Tag: জ্বালানি তেল

  • ভারত থেকে আবারও এলো ৫ হাজার টন ডিজেল—জ্বালানি সরবরাহে স্বস্তির ইঙ্গিত

    ভারত থেকে আবারও এলো ৫ হাজার টন ডিজেল—জ্বালানি সরবরাহে স্বস্তির ইঙ্গিত

    এবিএনএ: ভারত থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ ধাপে আরও ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে।

    জানা গেছে, ভারতের শিলিগুড়ির নুমালীগড় রিফাইনারি টার্মিনাল থেকে এই ডিজেল সরবরাহ করা হয়। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) গভীর রাতে, প্রায় সাড়ে ১১টার দিকে তেল পরিবহন সম্পন্ন হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে পাইপলাইনে ডিজেল পাম্পিং কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।

    পার্বতীপুর ডিপোর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান হাবিব চৌধুরী জানান, কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, চলতি এপ্রিল মাসে পাইপলাইনের মাধ্যমে চার ধাপে মোট ২৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দেশে এসেছে।

    তিনি আরও জানান, এর আগের মাসেও একই পাইপলাইন ব্যবহার করে প্রায় ২২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছিল, যা দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারাবাহিক সরবরাহ দেশের জ্বালানি খাতে স্থিতিশীলতা আনতে সহায়তা করছে এবং ভবিষ্যতে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে।

  • ৯ ঘণ্টা লাইনে থেকেও তেল মেলেনি: রাজধানীর পাম্পগুলোতে দুর্ভোগে মানুষ, দিনশেষে খালি হাতে ফেরা

    ৯ ঘণ্টা লাইনে থেকেও তেল মেলেনি: রাজধানীর পাম্পগুলোতে দুর্ভোগে মানুষ, দিনশেষে খালি হাতে ফেরা

    এবিএনএ: বৈশাখের তপ্ত গরমে জ্বালানি তেলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে অনেককে। রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে এমন দৃশ্য এখন প্রায় প্রতিদিনের। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ‘তেল শেষ’ ঘোষণায় ক্ষোভ আর হতাশা নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন চালকরা।

    বাড্ডা এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন জাহিদুর রহমান। মোটরসাইকেলের জন্য জ্বালানি নিতে সকাল ৮টায় লাইনে যোগ দেন তিনি। ধীরে ধীরে সারি গলি পেরিয়ে প্রায় দুই কিলোমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে যায়।

    প্রচণ্ড গরমে প্রায় ৯ ঘণ্টা মোটরসাইকেলের ওপর বসেই কাটান তিনি। সেখানেই সেরে নেন সকালের নাশতা ও দুপুরের খাবার। বিকেলের দিকে পাম্পের কাছাকাছি পৌঁছালেও হঠাৎ ঘোষণা আসে—পেট্রোল ও অকটেন শেষ। ফলে হতাশ হয়ে ফিরে যেতে হয় তাকে।

    জাহিদুর রহমান বলেন, যাতায়াতের জন্য মোটরসাইকেলই তার প্রধান ভরসা। কয়েকদিন ধরেই তেলের জন্য চরম ভোগান্তিতে আছেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও তেল না পেয়ে তিনি বলেন, সারাদিন শুধু মনে হচ্ছিল নজেল আর কত দূরে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর পাওয়া গেল না।

    একই চিত্র দেখা গেছে রাজধানীর অন্যান্য পাম্পেও। রমনা এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে রাত থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন রাইড শেয়ারিং চালক আব্দুর রাজ্জাক। তিনি জানান, তেল না পেলে কাজ বন্ধ হয়ে যায়, ফলে আয়ও থাকে না। তাই ঘুম-খাওয়া বাদ দিয়ে সারারাত বাইকের ওপর বসে থাকতে হচ্ছে।

    পাম্প মালিকদেরও পড়তে হচ্ছে বিপাকে। তাদের দাবি, ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ মিলছে না। আগে যে পরিমাণ তেল পাওয়া যেত, এখন তার অর্ধেকও মিলছে না। এতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ক্রেতাদের ক্ষোভও তাদের সামলাতে হচ্ছে।

    উত্তর বাড্ডা এলাকায় প্রাইভেটকারের লাইন নতুন বাজার পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছেছে। অনেক চালক জানান, সারারাত লাইনে দাঁড়িয়ে সকালে তেল নিয়ে এরপর অফিস বা অন্যান্য কাজে যেতে হচ্ছে। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

    অনেকের মতে, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে আয়-রোজগার কমে যাচ্ছে। ফলে পরিবার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।

    এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন জানিয়েছে, আগামী ১৯ এপ্রিল থেকে অকটেন সরবরাহ ২৫ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সংস্থাটির দাবি, সরবরাহ বাড়লে পাম্পগুলোতে দীর্ঘ সারি কমে আসবে।

    তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের মার্চের তুলনায় চলতি বছরের মার্চে অকটেন সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও এপ্রিল মাসে এসে তা কমে গেছে। ফলে মাঠপর্যায়ে সংকটের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

  • জ্বালানি সংকটের সতর্কবার্তা: অপচয় কমাতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, ভর্তুকিতে চাপ সামাল দিচ্ছে সরকার

    জ্বালানি সংকটের সতর্কবার্তা: অপচয় কমাতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, ভর্তুকিতে চাপ সামাল দিচ্ছে সরকার

    এবিএনএ:  জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশের সব স্তরে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে জ্বালানি খাতে চাপ বাড়লেও সরকার জনগণের স্বার্থে দাম বাড়ায়নি; বরং প্রতিদিন বিপুল ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।

    বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও দেশে জনদুর্ভোগ এড়াতে সরকার এখনো মূল্য সমন্বয় করেনি। এতে প্রতিদিন শত কোটি টাকার বেশি ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।

    তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও সরকার স্বাভাবিক অবস্থা বজায় রাখতে কাজ করছে। জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে সংকট মোকাবিলায় রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে পারিবারিক পর্যায়েও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে তিনি সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। জ্বালানি খাতে অপচয় কমাতে সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির ওপর চাপ কমবে।

    স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান

    অনুষ্ঠানে দেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় জীবনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া (মরণোত্তর) সহ ১৫ জন ব্যক্তি এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।

    সরকারের অগ্রাধিকার তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী

    নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি, দুর্বল প্রশাসন ও অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সরকার যাত্রা শুরু করেছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে জনজীবনে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

    তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন ও দুর্নীতি দমনে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিপুল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এখন বড় চ্যালেঞ্জ। অর্থনীতির পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থাকেও আধুনিক ও কর্মমুখী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে শিক্ষাকে বাস্তবমুখী করতে হবে। এ লক্ষ্যে শিক্ষা সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করাকে উন্নয়নের অন্যতম শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

    ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের সামনে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ শুরু করেছে। দলীয় ইশতেহার ও ঘোষিত জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের ব্যাপারে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তার মতে, কেবল নীতিগত পরিবর্তন নয়, মানসিকতার পরিবর্তনও জরুরি।

    অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলামসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পুরস্কারপ্রাপ্তদের পক্ষ থেকে কয়েকজন অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

  • মোংলায় অবৈধ ডিজেল মজুদের গোপন ভাণ্ডার উন্মোচন, অভিযানেই উদ্ধার ১২ হাজার লিটার!

    মোংলায় অবৈধ ডিজেল মজুদের গোপন ভাণ্ডার উন্মোচন, অভিযানেই উদ্ধার ১২ হাজার লিটার!

    এবিএনএ,মাসুদ রানা,মোংলা: মোংলায় যমুনা অয়েল কোম্পানী লিমিটেডের ‘মোংলা অয়েল ইনস্টলেশনে’ অভিযান চালিয়েছে বাগেরহাট জেলা প্রশাসন, কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী , এনএসআই ও পুলিশের যৌথবাহিনী। অভিযানকারীরা গভীর রাতে রবিবার মধ্যরাত ১ টায় সেখানে অভিযান চালিয়ে অবৈধ ডিজেল মজুদের সন্ধান পান। এ বিষয়ে পরবর্তী সকল ব্যবস্থা নিবেন বিপিসি।

    কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা (ঢাকা) লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার মধ্য রাত ১টার দিকে কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী, পুলিশ, এনএসআই ও বাগেরহাট অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অনুপ দাসের সমন্বয়ে মোংলা অয়েল ইনস্টলেশন এলাকায় অবস্থিত যমুনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডে যৌথ অভিযান চালানো হয়।

    এ সময় অভিযানকারীরা এ প্রতিষ্ঠানের ৩টি তেলের ট্যাংকে সংরক্ষিত জ্বালানি তেলের পরিমাণ সরেজমিনে পরিমাপ এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করেন। এতে অবৈধভাবে মজুদকৃত প্রায় ১২ লাখ ১০ হাজার ৮৫০ টাকা মূল্যের ১২ হাজার ৬১৩ লিটার অতিরিক্ত জ্বালানি তেল মজুত পাওয়া যায়।

    অবৈধভাবে মজুদকৃত তেলের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম বাগেরহাট অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অনুপ দাসের তত্ত্বাবধানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারকে স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরণেরর কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

    এ বিষয়ে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) অনুপ দাস বলেন, এ ঘটনায় আমরা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বরাবর একটি প্রতিবেদন দিয়েছি। বিপিসি কর্তৃপক্ষই এ বিষয়ে পরবর্তী সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

  • জ্বালানি তেল নিয়ে কঠোর বার্তা: চোরাচালান ও মজুতদারদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

    জ্বালানি তেল নিয়ে কঠোর বার্তা: চোরাচালান ও মজুতদারদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

    এবিএনএ:দেশে জ্বালানি তেলকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে তা কঠোরভাবে দমন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, চোরাচালান ও অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠিন ব্যবস্থা নিতে হবে।

    শনিবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় দলের বৈঠকে এই নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি জানান, সরকার জ্বালানি পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে এবং দেশে তেলের কোনো ঘাটতি নেই।

    বৈঠকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় অবৈধভাবে তেল মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির বিষয়টি। এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িতদের চিহ্নিত করতে দ্রুত অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত পথে জ্বালানি তেলের চোরাচালান ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আরও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    চিফ হুইপ আরও জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    অধ্যাদেশ সংক্রান্ত আলোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, এদিন বৈঠকে তা উত্থাপন করা হয়নি। তবে পরদিন অধিবেশন শুরুর আগে সরকারদলীয় বিশেষ কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

    এদিকে, বৈঠকের শুরুতে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়। উপস্থিত সবাই তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

    বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকারের এই কঠোর অবস্থান বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • জ্বালানি সংকট কাটছে? শনিবার থেকেই স্বাভাবিক সরবরাহের আশ্বাস

    জ্বালানি সংকট কাটছে? শনিবার থেকেই স্বাভাবিক সরবরাহের আশ্বাস

    এবিএনএ: দেশজুড়ে পেট্রলপাম্পগুলোতে জ্বালানি তেল সংগ্রহ নিয়ে যে অস্বাভাবিক ভিড় ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, তা শিগগিরই কেটে যেতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠন জানিয়েছে, শনিবার (২৮ মার্চ) থেকে জ্বালানি তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

    শুক্রবার (২৭ মার্চ) এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ পেট্রলপাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, অতিরিক্ত ভিড় ও আতঙ্কের কারণে পাম্পগুলোতে চাপ বেড়েছে, যা বাস্তব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

    গ্রাহকদের উদ্দেশে তিনি অনুরোধ জানান, প্রয়োজনের বেশি জ্বালানি না কিনতে এবং অযথা পাম্পে ভিড় না করতে। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতায় এমন পরিস্থিতি আগে কখনো দেখা যায়নি।

    তিনি আরও বলেন, যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসে এবং গ্রাহকরা সংযম না দেখান, তবে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হতে পারে, যা সবার জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে।

    জ্বালানি সরবরাহে সাময়িক বিঘ্নের কারণ হিসেবে তিনি জানান, মার্চ মাসে টানা সরকারি ছুটির কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছুটা ব্যাঘাত ঘটে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কিছু সময়ের জন্য পাম্পগুলোতে তেলের ঘাটতি দেখা দেয়।

    তবে এ পরিস্থিতি সাময়িক উল্লেখ করে তিনি সবাইকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান। বরং স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি সংগ্রহ করলে দ্রুত পরিস্থিতি স্থিতিশীল হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

  • জ্বালানি তেলে রেশনিং শেষ হচ্ছে, স্বাভাবিকভাবে তেল কিনতে পারবেন সবাই

    জ্বালানি তেলে রেশনিং শেষ হচ্ছে, স্বাভাবিকভাবে তেল কিনতে পারবেন সবাই

    এবিএনএ: দেশজুড়ে জ্বালানি তেল ক্রয়ে চালু থাকা রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর ফলে তেল কেনার ক্ষেত্রে আর কোনো নির্দিষ্ট সীমা বা বাধ্যবাধকতা থাকবে না এবং আগের মতোই স্বাভাবিকভাবে তেল বিক্রি করা যাবে।

    জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (অপারেশন) মনির হোসেন চৌধুরী জানান, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী রোববার (১৫ মার্চ) থেকেই জ্বালানি তেলে রেশনিং ব্যবস্থা বাতিল করা হবে।

    মূলত মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে গত ৬ মার্চ থেকে সারা দেশে তেল বিক্রিতে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছিল। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে দেশে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার রেশনিং ব্যবস্থা চালু করে।

    প্রথমদিকে জারি করা নির্দেশনায় বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের জন্য আলাদা আলাদা তেলের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সে অনুযায়ী মোটরসাইকেলে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২ লিটার তেল বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়।

    এছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাসের জন্য দৈনিক ২০ থেকে ২৫ লিটার তেলের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। পিকআপ ও স্থানীয় বাসের ক্ষেত্রে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কন্টেইনার ট্রাকের জন্য প্রতিদিন ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

    পরবর্তীতে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে রেশনিংয়ের সীমা শিথিল করা হয়। বিশেষ করে রাইডশেয়ারিং চালকদের কথা বিবেচনায় রেখে মোটরসাইকেলের তেলের সীমা ২ লিটার থেকে বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়েছিল।

    এ সময় সামগ্রিক রেশনিং হারও কমিয়ে আনা হয়। শুরুতে যেখানে প্রায় ২৫ শতাংশ সীমাবদ্ধতা ছিল, পরে তা কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হলে জ্বালানি তেলের বাজারে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসবে এবং সাধারণ ভোক্তাদের ভোগান্তিও কমবে।

  • জ্বালানি তেল বিক্রিতে নতুন সীমা: মোটরসাইকেলে ২ লিটার, প্রাইভেটকারে ১০:সরকারের জরুরি নির্দেশনা

    জ্বালানি তেল বিক্রিতে নতুন সীমা: মোটরসাইকেলে ২ লিটার, প্রাইভেটকারে ১০:সরকারের জরুরি নির্দেশনা

    এবিএনএ: বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও জ্বালানি তেলের অতিরিক্ত চাহিদা বিবেচনায় দেশের ফিলিং স্টেশনগুলো থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি জ্বালানি তেল বিক্রি না করার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

    শুক্রবার (৬ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিপিসি জানায়, এখন থেকে মোটরসাইকেল সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং প্রাইভেটকার সর্বোচ্চ ১০ লিটার পেট্রোল বা অকটেন নিতে পারবে।

    বিভিন্ন যানবাহনের জন্য নির্ধারিত সীমা

    সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জ্বালানি তেল ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের জন্য নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    • মোটরসাইকেল: সর্বোচ্চ ২ লিটার

    • প্রাইভেটকার: সর্বোচ্চ ১০ লিটার

    • জিপ বা মাইক্রোবাস: ২০ থেকে ২৫ লিটার

    • পিকআপ বা স্থানীয় বাস (ডিজেল): ৭০ থেকে ৮০ লিটার

    • দূরপাল্লার বাস ও ট্রাক (ডিজেল): সর্বোচ্চ ২০০ থেকে ২২০ লিটার

    কেন নেওয়া হলো এই সিদ্ধান্ত

    বিপিসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে অনেক সময় আমদানি প্রক্রিয়ায় বিলম্ব বা জটিলতা দেখা দিতে পারে।

    সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুদ নিয়ে নানা ধরনের নেতিবাচক খবর ছড়িয়ে পড়ায় ভোক্তাদের মধ্যে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের প্রবণতা দেখা গেছে। ফলে ডিলাররা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি পরিমাণ তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।

    এছাড়া কিছু ভোক্তা প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কিনে অননুমোদিতভাবে মজুদ করার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকারের উদ্যোগ

    বিপিসি জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিদেশ থেকে নিয়মিত তেল আমদানি করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নতুন চালান দেশে আসছে এবং বিভিন্ন ডিপোতে রেল ওয়াগন ও ট্যাংকারের মাধ্যমে তা পাঠানো হচ্ছে।

    কর্তৃপক্ষ আশা করছে, অল্প সময়ের মধ্যেই দেশে পর্যাপ্ত ‘বাফার স্টক’ বা অতিরিক্ত মজুদ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

    তেল কেনার ক্ষেত্রে নতুন শর্ত

    ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল নেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু নির্দেশনাও দিয়েছে বিপিসি।

    ১. তেল নেওয়ার সময় গ্রাহককে তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে রশিদ দিতে হবে।
    ২. পরবর্তীবার তেল নেওয়ার সময় আগের ক্রয় রশিদের মূল কপি দেখাতে হবে।
    ৩. ডিলাররা নির্ধারিত বরাদ্দ অনুযায়ী তেল সরবরাহ করবেন।
    ৪. ফিলিং স্টেশনগুলোকে মজুদ ও বিক্রির তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিপোতে জানাতে হবে।
    ৫. তেল বিপণন কোম্পানিগুলো বরাদ্দ অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করবে।

    মূল্য বাড়েনি, আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান

    বিপিসি আরও জানিয়েছে, দেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রি বাধ্যতামূলক। সংকটের অজুহাতে বেশি দাম নেওয়া আইনত অপরাধ।

    এছাড়া প্রতি মাসের শুরুতে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে সরকার এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলেও জানানো হয়েছে।

    সরকার দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।

  • জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য কার্যকর ১ ডিসেম্বর থেকে, ভোক্তাদের বাড়তি চাপ

    জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য কার্যকর ১ ডিসেম্বর থেকে, ভোক্তাদের বাড়তি চাপ

    এবিএনএ:  দেশের ভোক্তা পর্যায়ে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিশ্ববাজারে তেলের দামের ওঠানামার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবার স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ডিসেম্বর মাসের জন্য নতুন মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

    রবিবার (৩০ নভেম্বর) জারি করা এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন মূল্য অনুযায়ী প্রতি লিটার ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম ২ টাকা করে বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে এই নতুন মূল্য কার্যকর হবে।

    নতুন নির্ধারিত দরে—
    ডিজেল: প্রতি লিটার ১০৪ টাকা (আগে ছিল ১০২ টাকা)
    অকটেন: প্রতি লিটার ১২৪ টাকা (আগে ছিল ১২২ টাকা)
    পেট্রোল: প্রতি লিটার ১২০ টাকা (আগে ছিল ১১৮ টাকা)
    কেরোসিন: প্রতি লিটার ১১৬ টাকা (আগে ছিল ১১৪ টাকা)

    মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ওঠানামা বিবেচনায় দেশে প্রাইসিং ফর্মুলা অনুযায়ী মাসিক ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দাম সমন্বয় করা হচ্ছে। এর ফলে দেশীয় বাজারে তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি পরিবহন খাত, কৃষি উৎপাদন ও নিত্যপণ্যের দামে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে সরকার বলছে, স্বচ্ছ ও প্রাতিষ্ঠানিক মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

    নতুন মূল্য কার্যকর হওয়ার পর ভোক্তাদের বাড়তি খরচ বহনে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

  • আগস্টেও জ্বালানি তেলের দামে কোনও পরিবর্তন নেই, বহাল থাকছে পূর্বের মূল্য

    আগস্টেও জ্বালানি তেলের দামে কোনও পরিবর্তন নেই, বহাল থাকছে পূর্বের মূল্য

    এবিএনএ:  চলতি আগস্ট মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য আগের মতোই বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগস্ট মাসেও প্রতি লিটার অকটেন বিক্রি হবে ১২২ টাকা দরে, পেট্রোল ১১৮ টাকা, ডিজেল ১০২ টাকা এবং কেরোসিন ১১৪ টাকায়। এই দাম ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে এবং মাসজুড়েই তা বহাল থাকবে।

    মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের ওঠানামার সঙ্গে সমন্বয় রেখে দেশে স্বয়ংক্রিয় মূল্যের হিসাব অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    এর আগেও জুলাই মাসে তেলের দামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। ২০২৪ সালের মার্চ থেকে সরকার স্বয়ংক্রিয় দামে নির্ধারণ পদ্ধতি চালু করে, যার আওতায় প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের নতুন দাম ঘোষণা করা হয়।

    এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দেশের বাজারের সঙ্গতি রক্ষা করাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানানো হয়েছে।