Tag: ঢাকা কলেজ

  • নিউমার্কেটের উত্তেজনা কাটল: শিক্ষার্থী সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে, স্বাভাবিক হলো যান চলাচল

    নিউমার্কেটের উত্তেজনা কাটল: শিক্ষার্থী সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে, স্বাভাবিক হলো যান চলাচল

    এবিএনএ: রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে সৃষ্ট উত্তেজনা পুলিশের হস্তক্ষেপে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও উত্তেজনার পর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করলে পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাস ও আশপাশের সড়কে একাধিক রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা এলাকা ছেড়ে সরে যেতে বাধ্য হয়। একই সময় আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদেরও সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার ফলে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে নিউমার্কেট এলাকায় যান চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়। তবে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলিফ্যান্ট রোডে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন রাখা হয়েছে।

    নিউমার্কেট থানার পেট্রোল ইন্সপেক্টর মো. জাহাঙ্গীর জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং যান চলাচল নির্বিঘ্নে চলছে। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সে জন্য পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

    সংঘর্ষের সূত্রপাত নিয়ে উভয় কলেজের শিক্ষার্থীরা পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়েছে। ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবি, তাদের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আইডিয়াল কলেজের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হয়।

    অন্যদিকে আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছে, তাদের শিক্ষার্থীরাই ঢাকা কলেজের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় মারধরের শিকার হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

    এ বিষয়ে ঢাকা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ তন্ময় অভিযোগ করেন, কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই আইডিয়াল কলেজের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের কলেজের কয়েকজন একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে রিকশা থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন বলেও তিনি দাবি করেন।

  • সায়েন্সল্যাবে রণক্ষেত্র: ঢাকা কলেজ–আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের তীব্র সংঘর্ষ, বন্ধ মিরপুর রোড

    সায়েন্সল্যাবে রণক্ষেত্র: ঢাকা কলেজ–আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের তীব্র সংঘর্ষ, বন্ধ মিরপুর রোড

    এবিএনএ: রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা সায়েন্সল্যাবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঢাকা কলেজ ও ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির শিক্ষার্থীরা মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উভয় কলেজের শিক্ষার্থীরা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হাতাহাতিতে জড়ায়। সংঘর্ষের সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা না গেলেও পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

    উত্তেজনা বাড়তে থাকলে পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসের ভেতরে দুই রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হলেও আশপাশের এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

    সরেজমিনে দেখা যায়, মিরপুর রোডের নিউমার্কেট অংশে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের একটি অংশ পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থান নেয়। মিরপুর থেকে নিউমার্কেট এবং উল্টো দিকের সড়কেও যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

    উল্লেখ্য, এর আগেও ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গত বছরের ৯ নভেম্বর নিউমার্কেট থানার উদ্যোগে দুই পক্ষের মধ্যে শান্তি চুক্তি হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে আবারও উভয় কলেজের শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে, যেখানে ঢাকা কলেজের দুটি বাস ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

  • ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ অধ্যাদেশে দেরি: সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম ও নতুন কর্মসূচি

    ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ অধ্যাদেশে দেরি: সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম ও নতুন কর্মসূচি

    এবিএনএ: প্রস্তাবিত ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ অধ্যাদেশ প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে আবারও মাঠে নেমেছে রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা। অধ্যাদেশ দ্রুত জারি না হলে আগামী শনিবার (৬ ডিসেম্বর) পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে আল্টিমেটাম ঘোষণা করেছেন তারা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অগ্রগতি না থাকলে ৭ ডিসেম্বর থেকে শিক্ষা ভবনের সামনে টানা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

    বুধবার ঢাকা কলেজের সামনে বিক্ষোভ মিছিল শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাত কলেজ প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান। তিনি বলেন, “বহুদিন ধরেই সাত কলেজকে নিয়ে আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ থেমে আছে। অধ্যাদেশ জারি না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। তাই এবার আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হচ্ছি।”

    এর আগে সকাল থেকেই সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে সমাবেশ শুরু করেন। পরে তারা মিরপুর সড়কে অবস্থান নিয়ে রাস্তায় অবরোধ সৃষ্টি করেন। দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে যান চলাচল বন্ধ থাকার পর শিক্ষার্থীরা নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে অবরোধ তুলে নেন।

    এদিকে, সাত সরকারি কলেজকে একীভূত করে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে নতুন একটি স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নীতিগত সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যেই সরকার গ্রহণ করেছে। গত ১২ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তবে অধ্যাদেশ জারির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

  • সাত কলেজের দায়িত্বে প্রশাসক এলো, ঢাকা কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে ফিরলেন এ কে এম ইলিয়াস

    সাত কলেজের দায়িত্বে প্রশাসক এলো, ঢাকা কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে ফিরলেন এ কে এম ইলিয়াস

    এবিএনএ: সাত সরকারি কলেজ পরিচালনার জন্য রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ঢাকা কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে অধ্যাপক কে এম ইলিয়াসকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তাকে এই পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে মূলত সাত কলেজের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে।

    রবিবার (১৮ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী তার অবসরোত্তর ছুটি সংশ্লিষ্ট সুবিধাদি স্থগিত করে আগামী দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তিনি অন্য কোনো সরকারি-বেসরকারি চাকরি বা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারবেন না।

    এই প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর আন্দোলনরত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা জানিয়েছেন, দাবির অংশ হিসেবে এই নিয়োগ সরকার পূরণ করেছে বলে তারা মনে করছেন।

    সাত কলেজের সমন্বিত কাঠামো এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম ঢাকার ঢাকা কলেজকে কেন্দ্র করে পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ইউজিসি। এর অংশ হিসেবেই এই নিয়োগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলে জানা যায়।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়টি তাদের মাধ্যমে হলেও পরবর্তী প্রশাসনিক কাজগুলো এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।

    উল্লেখ্য, ঢাকা কলেজ ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ। এই সাত কলেজে মোট শিক্ষার্থী প্রায় দুই লাখ এবং শিক্ষক সংখ্যা এক হাজারের বেশি।

    এর আগে, সাত কলেজকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবিতে শিক্ষার্থীরা সরকারের প্রতি ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছিল। ইডেন কলেজে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা জানান, দাবি না মানলে কঠোর কর্মসূচি এবং মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের মতো আন্দোলনে যাবে।

    এই প্রেক্ষাপটে প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে অধ্যক্ষ কে এম ইলিয়াসের নিয়োগকে আন্দোলনের একটি তাৎক্ষণিক সাড়া হিসেবে দেখছে সংশ্লিষ্ট মহল। তবে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, দাবির পূর্ণ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হবে না।