Tag: তদন্ত

  • হ্যালোইন পার্টি শেষে নির্মম হত্যাকাণ্ড: ব্রিটিশ মডেল লুক হার্ডেনের মৃত্যুর পেছনে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    হ্যালোইন পার্টি শেষে নির্মম হত্যাকাণ্ড: ব্রিটিশ মডেল লুক হার্ডেনের মৃত্যুর পেছনে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    এবিএনএ:হ্যালোইন পার্টি শেষে বাড়ি ফেরার পথে ভয়াবহ হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারান ব্রিটিশ মডেল লুক হার্ডেন। ঘটনাটি ঘিরে শুরু হয়েছে আদালতে বিচার প্রক্রিয়া, যেখানে তদন্তে উঠে এসেছে বেশ কিছু নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি-এর তথ্য অনুযায়ী, হত্যার মাত্র দুই দিনের মধ্যেই ২৬ বছর বয়সী ভেকি সানি মাতাবিসওয়ানা নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশ।

    কোথায় এবং কীভাবে ঘটেছিল ঘটনা?

    ঘটনাটি ঘটে ইংল্যান্ডের ল্যাঙ্কাশায়ার অঞ্চলে, গত বছরের ১ নভেম্বর ভোরে। হঠাৎ ও অপ্রত্যাশিত হামলায় হার্ডেন আত্মরক্ষার কোনো সুযোগই পাননি।

    বর্তমানে মামলাটি শুনানি চলছে প্রিস্টন ক্রাউন কোর্ট-এ। বিচার চলাকালে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ভেকি এবং নিহত হার্ডেন আগে থেকে একে অপরকে চিনতেন না।

    পার্টি থেকে বের হওয়ার পরই বিপর্যয়

    ঘটনার রাতে দুজনই উপস্থিত ছিলেন স্ট্যাকস্টেডস এলাকার ‘রোজমাউন্ট ওয়ার্কিং মেনস ক্লাব’-এ আয়োজিত একটি হ্যালোইন পার্টিতে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, রাতের দিকে মদ্যপ অবস্থায় ক্লাব ত্যাগ করেন হার্ডেন।

    কিছুক্ষণ পর নিউচার্চ রোডে তার সঙ্গে দেখা হয় ভেকি ও তার বান্ধবীর। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, প্রথমে স্বাভাবিকভাবে কথা বললেও হঠাৎ করেই কোনো কারণ ছাড়াই ভেকি হামলা চালান।

    আকস্মিক হামলা ও মৃত্যুর কারণ

    সিসিটিভি অনুযায়ী, ভেকি হার্ডেনকে মাটিতে ফেলে মাথায় জোরালোভাবে আঘাত করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গুরুতর আঘাতের কারণে হার্ডেন দ্রুত অচেতন হয়ে পড়েন এবং জরুরি সহায়তা চাওয়ার আগেই তার অবস্থার অবনতি ঘটে।

    ফরেনসিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, মাথা ও মুখে গুরুতর আঘাতের ফলে তার খুলিতে ফাটল ধরে এবং মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়—যা তার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

    আদালতে কী বলা হয়েছে?

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নিকোলাস রোডস কেসি আদালতে জানান, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। ধারণা করা হচ্ছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বান্ধবীর সঙ্গে হার্ডেনের কথা বলা দেখে উত্তেজিত হয়ে হামলা চালান।

    গ্রেপ্তার ও বর্তমান অবস্থা

    ঘটনার পর অভিযুক্ত ভেকি একাধিকবার দেশ ছাড়ার চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যানচেস্টার বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও তিনি তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    বর্তমানে মামলার বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং পরবর্তী শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।

  • বাগেরহাটে চাঞ্চল্য: খান জাহান আলীর দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে কুকুর নিহত, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড়

    বাগেরহাটে চাঞ্চল্য: খান জাহান আলীর দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে কুকুর নিহত, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড়

    এবিএনএ,বাগেরহাট: বাগেরহাটের ঐতিহাসিক খান জাহান আলী (রহ.) মাজার সংলগ্ন দিঘিতে এক কুমিরের আক্রমণে একটি কুকুরের মৃত্যুর ঘটনা দেশব্যাপী আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ‘ধলা পাহাড়’ নামে পরিচিত কুমিরটি দিঘির প্রধান ঘাট এলাকা থেকে কুকুরটিকে টেনে পানির নিচে নিয়ে যায়। এই ঘটনার একটি ভিডিও দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় নানা বিতর্ক।

    অনলাইনে অনেকেই দাবি করেন, কুকুরটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে কুমিরের সামনে ফেলা হয়েছে। আবার কেউ অভিযোগ তোলেন, কুমিরকে নিয়মিতভাবে প্রাণী খাওয়ানো হয়। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও ভিডিও পর্যবেক্ষণে এসব দাবির সত্যতা মেলেনি।

    জানা গেছে, কুকুরটি অসুস্থ ছিল এবং ঘটনার আগে কয়েকজন মানুষকে কামড় দেয়। পরে নিজেই ঘাটের দিকে গিয়ে পানিতে নামে। এ সময় কুমিরটি সুযোগ বুঝে আক্রমণ চালায়।

    ঘটনার সময় সেখানে অনেক দর্শনার্থী উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তাকর্মী ফোরকান হাওলাদার জানান, কুকুরটি প্রথমে তাকে কামড় দেয় এবং পরে আশপাশে থাকা লোকজনের দিকে তেড়ে যায়। পরে পানিতে নামার পর কুমিরটি তাকে ধরে ফেলে। কিছু সময় পর দিঘির অন্য পাশে কুকুরটির মরদেহ ভেসে ওঠে।

    স্থানীয় ব্যবসায়ী বিনা আক্তার বলেন, কুকুরটি তার দোকানের সামনে কয়েকজনকে আক্রমণ করে এবং একটি শিশুকেও কামড় দেয়। এছাড়া তার কয়েকটি মুরগিও মেরে ফেলে।

    স্থানীয়দের মতে, কুমিরটি সম্প্রতি ডিম পাড়ায় আরও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছে। ফলে ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে।

    মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তারিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত এবং সামাজিক মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। কুকুরটিকে কেউ বেঁধে পানিতে ফেলেছে—এমন কোনো প্রমাণ নেই। এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

    এদিকে জেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। পাশাপাশি কুকুরটির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

    জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, কুমিরকে কখনোই কুকুর খাওয়ানো হয় না এবং কুসংস্কার বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

  • সংসদে মাইক বিকল, ক্ষুব্ধ স্পিকার: ‘এটি জাতির জন্য লজ্জাজনক পরিস্থিতি’

    সংসদে মাইক বিকল, ক্ষুব্ধ স্পিকার: ‘এটি জাতির জন্য লজ্জাজনক পরিস্থিতি’

    এবিএনএ: জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশনে হঠাৎ সাউন্ড সিস্টেমে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় কার্যক্রমে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম একে ‘অত্যন্ত কলঙ্কজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন।

    রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে অধিবেশন চলাকালে হঠাৎ করে মাইকের শব্দে সমস্যা দেখা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে সংসদের কার্যক্রম প্রায় ৪০ মিনিটের জন্য স্থগিত রাখতে হয়। পরে অধিবেশন পুনরায় শুরু হলে স্পিকার বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দেন।

    তিনি জানান, মাইক ব্যবস্থার ত্রুটির কারণ অনুসন্ধানে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে সংসদ ভবনের ভেতরে ভাঙচুরের ঘটনায় আসবাবপত্র ও বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, যার প্রভাব এখনো রয়ে গেছে।

    স্পিকার আরও বলেন, সংসদ ভবনে যে সাউন্ড সিস্টেমটি ব্যবহার করা হচ্ছে, তা কয়েক বছর আগে স্থাপন করা হলেও এর গুণগত মান ও স্থায়িত্ব নিয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য নথি পাওয়া যাচ্ছে না। এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজে যথাযথ পরিকল্পনা ও তদারকির অভাব ছিল বলেও তিনি ইঙ্গিত করেন।

    তিনি উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট বিদেশি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা সমস্যার সমাধানে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। একই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে যারা এই প্রকল্পে যুক্ত ছিলেন, তাদের অনেকেই দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছেন।

    এ পরিস্থিতিতে স্পিকার সংসদের সচিবকে পুরো বিষয়টি তদন্ত করে বিস্তারিত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আইনসভায় এ ধরনের প্রযুক্তিগত বিভ্রাট কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি রাষ্ট্রের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর।

    তিনি আরও সতর্ক করে জানান, ভবিষ্যতে আবারও এ ধরনের সমস্যা দেখা দিলে স্বল্প সময়ের জন্য অধিবেশন স্থগিত রাখতে হতে পারে, যাতে দ্রুত মেরামত করা যায়।

    সব মিলিয়ে, চলমান এই প্রযুক্তিগত জটিলতা সংসদের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে, যা দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার।

  • বাগেরহাটে প্রকাশ্য রাস্তায় ছাত্রদল নেতাকে পিটিয়ে হত্যা, এলাকায় থমথমে উত্তেজনা

    বাগেরহাটে প্রকাশ্য রাস্তায় ছাত্রদল নেতাকে পিটিয়ে হত্যা, এলাকায় থমথমে উত্তেজনা

    এবিএনএ,শরণখোলা (বাগেরহাট): বাগেরহাটের শরনখোলা উপজেলায় জামায়াত কর্মীরা পিটুনিতে সাইথখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ সভাপতি আরিফুল ইসলাম মাসুম (৩২) নিহত হয়েছে। রবিবার (১লা মার্চ) রাত ১১টার দিকে শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের মডেল বাজারে ওই হামলার ঘটনা ঘটে। এঘটনায় সাগর হাওলাদার নামে আরো এক বিএনপি সমর্থক আহত হয়েছেন। এই হত্যাকান্ডের পর শরণখোলা উপজেলাজুরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। নিহতের মরদের ময়না তদন্ত সোমবার দুপুরে জেলা হাসপাতাল মর্গে সম্পন্ন হয়েছে। ঘটনার পর বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফ উল্লাহ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন।

    নিহত আরিফুল ইসলাম মাসুম উপজেলার সাইথখালী ইউনিয়নের খুড়িয়াখালী গ্রামের প্রয়াত বিএনপি নেতা আব্দুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে ও সাউথখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ সভাপতি। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ছাত্রদল নেতা মাসুম মালয়েশিয়া চলে যান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েকদিন আগে বিএনপির পক্ষে ভোট দেয়ার জন্য মালয়েশিয়া থেকে বাড়িতে আসেন।

    এঘটনায় নিহত ভাই শহিদুল ইসলাম হাওলাদার বাদী হয়ে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে সোমবার দুপুরে শরণখোলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ রবিবার দিবাগত রাতেই অভিযান চালিয়ে এঘটনায় ৩ জামায়াত কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত খলিল বয়াতী, তানজের বয়াতী ও শাহজালাল বয়াতী নামের এই তিনজন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামী।

    নিহত ছাত্রদল নেতার পরিবারের দাবি, স্থানীয় জামায়াত-শিবিেিরর নেতাকর্মীরা সংঘবদ্ধ হয়ে আরিফুল ইসলাম মাসুমের উপর হামলা চালায়। ঘটনার সময় (রাত সাড়ে ১১টার) মাসুম তার শশুর বাড়ি থেকে দাওয়াত খেয়ে স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় পূর্ব থেকে ওৎপেতে থাকা জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে এলোপাতাড়ি মারপিট করেন। তার ডাকচিৎকারে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান।

    এব্যাপারে শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. বেল্লাল হোসেন মিলন জানান, বাগেরহাট-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থী এমপি নির্বাচিত হওয়ায় তারা বেপরোয়া হয়ে ওঠে। নির্বাচনের সময় এবং নির্বাচনের পরে জামায়াতের নেতাকর্মীরা এলাকায় একাধি সহিংস ঘটনা ঘটিয়েছে। আমাদের বিএনপির নেতাকর্মীদের মারধর এবং বিএনপি অফিস আগুন দিয়ে জ¦ালিয়ে দিয়েছে তারা। নির্বাচনের পরের দিন নিহত ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম মাসুম তার মোবাইলে একটি সহিংস ঘহটনার ভিডিও ধারণ করায় তার ওপর ক্ষীপ্ত ছিল জামায়া-শিবিরের নেতাকর্মীরা। তরাই জের ধরে এই নৃসংশ হত্যাকাÐ ঘটিয়েছে জামায়াত ও শিবির। হত্যাকাÐে জড়িত জামায়াত ও শিবির কর্মীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান এই বিএনপি নেতা।

    অপরদিকে উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম কবির সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘটনার সাথে জামায়াত-শিবিরের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, নিহতের পরিবার ও বিএনপির অভিযোগ সম্পূর্ণ বানোয়াট, তারা উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে জামায়াতের উপর ঘটনার দায় চাপানোর অপচেষ্টা করছেন।

    শরণখোলা উপজেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নাইম বলেন, ছাত্রদল নেতা মাসুমকে রাত সাড়ে ১১টার দিকে আহত অবস্থায় জরুরি বিভাগে আনা হয়। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ভর্তি করে বেডে পাঠানো হলে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। তার শরীরে আঘাতের চিহ্নও দেখা গেছে। তবে পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

    শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক জানান, গত ১২ ফেব্রæয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ছাত্রদল নেতা মাসুম মোবাইল ফোনে ভিডিও করাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জামায়াত ইসলামীর কর্মীদের সাথে বিরোধ তৈরি হয়। সেই বিরোধের জের সাউথখালী ইউনিয়নের মডেল বাজারে জামায়াত কর্মীদের সাথে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে জামায়াত কর্মীরা মাসুম ও সাগর হাওলাদার নামে আরো এক বিএনপি সমর্থককে পিটিয়ে আহত করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে শরণখোলা উপজেলা ভর্তি করার পর মাসুম মারা যায়।

    পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জামায়াতের তিনকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নিহতের ভাইয়ের দায়ের করা হত্যা মামলায় এই তিনজন এজাহারনামীয় আসামী।

    সোমবার দুপুরে নিহতের ময়না তদন্ত বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে। অন্য জড়িতদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান চালাচ্ছে।

  • শরণখোলায় আগুনে ভস্মীভূত ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়

    শরণখোলায় আগুনে ভস্মীভূত ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়

    এবিএনএ,শরণখোলা: বাগেরহাটের শরণখোলায় আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গেছে ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারী) মধ্যরাতে ঘটনাটি ঘটেছে শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়ন এর ১ নং সোনাতলা ওয়ার্ডে। সোনাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে থাকা ১ নং সোনাতলা ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়টি সম্পুর্নরুপে ভস্মীভূত হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শী মোঃ মনসুর বলেন, বিএনপি অফিসের পাশেই আমার দোকান। আমি দোকানের মধ্যেই ঘুমে ছিলাম, হঠাৎ বিকট শব্দ পেয়ে আমি দোকানের বাইরে আসলে পাশে থাকা বিএনপি অফিস পুড়তে দেখে আশেপাশের সবাইকে ডাক দেই।

    স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রাজু গাজী বলেন, ঘটনাটি শুনে আমি রাতেই সেখানে যাই। স্থানীয়রা অফিসের সামনে থেকে দুই লিটারের একটি কেরোসিনের বোতল পেয়েছে। যা পরিকল্পিত ভাবে আগুন লাগানোকেই নির্দেশ করে।

    সাউথখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহিদুল আলম লিটন বলেন, নাশকতা সৃষ্টির মাধ্যমেই বিএনপি অফিস ভস্মীভূত করা হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই ওয়ার্ডে উত্তাপ বিরাজ করছে। আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নিব।

  • মিরপুরে যুবদল নেতা কিবরিয়াকে গুলি করে হত্যা: সিসিটিভি ফুটেজে খুঁজছে পুলিশ

    মিরপুরে যুবদল নেতা কিবরিয়াকে গুলি করে হত্যা: সিসিটিভি ফুটেজে খুঁজছে পুলিশ

    এবিএনএ: রাজধানীর মিরপুরে পল্লবী থানা যুবদলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়াকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার সন্ধ্যায় মিরপুর ১২ নম্বরের সি ব্লকের বিক্রমপুর হার্ডওয়্যার অ্যান্ড স্যানিটারি দোকানে ঢুকে তাকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি চালানো হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মোটরসাইকেলে করে তিনজন অস্ত্রধারী এসে দোকানের ভেতরে ঢুকে মাথা, বুক ও পিঠে টার্গেট করে গুলি ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে সাত রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করেছে পুলিশ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কিবরিয়াকে দ্রুত সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মফিজুর রহমান বলেন, নিহত কিবরিয়া যুবদলের স্থানীয় নেতা ছিলেন। কারা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ও কেন তাকে টার্গেট করা হয়েছে—তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

    ঢাকা মহানগর পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে একজনকে আটক করা হয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি আশপাশের ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হত্যাকারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এখনো হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি।