Tag: ডেঙ্গু প্রতিরোধ

  • একদিনে ডেঙ্গু কেড়ে নিল ২ প্রাণ, করোনায় আরও এক মৃত্যু, সতর্কবার্তা বিশেষজ্ঞদের

    একদিনে ডেঙ্গু কেড়ে নিল ২ প্রাণ, করোনায় আরও এক মৃত্যু, সতর্কবার্তা বিশেষজ্ঞদের

    এবিএনএ: ডেঙ্গু ও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত হিসেব অনুযায়ী, ডেঙ্গুতে ঢাকায় এক তরুণী এবং চট্টগ্রামে ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তি মারা যান। পাশাপাশি চট্টগ্রামেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৪৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি।

    ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৩ বছর বয়সী তরুণী মারা যান, তিনি রাজধানীর কালশীর বাসিন্দা ছিলেন। অন্যদিকে, চট্টগ্রামের পটিয়ার বাসিন্দা নুরুল আলম (৬৫) শুক্রবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি হন এবং শনিবার রাতে মারা যান।

    করোনায় মৃত্যু হওয়া ব্যক্তি চট্টগ্রাম বিভাগের বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ওই দিন ২১৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলেও নতুন করে করোনা আক্রান্তের কোনো তথ্য মেলেনি।

    চলতি মাসের প্রথম ১৩ দিনে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ১৪ জন, যা বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড় করিয়েছে ৫৬-তে।

    রবিবার একদিনেই সারা দেশে ৪২০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। চলতি বছরে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৮৮০ জনে। জুলাই মাসের প্রথম ১২ দিনেই ভর্তি হয়েছেন ৪ হাজার ৫৮৪ জন।

    বিভাগভিত্তিক মৃত্যু

    ঢাকা বিভাগে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি, ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরপর বরিশালে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। বাকি বিভাগগুলোতে মোট মৃত্যু ১২ জন।

    ডেঙ্গু নিয়ে সতর্কবার্তা

    রোগতত্ত্ববিদরা জানিয়েছেন, জুলাইয়ের শেষভাগ থেকে আগস্টে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও বাড়তে পারে। তাই এখন থেকেই সতর্কতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

    চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ করছি এবং আক্রান্তদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করছি।”

    করোনা: শনাক্ত নেই, মৃত্যু আছে

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত দেশে মোট ২০ লাখ ৫২ হাজার ২২০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন এবং ২৯ হাজার ৫২৬ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত ৬৭৫ জন আক্রান্ত ও ২৭ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

    দেশে ২০২০ সালের ৮ মার্চ প্রথম করোনা শনাক্ত হয় এবং ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যু হয়।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য জরুরি ৬ নির্দেশনা, করোনার নতুন ধরন ও ডেঙ্গু রোধে কঠোর সতর্কতা

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য জরুরি ৬ নির্দেশনা, করোনার নতুন ধরন ও ডেঙ্গু রোধে কঠোর সতর্কতা

    এবিএনএ:

    দেশজুড়ে করোনাভাইরাসের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট এবং ডেঙ্গুর মতো মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এই নির্দেশনার আওতায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একযোগে সচেতনতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা হয়েছে।

    রবিবার (১৫ জুন) মাউশির সহকারী পরিচালক মো. খালিদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ছয়টি জরুরি স্বাস্থ্যবিধিমূলক নির্দেশনার কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিটি দেশের সকল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, “সারা দেশে করোনা ভাইরাসের নতুন রূপ এবং ডেঙ্গুসহ অন্যান্য মশাবাহিত রোগের প্রকোপ মোকাবেলায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া অপরিহার্য। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক যৌথভাবে গৃহীত নির্দেশনার ভিত্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।”

    ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়:

    • শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে ডেঙ্গু সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা।

    • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা ও পানি জমে থাকা স্থান পরিষ্কার রাখা।

    করোনা প্রতিরোধে ৬ দফা নির্দেশনা:

    ১. সাবান দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা।
    ২. জনসমাগম এড়িয়ে চলা এবং বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক।
    ৩. সংক্রমিত ব্যক্তির কাছ থেকে অন্তত ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখা।
    ৪. চোখ, নাক বা মুখে হাত না লাগানো।
    ৫. হাঁচি বা কাশির সময় বাহু, টিস্যু বা রুমাল দিয়ে মুখ-নাক ঢেকে রাখা।
    ৬. ক্লাসরুম ও ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়মিত সচেতন করা।

    অধিদপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী, এই নির্দেশনাগুলো দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যদি সময়মতো স্বাস্থ্যবিধি কার্যকর হয়, তবে এই সংক্রমণ প্রতিরোধ অনেকটাই সহজ হবে।


    📌 নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের পোর্টালে চোখ রাখুন।

  • নগর ভবন বন্ধ, ডিএসসিসির মশা নিধন পরিকল্পনা গৃহীত হলো ওয়াসা ভবনে!

    নগর ভবন বন্ধ, ডিএসসিসির মশা নিধন পরিকল্পনা গৃহীত হলো ওয়াসা ভবনে!

    এবিএনএ:

    নগর ভবন এখনও তালাবদ্ধ থাকলেও থেমে নেই মশা নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রম। এডিস মশার ভয়াবহ বিস্তার রোধে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. শাহজাহান মিয়ার নেতৃত্বে ওয়াসা ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হলো জরুরি বৈঠক।

    বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় এই বৈঠকে ডিএসসিসির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ১৪ জুন থেকে প্রতিদিন ফগার মেশিন দিয়ে ৩০ লিটার পরিবর্তে ৬০ লিটার কীটনাশক ব্যবহার করা হবে।

    মশা নিয়ন্ত্রণে আরও সিদ্ধান্ত হয়—মশককর্মীদের সকালের পাশাপাশি বিকেলেও উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে, কীটনাশক সঠিক অনুপাতে মেশানো হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত যাচাই করা হবে, এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইন প্রয়োগ করা হবে।

    এছাড়া, প্রতিটি অঞ্চলে বাড়ির আঙিনা, ছাদ ও জমে থাকা পানি পরিষ্কারে নজরদারি জোরদার করতে ডেঙ্গু মনিটরিং টিম গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে এই টিমের আহ্বায়ক এবং সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

    ডিএসসিসির পক্ষ থেকে ডেঙ্গু ও করোনা বিষয়ে ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফারিয়া ফয়েজকে। যেকোনো তথ্যের জন্য তার মোবাইল নম্বর: ০১৮৪১২১১০৯৮।

    সভায় ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মো. জিল্লুর রহমান, সচিব মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. নিশাত পারভীনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে মেয়র পদে শপথ গ্রহণে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে গত ১৪ মে থেকে নগর ভবন তালাবদ্ধ রয়েছে। যার কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক স্থানান্তর করে ওয়াসা ভবনে আয়োজন করা হয়।