Tag: ঢাকা

  • ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৩১১ রোগী

    ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৩১১ রোগী

    এবিএনএ:  ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে দেশে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচজন রোগী প্রাণ হারিয়েছেন। এদের মধ্যে তিনজন ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে এবং দু’জন রাজশাহীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। একই সময়ে নতুন করে ৩১১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

    তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৭ হাজার ৭৮২ জন। তাদের মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ১১০ জন।

    বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, বরিশাল বিভাগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি— ৯ হাজার ৩৭০ জন, যা মোট আক্রান্তের প্রায় ৩৩ শতাংশ। তবে মৃত্যুর দিক থেকে এগিয়ে ঢাকা মহানগর, যেখানে মৃত্যু হয়েছে ৬৩ জনের, যা মোট মৃত্যুর অর্ধেকেরও বেশি।

    বয়সভিত্তিক হিসেবে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন ১৬ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা। এ বয়সে আক্রান্ত ১০ হাজারেরও বেশি রোগী, যা মোট সংক্রমণের ৩৬ শতাংশের কাছাকাছি। মৃত্যুও সবচেয়ে বেশি হয়েছে এই বয়সে— ৩১ জন।

    গত একদিনে ভর্তি হওয়া নতুন রোগীদের মধ্যে ঢাকায় ১১২ জন, বরিশালে ৮২ জন, ঢাকা বিভাগের বাইরে ৪২ জন, চট্টগ্রামে ৩৭ জন, রাজশাহীতে ২১ জন, খুলনায় ১৫ জন এবং ময়মনসিংহে ২ জন। তবে রংপুর ও সিলেটে কোনো নতুন রোগী ভর্তি হয়নি।

    বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ২৯৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাইরে ৮৫৩ জন এবং রাজধানীতে ৪৪০ জন।

    মাসভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছরের জানুয়ারিতে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ হাজার ১৬১ জন এবং মৃত্যু হয় ১০ জনের। ফেব্রুয়ারিতে আক্রান্ত ৩৭৪ জন, মৃত্যু ৩ জন। মার্চে আক্রান্ত ৩৩৬ জন হলেও কোনো মৃত্যু হয়নি। এপ্রিলে আক্রান্ত ৭০১ জন ও মৃত্যু ৭ জন। মে মাসে আক্রান্ত ১ হাজার ৭৭৩ জন ও মৃত্যু ৩ জন। জুনে আক্রান্ত ৫ হাজার ৯৫১ জন এবং মৃত্যু ১৯ জন। জুলাই মাসে আক্রান্ত সর্বোচ্চ ১০ হাজার ৬৮৪ জন ও মৃত্যু ৪১ জন। চলতি আগস্টে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৮০২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের।

    উল্লেখ্য, ২০০০ সাল থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর পরিসংখ্যান সংরক্ষণ করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয় ২০২৩ সালে, যখন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ২১ হাজারের বেশি এবং মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন। ২০২৪ সালেও আক্রান্ত হন ১ লাখের বেশি মানুষ এবং মৃত্যু হয় ৫৭৫ জনের।

  • “দীপু মনির অনৈতিক আবদার না মানায় আমি অপবাদের শিকার: আদালতে কলিমউল্লাহর বিস্ফোরক বক্তব্য”

    “দীপু মনির অনৈতিক আবদার না মানায় আমি অপবাদের শিকার: আদালতে কলিমউল্লাহর বিস্ফোরক বক্তব্য”

    এবিএনএ:  বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ আদালতে অভিযোগ করেছেন, “দীপু মনি তার অনৈতিক আবদার পূরণ না করায় আমার বিরুদ্ধে অপবাদ রটানো হয়েছে।”

    বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালতে জামিন শুনানির সময় তিনি এসব কথা বলেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় তাকে আদালতে হাজির করা হলে, জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবী শাহনাজ আক্তার। তবে দুদকের আইনজীবী দেলোয়ার জাহান রুমি জামিনের বিরোধিতা করেন।

    শুনানিতে কলিমউল্লাহ বলেন, “আমি প্রতিদিন ১৭ থেকে ১৮ ঘণ্টা কাজ করেছি। ঢাকায় বসে অফিস করলেও সব দায়িত্ব পালন করেছি। আমি দীপু মনির অন্যায় আবদারে সাড়া দিইনি, তাই তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এসব অপবাদ ছড়িয়েছেন।”

    বিচারক তাকে প্রশ্ন করেন, “আপনি কয় সালে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন?” উত্তরে কলিমউল্লাহ জানান, “২০১৭ সালে তৎকালীন সরকার আমাকে নিয়োগ দেয়।”

    বিচারক তখন বলেন, “১৩৫২ দিনের মধ্যে আপনি ১১১৫ দিন ঢাকায় ছিলেন, এটা কীভাবে সম্ভব?” জবাবে তিনি বলেন, “রাতের বেলা টকশো করতাম, দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে ব্যস্ত থাকতাম।”

    এ সময় আদালত জানতে চান, “উন্নয়ন খাতে কোনো টাকা পেয়েছেন কি?” উত্তরে তিনি বলেন, “আমার আগের উপাচার্যের সময় ৯৯ কোটি টাকার প্রকল্প চলছিল, আমি দায়িত্ব নিয়ে তা চালিয়ে গেছি।”

    আদালতে কলিমউল্লাহ আরও জানান, “আমাকে কোনো চিঠি বা নোটিশ দেওয়া হয়নি। সকালবেলা পুলিশ বাসা থেকে ধরে এনেছে। আমি নিজেই এক পোশাকে আদালতে এসেছি।”

    বিচারক মন্তব্য করেন, “দুনিয়া থেকে বিদায়ের সময় বা জেলে যাওয়ার সময় কেউ সঙ্গে যায় না। দুর্নীতিবাজরা কবরেও একা, জেলেও একা। আপনি কী করেছেন, তা আপনি এবং আল্লাহ জানেন। তদন্ত হলে সব পরিষ্কার হবে।”

    শুনানি শেষে আদালত কলিমউল্লাহকে হাজতখানায় পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    এর আগে, বৃহস্পতিবার সকালে মোহাম্মদপুরের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। গত ১৮ জুন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম বাদী হয়ে কলিমউল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।

  • আগস্টে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে, জুলাইয়ে শনাক্ত সর্বোচ্চ রোগী

    আগস্টে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে, জুলাইয়ে শনাক্ত সর্বোচ্চ রোগী

    এবিএনএ:  বাংলাদেশে চলতি বছর ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষ করে জুলাই মাসে আক্রান্তের সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ছিলেন ১০ হাজার ২৬৯ জন, অথচ শুধু জুলাই মাসেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ৪০৬ জন।

    সর্বশেষ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮৬ জন এবং মারা গেছেন দুজন পুরুষ। এ নিয়ে ২০২৫ সালে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ৮১ জনে। এর মধ্যে ৪৬ জন পুরুষ এবং ৩৫ জন নারী।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশন ছাড়া) সর্বোচ্চ ১০৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। ঢাকার ভেতরে ৭৮ জন, চট্টগ্রামে ৬৪ জন, ঢাকা বিভাগের অন্যান্য অঞ্চলে ৬২ জন, রাজশাহীতে ৪৫ জন, খুলনায় ২৩ জন, ময়মনসিংহে ৫ জন এবং রংপুর বিভাগে ৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে জুলাই মাসে—৩৯ জন। জুনে মারা গেছেন ১৯ জন, জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩ জন, এপ্রিলে ৭ জন এবং মে মাসে মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের।

    বিভাগভিত্তিক মৃত্যুর হিসাবে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকায়—৪৬ জন। বরিশালে মারা গেছেন ১৬ জন। দক্ষিণাঞ্চলের এ বিভাগে ডেঙ্গুর প্রকোপ তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যাচ্ছে।

    জুলাইয়ে রোগী সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আশঙ্কা তৈরি হয়েছে আগস্টের পরিস্থিতি নিয়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার বলেন, “২০০০ সাল থেকে ডেঙ্গু বাংলাদেশে শুরু হলেও আজও এটি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ঘাটতি। মশা নিধন কার্যক্রমে বাস্তবায়নহীনতা ও সমন্বয়ের অভাবই সংক্রমণ বাড়ার মূল কারণ।”

    তিনি আরও বলেন, “আগস্টে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হতে পারে। এখনই নতুন পরিকল্পনা ও তা দ্রুত বাস্তবায়ন না করলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।”

  • বিএনপি-জামায়াতসহ ৪ দলের সঙ্গে রাতে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা

    বিএনপি-জামায়াতসহ ৪ দলের সঙ্গে রাতে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা

    এবিএনএ: রাজধানীর রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে দেশের চলমান সংকট ও আন্দোলন নিয়ে আলোচনার জন্য বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, মঙ্গলবার রাত ৯টায় এই বৈঠকটি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অংশ নেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জামায়াতের নায়েবে আমীর আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন ও যুগ্ম-মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান।

    সূত্র জানায়, বৈঠকে দেশের সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, সোমবার রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৩১ জন নিহত এবং ১৬৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    এই দুর্ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন মাইলস্টোন কলেজ ও আশপাশের শিক্ষার্থীরা। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার ও প্রেস সচিব শফিকুল আলম প্রায় ৯ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকেন।

    এছাড়াও মাইলস্টোন ও এসএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা সচিবালয়ের গেটে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। গেট ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এরপর গুলিস্তান ও সচিবালয় এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষে সাধারণ মানুষকেও অংশ নিতে দেখা যায়।

    এই পটভূমিতে দেশের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পদক্ষেপ নির্ধারণে প্রধান উপদেষ্টার এ বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • উত্তরায় বিমান দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৩১, রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৬৫

    উত্তরায় বিমান দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৩১, রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৬৫

    এবিএনএ:  ঢাকার উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা বাড়ছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৩১ জন এবং চিকিৎসাধীন রয়েছেন অন্তত ১৬৫ জন।

    আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুর্ঘটনার শিকার আহত ব্যক্তিদের রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালভেদে নিহত ও আহতদের অবস্থা নিচে তুলে ধরা হলো—

    • কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল: ৮ জন আহত, কোনো মৃত্যুর খবর নেই।

    • শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউট: ৪৬ জন আহত, ১০ জন মারা গেছেন।

    • ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল: ৩ জন আহত, ১ জন নিহত।

    • সিএমএইচ, ঢাকা: ২৮ জন আহত, ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    • লুবনা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড কার্ডিয়াক সেন্টার: ১৩ জন আহত, ২ জন নিহত।

    • উত্তরা আধুনিক হাসপাতাল: ৬০ জন আহত, ১ জন নিহত।

    • উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতাল: ১ জন আহত, কোনো মৃত্যু নেই।

    • শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল: ১ জন আহত, মৃত্যু হয়নি।

    • ইউনাইটেড হাসপাতাল: ২ জন আহত, ১ জন নিহত।

    • কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল: ৩ জন আহত, কোনো মৃত্যুর খবর নেই।

    মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে এবং আরও তথ্য পেলে হালনাগাদ জানানো হবে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।

  • ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আরও ২১২ জন, বরিশালেই অধিকাংশ ভর্তি

    ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আরও ২১২ জন, বরিশালেই অধিকাংশ ভর্তি

    এবিএনএ:  দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছেই। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ২১২ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি, ১১০ জনই বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকা থেকে এসেছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এই সময়ের মধ্যে কোনো মৃত্যুর খবর না থাকলেও আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।

    বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বরিশালের বাইরে থাকা এলাকাগুলোতে ১১০ জন, চট্টগ্রামে ১৬ জন, ঢাকার বাইরের এলাকায় ২৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭ জন এবং দক্ষিণ সিটিতে ৩৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া খুলনায় ১২ জন এবং ময়মনসিংহে ১ জন নতুন করে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।

    চলতি জুন মাসের প্রথম ১৮ দিনে ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছেন ৭ জন। আর সারা বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ বছরের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৬ হাজার ৬৭৮ জন রোগী।

    তবে কিছুটা স্বস্তির খবর হলো, গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৮৯ জন রোগী। মোট ছাড়পত্রপ্রাপ্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৮৮৭ জনে।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্ষার মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় আগাম সতর্কতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। জনগণকে সচেতন থাকার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • সোমবার থেকে শুরু ভারি বর্ষণের ঝড়, সতর্ক বার্তা আবহাওয়া অধিদপ্তরের

    সোমবার থেকে শুরু ভারি বর্ষণের ঝড়, সতর্ক বার্তা আবহাওয়া অধিদপ্তরের

    এবিএনএ:

    সোমবার (১৬ জুন) সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সক্রিয় হয়ে উঠায় বর্ষার তীব্রতা আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

    শনিবার প্রকাশিত এক বিশেষ সতর্কবার্তায় জানানো হয়, আগামী ৭২ ঘণ্টা ধরে চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা, ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।

    বিশেষ করে চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, বান্দরবন, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায় প্রবল বৃষ্টির কারণে ভূমিধ্বসের ঝুঁকি রয়েছে। এ ছাড়া, বৃষ্টির কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর কিছু এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে বলে সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানায়, শনিবার সন্ধ্যার মধ্যে দেশের সাতটি অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা নাগরিকদের সতর্ক থাকার এবং প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনকে প্রস্তুত থাকার জন্য বলা হয়েছে।

    সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও উদ্ধার কার্যক্রম চালাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

  • মিরপুরে শ্যামলপল্লি বস্তিতে হঠাৎ ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট

    মিরপুরে শ্যামলপল্লি বস্তিতে হঠাৎ ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট

    এবিএনএ:  রাজধানীর মিরপুর-১৩ এর শ্যামলপল্লি এলাকায় একটি বস্তিতে আজ রবিবার সন্ধ্যায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুতই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের ৭টি ইউনিট এবং তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে।

    ফায়ার সার্ভিস সদরদপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা তালহা বিন জসীম জানান, সন্ধ্যা ৭টা ৫৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর তাদের কাছে পৌঁছে। তবে এখনো আগুনের উৎস কীভাবে বা কোথা থেকে তা ছড়িয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক দল কাজ করছে। এলাকার মানুষজনকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং আগুন যাতে অন্যত্র ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে সতর্ক নজরদারি চলছে।

    এই মুহূর্তে হতাহতের কোনো নিশ্চিত খবর পাওয়া না গেলেও আশঙ্কা রয়েছে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হতে পারে। আগুনের কারণ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, হঠাৎ করেই বস্তির একটি ঘর থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায় এবং তা দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

    এখনও পুরোপুরি আগুন নিয়ন্ত্রণে না এলেও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আশা প্রকাশ করছেন, দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে।

    আপাতত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে স্থানীয় প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আগুন নিয়ন্ত্রণে এলে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানানো হয়েছে।