নতির ধারাবাহিকতা স্পষ্ট।”

    তাসকিন আরও যোগ করেন, ক্রিকেট কঠিন খেলা, যেখানে প্রতিটি মুহূর্তে উন্নতি করতে হয়। ব্যক্তিগত প্রস্তুতি ও দলের সেলফ ম্যানেজমেন্টের দিকেও সবাই এখন মনোযোগী। এর ফলেই ভুলের সংখ্যা কমছে এবং পারফরম্যান্সে অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে।

    বাংলাদেশ অতীতে দু’বার এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠলেও শিরোপা জিততে পারেনি। এবার সেটি সম্ভব হবে বলে আশাবাদী তাসকিন। তার ভাষায়, “টি-২০ ফরম্যাট অনিশ্চয়তায় ভরা। তবে আমরা যে ফাইনাল খেলেছি, সেটাই প্রমাণ করে সম্ভাবনা আছে। এবার ইনশাআল্লাহ শিরোপা জিতব।”

    বাংলাদেশ তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে ১১ সেপ্টেম্বর, প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। গ্রুপ পর্ব শেষে চার দল সুপার ফোরে জায়গা পাবে, সেখান থেকে সেরা দুই দল খেলবে ফাইনাল।

  • সিলেটে ডাচদের ব্যাটিং ধস, একশ’র কিছু পরেই অলআউট

    সিলেটে ডাচদের ব্যাটিং ধস, একশ’র কিছু পরেই অলআউট

    এবিএনএ:  সিলেটে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে বাংলাদেশ আবারও দেখালো দুর্দান্ত বোলিং শক্তি। টস জিতে নেদারল্যান্ডসকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় স্বাগতিকরা। তবে ব্যাট হাতে নামার পর থেকেই চাপে পড়ে যায় ডাচরা। মাত্র ১৭.৩ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১০৩ রানে থামে তাদের ইনিংস।

    ইনিংসের শুরুতে বল হাতে দারুণ ছন্দে ছিলেন নাসুম আহমেদ। তৃতীয় ওভারেই পরপর দুই উইকেট তুলে নেন তিনি। এরপর তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমানের আগুনঝরা বোলিংয়ে একের পর এক উইকেট হারিয়ে ধসে পড়ে অতিথি দলের ব্যাটিং লাইনআপ।

    ওপেনার বিক্রমজিৎ সিং কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করলেও (১৭ বলে ২৪ রান), তার সঙ্গী ম্যাক্স ওডাউড মাত্র ৮ রান করে ফিরে যান। অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ড (৯), শারিজ আহমেদ (১২) রান করে বিদায় নিলে বিপর্যয় আরও প্রকট হয়। ১০ ওভারের আগেই ৬১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে নেদারল্যান্ডস।

    শেষ দিকে কিছুটা লড়াই করেন নয়ে নামা বোলার আরিয়ান দত্ত। ২৪ বলে ৩০ রানের ইনিংসে তিনটি চার ও একটি ছক্কা মারেন তিনি। তার ব্যাটেই একশ’র ঘর পেরোয় ডাচরা।

    বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে নাসুম ছিলেন সেরা, ৪ ওভারে ২১ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট। তাসকিন ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে ও মুস্তাফিজ ৩ ওভারে ১৮ রান দিয়ে নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। শেখ মাহেদী হাসান ও তানজিম সাকিবও একটি করে উইকেট শিকার করেন।

  • মিরপুরে ইতিহাস গড়ে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ

    মিরপুরে ইতিহাস গড়ে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ

    এবিএনএ: ২০১৬ সালের পর প্রথমবারের মতো আবারও পাকিস্তানকে টি-টোয়েন্টিতে হারানোর গৌরব অর্জন করল বাংলাদেশ। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ম্যাচে দারুণ পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারিয়েছে টাইগাররা।

    টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে একের পর এক উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১০ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। জবাবে ব্যাট হাতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫ ওভার ৩ বলে সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ।

    বাংলাদেশের ইনিংসে শুরুটা ভাল না হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন পারভেজ ইমন ও তাওহিদ হৃদয়। দ্বিতীয় উইকেটে ৭৩ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশের জয়ের ভিত্তি গড়ে দেন তাঁরা। হৃদয় ৩৬ রান করে ফিরলেও ইমন করেন অপরাজিত ৫৬ রান। তাকে সঙ্গ দেন জাকের আলি, যিনি ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন।

    এর আগে, মুস্তাফিজুর রহমান ৪ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নেন এবং গড়েন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে কম রান খরচ করে বোলিংয়ের রেকর্ড। তাসকিন আহমেদ ২২ রানে পান ৩ উইকেট।

    পাকিস্তানের হয়ে ফখর জামান একমাত্র উজ্জ্বল ছিলেন, তিনি ৪৬ রান করলেও রান আউট হয়ে যান। বাকি ব্যাটাররা একে একে ব্যর্থ হন বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের সামনে।

    বাংলাদেশের এই জয় শুধু একটি ম্যাচ জয় নয়, বরং এটি আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দেওয়ার মতো বড় এক সাফল্য। দীর্ঘ ৯ বছর পর পাকিস্তানকে হারানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ যেন আবারও টি-টোয়েন্টি মর্যাদার জায়গায় ফিরে আসার বার্তা দিল।

    ক্রিকেটবিশ্লেষকদের মতে, এই ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে। সিরিজে এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে এটি একটি শক্ত ভিত তৈরি করল টাইগাররা।

  • মাত্র ১১০ রানে গুটিয়ে পাকিস্তান, মুস্তাফিজের দুর্দান্ত রেকর্ডে উল্লসিত বাংলাদেশ

    মাত্র ১১০ রানে গুটিয়ে পাকিস্তান, মুস্তাফিজের দুর্দান্ত রেকর্ডে উল্লসিত বাংলাদেশ

    এবিএনএ:  টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে শুরু থেকেই দাপট দেখালো বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে মাত্র ১১০ রানে গুটিয়ে দিল টাইগাররা। এই সংস্করণে বাংলাদেশের বিপক্ষে এটিই পাকিস্তানের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। আগের রেকর্ডটি ছিল ২০১৬ সালে মিরপুরে ১২৯ রান।

    ইনিংসের শেষ ওভারে তাসকিন আহমেদ একাই তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানের ইনিংসে শেষ ছাপ টানেন। মাত্র ২২ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা বোলারদের একজন হয়ে ওঠেন তিনি। তবে আলোচনার কেন্দ্রে মুস্তাফিজুর রহমান। ৪ ওভার বোলিং করে মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করে তিনি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে কম রান দেওয়া বোলিংয়ের রেকর্ড গড়েন।

    এর আগে, পাকিস্তানের শুরুটা ছিল হতাশাজনক। ৫০ রান পূরণের আগেই তারা হারায় ৫ উইকেট। ফখর জামান ৪৪ রান করলেও রান আউট হয়ে ফিরতে হয় তাকে। খুশদিল শাহ করেন ১৭ রান। বাকিরা ছিলেন নড়বড়ে। শেখ মেহেদী, তানজিম সাকিব ও রিশাদ হোসেনের সুশৃঙ্খল বোলিংয়ে ধসে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ।

    বাংলাদেশের অধিনায়ক লিটন দাস টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান। নিজের সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল, তা প্রমাণ করে দিয়েছেন তার বোলাররা। নতুন বল হাতে শেখ মেহেদী প্রথম ওভারেই সুযোগ তৈরি করেন, যদিও ক্যাচ ছাড়েন তাসকিন। পরের ওভারেই সেই ভুলের শোধ নেন তিনি সাইম আইয়ুবকে ফিরিয়ে।

    পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আগা ৯ বলে করেন মাত্র ৩ রান। মোহাম্মদ হারিস, হাসান নওয়াজরা ছিলেন আরও ব্যর্থ। রান আউট, ক্যাচ আউট আর দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ের কারণে একের পর এক উইকেট হারায় সফরকারীরা।

    বাংলাদেশ একাদশে একমাত্র পরিবর্তন ছিল শরিফুল ইসলামের বদলে তাসকিন আহমেদের প্রত্যাবর্তন। সেই সিদ্ধান্তই দলের পক্ষে বড় সুবিধা বয়ে আনে। স্পিনারদের সঙ্গে পেসারদের দুর্দান্ত সমন্বয়ে গড়া একাদশ পাকিস্তানকে রীতিমতো ধসিয়ে দেয়।

    এই ম্যাচের আগে বাংলাদেশ ২১টি টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ৩টি জয় পেয়েছিল। তবে শ্রীলঙ্কা সফরের সাফল্যের পর আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ এবার শুরুতেই বার্তা দিল—তারা এবার ভিন্ন কিছু করতে প্রস্তুত।

    বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন, তাওহিদ হৃদয়, শামীম হোসেন, জাকের আলি, শেখ মেহেদী, রিশাদ হোসেন, মুস্তাফিজ, তাসকিন, তানজিম।

    পাকিস্তান একাদশ: ফখর জামান, সাইম আইয়ুব, মোহাম্মদ হারিস, হাসান নওয়াজ, সালমান আগা (অধিনায়ক), মোহাম্মদ নওয়াজ, খুশদিল শাহ, ফাহিম আশরাফ, আব্বাস আফ্রিদি, সালমান মির্জা, আবরার আহমেদ।

  • শ্রীলঙ্কায় ইতিহাস গড়ার সামনে বাংলাদেশ, সিরিজ জয়ের লক্ষ্য ২৮৬ রান

    শ্রীলঙ্কায় ইতিহাস গড়ার সামনে বাংলাদেশ, সিরিজ জয়ের লক্ষ্য ২৮৬ রান

    এবিএনএ:  পাল্লেকেলের সবুজ উইকেটে ইতিহাসের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের নির্ধারক ও শেষ ম্যাচে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে তোলে ২৮৫ রান। এই রান তাড়া করে জিতলেই প্রথমবারের মতো শ্রীলঙ্কার মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ জয় করবে টাইগাররা।

    শুরুটা অবশ্য দুর্বলই ছিল লঙ্কানদের। মাত্র ৩ রানে আউট হন ওপেনার মাদুশকা। তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে পাথুম নিশাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিস গড়েন ৫৬ রানের ভিত্তি। নিশাঙ্কা আউট হন ৩৫ রানে, তানভীর ইসলামের বলে। এরপর কামিন্দু মেন্ডিসকে ফেরান মেহেদী হাসান মিরাজ।

    এক পর্যায়ে ১০০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। তবে দলের হাল ধরেন কুশল মেন্ডিস ও চারিথ আসালাঙ্কা। তাদের ১২৪ রানের জুটি লঙ্কান ইনিংসকে শক্ত ভিত দেয়। কুশল মেন্ডিস তুলে নেন ক্যারিয়ারের ৬ষ্ঠ ওয়ানডে শতক—বাংলাদেশের বিপক্ষে এটি তার দ্বিতীয়। তার ইনিংসে ছিল ১১৪ বলে ১২৪ রান। আসালাঙ্কা করেন ৫৮ রান, ৬৮ বলে।

    শেষদিকে অবশ্য বাংলাদেশের বোলাররা ফের আক্রমণে ফেরে। কুশল ও আসালাঙ্কাকে ফিরিয়ে বড় জুটি গড়তে দেয়নি তারা। লিয়ানাগে (১২), ভেল্লালাগে (৬) দ্রুত ফিরলে ইনিংস থমকে যায়। তবে শেষ ওভারে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ১৮* ও চামিরা ১০* রানে অপরাজিত থেকে দলকে respectable সংগ্রহ এনে দেন।

    বাংলাদেশের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ, দুজনেই নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। এছাড়া একটি করে উইকেট পান তানজিম হাসান সাকিব, তানভীর ইসলাম ও শামীম হোসেন।

    এখন অপেক্ষা টাইগার ব্যাটসম্যানদের ব্যাটে জবাব দেখার। ২৮৬ রানের চ্যালেঞ্জ জয় মানেই হবে ইতিহাস!