Tag: তানজিদ তামিম

  • বাংলাদেশের লড়াকু ব্যাটিং, আফগানিস্তানের সামনে ১৫৫ রানের টার্গেট

    বাংলাদেশের লড়াকু ব্যাটিং, আফগানিস্তানের সামনে ১৫৫ রানের টার্গেট

    এবিএনএ:  এশিয়া কাপে সুপার ফোরের আশা জিইয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাট হাতে লড়াই করেছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে তারা সংগ্রহ করে ১৫৪ রান, ফলে আফগানিস্তানকে জয়ের জন্য ১৫৫ রানের টার্গেট ছুঁড়ে দেয় বাংলাদেশ।

    বাংলাদেশের ইনিংসে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন তরুণ ব্যাটার তানজিদ হাসান তামিম। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে তিনি খেলেন ৫২ রানের দারুণ এক ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান আসে সাইফ হাসানের ব্যাট থেকে, যিনি দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ৩০ রান যোগ করেন।

    এই ম্যাচে বাংলাদেশ একাদশে আনা হয় চারটি পরিবর্তন। ওপেনার পারভেজ ইমনকে বাদ দিয়ে দলে সুযোগ পান সাইফ হাসান। বোলিংয়ে শরিফুল ইসলামের জায়গায় ফেরেন তাসকিন আহমেদ। স্পিন আক্রমণে পরিবর্তন এনে বাঁহাতি নাসুম আহমেদকে নামানো হয়, তিনি জায়গা নেন শেখ মাহেদীর পরিবর্তে। পাশাপাশি দলে ফেরেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার নুরুল হাসান সোহান, বাদ পড়েন তানজিম সাকিব।

    বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, লিটন দাস (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), তাওহিদ হৃদয়, শেখ মেহেদী হাসান, নুরুল হাসান, জাকের আলী অনিক, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, রিশাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ।

    আফগানিস্তান একাদশ: রহমানুল্লাহ গুরবাজ (উইকেটরক্ষক), সেদিকুল্লাহ অটল, ইবরাহিম জাদরান, গুলবাদিন নাইব, করিম জানাত, আজহমতউল্লাহ ওমরজাই, মোহাম্মদ নবি, রশিদ খান (অধিনায়ক), নুর আহমাদ, এএম গজনফার, ফজলহক ফারুকি।

    এখন আফগানিস্তানকে জিততে হলে করতে হবে ১৫৫ রান। ম্যাচটি উভয় দলের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ, কারণ জয়ী দলই টিকে থাকবে সুপার ফোরের দৌড়ে।

  • তানজিদের ফিফটির পরেই রান আউট শান্ত, চাপের মুখে বাংলাদেশ

    তানজিদের ফিফটির পরেই রান আউট শান্ত, চাপের মুখে বাংলাদেশ

    এবিএনএ:  দুর্দান্ত বোলিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে ২৪৪ রানে অলআউট করার পর ব্যাট হাতে ইতিবাচক সূচনা করেছিল বাংলাদেশ। তবে একশ’ রানের মধ্যেই বড় ধাক্কা খেতে হয় দলকে—রান আউট হয়ে ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্ত।

    চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করে শ্রীলঙ্কা। দলটির পক্ষে অধিনায়ক চারিথা আশালঙ্কা খেলেন অনবদ্য এক সেঞ্চুরি—১২৩ বলে ১০৪ রান। এছাড়া কুশল মেন্ডিস ৪৫ ও জানিথ লিয়ানাগে করেন ২৯ রান। শেষদিকে মিলান রত্নায়েকে ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা দলের স্কোরে যুক্ত করেন সমান ২২ রান।

    বাংলাদেশের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন পেসার তাসকিন আহমেদ। তিনি শিকার করেন ৪টি উইকেট। তানজিম সাকিব নেন ৩ উইকেট এবং তানভীর ইসলাম ও শান্ত ভাগ করে নেন দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।

    জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের শুরুটা মোটামুটি হলেও ওপেনার পারভেজ ইমন দ্রুতই ফেরেন সাজঘরে—১৬ বল খেলে ১৩ রান করেন তিনি। অন্যদিকে অপর ওপেনার তানজিদ তামিম দেখিয়েছেন দুর্দান্ত ব্যাটিং দক্ষতা। তিনি তুলে নিয়েছেন তার ফিফটি এবং খেলেছেন ৬১ রানের কার্যকরী ইনিংস।

    তানজিদের সঙ্গে গড়ে উঠেছিল শান্তর সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি। কিন্তু সেই জুটি ভাঙে এক অনাকাঙ্ক্ষিত রান আউটের মাধ্যমে। ২৬ বল খেলে ২৩ রান করে ফিরে যান শান্ত, দলের স্কোর তখন ঠিক একশ’।

    ক্রিজে এখনো রয়েছেন তানজিদ তামিম ও লিটন দাস। ম্যাচের পরবর্তী অংশে কী ঘটে, সেই অপেক্ষাতেই রয়েছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। বাংলাদেশ দল জয়ের পথে কতটা এগোতে পারে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।