Tag: ড্রোন

  • বছরের পর বছর যুদ্ধ চালানোর মতো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মজুতের দাবি ইরানের

    বছরের পর বছর যুদ্ধ চালানোর মতো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মজুতের দাবি ইরানের

    এবিএনএ:বহু বছর ধরে যুদ্ধ পরিচালনা করার মতো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। দেশটির এক জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা জানিয়েছেন, তেহরান এখনও তার পূর্ণ সামরিক সক্ষমতা প্রকাশ করেনি এবং প্রয়োজনে নতুন শক্তি ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

    বুধবার ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিশনের উপপ্রধান আলাউদ্দিন বোরুজের্দি। তিনি বলেন, ইরান এখনো তার সব কৌশলগত সক্ষমতা প্রকাশ করেনি এবং প্রয়োজন হলে নতুন ‘কার্ড’ ব্যবহার করা হবে।

    হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নৌ অবরোধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এমন পদক্ষেপ কার্যকর হবে না। তার দাবি, বর্তমানে বহু জাহাজ ওই প্রণালির আশপাশে চলাচলের অপেক্ষায় রয়েছে এবং ইরানি জাহাজগুলোও বাধাহীনভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

    আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বোরুজের্দি বলেন, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে সংযুক্তকারী বাব আল-মান্দেব প্রণালিও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে কোনো অস্থিরতা দেখা দিলে আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

    তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌম অধিকার নিয়ে তেহরান আপস করবে না এবং ভবিষ্যৎ আলোচনায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উত্থাপন করা হবে।

    এদিকে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হামাদ আকবরজাদেহ সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে নতুন সক্ষমতা ব্যবহার করা হবে। দক্ষিণাঞ্চলীয় মিনাব শহরে এক সমাবেশে তিনি বলেন, উন্নত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম নতুন কৌশল ও প্রযুক্তি প্রয়োগে প্রস্তুত রয়েছে আইআরজিসি নৌবাহিনী।

    তার ভাষ্য অনুযায়ী, এসব সক্ষমতা বড় নৌজাহাজের বিরুদ্ধেও ব্যবহার করা যেতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের এই বক্তব্য নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

    গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর তেহরান পাল্টা পদক্ষেপ নেয়। পরবর্তীতে এপ্রিলের শুরুতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনায় কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি।

    পরবর্তীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর কথা উল্লেখ করেন এবং ইরানের সাম্প্রতিক প্রস্তাব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। বিশেষ করে পারমাণবিক কর্মসূচি আলোচনার বাইরে রাখার বিষয়টি গ্রহণযোগ্য নয় বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

  • যুদ্ধবিরতি ভাঙলে কঠোর শাস্তি, চুক্তি থেকেও সরে দাঁড়াতে পারে ইরান—বাড়ছে উত্তেজনা

    যুদ্ধবিরতি ভাঙলে কঠোর শাস্তি, চুক্তি থেকেও সরে দাঁড়াতে পারে ইরান—বাড়ছে উত্তেজনা

    এবিএনএ: যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। তেহরান বলছে, ইসরায়েল একাধিকবার চুক্তি ভেঙে হামলা চালাচ্ছে—এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনে যুদ্ধবিরতি চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

    তেহরানের একটি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, বারবার হামলার ঘটনায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপের পরিকল্পনা তৈরি করছে ইরান। ওই সূত্রের মতে, উত্তেজনা কমাতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হলে পরিস্থিতি নতুন করে সংঘাতে রূপ নিতে পারে।

    এদিকে ফার্স প্রদেশে একটি ইসরায়েলি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরান। দেশটির নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকার চলাচলে বিঘ্নের আশঙ্কার কথাও উঠে এসেছে।

    আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    অন্যদিকে পাকিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগবিষয়ক মন্ত্রী আহসান ইকবাল চৌধুরী সব পক্ষকে যুদ্ধবিরতি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সংঘাত বাড়লে শান্তি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হবে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব গোটা অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে।

    তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, যুদ্ধ কখনোই দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বজুড়ে সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি করবে।

  • সৌদিতে মার্কিন ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলা: ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে আহত ১২ সেনা, সংকটজনক ২

    সৌদিতে মার্কিন ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলা: ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে আহত ১২ সেনা, সংকটজনক ২

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সৌদি আরবে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আঘাতে অন্তত ১২ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

    শুক্রবার সংঘটিত এই হামলার তথ্য মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইস লক্ষ্য করে চালানো এই হামলায় ঘাঁটির অবকাঠামোরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে কিছু রিফুয়েলিং বিমান ধ্বংস হয়ে গেছে।

    ঘাঁটির কৌশলগত গুরুত্ব

    রিয়াদ থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত এই বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি উল্লেখযোগ্য সামরিক উপস্থিতি রয়েছে। হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবে দুই হাজারের বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন আছেন, যারা মূলত আকাশ প্রতিরক্ষা ও সামরিক সমন্বয় কার্যক্রমে কাজ করেন।

    এই ঘাঁটিতে প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেম এবং থাড (THAAD) প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি পরিচালনা করা হয়, যা আকাশপথে আসা হামলা প্রতিহত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    সংঘাতের পটভূমি

    ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত ফেব্রুয়ারিতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত কোনো সমঝোতা হয়নি।

    এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে, যার নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। একই সময়ে ইসরায়েলও সমন্বিতভাবে অভিযান চালায়।

    এই অভিযানের প্রথম দিনেই ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন সামরিক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিহত হন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

    পাল্টা হামলায় ইরান

    এর জবাবে ইরানও একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ঘাঁটি লক্ষ্য করে নিয়মিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে তেহরান।

    সৌদি আরব ছাড়াও কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান—এই দেশগুলোতেও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলো সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

    আগের হামলার রেশ

    এর আগে মার্চের শুরুতেও একই ঘাঁটিতে হামলা হয়েছিল, যেখানে কয়েকজন মার্কিন সেনা আহত হন। পরে তাদের মধ্যে একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

    মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গত এক মাস ধরে চলা সংঘাতে ইতোমধ্যে ৩০০-এর বেশি মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন।

    বিশ্লেষণ

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের হামলা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে। একই সঙ্গে বড় আকারের সংঘাতের আশঙ্কাও বাড়ছে।

  • ভোটে বিশৃঙ্খলা করলে কঠোর জবাব—নাশকতার দায় নেবে অভিযুক্তরাই, হুঁশিয়ারি র‍্যাব ডিজির

    ভোটে বিশৃঙ্খলা করলে কঠোর জবাব—নাশকতার দায় নেবে অভিযুক্তরাই, হুঁশিয়ারি র‍্যাব ডিজির

    এবিএনএ: ভোটকেন্দ্রে নাশকতা, জালভোট বা ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের চেষ্টা করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দায়িত্ব পালনে কোনো ঝুঁকি নেয় না; ঝুঁকি বহন করতে হবে আইন ভাঙতে আসা ব্যক্তিদেরই।

    বুধবার বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে র‍্যাব ডিজি জানান, যারা নির্বাচন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করবে, ফলাফল মেনে না নিয়ে সহিংসতায় জড়াবে কিংবা ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে—তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কঠোরতা প্রয়োগ করা হবে।

    তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার আগ থেকেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাব ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধী গ্রেপ্তারে জোরালো তৎপরতা চালানো হয়েছে। বিভিন্ন জেলায় বিশেষ অভিযানও অব্যাহত রয়েছে।

    নির্বাচনী নিরাপত্তা পরিকল্পনাকে তিন ধাপে সাজানো হয়েছে—নির্বাচন-পূর্ব, নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়। নির্বাচনের দিন র‍্যাব মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে থাকবে। ইতোমধ্যে দেশের ৬৪ জেলায় র‍্যাবের টিম মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    র‍্যাব ডিজি আরও বলেন, সেনাবাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, আনসার ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসন ও পুলিশের স্থানীয় ইউনিটের সঙ্গেও সমন্বিতভাবে কাজ করা হবে।

    ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ও ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করে সেখানে অতিরিক্ত স্থির ফোর্স বসানো হয়েছে। প্রযুক্তিগত নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে—অনেক কেন্দ্রে সিসিটিভি, পুলিশের বডি ক্যামেরা, ড্রোন নজরদারি, ডগ স্কোয়াড ও বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে হেলিকপ্টার ব্যবহারের প্রস্তুতিও আছে।

    বহিরাগতদের অযৌক্তিক উপস্থিতি ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি। বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেন বা ভোটার প্রভাবিত করার চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো কেন্দ্রে পরিস্থিতি অবনতি হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে ভোট স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিতে পারে নির্বাচন কমিশন।

    র‍্যাব ডিজি বলেন, নির্দিষ্ট কোনো জঙ্গি হুমকি নেই; তবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

  • ইসরায়েলে ইরানের ৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ২৪: উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি

    ইসরায়েলে ইরানের ৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ২৪: উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি

    এবিএনএ: ইসরায়েলের ওপর ইরান ব্যাপক সামরিক হামলা চালিয়েছে—এমনটাই জানিয়েছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়। বুধবার ইসরায়েলি দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত শুক্রবার থেকে শুরু করে ইরান এখন পর্যন্ত ৪০০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে। পাশাপাশি পাঠানো হয়েছে শত শত ড্রোন, যার অধিকাংশই ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিহত করা হয়েছে।

    এই হামলায় ইসরায়েলে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২৪ জন এবং আহত হয়েছেন ৮০০ জনেরও বেশি। এছাড়া প্রাণের ঝুঁকি এড়াতে অন্তত ৩ হাজার ৮০০ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে নিরাপদ আশ্রয়ে।

    অন্যদিকে, ইরানের পক্ষ থেকেও ক্ষয়ক্ষতির খবর এসেছে। তেহরানের তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘর্ষে ইরানে অন্তত ২২৪ জন নিহত হয়েছে।

    মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। জাতিসংঘসহ একাধিক বিশ্বসংস্থা দ্রুত শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছে। তবে পরিস্থিতি এখনো উত্তাল, এবং দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা যে কোনো মুহূর্তে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।