Tag: ঝড়

  • দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কবার্তা

    দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কবার্তা

    এবিএনএ: দেশের একাধিক অঞ্চলে রাতের মধ্যে বজ্রসহ ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে Bangladesh Meteorological Department। আবহাওয়া পরিস্থিতি বিবেচনায় কয়েকটি নদীবন্দরকে সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার রাতে প্রকাশিত অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়, যশোর, কুষ্টিয়া, পাবনা, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর ও কুমিল্লা অঞ্চলের ওপর দিয়ে তীব্র ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকায় পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়সহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এই পরিস্থিতির কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানিয়েছেন, রাত ১টার মধ্যে আবহাওয়ার এ পরিবর্তন ঘটতে পারে।

    এছাড়া ঢাকা, বরিশাল, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম অঞ্চলেও অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এসব এলাকায় ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    এ কারণে ওইসব অঞ্চলের নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয়ভাবে নদীপথে চলাচল না করার এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, চলমান মৌসুমি পরিবর্তনের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ করে বজ্রঝড়ের প্রবণতা বাড়ছে। তাই সবাইকে আবহাওয়ার সর্বশেষ আপডেট অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • রাতে ঢাকায় হঠাৎ ঝড়ের শঙ্কা, ৫০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা

    রাতে ঢাকায় হঠাৎ ঝড়ের শঙ্কা, ৫০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা

    এবিএনএ: রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় রাতে ঝড়ো আবহাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে, সঙ্গে থাকতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও।

    সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময় ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে সাময়িকভাবে মেঘাচ্ছন্ন হতে পারে। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে।

    পূর্বাভাসে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে সাধারণত ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। তবে অস্থায়ীভাবে পশ্চিম কিংবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে দমকা হাওয়া বয়ে গিয়ে এর গতি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই সময়ে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৭৮ শতাংশ।

    আজ রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ছয় ঘণ্টায় ঢাকায় উল্লেখযোগ্য কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি বলেও জানানো হয়েছে।

    এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ২৭ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ২৬ মিনিটে। আবহাওয়ার আকস্মিক পরিবর্তনের কারণে রাতে অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • উত্তরাঞ্চলে টানা বৃষ্টির সতর্কতা, সিলেট–সুনামগঞ্জে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা

    উত্তরাঞ্চলে টানা বৃষ্টির সতর্কতা, সিলেট–সুনামগঞ্জে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা

    এবিএনএ: দেশের উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে টানা বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী কয়েকদিন ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে, যার প্রভাবে কিছু এলাকায় সাময়িক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, উত্তরাঞ্চল ও সংলগ্ন অঞ্চলে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হয়েছে, যা অন্তত ৯৬ ঘণ্টা সক্রিয় থাকতে পারে। এর ফলে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। অতিবৃষ্টির কারণে এসব অঞ্চলের শহর ও নিম্নাঞ্চলে অস্থায়ী জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    এদিকে আবহাওয়া বিষয়ক বেসরকারি সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম জানিয়েছে, প্রাক-মৌসুমী শক্তিশালী বৃষ্টিবলয় ‘ঝুমুল’ বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই বৃষ্টিবলয় ২৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ৭ মে পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। এ সময় দেশের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টি, কালবৈশাখী ঝড় এবং কোথাও কোথাও অতি ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথমে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টিপাত বেশি হলেও ২৮ বা ২৯ এপ্রিল থেকে ধীরে ধীরে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ২৯ এপ্রিল থেকে ৫ মে পর্যন্ত অধিকাংশ এলাকায় নিয়মিত ঝড়-বৃষ্টির প্রবণতা থাকতে পারে, যদিও মাঝেমধ্যে স্বল্প বিরতি থাকতে পারে।

    উজানের মেঘালয়, আসাম ও চেরাপুঞ্জি এলাকায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এসব এলাকায় ৫০০ থেকে ৭০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর প্রভাবে পাহাড়ি ঢল নেমে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে সাময়িক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তবে পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় এই বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম।

    আবহাওয়াবিদরা আরও জানিয়েছেন, এই সময় দমকা হাওয়া বা ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। কিছু স্থানে এর চেয়েও বেশি বা কম গতিবেগ দেখা যেতে পারে।

    টানা বৃষ্টিপাতের কারণে হাওর অঞ্চলে চলমান ধান কাটার কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কৃষকরা সময়মতো ধান কাটতে না পারলে ফসলের ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

    এদিকে বৃষ্টিপাত বাড়ার ফলে আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে পারে। ২৮ বা ২৯ এপ্রিল থেকে আবহাওয়া তুলনামূলকভাবে স্বস্তিদায়ক হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৪৫ থেকে ৫৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধির গুজবও নাকচ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, অতিবৃষ্টির কারণে বরং তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসার সম্ভাবনাই বেশি।

  • তাপদাহে স্বস্তির ইঙ্গিত, ঝড়-বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস—কমতে পারে তাপমাত্রা

    তাপদাহে স্বস্তির ইঙ্গিত, ঝড়-বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস—কমতে পারে তাপমাত্রা

    এবিএনএ: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে কিছু এলাকায় শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। এ অবস্থায় উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় তাপমাত্রা সামান্য কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

    শনিবার (১৮ এপ্রিল) আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রকাশিত পূর্বাভাসে জানানো হয়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-একটি এলাকাতেও দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকাসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং আবহাওয়া মোটামুটি শুষ্ক থাকতে পারে।

    আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে। এসব অঞ্চলে রাতের তাপমাত্রাও সামান্য কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দেশের অন্যত্র তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    রোববার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-একটি স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    সোমবার (২০ এপ্রিল) একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় এবং রংপুর, ঢাকা ও চট্টগ্রামের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। অন্যত্র আবহাওয়া আংশিক মেঘলা ও শুষ্ক থাকতে পারে।

    মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সিলেট বিভাগের কিছু এলাকা এবং রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রামের দু-একটি স্থানে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    বুধবার (২২ এপ্রিল) ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশ থাকতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

  • ১৯ জেলায় সকাল ৯টার মধ্যে ঝড়ের সতর্কতা, ৬০ কিমি বেগে দমকা হাওয়ার আশঙ্কা

    ১৯ জেলায় সকাল ৯টার মধ্যে ঝড়ের সতর্কতা, ৬০ কিমি বেগে দমকা হাওয়ার আশঙ্কা

    এবিএনএ: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দমকা হাওয়াসহ ঝড়ো আবহাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে, সঙ্গে থাকতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি।

    বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশিত বিশেষ সতর্কবার্তায় জানানো হয়, শুক্রবার সকাল ৯টার মধ্যে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য এই সতর্কতা কার্যকর থাকবে। এতে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে এই ঝড়ো আবহাওয়া বয়ে যেতে পারে।

    এসব এলাকায় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। একই সঙ্গে বজ্রপাতসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে, যা নৌযান চলাচলে সাময়িক বিঘ্ন ঘটাতে পারে।

    এ কারণে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর পুনঃ ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। নৌযানগুলোকে সাবধানে চলাচল করতে এবং প্রয়োজন হলে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

  • ঝড়-বৃষ্টিতে অচল কমলাপুর—উপড়ে পড়া গাছে বন্ধ সড়ক, বিদ্যুৎহীন বহু ঘর

    ঝড়-বৃষ্টিতে অচল কমলাপুর—উপড়ে পড়া গাছে বন্ধ সড়ক, বিদ্যুৎহীন বহু ঘর

    এবিএনএ: রাজধানীতে হঠাৎ তীব্র ঝড় ও বৃষ্টির দাপটে কমলাপুর এলাকায় বড় ধরনের ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। প্রবল বাতাসে একটি বড় গাছ উপড়ে সড়কের ওপর পড়ে যাওয়ায় কমলাপুর থেকে টিটিপাড়া আন্ডারপাসগামী পথ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

    বুধবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ঝড় শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই গাছটি সড়কের ওপর আড়াআড়িভাবে ভেঙে পড়ে। এতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন সড়কে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে বিকল্প পথে ঘুরে যেতে বাধ্য হতে হয়।

    ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, রাত সাড়ে আটটার দিকেও সড়কের পশ্চিম পাশে একটি বিশাল রেন্ট্রি গাছ পড়ে আছে। ফলে ওই পথে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং চালকদের উল্টো দিক দিয়ে ঘুরে চলতে হচ্ছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বৃষ্টি শুরুর পরপরই গাছটি সড়কের মাঝামাঝি ভেঙে পড়ে এবং পাশের বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে যায়। এতে আশপাশের বেশ কয়েকটি বাসায় সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, সৃষ্টি হয় চরম দুর্ভোগ।

    এদিকে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে রাতেই সিটি করপোরেশনের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে গাছ অপসারণের কাজ শুরু করেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

  • ঝড়-বৃষ্টির সতর্কবার্তা: ঢাকাসহ ২০ অঞ্চলের নদীবন্দরে সংকেত জারি

    ঝড়-বৃষ্টির সতর্কবার্তা: ঢাকাসহ ২০ অঞ্চলের নদীবন্দরে সংকেত জারি

    এবিএনএ: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আকস্মিক ঝড়ো আবহাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। রাজধানী ঢাকাসহ অন্তত ২০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    শনিবার রাত ১টা পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এই সতর্কতা জারি করা হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোর নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদদের মতে, পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বয়ে আসা ঝড়ো হাওয়ার গতি ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এর সঙ্গে থাকতে পারে বজ্রপাত ও স্বল্পমেয়াদি বৃষ্টিপাত।

    যেসব অঞ্চল এই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে সেগুলো হলো—রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারিপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট।

    এই পরিস্থিতিতে নদীপথে চলাচলকারী নৌযানগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে ঝড়ের সময় নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার আহ্বান জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

  • ঈদের দিনই কালবৈশাখীর হানা! ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাত নিয়ে আবহাওয়ার নতুন সতর্কবার্তা

    ঈদের দিনই কালবৈশাখীর হানা! ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাত নিয়ে আবহাওয়ার নতুন সতর্কবার্তা

    এবিএনএ: পবিত্র ঈদের দিনে দেশজুড়ে আবহাওয়ার বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। শনিবার (২১ মার্চ) কালবৈশাখী ঝড়, বজ্রপাত ও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান জানান, ঈদের দিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ দমকা কিংবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে থাকতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি এবং বিদ্যুৎ চমকানোর ঘটনা।

    রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে ঝড়-বৃষ্টি দেখা যেতে পারে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

    তবে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ২২ মার্চের পর থেকে বৃষ্টির প্রবণতা ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে।

    এদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। যশোর, খুলনা, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    অন্যদিকে ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও সিলেট অঞ্চলেও ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।

    ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি তাই সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।