Tag: ঢাকা দক্ষিণ সিটি

  • ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৬৩৬ রোগী

    ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৬৩৬ রোগী

    এবিএনএ:  দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) প্রাণঘাতী এ রোগে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৩৬ জন রোগী। সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    সরকারি হিসেবে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৫-এ। আর এ বছর দেশে সর্বমোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮ হাজার ৫২৭ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগ ও ঢাকা উত্তর সিটিতে ২ জন করে এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।

    বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ১ হাজার ৮৪৪ জন ডেঙ্গু রোগী। এর মধ্যে ঢাকার বাইরের হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১ হাজার ৯৮ জন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আক্রান্তের হার কমলেও মৃত্যু ঠেকাতে দ্রুত শনাক্তকরণ ও সময়মতো চিকিৎসা অত্যন্ত জরুরি।

  • ডেঙ্গুর ছোবলে একদিনেই প্রাণ গেল ৫ জনের, হাসপাতালে ভর্তি আরও ১৫৯

    ডেঙ্গুর ছোবলে একদিনেই প্রাণ গেল ৫ জনের, হাসপাতালে ভর্তি আরও ১৫৯

    এবিএনএ:

    বাংলাদেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ আবারও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন। একই সময় নতুন করে ১৫৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা চলতি বছরের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড।

    শুক্রবার (১৩ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বরিশাল বিভাগে সর্বোচ্চ চারজনের মৃত্যু হয়েছে, আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মারা গেছেন একজন। বার্ষিক হিসাবে বর্তমানে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ জনে।

    নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১৫৯ জন রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগের (সিটি করপোরেশনের বাইরের) রয়েছে ১২৪ জন। চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগের বাইরের এলাকায় রয়েছে ৯ জন করে, ঢাকা দক্ষিণে ১২ জন, ঢাকা উত্তরে ১ জন, খুলনায় ৩ জন এবং সিলেট বিভাগে ১ জন।

    তবে কিছুটা স্বস্তির খবর হচ্ছে—২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০৪ জন ডেঙ্গু রোগী। বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৫ হাজার ১১ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, ১৩ জুন পর্যন্ত দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ৫৭০ জনে পৌঁছেছে, যার মধ্যে ৫৫.৩ শতাংশ পুরুষ এবং ৪৪.৭ শতাংশ নারী।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু ছড়ানোর আশঙ্কা অনেক বেশি। তাই স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে সচেতন হওয়ার এবং মশা নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • ভোটারদের নিয়ে নিজেই শপথ নেব: মেয়র পদে হুঁশিয়ারি ইশরাক হোসেনের

    ভোটারদের নিয়ে নিজেই শপথ নেব: মেয়র পদে হুঁশিয়ারি ইশরাক হোসেনের

    এবিএনএ, ঢাকা:

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়রপদে শপথ গ্রহণ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নতুন মোড় নিয়েছে। বিএনপি নেতা ও ডিএসসিসির নির্বাচিত মেয়র হিসেবে ঘোষিত ইশরাক হোসেন জানিয়েছেন, সরকার যদি দ্রুত শপথ গ্রহণের সুযোগ না করে, তবে তিনি নিজেই ঢাকার ভোটারদের নিয়ে নগর ভবনে প্রবেশ করে চেয়ারে বসবেন এবং শপথ নেবেন।

    মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর গুলিস্তানে অবস্থিত নগর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন ইশরাক।

    তিনি বলেন, “নগর ভবন কিভাবে চলবে সেটা ঠিক করবে ঢাকাবাসী, কোনো অনির্বাচিত উপদেষ্টা বা নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসক নয়। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবেই আমি দায়িত্ব পালন করবো।”

    ইশরাক আরও অভিযোগ করেন, “মেয়র পদে শপথে বিলম্ব করে সরকার জনগণের রায় অস্বীকার করছে। এটা নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি অবিশ্বাস বাড়াচ্ছে।”

    এ নিয়ে নগর ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি সমর্থকরা। ফলে ডিএসসিসির হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম নিবন্ধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ তোলে বিএনপি। ইশরাক হোসেন সে সময় বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে চলতি বছরের ২৭ মার্চ নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল তাঁকে বিজয়ী ঘোষণা করে এবং ২৭ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করে।

    তবে ওই গেজেট ও রায় স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়, যা আদালত খারিজ করে দেয় ২২ মে। পরে ‘লিভ টু আপিল’ দাখিল করা হলে ২৯ মে আদালত তা নিষ্পত্তি করে বলে নির্বাচন কমিশন পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে স্বাধীন।

    এই অবস্থায় বিএনপি ও ইশরাক হোসেনের দাবি—গেজেট প্রকাশের পর আর বিলম্বের সুযোগ নেই, অবিলম্বে শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা করতে হবে।

  • ইশরাককে শপথ না দিলে নগর ভবনের তালা খুলবে না: হুঁশিয়ারি আন্দোলনকারীদের

    ইশরাককে শপথ না দিলে নগর ভবনের তালা খুলবে না: হুঁশিয়ারি আন্দোলনকারীদের

    এবিএনএ, ঢাকা:

    বিএনপি নেতা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে শপথ না পড়ানো পর্যন্ত নগর ভবনের মূল ফটক খোলা হবে না বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন তার সমর্থক ও সিটি করপোরেশনের শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরা।
    মঙ্গলবার (২৭ মে) দুপুর ১২টার দিকে নগর ভবনের সামনে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে এমন ঘোষণা আসে।

    নগর ভবনের ফটকে তালা লাগিয়ে রাখা হলেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিভাগ এবং জরুরি নাগরিক সেবা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী ও সাবেক সচিব মশিউর রহমান। তিনি জানান, শহরবাসী যেন দুর্ভোগে না পড়ে, সে জন্য ময়লা অপসারণসহ গুরুত্বপূর্ণ কাজ চালু থাকবে।

    তিনি আরও বলেন, “ইশরাক হোসেনকে জনগণের ভোটে নির্বাচিত মেয়র হিসেবে শপথ পড়ানো না হলে, আমরা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাব। এই আন্দোলন ঢাকাবাসীর পক্ষ থেকে গণতান্ত্রিক দাবি আদায়ের একটি অংশ।”

    ১৪ মে থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ইতোমধ্যেই এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলছে। প্রতিদিনই নগর ভবনের সামনে অবস্থান নিচ্ছেন ইশরাকের কর্মী-সমর্থক ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অনেক কর্মচারী। মূল ভবনে প্রবেশে বাধা থাকায় সেখানে নাগরিক সেবার বেশিরভাগ কাজ কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

    আন্দোলনকারীদের দাবি, নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে ইশরাক হোসেনের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হলে নগর ভবন ঘিরে চলমান এই কর্মসূচি আরও কঠিন হতে পারে। তারা বলেন, “ঢাকাবাসীর রায়কে উপেক্ষা করে মেয়রের শপথ আটকে রাখা গণতন্ত্র ও জনমতের প্রতি চরম অবমাননা।”

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আন্দোলন চলাকালীন মেয়রের দায়িত্বে কেউ নেই, যার ফলে নাগরিক সেবা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে চরম ধীরগতি দেখা দিয়েছে।

    সচেতন মহলের মত, এই রাজনৈতিক অচলাবস্থা দ্রুত নিরসন না হলে জনজীবনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে। সরকার ও প্রশাসনের উচিত সুষ্ঠু আলোচনার মাধ্যমে এর সমাধান খোঁজা।

  • ইশরাক সমর্থকদের অবরোধে অচল নগর ভবন, সোমবার ঘোষিত হলো ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি

    ইশরাক সমর্থকদের অবরোধে অচল নগর ভবন, সোমবার ঘোষিত হলো ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি

    এবিএনএ: ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে নিয়োগের দাবিতে আন্দোলনরত সমর্থকরা আগামীকাল সোমবার নগর ভবনে ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।

    তাদের দাবি, সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত নগর ভবনের সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে নগর ভবনের সামনে তারা অবস্থান করবেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

    রবিবার এক প্রতিবাদ সমাবেশে ঢাকাবাসীর পক্ষে আন্দোলনের ঘোষণা দেন মশিউর রহমান। তিনি বলেন, “আমরা দাবি করছি, নগর ভবনের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হোক। আমাদের আন্দোলন চলবে যতক্ষণ না ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়।”

    আন্দোলন চলাকালে সমর্থকদের মুখে শোনা গেছে—“দফা এক দাবি এক, আসিফের পদত্যাগ”—এই স্লোগান।

    নগর ভবনের সামনে টানা চার দিন ধরে বিক্ষোভ চলছে। আন্দোলনকারীরা ভবনের প্রধান ফটক বন্ধ করে দেওয়ায় প্রশাসনিক কাজকর্ম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।

    সকাল থেকে বিভিন্ন সেবা নিতে নগর ভবনে আসা অনেকেই হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন, কেউ কেউ দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও সেবা পাচ্ছেন না।

    নগর ভবনের অভ্যন্তরে কর্মীদের প্রবেশ স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় নাগরিক সেবায় মারাত্মক প্রভাব পড়ছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

    আন্দোলনকারীরা বলছেন, এই আন্দোলন শান্তিপূর্ণ হলেও দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা পিছু হটবেন না। আগামীকাল ঘোষিত ‘ব্লকেড’ সফল করতে তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন পুরোদমে।

    সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরাসরি কোনো সমঝোতা বা আলোচনা হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হতে পারে বলে জানা গেছে।