Tag: ড. ইউনূস

  • ড. ইউনূসকে উদ্দেশ্য করে ফরহাদ মজহার: ‘গ্রামীণ ব্যাংক চালানো আর রাষ্ট্র চালানো এক নয়’

    ড. ইউনূসকে উদ্দেশ্য করে ফরহাদ মজহার: ‘গ্রামীণ ব্যাংক চালানো আর রাষ্ট্র চালানো এক নয়’

    এবিএনএ:  অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উদ্দেশ্য করে তীব্র সমালোচনা করেছেন কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার। তার মতে, “গ্রামীণ ব্যাংক পরিচালনার অভিজ্ঞতা দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা সম্ভব নয়।”

    জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থা ও নির্বাচন’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি বলেন, “আপনি সংবিধান রক্ষার কথা বলছেন, অথচ সংবিধানে কোথাও উপদেষ্টা সরকার ব্যবস্থার উল্লেখ নেই। তাই আপনার সরকার অবৈধ।”

    তিনি দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থান সংবিধান মেনে হয়নি, বরং সেটিই সরকারের বৈধতার উৎস। তাই ড. ইউনূসকে প্রথমেই নিজের বৈধতা নিশ্চিত করতে হবে।

    ফরহাদ মজহার অভিযোগ করে বলেন, “আপনি যে নির্বাচন আয়োজনের কথা বলছেন, তার ভিত্তি কী? এত ত্যাগের পর জনগণ নির্বাচনের জন্য আন্দোলন করেনি। দেশে প্রকৃত কোনো রাজনৈতিক দল নেই। এখানে কেবল লুটেরা শ্রেণির আধিপত্য।”

    জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বিরোধিতা করে তিনি আরও বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার গঠিত হয়েছে। সেখানে শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া সংবিধান রক্ষার শপথ নিয়ে উপদেষ্টা সরকার গঠনের যুক্তি নেই।”

    তিনি সরাসরি বলেন, “গ্রামীণ ব্যাংক চালানো আর রাষ্ট্র চালানো এক নয়। রাষ্ট্র চালাতে হলে আপনাকে আইন, রাজনীতি ও জনগণের দাবির প্রতি সাড়া দিতে হবে।”

    তরুণদের মন্ত্রণালয়ে অন্তর্ভুক্ত করায় তিনি প্রশংসা করলেও অভিযোগ তোলেন, তারা কার্যকরভাবে কাজ করতে পারছে না কারণ পুরনো আমলাতন্ত্র এখনো প্রভাব বিস্তার করছে।

  • আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে নয়, সংলাপ ও অংশগ্রহণেই ফিরবে গণতন্ত্র: দ্য ইকোনমিস্ট

    আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে নয়, সংলাপ ও অংশগ্রহণেই ফিরবে গণতন্ত্র: দ্য ইকোনমিস্ট

    এবিএনএ: ব্রিটিশ প্রভাবশালী সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট সম্প্রতি এক বিশ্লেষণে বলেছে, বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ বিরোধী দলকে নিষিদ্ধ করার মধ্যে দিয়ে নয়, বরং রাজনৈতিক সম্প্রীতি ও অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে খুঁজে নেওয়া উচিত।

    এই নিবন্ধে বলা হয়, বাংলাদেশের ইতিহাস সামরিক হস্তক্ষেপ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও গণতন্ত্রের ঘাটতিতে ভরা। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার মাত্র চার বছর পরই সামরিক শাসনের সূচনা ঘটে এবং আজও সেই ছায়া বিদ্যমান। বর্তমান সময়েও, যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে একটি অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তখনও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অধরা।

    নতুন সরকার নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে কার্যক্রম শুরু করে। তারা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে এবং অর্থনীতিতে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে এনেছে। মূল্যস্ফীতি কমেছে, আন্তর্জাতিক ঋণপ্রদান আবার শুরু হয়েছে। তবে চীনমুখী পররাষ্ট্রনীতি এবং পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে চিড় ধরিয়েছে। এতে ভারত একাধিক চুক্তি বাতিল করেছে এবং রাজনৈতিকভাবে দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

    এই প্রেক্ষাপটে, মে মাসে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে সরকার। দ্য ইকোনমিস্টের মতে, দুর্নীতির অভিযোগে দলের শীর্ষ নেতাদের বিচারের আওতায় আনা যৌক্তিক হলেও, পুরো দলকে নিষিদ্ধ করা রাজনৈতিক ভারসাম্যহীনতা তৈরি করেছে। এমন সিদ্ধান্ত দেশের ভেতরে ও বাইরে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে এবং একটি বিতর্কিত সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা প্রশ্নবিদ্ধ।

    দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, রাজনৈতিক প্রতিশোধ নয় বরং অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্রই হতে পারে নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি। আওয়ামী লীগের মতো বৃহৎ দলের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করাই সময়ের দাবি।

    এই বিশ্লেষণ আরও বলছে, আওয়ামী লীগের জয় এখন নিশ্চিত নয়, তবে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে তাদের সংসদে উপস্থিতি সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করবে এবং গণতান্ত্রিক কাঠামোকে সুসংহত করবে। গণতন্ত্রের পথে ফিরে যেতে হলে পুনর্মিলন ও সহনশীলতাই হতে হবে বাংলাদেশের মূল রাজনৈতিক দর্শন।

  • রমজানের আগেই নির্বাচন চান তারেক রহমান, ইউনূস বললেন শর্ত সাপেক্ষে সম্ভব

    রমজানের আগেই নির্বাচন চান তারেক রহমান, ইউনূস বললেন শর্ত সাপেক্ষে সম্ভব

    এবিএনএ:

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন রমজান শুরুর আগেই আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে শুক্রবার (১৩ জুন) এক বৈঠকে এই প্রস্তাব দেন তিনি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে।

    বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান জানান, প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের জন্য এপ্রিলের প্রথমার্ধকে সম্ভাব্য সময় হিসেবে বিবেচনায় রেখেছেন।

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, তারেক রহমান রমজানের আগে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাব দেন এবং জানান, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও এই সময়কে উপযুক্ত মনে করেন।

    প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস জানান, “যদি প্রয়োজনীয় সংস্কার ও বিচারিক প্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিশ্চিত করা যায়, তবে রমজানের আগের সপ্তাহেই নির্বাচন সম্ভব।” তিনি ২০২৬ সালের এপ্রিলের প্রথমার্ধে নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন।

    তারেক রহমান প্রধান উপদেষ্টার এই মনোভাবকে ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করে ধন্যবাদ জানান। আলোচনার সফলতার জন্য প্রধান উপদেষ্টাও বিএনপি নেতাদের ধন্যবাদ জানান।

  • নির্বাচন নয়, জাতীয় সরকার? পর্দার আড়ালে কী খেলা চলছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে?

    নির্বাচন নয়, জাতীয় সরকার? পর্দার আড়ালে কী খেলা চলছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে?

    এবিএনএ:

    বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে যখন নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে, ঠিক তখনই রাজনীতির অন্তরাল থেকে ভেসে আসছে এক নতুন পরিকল্পনার গুঞ্জন—একটি জাতীয় সরকার গঠনের নীলনকশা। নির্বাচন নয়, বরং একটি অন্তর্র্বর্তী সরকারকে দীর্ঘ মেয়াদে ক্ষমতায় রেখে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে রাষ্ট্রপতির আসনে বসিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের চেষ্টা চলছে বলে একাধিক সূত্রের দাবি।

    জাতীয় ঐকমত্য গঠনের নামে একের পর এক বৈঠক হলেও স্পষ্ট কোনো নির্বাচনী সময়সূচি এখনো সামনে আসেনি। বরং সংস্কার, বিচার ও সংলাপ—এই শব্দগুলো ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক পরিসরে। এতে করে নির্বাচন আদৌ হবে কি না, সে নিয়ে বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্দেহ।

    ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন যে, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন হতে পারে। কিন্তু রাজনৈতিক মাঠের বাস্তবতা বলছে অন্য কথা। বিএনপি জানিয়েছে, ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন না হলে ভবিষ্যতে নির্বাচন হবে না বলেই তারা মনে করে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও স্থায়ী কমিটির সদস্যরা একে রাষ্ট্রীয় সংকট হিসেবেই দেখছেন।

    তবে সরকারের দিক থেকে এখনো তেমন কোনো কার্যকর প্রস্তুতি বা উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না, যা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পূর্বশর্ত। এই সুযোগেই পর্দার আড়ালে চলছে জাতীয় সরকার গঠনের নানা তৎপরতা। বিভিন্ন মহল, এমনকি কিছু বিদেশি দূতাবাসও এ প্রক্রিয়ায় আগ্রহ দেখাচ্ছে বলে সূত্র জানায়।

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অংশগ্রহণে একটি নতুন কাঠামোর প্রস্তাব সামনে এসেছে, যেখানে জাতীয় সরকার গঠন করে তিন বছর পরে নির্বাচন করার চিন্তা করা হচ্ছে। তারা বলছে, আগে সংস্কার চূড়ান্ত করতে হবে, তারপর গণভোটের মাধ্যমে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করে তবেই নির্বাচন হবে।

    জাতীয় সরকারের মূল প্রস্তাবনায় রয়েছে—ড. ইউনূস রাষ্ট্রপতি হবেন এবং বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন পক্ষকে অংশীদার করে একটি সর্বদলীয় সরকার গঠিত হবে। বিএনপি অবশ্য এ প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা মনে করে, এটি অন্তর্র্বর্তী সরকারের ক্ষমতায় থাকার অপকৌশল।

    বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ১০ মাসের অন্তর্র্বর্তী সরকার ব্যর্থ হয়েছে। তারা নির্বাচন ছাড়া কোনো সরকারে অংশ নেবে না। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “অবিলম্বে একটি নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।”

    জাতীয় নাগরিক পার্টি বরাবরই নির্বাচনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তারা চায়, অন্তত তিন বছর পর নির্বাচন হোক। ড. ইউনূস রাষ্ট্রপতি হলে তাদের মতে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন সহজ হবে।

    রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ড. ইউনূসের সম্পর্কও এখনো শীতল। বঙ্গভবনের শিষ্টাচারিক রীতিনীতি তিনি উপেক্ষা করেছেন বারবার। এমনকি ঈদেও রাষ্ট্রপতির পাশে নামাজ পড়তে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ এখন মূলত পর্দার আড়ালে। জনগণের প্রত্যাশা ও মতামত অনেকটাই উপেক্ষিত। বিএনপি যদি শক্তিশালী জনমত গঠন করে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে না নামতে পারে, তাহলে হয়তো জাতীয় সরকারের বিকল্প বাস্তবতা সামনে চলে আসবে।

    এখন মূল প্রশ্ন—নির্বাচন হবে, না কি গঠিত হবে একটি আপাত রাজনৈতিক ঐকমত্যভিত্তিক জাতীয় সরকার? এ উত্তর মিলছে না রাজপথে, বরং খোঁজ চলছে কূটনৈতিক মহল ও ড্রইং রুমে।

  • ড. ইউনূস সরে দাঁড়ালে বিকল্প বেছে নেবে দেশ: হুঁশিয়ারি বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনের

    ড. ইউনূস সরে দাঁড়ালে বিকল্প বেছে নেবে দেশ: হুঁশিয়ারি বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনের

    এবিএনএ:

    ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে চলমান অন্তর্বর্তী সরকার যদি স্থায়ী না হয় বা তিনি দায়িত্ব পালন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন, তবে রাষ্ট্র ও জনগণ বিকল্প খুঁজে নেবে—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

    শুক্রবার সংবাদকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে সালাহউদ্দিন বলেন, “ড. ইউনূস দায়িত্ব ছাড়তে চাইলে সেটি তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। আমরা কখনো তার পদত্যাগ দাবি করিনি। তবে যদি তিনি নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা না করে দায়িত্ব ত্যাগ করেন, তা হলে রাষ্ট্র বসে থাকবে না। জনগণ নিজ উদ্যোগে বিকল্প পথ বেছে নেবে।”

    তিনি আরও বলেন, “এই পৃথিবীতে কেউ অপরিহার্য নয়। তবে আমরা আশা করি, ড. ইউনূস একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে জাতির প্রত্যাশা বুঝবেন এবং ডিসেম্বরের মধ্যে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রকাশ করবেন।”

    এ সময় তিনি সাম্প্রতিক সেনাপ্রধানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত বক্তব্যকেও স্বাগত জানান এবং বলেন, দেশের ভবিষ্যতের প্রশ্নে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

    সালাহউদ্দিন আহমেদ অভিযোগ করেন, “বিএনপি সম্প্রতি একাধিকবার ড. ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাইলেও সময় পাননি। আমরা আর কিছুদিন অপেক্ষা করবো রোডম্যাপের জন্য। এরপর সিদ্ধান্ত নেব—সরকারকে সহযোগিতা করবো, না কি নতুন কৌশল গ্রহণ করবো।”

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএনপির এই বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক জটিলতায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি চাপ আরও বাড়াতে পারে।