Tag: ঢাকা সিটি করপোরেশন

  • সারাদেশে আবারও বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, একদিনেই হাসপাতালে ভর্তি ৩৪৩ জন

    সারাদেশে আবারও বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, একদিনেই হাসপাতালে ভর্তি ৩৪৩ জন

    এবিএনএ:  বাংলাদেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ আবারও চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৩৪৩ জন ডেঙ্গু রোগী। তবে এ সময়ের মধ্যে মৃত্যুর কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

    রোববার (৩ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিভিন্ন বিভাগে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা নিচের মতো:

    • বরিশাল বিভাগ (সিটি করপোরেশনের বাইরে): ১১১ জন

    • চট্টগ্রাম বিভাগ (সিটি করপোরেশনের বাইরে): ৫১ জন

    • ঢাকা বিভাগ (সিটি করপোরেশনের বাইরে): ৫৪ জন

    • ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন: ৬৪ জন

    • ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন: ৫৯ জন

    • ময়মনসিংহ বিভাগ (সিটি করপোরেশনের বাইরে): ৩ জন

    এছাড়া একই সময়ে ৩৩৭ জন রোগী চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট ২০ হাজার ২৫৭ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২১ হাজার ৬৭০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৫৮.৮% পুরুষ এবং ৪১.২% নারী

    ডেঙ্গুতে চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ৮৪ জনের। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

    তুলনামূলকভাবে ২০২৪ সালে মোট আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৫৭৫ জন। আর ২০২৩ সালে ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ চিত্র—তখন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ১ হাজার ৭০৫ জনের।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেশের নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে এবং মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যক্তিগত ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছে।

  • ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছে: একদিনে প্রাণ হারালেন ৩ জন, হাসপাতালে ভর্তি ৪৯২

    ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছে: একদিনে প্রাণ হারালেন ৩ জন, হাসপাতালে ভর্তি ৪৯২

    এবিএনএ: সারা দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক রূপ নিচ্ছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরও ৪৯২ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    সোমবার (৭ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৪৮ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগের (সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে) সংখ্যা সবচেয়ে বেশি—১৫৪ জন। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ৫১ জন, ঢাকা বিভাগে ৬৯ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩৬ জন, দক্ষিণ সিটিতে ৫৩ জন, খুলনা বিভাগে ৫৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে ৩ জন এবং সিলেট বিভাগে ১ জন ভর্তি হয়েছেন।

    এ সময়ের মধ্যে ৪১১ জন রোগী চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের শুরু থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত মোট ১১ হাজার ৪০৯ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ৭৬৩ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৫২ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ এবং ৪০ দশমিক ৮ শতাংশ নারী।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে মশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। এই মুহূর্তে সবাইকে সতর্কতা অবলম্বন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • ঢাকার রাস্তায় কোরবানির বর্জ্য: ‘পরিষ্কার’ দাবি ডিএনসিসির, মাঠে ভিন্ন চিত্র!

    ঢাকার রাস্তায় কোরবানির বর্জ্য: ‘পরিষ্কার’ দাবি ডিএনসিসির, মাঠে ভিন্ন চিত্র!

    এবিএনএ:

    ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) দাবি করেছে, তারা কোরবানির ঈদের প্রথম দিনেই শতভাগ বর্জ্য অপসারণ করেছে। তবে বাস্তব চিত্র কিছুটা ভিন্ন। রবিবার (৮ জুন) দুপুর থেকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, রাস্তায় এখনো পশুর রক্ত ও বর্জ্য ছড়িয়ে রয়েছে। এসব ছবিও উঠে এসেছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে।

    এই প্রসঙ্গে রবিবার ডিএনসিসির জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়, শনিবার রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে যে বিজ্ঞপ্তিতে ‘শতভাগ বর্জ্য অপসারণ’ বলা হয়েছিল, তা ছিল ঈদের প্রথম দিনের কোরবানির বর্জ্যের সর্বশেষ তথ্য। এরপর আরও নতুন কোরবানি হওয়ায় সেসব বর্জ্য রাতেই এসটিএস ও সড়কে সাময়িকভাবে রাখা হয়, যা রবিবার সকালে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

    ডিএনসিসি আরও জানায়, ঈদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনেও পশু কোরবানি হয়, ফলে প্রতিনিয়তই নতুন বর্জ্য তৈরি হচ্ছে। এসব বর্জ্য অপসারণের কাজও চলছে ধারাবাহিকভাবে। ডিএনসিসির ১০ হাজারেরও বেশি কর্মী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছে।

    প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেছেন, ঘোষিত সময়ের আগেই শহরকে সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে একটি পরিচ্ছন্ন ঢাকা উপহার দেওয়াই তাদের লক্ষ্য।

    ডিএনসিসির তথ্য অনুযায়ী, রবিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত মোট ১৩,১৭৪ মেট্রিক টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। বর্জ্যবাহী ট্রাক আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে মোট ২,৫৮০টি ট্রিপ সম্পন্ন করেছে।

    তবে জনসাধারণের অনেকে বলছেন, অনেক এলাকা এখনো দুর্গন্ধময় ও নোংরা অবস্থায় রয়েছে। তাই ডিএনসিসির “শতভাগ বর্জ্য অপসারণ” দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

    পর্যবেক্ষকদের মতে, ভবিষ্যতে সুনির্দিষ্ট সময় ধরে নয়, বরং বাস্তব পরিস্থিতির ভিত্তিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অগ্রগতি জানানো উচিত, যাতে জনস্বার্থ নিশ্চিত হয়।

  • ‘রাজপথ ছাড়বো না’—ডিএসসিসি ইস্যুতে ইশরাকের আহ্বানে উত্তাল রাজধানী

    ‘রাজপথ ছাড়বো না’—ডিএসসিসি ইস্যুতে ইশরাকের আহ্বানে উত্তাল রাজধানী

    এবিএনএ: 

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে শপথ গ্রহণ নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজধানীর রাজপথ। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও ডিএসসিসি মেয়রপ্রার্থী ইশরাক হোসেন তার সমর্থকদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছেন— “একটা কথাই বলবো, যতক্ষণ দরকার রাজপথ ছাড়বেন না।”

    বুধবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এই বার্তা দেন। তার এই আহ্বানের পরপরই রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অবস্থান নেয় বিএনপি নেতাকর্মীরা।

    🚧 বিক্ষোভে অচল রাজধানী:

    মৎস্য ভবন, কাকরাইল মসজিদ এলাকা এবং যমুনা ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন ইশরাকের অনুসারীরা। একইসঙ্গে ডিএসসিসি নগর ভবনের সামনেও আরেকটি বড় অংশ জড়ো হয়ে পড়েছে। এতে নগর ভবনের সামনের সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।

    এর ফলে রাজধানীর ওইসব এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র যানজট। ব্যস্ততম এই এলাকাগুলোতে সাধারণ মানুষকে পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে।

    🔥 রাজনৈতিক বার্তা পরিষ্কার:

    ইশরাক হোসেনের এই অবস্থান এবং আহ্বান বিএনপির আন্দোলন কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি তার বার্তায় আরও বলেন, “গণতন্ত্রের জন্য যে মূল্য দিতে হয়, আমরা তা দিতেই রাজপথে এসেছি। এখান থেকে পিছু হটা চলবে না।”

    বিএনপি সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, দলীয় ফোরামে ইশরাককে নিয়ে শপথ ইস্যুতে সৃষ্ট জটিলতা আরও বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে রূপ নিতে পারে।

    📌 সতর্ক প্রশাসন:

    অবস্থার গুরুত্ব বিবেচনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও দেখা গেছে সতর্ক অবস্থানে। পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সে জন্য নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।