Tag: ঝালকাঠি

  • রমজানে বরিশালে কখন সাহরি ও ইফতার? জেনে নিন ২০২৬ সালের সম্পূর্ণ সময়সূচি

    রমজানে বরিশালে কখন সাহরি ও ইফতার? জেনে নিন ২০২৬ সালের সম্পূর্ণ সময়সূচি

    এবিএনএ: পবিত্র রমজান মাসে সঠিক সময়ে সাহরি ও ইফতার গ্রহণ রোজাদারদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। এই সময়সূচি মেনে চলার মাধ্যমেই একজন মুসলমান সুশৃঙ্খলভাবে রোজা পালন করতে পারেন। সে লক্ষ্যেই বরিশাল বিভাগের জন্য ২০২৬ সালের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

    রমজান এলেই বরিশাল বিভাগে ধর্মীয় আবহ নতুন রূপ ধারণ করে। মসজিদে মসজিদে ইবাদতের ব্যস্ততা বাড়ে, আর ইফতারের আগমুহূর্তে বাজারগুলো হয়ে ওঠে প্রাণচঞ্চল। ঐতিহ্যবাহী ইফতার সামগ্রী নিয়ে মানুষের মধ্যে এক বিশেষ আনন্দ ও সামাজিক বন্ধন লক্ষ্য করা যায়।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল বিভাগের প্রতিটি জেলার জন্য আলাদা সাহরি ও ইফতারের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে, যা স্থানীয় ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী প্রযোজ্য।

    📍 জেলার সময়সূচি (২০২৬):

    • বরিশাল জেলা: Barishal Sehri Iftar Time 2026

    • ভোলা জেলা: Bhola Sehri Iftar Time 2026

    • বরগুনা জেলা: Barguna Sehri Iftar Time 2026

    • পিরোজপুর জেলা: Pirojpur Sehri Iftar Time 2026

    • পটুয়াখালী জেলা: Patuakhali Sehri Iftar Time 2026

    • ঝালকাঠি জেলা: Jhalokathi Sehri Iftar Time 2026

    রোজাদারদের সুবিধার্থে প্রতিদিনের সাহরি ও ইফতারের নির্ধারিত সময় অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

    সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন

  • উপকূলজুড়ে জোয়ারের তাণ্ডব: শত শত এলাকা প্লাবিত, জনদুর্ভোগ চরমে

    উপকূলজুড়ে জোয়ারের তাণ্ডব: শত শত এলাকা প্লাবিত, জনদুর্ভোগ চরমে

    এবিএনএ:  সাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ভয়াবহ জোয়ার ও টানা বৃষ্টির কারণে দেখা দিয়েছে দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি। লক্ষ্মীপুর, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি এবং বরগুনা জেলার নিম্নাঞ্চলের শতাধিক গ্রাম পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বাড়িঘর, সড়ক, ফসলি জমি ও মাছের ঘের ডুবে যাওয়ায় মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে।

    লক্ষ্মীপুরে পানি বাড়ছেই, নদীভাঙনের নতুন শঙ্কা

    লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি, কমলনগর ও সদর উপজেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল মেঘনা নদীর অস্বাভাবিক জোয়ারে প্লাবিত হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, গত দুই দিন ধরে নদীর পানি চার থেকে পাঁচ ফুট পর্যন্ত বেড়েছে। কমলনগর ও রামগতির অন্তত ১২টি এলাকায় নতুন করে নদীভাঙন শুরু হয়েছে।

    পিরোজপুরে শতাধিক গ্রামের মানুষের ঘরবাড়ি পানির নিচে

    জেলার কঁচা, বলেশ্বর, কালিগঙ্গা, মধুমতীসহ ছয়টি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হওয়ায় সাত উপজেলার শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পিরোজপুর সদরের পাশাপাশি ইন্দুরকানী, কাউখালী ও মঠবাড়িয়ায় কৃষিজমি ও পুকুর ডুবে গেছে। জেলা প্রশাসক আশ্বাস দিয়েছেন, পানিবন্দি পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।

    পটুয়াখালীতে নদীবাঁধ ভেঙে আমন ক্ষেত প্লাবিত

    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী, গলাচিপা, কলাপাড়া, দশমিনা, বাউফল, দুমকী ও মির্জাগঞ্জের বিস্তীর্ণ এলাকায় জোয়ারের পানি ঢুকে পড়েছে। দুমকীর মুরাদিয়া এলাকায় বেড়িবাঁধ ভেঙে ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। জেলা শহরের কিছু এলাকাও প্লাবিত হয়েছে।

    ঝালকাঠির নদীগুলো ফুঁসে উঠেছে

    সুগন্ধা, বিষখালী, হলতা ও গাবখান চ্যানেলের পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হওয়ায় জেলার চারটি উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। শহরের পুরাতন কলাবাগ, লঞ্চঘাটসহ অনেক এলাকা এখন পানির নিচে।

    বরগুনায় ৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে পানি

    পায়রা, বলেশ্বর ও বিষখালী নদীতে পানি বিপৎসীমার অনেক ওপরে উঠেছে। এর ফলে বরগুনার উপকূলীয় গ্রামগুলোয় ঢুকে পড়েছে নদীর পানি। আমন ধান ও চিংড়ির ঘেরে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কতা

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ ভারতের দিকে অগ্রসর হলেও উপকূলে দুর্যোগপূর্ণ অবস্থা অব্যাহত থাকবে। ৩ নম্বর সমুদ্র এবং ১ নম্বর নদী সতর্কতা সংকেত বহাল রয়েছে।