Tag: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ

  • শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা না থাকলে সাফল্য অসম্পূর্ণ: ডিএমপি কমিশনারের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

    শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা না থাকলে সাফল্য অসম্পূর্ণ: ডিএমপি কমিশনারের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

    এবিএনএ: শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না—সন্তানদের নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তোলাও সমান জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।

    শনিবার রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে ডিএমপির শিক্ষাবৃত্তি-২০২৪ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৫১৭ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষাবৃত্তি তুলে দেওয়া হয়।

    ডিএমপি কমিশনার বলেন, নৈতিকতা ছাড়া শিক্ষিত মানুষ দিয়ে কোনো দেশ বা সমাজের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। শিশু বয়স থেকেই নীতি-নৈতিকতার শিক্ষা দিতে হবে এবং সমাজের প্রতিটি স্তরে সেই মূল্যবোধ চর্চা করতে হবে।

    শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ের চাহিদা অনুযায়ী কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জন ভবিষ্যতের জন্য অপরিহার্য। তিনি বলেন, একজন ভালো মানুষ হতে পারলেই বাবা-মায়ের প্রকৃত গর্ব হওয়া যায়।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ফারুক আহমেদ। তিনি বলেন, ডিএমপির এই শিক্ষাবৃত্তি উদ্যোগ একটি উন্নত ও আদর্শ সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আদর্শ ও দেশপ্রেমিক মানুষ তৈরি না হলে রাষ্ট্রের অগ্রগতি সম্ভব নয়।

    বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একজন শিক্ষার্থী বলেন, এমন সম্মানজনক অনুষ্ঠানের অংশ হতে পেরে তারা গর্বিত এবং এই উদ্যোগের জন্য ডিএমপির প্রতি কৃতজ্ঞ।

    অনুষ্ঠানে উপ-পুলিশ কমিশনার (সদরদপ্তর ও প্রশাসন) আমীর খসরু স্বাগত বক্তব্য দেন। উল্লেখ্য, ডিএমপিতে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের সন্তানদের সুশিক্ষায় উৎসাহিত করতে ২০১৭ সাল থেকে এই শিক্ষাবৃত্তি কার্যক্রম চালু রয়েছে।

    এ সময় ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ডিএমপি বলছে ‘বিশেষ সতর্কতা’ শুধু ধারণার ভিত্তিতে, নিশ্চিত গোয়েন্দা তথ্য নয়

    ডিএমপি বলছে ‘বিশেষ সতর্কতা’ শুধু ধারণার ভিত্তিতে, নিশ্চিত গোয়েন্দা তথ্য নয়

    এবিএনএ: রাজধানীসহ সারাদেশে এই ‘বিশেষ সতর্কতা’ কার্যকর থাকবে ৮ আগস্ট পর্যন্ত। নজরুল ইসলাম বলেন, ‘‘রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে—এমন শঙ্কা থেকেই এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে রাজধানীতে বিশেষ অভিযানও চলবে।’’

    তিনি যোগ করেন, ‘‘নির্দিষ্টভাবে বলা যায় না, কোন এলাকায় হামলা হতে পারে। কিন্তু কোনো এলাকাকে লক্ষ্য করে কিছু বলা হলে, সেখানে গুরুত্ব দিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়।’’


    📱 সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নজরদারি

    গত এক বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—ফেসবুক ও ইউটিউবে বিভিন্ন উসকানিমূলক তৎপরতা দেখা যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। নজরুল ইসলাম বলেন, “এসব কর্মকাণ্ড আমরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছি। কিছু রাজনৈতিক দল হরতালের ডাক দিলেও বাস্তবে তার প্রভাব তেমন দেখা যায়নি। বরং ওইসব দিনে রাজধানীতে যানজট ছিল আরও বেশি।”


    📆 রাজনৈতিক কর্মসূচি ও তথ্যের অভাব

    জুলাই মাসজুড়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের বর্ষপূর্তিকে কেন্দ্র করে কর্মসূচির ঘোষণা দিলেও, বিগত সরকারের নেতাকর্মীরা মাঠে নামবেন কি না—সেই বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য ডিএমপির কাছে নেই বলেও জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার।

    তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, “সবকিছুই সম্ভাবনার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। পুলিশ বাহিনী সেই অনুযায়ী মাঠে প্রস্তুতি নিচ্ছে।”

    এই সতর্কতামূলক অবস্থান নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিশ্চিত করছে, যাতে সম্ভাব্য যে কোনো বিশৃঙ্খলা মোকাবিলা করা সম্ভব হয়।

  • সচিবালয় ও যমুনা ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা ডিএমপির

    সচিবালয় ও যমুনা ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা ডিএমপির

    এবিএনএ:  ঢাকা মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সচিবালয়, প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’ এবং এর আশপাশের এলাকায় যেকোনো ধরনের সভা, মিছিল, সমাবেশ, মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

    ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. সরওয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত ৯ জুলাই (বুধবার) থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

    নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও জনশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    নিষিদ্ধ ঘোষিত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে—বাংলাদেশ সচিবালয়, যমুনা ভবন, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, কাকরাইল মসজিদ মোড়, অফিসার্স ক্লাব মোড় এবং মিন্টু রোড।

    এই এলাকাগুলোতে যেকোনো ধরনের গণজমায়েত, শোভাযাত্রা, অবস্থান ধর্মঘটসহ সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকবে।

    ডিএমপি বলেছে, জননিরাপত্তা রক্ষায় ও আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে এই ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। একইসঙ্গে সাধারণ জনগণকে এ বিষয়ে সতর্ক ও সহযোগিতাপূর্ণ আচরণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • ঢাকায় আইন নিজের হাতে তুলে নিলে কঠোর ব্যবস্থা: হুঁশিয়ারি দিল ডিএমপি

    ঢাকায় আইন নিজের হাতে তুলে নিলে কঠোর ব্যবস্থা: হুঁশিয়ারি দিল ডিএমপি

    এবিএনএ: 

    আইন হাতে তুলে নিয়ে অরাজকতা সৃষ্টি করলে কোনো অবস্থাতেই ছাড় দেওয়া হবে না—এমন কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডিএমপির এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীর ধানমণ্ডিতে এক বাড়িতে জোর করে প্রবেশের চেষ্টা এবং পুলিশের ওপর চাপ সৃষ্টি করার ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয় এবং পরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    ডিএমপি জানায়, সোমবার রাত ৩টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-ফোন করে একজন জানান যে ধানমণ্ডি নম্বর সড়কের একটি বাড়িতে কয়েকজন ব্যক্তি গেট ভেঙে প্রবেশের চেষ্টা করছে। খবর পাওয়ার পর ধানমণ্ডি থানার ওসি ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে যান।

    ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ দেখতে পায়, প্রায় ১৫-২০ জন ব্যক্তি বাড়িটির সামনে জড়ো হয়ে জোরপূর্বক প্রবেশ করতে চাচ্ছে। পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলেও তারা উত্তেজিত আচরণ করে এবং একজন ব্যক্তিকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে।

    পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ তিনজনকে থানায় নিয়ে আসে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে মঙ্গলবার বিকেলে তাদের মুচলেকা গ্রহণ করে ছেড়ে দেওয়া হয়, তবে ভবিষ্যতে ধরনের কার্যক্রমে জড়িত না হওয়ার শর্তে।

    বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি আরও জানায়, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার কোনো চেষ্টা করলে, কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে হয়রানি করার প্রমাণ পাওয়া গেলে, তাৎক্ষণিকভাবে ৯৯৯ নম্বরে অথবা নিকটস্থ থানায় জানানোর অনুরোধ করা হচ্ছে।

    ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়, “আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার ঘটনা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে পুলিশের দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য।”

    এই হুঁশিয়ারি নাগরিকদের সচেতন করা এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে আরও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।