Tag: তাপপ্রবাহ

  • বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় লঘুচাপ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টি ও ঝড়ের সম্ভাবনা

    বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় লঘুচাপ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টি ও ঝড়ের সম্ভাবনা

    এবিএনএ: দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তার আশপাশের এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে কয়েকটি অঞ্চলে মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    শনিবার রাতে প্রকাশিত আবহাওয়া বুলেটিনে বলা হয়, বর্তমানে দক্ষিণপশ্চিম ও পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গ সংলগ্ন এলাকায় আরেকটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ সক্রিয় রয়েছে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

    বর্তমানে মাদারীপুর, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী ও পাবনা জেলাসহ খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে একই সময়ে দেশের উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    প্রথম দিনের পূর্বাভাস

    ১৬ মে সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় অস্থায়ী ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। ময়মনসিংহ ও সিলেটের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের আশঙ্কাও রয়েছে।

    দ্বিতীয় দিনের পরিস্থিতি

    ১৭ মে দেশের ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। রংপুর ও ঢাকার কিছু এলাকাতেও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

    তৃতীয় দিনের পূর্বাভাস

    ১৮ মে পর্যন্ত উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি বিভাগে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সময়ে দেশের অন্যান্য বিভাগেও বিচ্ছিন্নভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।

    চতুর্থ দিনের আবহাওয়া

    ১৯ মে রংপুর, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় ভারী বর্ষণ হতে পারে। এদিন দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমে আসতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    পঞ্চম দিনের পূর্বাভাস

    ২০ মে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে ভারী বর্ষণের আশঙ্কাও রয়েছে কয়েকটি অঞ্চলে। এ সময় দেশের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, দেশের উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে জলাবদ্ধতা ও স্থানীয়ভাবে ঝোড়ো হাওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

  • গরম আরও বাড়ছে, ৬ জেলায় তাপপ্রবাহ—আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতা, সামনে বাড়তে পারে বৃষ্টি

    গরম আরও বাড়ছে, ৬ জেলায় তাপপ্রবাহ—আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতা, সামনে বাড়তে পারে বৃষ্টি

    এবিএনএ: দেশজুড়ে তাপমাত্রা বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ইতোমধ্যে দেশের ছয়টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা ধীরে ধীরে নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে দেশের কিছু অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বইছে। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে এবং দেশের অন্যান্য এলাকাতেও বিস্তার লাভ করতে পারে। একই সঙ্গে সারাদেশে তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের কয়েকটি স্থানে এবং ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দেশের অধিকাংশ এলাকায় আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে, যদিও আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে।

    পরবর্তী পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ১৫ এপ্রিল থেকে দেশের কিছু অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে তুলনামূলক বেশি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ১৮ এপ্রিলের পর আবারও তাপমাত্রা বাড়তে পারে, ফলে গরমের তীব্রতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    গত ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে ৩৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল রাজারহাটে ২০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আবহাওয়াবিদরা বলছেন, তাপপ্রবাহ চলাকালে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বের হওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান এবং শিশু ও বয়স্কদের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া জরুরি। গরমের তীব্রতা বাড়লে স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

  • দেশজুড়ে তাপপ্রবাহের বিস্তার: ৬ জেলায় মাঝারি গরম, রাতে বাড়তে পারে তাপমাত্রা

    দেশজুড়ে তাপপ্রবাহের বিস্তার: ৬ জেলায় মাঝারি গরম, রাতে বাড়তে পারে তাপমাত্রা

    এবিএনএ: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা আবারও বাড়তে শুরু করেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ছয়টি জেলা ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে বর্তমানে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    রোববার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক এ তথ্য জানান।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জসহ খুলনা বিভাগে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। কিছু এলাকায় এটি আরও বিস্তার লাভ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    এছাড়া সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি দিনের তাপমাত্রাও কিছুটা বাড়তে পারে। ফলে গরমের অনুভূতি আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    অন্যদিকে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে।

    সোমবার ও মঙ্গলবারের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে, তবে বেশিরভাগ এলাকায় শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করবে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা সামান্য ওঠানামা করলেও রাতের তাপমাত্রা স্থিতিশীল থাকবে বা কিছুটা বাড়তে পারে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে সিলেটে ১৬ মিলিমিটার। একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৩৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ১৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপের বর্ধিতাংশ সক্রিয় রয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ অবস্থান করছে, যা দেশের আবহাওয়ায় প্রভাব ফেলছে।

  • দেশজুড়ে মৌসুমের প্রথম তাপপ্রবাহ শুরু—তাপমাত্রা কি ৪১ ডিগ্রি ছাড়াবে?

    দেশজুড়ে মৌসুমের প্রথম তাপপ্রবাহ শুরু—তাপমাত্রা কি ৪১ ডিগ্রি ছাড়াবে?

    এবিএনএ: গ্রীষ্মের শুরুতেই দেশে অনুভূত হচ্ছে তাপমাত্রার তীব্রতা। আবহাওয়া অধিদফতরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মৌসুমের প্রথম তাপপ্রবাহ ইতোমধ্যেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে।

    বর্তমানে রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বিস্তীর্ণ এলাকা ছাড়াও টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ এবং নীলফামারী জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বিরাজ করছে। এতে জনজীবনে অস্বস্তি বেড়েছে এবং দিনের বেলা বাইরে চলাচল কঠিন হয়ে পড়ছে।

    আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস বলছে, এপ্রিল মাসজুড়ে দেশে প্রায় ছয়টি তাপপ্রবাহ আঘাত হানতে পারে। এর মধ্যে এক থেকে দুটি তীব্র আকার ধারণ করতে পারে, যেখানে তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আজ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়, যা ছিল ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া যশোরে ৩৮.২ ডিগ্রি এবং মোংলায় ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নথিভুক্ত হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, সাধারণত কোনো অঞ্চলের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হলে সেটিকে তাপপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। সেই হিসেবে দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে ইতোমধ্যেই তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা এই সময়ে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান, হালকা পোশাক পরিধান এবং রোদে কাজ করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • মার্চেই তাপপ্রবাহের আঁচ, কালবৈশাখীর ঝাপটা—কতটা বাড়বে তাপমাত্রা?

    মার্চেই তাপপ্রবাহের আঁচ, কালবৈশাখীর ঝাপটা—কতটা বাড়বে তাপমাত্রা?

    এবিএনএ: চলতি মার্চ মাসে দেশে গরমের তীব্রতা বাড়ার পাশাপাশি কালবৈশাখী ঝড়ের প্রবণতা দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর। মাসের শেষ দিকে দেশের পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ওপর দিয়ে দু-এক দফা মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই সময় দিনের তাপমাত্রা বেড়ে সর্বোচ্চ প্রায় ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে।

    মার্চজুড়ে সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকলেও দিন ও রাতের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে এবং কিছু অঞ্চলে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকতে পারে। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ মাসে ২ থেকে ৩ দিন বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টিসহ হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার ঝড় হতে পারে। পাশাপাশি এক থেকে দুই দিন তীব্র কালবৈশাখীর ঝাপটা লাগার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মার্চ মাসে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টির উল্লেখযোগ্য আভাস নেই। নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বজায় থাকতে পারে বলেও ধারণা দেওয়া হয়েছে।

    কৃষি আবহাওয়ার দিক থেকে দেখা যাচ্ছে, এই সময়ে দৈনিক গড় বাষ্পীভবনের হার বাড়তে পারে। ফলে জমিতে আর্দ্রতা ধরে রাখতে অতিরিক্ত সেচের প্রয়োজন হতে পারে। সম্ভাব্য ঝড় ও তাপপ্রবাহের প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে কৃষকদের আগাম প্রস্তুতি ও সেচ ব্যবস্থাপনায় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

  • সাগরে ৩ নম্বর সংকেত, দেশে আসছে নিয়মিত বৃষ্টির আভাস

    সাগরে ৩ নম্বর সংকেত, দেশে আসছে নিয়মিত বৃষ্টির আভাস

    এবিএনএ: বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি খুলনা, বরিশাল, নোয়াখালীসহ নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, লঘুচাপের কারণে উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে। এর ফলে আগামী এক সপ্তাহ দেশের বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের জুলাই মাসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি মাসে দেশে ১ থেকে ৩টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে অন্তত একটি মৌসুমি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। এছাড়া এক থেকে দুটি মৃদু তাপপ্রবাহও বয়ে যেতে পারে।

    তবে এর মধ্যে আশার খবর হলো—এই মাসে সারাদেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    অন্যদিকে, জুন মাসে দেশে গড় বৃষ্টিপাত হয়েছে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১৯.৩ শতাংশ কম। সবচেয়ে কম বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে সিলেট বিভাগে, যেখানে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৪৯ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে। ঢাকাতেও কমেছে ৩৩ শতাংশ বৃষ্টিপাত। খুলনা ও বরিশাল বিভাগ ছাড়া বাকি ছয়টি বিভাগেই বৃষ্টির পরিমাণ স্বাভাবিকের নিচে ছিল।

    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আষাঢ় মাসে এমন কম বৃষ্টিপাত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের অংশ হতে পারে। তবে জুলাই মাসে স্বাভাবিক বর্ষণ আবার ফিরে আসবে বলেই পূর্বাভাস।

    এদিকে মৎস্যজীবী ও উপকূলবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে এবং সমুদ্রগামী নৌযানগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে বিচরণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    সাধারণ জনগণকে প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বনের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

  • আগামী পাঁচদিন সারাদেশে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, সতর্ক থাকার পরামর্শ

    আগামী পাঁচদিন সারাদেশে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, সতর্ক থাকার পরামর্শ

    এবিএনএ:  জুলাই মাসের শুরুতেই দেশের আবহাওয়া বৈচিত্র্যে ভরপুর হয়ে উঠেছে। একদিকে যেমন মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তায় মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে, তেমনি দেশের কোথাও কোথাও বয়ে যেতে পারে মৃদু তাপপ্রবাহ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ দিন দেশের প্রায় সব বিভাগেই হালকা থেকে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে।

    বুধবার আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ৩টি লঘুচাপ তৈরি হতে পারে, যার একটি মৌসুমি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। একইসঙ্গে পাঁচ-ছয়দিন বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

    পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, “জুলাই মাসে একাধিক এলাকায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকতে পারে।”

    প্রথমার্ধে দেশের প্রধান নদ-নদীতে পানির স্তর বাড়বে বলে জানা গেছে। জুন মাসে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় ১৯.৩ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে, ঢাকায় এই ঘাটতি প্রায় ৩৩ শতাংশ।

    অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে আরও জানানো হয়েছে, মৌসুমি বায়ু এখন দেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থানে রয়েছে। এর ফলে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিশেষ করে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে অধিকাংশ জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগেও কিছু এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবারও একই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, ২৪ ঘণ্টায় ১-১০ মিমি বৃষ্টিকে হালকা, ১১-২২ মিমি মাঝারি, ২৩-৪৩ মিমি মাঝারি ধরনের ভারি, ৪৪-৮৮ মিমি ভারি এবং ৮৮ মিলিমিটারের বেশি হলে অতি ভারি বৃষ্টিপাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

    গত শুক্রবার সাগরে লঘুচাপ তৈরি হওয়ায় তিন নম্বর সতর্ক সংকেত জারি হয়েছিল, যা বুধবার তুলে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় দেশের সব সমুদ্রবন্দরকে সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ জানান, “জুলাই মাসে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সাধারণত বৃষ্টি হয়। এখন বৃষ্টিপাত বাড়ছে, আগামী পাঁচ দিনও এই প্রবণতা বজায় থাকবে।” বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কক্সবাজারে সর্বোচ্চ ৭৩ মিলিমিটার বৃষ্টি এবং ঢাকায় ৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সৈয়দপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    সপ্তাহজুড়ে এই বৃষ্টিপ্রবণ আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে, ফলে জনসাধারণকে সতর্ক ও প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

  • রাতেই ঝোড়ো হাওয়া-বজ্রসহ বৃষ্টি, ৯ অঞ্চলের নৌবন্দরে সতর্ক সংকেত

    রাতেই ঝোড়ো হাওয়া-বজ্রসহ বৃষ্টি, ৯ অঞ্চলের নৌবন্দরে সতর্ক সংকেত

    এবিএনএ:

    আজ রাতেই দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ৯টি অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার বিকেল ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত এই ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। এজন্য সংশ্লিষ্ট নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    পূর্বাভাসে জানানো হয়, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেটের আকাশে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    এছাড়া নীলফামারী জেলায় মাঝারি মাত্রার তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ফেনীসহ রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জায়গা এবং রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগেও মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। কিছু এলাকায় তা কমতেও পারে।

    বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে।

    এ সময় দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কয়েকটি জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণও হতে পারে।

    আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের ফলে নদীপথে যাতায়াতরতদের জন্য সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে।