Tag: জিয়াউর রহমান

  • স্বাধীনতা দিবসে বিএনপির দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা—শ্রদ্ধা, দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন

    স্বাধীনতা দিবসে বিএনপির দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা—শ্রদ্ধা, দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন

    এবিএনএ: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে Bangladesh Nationalist Party। রোববার (২২ মার্চ) দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব Ruhul Kabir Rizvi স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    ঘোষণা অনুযায়ী, ২৬ মার্চ ভোর ৬টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। একই দিনে ভোরে সাভারে অবস্থিত National Martyrs’ Memorial-এ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বিএনপির পক্ষ থেকেও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হবে।

    স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ঢাকায় ফিরে দলের প্রতিষ্ঠাতা, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ Ziaur Rahman এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী Khaleda Zia-এর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। সেখানে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে দলের নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন। একই সঙ্গে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে মাজার প্রাঙ্গণে দোয়ার আয়োজন করা হবে।

    এর আগে ২৫ মার্চ দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর রমনায় Institution of Engineers Bangladesh মিলনায়তনে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখবেন।

    দিবসটি উপলক্ষে বিএনপি ইতোমধ্যে বিশেষ পোস্টার প্রকাশ করেছে এবং একটি বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়।

    রিজভী আরও জানান, দেশের সব জেলা, মহানগর, উপজেলা ও পৌর ইউনিট নিজ নিজ উদ্যোগে আলোচনা সভা ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে। পাশাপাশি দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোও নিজস্ব পরিকল্পনায় দিবসটি উদযাপন করবে।

    ঘোষিত কর্মসূচিগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

  • দেশ রক্ষায় কঠোর বার্তা মির্জা আব্বাসের: প্রতারক ও ধান্দাবাজদের হাতে ক্ষমতা যেতে দেব না

    দেশ রক্ষায় কঠোর বার্তা মির্জা আব্বাসের: প্রতারক ও ধান্দাবাজদের হাতে ক্ষমতা যেতে দেব না

    এবিএনএ: বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে চলমান অপপ্রচার এবং রাজনৈতিক বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করবেন, তবে কোনোভাবেই প্রতারক ও ধান্দাবাজদের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা যেতে দেবেন না।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপির উদ্যোগে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেন, নির্বাচনী রাজনীতিতে নামার পর বিএনপির বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, যেভাবে কুৎসা ও বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, তা সহ্য করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

    নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, তিনি কোনোভাবেই পরিচয়হীন রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না। তার ঠিকানা ও পরিচয় স্পষ্ট—এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, দায়িত্বশীল রাজনীতিই তার পথ।

    নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, রাজনীতি ধৈর্য ও ত্যাগের জায়গা। অল্প বয়সে ক্ষমতার লোভে অস্থির না হয়ে শেখার মানসিকতা নিয়ে এগোতে হবে। দেশ গঠনের রাজনীতিতে বিএনপি সব সময় সহযোগিতা করবে বলেও জানান তিনি।

    মির্জা আব্বাস আরও বলেন, দেশের প্রয়োজনে রাজপথে থাকার ইতিহাস বিএনপির রয়েছে। স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে অতীতের আন্দোলনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, বিএনপি কখনো ব্যক্তিস্বার্থে রাজনীতি করেনি।

    আলোচনা সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • স্বাধীনতাবিরোধীদের সব ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে জনগণই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে: মির্জা ফখরুল

    স্বাধীনতাবিরোধীদের সব ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে জনগণই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে: মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি আবারও মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে, তবে দেশের জনগণ তাদের সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে।

    তিনি বলেন, যারা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারাই আজ নতুন করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। কিন্তু স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসী জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে এসব অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দেবে এবং বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনবে।

    মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে স্বাধীনতার ঘোষক ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। তিনি জানান, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান দেশে ফিরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনকে আরও গতিশীল করবেন।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়েই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়েছিল এবং সেই যুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় আসে ১৬ ডিসেম্বর। এ কারণেই বিজয় দিবস বিএনপির কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

    বিজয় দিবসের সকালে দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে শহীদ রাষ্ট্রপতির আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।

    প্রতি বছরের মতো এবারও বিজয় দিবসে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে পুরো জাতি, একই সঙ্গে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার চেতনায় নতুন করে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করছে রাজনৈতিক দলগুলো।

  • স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে আপস নয়, জনগণের সরকার গঠনের প্রত্যয় মির্জা ফখরুলের

    স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে আপস নয়, জনগণের সরকার গঠনের প্রত্যয় মির্জা ফখরুলের

    এবিএনএ: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব কোনোভাবেই বিসর্জন দেওয়া যাবে না— এমন দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, জাতির অস্তিত্ব রক্ষার এই প্রশ্নে বিএনপি কখনোই আপস করবে না।

    বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে মোবাইল ফোনে যুক্ত হয়ে এ বক্তব্য দেন তিনি।

    নির্ধারিত প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও জরুরি কারণে সরাসরি উপস্থিত হতে পারেননি বিএনপি মহাসচিব।

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আমাদের অস্তিত্বের প্রতীক। আমরা যেকোনো মূল্যে এই মর্যাদা রক্ষা করব। জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফিরিয়ে আনাই আমাদের লক্ষ্য।”

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, “বিএনপি ক্ষমতায় এলে সত্যিকার অর্থে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবে। গণ–অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে মানুষের ভোট ও মতের স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে।”

    বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক। তিনি একদলীয় শাসনের পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্রের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, যা আজও আমাদের প্রেরণা জোগায়।”

  • তারেক রহমানের ঘোষণা: কৃষকের হাতকে আরও শক্তিশালী করবে বিএনপি

    তারেক রহমানের ঘোষণা: কৃষকের হাতকে আরও শক্তিশালী করবে বিএনপি

    এবিএনএ: বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে কৃষকদের গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের শক্তি নিহিত আছে সেই কৃষকের হাতে, যারা প্রতিদিন এই মাটিকে জীবন্ত রাখে। বিএনপি সেই হাতগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে কৃষকরাই আগামী বাংলাদেশের উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তার চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারেন।

    বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, “একটি অনিশ্চিত বিশ্বে বাংলাদেশ প্রমাণ করতে পারে যে খাদ্য নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন ও কৃষকের মর্যাদা কোনো স্বপ্ন নয়, বরং তা অর্জনযোগ্য বাস্তব।”

    তিনি জানান, বিএনপি নতুন প্রযুক্তি, জ্ঞান ও উদ্ভাবনী চিন্তার মাধ্যমে একটি অংশীদারিত্বভিত্তিক খাদ্য ব্যবস্থার স্বপ্ন দেখে। এই ব্যবস্থায় কৃষককে সম্মান দেওয়া হবে, প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো হবে এবং বৈশ্বিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা হবে—যাতে পুষ্টিসমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ বিশ্বে উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারে।

    তারেক রহমান এই লক্ষ্যে ছয়টি মূল কর্মপরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন—(১) কৃষকের কার্ড উদ্যোগ, (২) জলবায়ু সহনশীল কৃষি, (৩) পানি নিরাপত্তা ও সংরক্ষণমূলক কৃষি, (৪) পুষ্টি ও মানব উন্নয়ন, (৫) কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং (৬) পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন।

    তিনি জানান, প্রত্যেক কৃষককে দেওয়া হবে একটি নিরাপদ ডিজিটাল পরিচয়পত্র। এর মাধ্যমে তারা মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি ভর্তুকি, ঋণ, ফসল বীমা, ন্যায্যমূল্য ও সরকারি ক্রয় সুবিধা পাবেন। এছাড়া ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-খাল পুনরুদ্ধার, সম্প্রদায়ভিত্তিক সেচব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন এবং আধুনিক তিস্তা ও গঙ্গা ব্যারাজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    তারেক রহমান বলেন, “আমাদের পরিকল্পিত উদ্যোগগুলো কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাতে ১৩ লাখ নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করবে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে নতুন গতি দেবে।”

    তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যখন নেতৃত্ব গ্রহণ করেন, তখন দেশ দুর্ভিক্ষে জর্জরিত ছিল। তাঁর নেতৃত্বেই সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণ, খাল পুনঃখনন ও বহুবর্ষজীবী ফসল চাষের মাধ্যমে বাংলাদেশ আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে যায়। সেই আদর্শেই বিএনপি কৃষকের পাশে থেকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে চায়।

  • টুকুর অভিযোগ: মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীরা এখন ইতিহাসকেই চ্যালেঞ্জ করার সাহস পাচ্ছে

    টুকুর অভিযোগ: মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীরা এখন ইতিহাসকেই চ্যালেঞ্জ করার সাহস পাচ্ছে

    এবিএনএ:  জামালপুরে অনুষ্ঠিত জেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু অভিযোগ করে বলেন, যারা একসময় মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল, তারাই আজ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে চ্যালেঞ্জ করার সাহস পাচ্ছে। তার মতে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

    টুকু বলেন, “যুদ্ধ না হলে স্বাধীন ভূখণ্ড আসতো না, জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা না দিলে বাংলাদেশ গড়ে উঠতো না। অথচ আজ এই রাষ্ট্রকে ব্যক্তিগত সম্পত্তির মতো ব্যবহার করা হচ্ছে। কেউ কেউ বলছে ’২৪ সালের আন্দোলন দ্বিতীয় স্বাধীনতা। কিন্তু স্বাধীনতা একবারই হয়, আমাদের মানচিত্র দিয়েছে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধই।”

    শনিবার বিকেলে শহরের বেলটিয়া এলাকায় আয়োজিত এ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও সমালোচনা করেন প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) ভোট পদ্ধতির। তার ভাষায়, “বাংলাদেশের মানুষ চায় তাদের প্রার্থীকে দেখতে, তাকে চিনতে। কিন্তু এই পিআর পদ্ধতি বাস্তবে গ্রহণযোগ্য নয়। যারা এই শর্ত চাপাচ্ছে, তারা ’৪৭ সালেও দ্বিচারিতা করেছে, পাকিস্তানের সময়েও গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করেছে এবং মুক্তিযুদ্ধেও স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিল।”

    জামালপুর জেলা বিএনপির এ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। এছাড়া সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, মো. শরিফুল আলম, অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন, আবু ওয়াহাব আকন্দসহ শীর্ষস্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।

    প্রায় নয় বছর পর আয়োজিত এই সম্মেলনে সাত উপজেলা ও আট পৌর শাখা থেকে এক হাজার ৫১৫ জন কাউন্সিলরসহ কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। দীর্ঘ বিরতির পর আয়োজিত এই সম্মেলন ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনা এবং উৎসবের পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়।

  • কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটবে অদ্ভুত ঘটনা, সতর্ক করলেন মেজর (অব.) হাফিজ

    কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটবে অদ্ভুত ঘটনা, সতর্ক করলেন মেজর (অব.) হাফিজ

    এবিএনএ: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ মন্তব্য করেছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বাংলাদেশে এক “অদ্ভুত ঘটনা” ঘটতে যাচ্ছে। তার মতে, বিশ্বের সব দেশে নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই সংবিধান সংশোধন করেন, অথচ বাংলাদেশে তা করছেন একদল অনির্বাচিত ব্যক্তি।

    মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর আন্তর্জাতিক চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    হাফিজ বলেন, “যারা আমেরিকা, লন্ডনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছেন, ১৭ বছরের কোনো আন্দোলন বা জুলাইয়ের অভ্যুত্থানে অংশ নেননি, তারাই এখন সংবিধান ছুঁড়ে ফেলতে চাইছেন।”

    তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মেজর জিয়াউর রহমান। রাজনৈতিক দলগুলো ব্যর্থ হলে জিয়া জনগণের কণ্ঠস্বর হয়ে সামনে আসেন।

    যুবশক্তির প্রসঙ্গে হাফিজ বলেন, “বিশ্ব আমাদের দরিদ্র দেশের কাতারে ফেলতে চায়। কিন্তু ইউরোপ-আমেরিকার ডলার সমৃদ্ধ পরাশক্তির চেয়ে বাংলাদেশ অনেক ধনী, কারণ এদেশে আবু সাঈদের মতো সাহসী সন্তান জন্ম নেয়।”

    তিনি উল্লেখ করেন, “নিরস্ত্র হয়েও যারা গণতন্ত্রের জন্য গুলি খেয়েছে, বুক পেতে দিয়েছে, এমন দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বিরল। আমাদের গর্ব করার মতো অনেক কিছু আছে।”

    সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী। উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, নজরুল ইসলাম খান, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন ও প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু।

  • শিশু একাডেমি ভাঙার প্রস্তাবে মির্জা ফখরুলের কড়া আপত্তি: ‘জাতি গঠনে বাধা’

    শিশু একাডেমি ভাঙার প্রস্তাবে মির্জা ফখরুলের কড়া আপত্তি: ‘জাতি গঠনে বাধা’

    এবিএনএ: শিশুদের গঠনমূলক বিকাশে অবদান রাখা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান শিশু একাডেমিকে ভেঙে ফেলার পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, “শিশু একাডেমি সরানো হলে জাতি গঠনের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”

    বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “শিশু একাডেমি সরকারের একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান, যা শিশুদের মানসিক বিকাশ ও সৃজনশীলতার কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং সারাদেশে এর কার্যক্রম ছড়িয়ে দিয়েছেন।”

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, “এই প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেওয়া বা ভেঙে ফেলার চিন্তাই জাতির জন্য আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে। এটি শিশুদের বিকাশে সরাসরি প্রভাব ফেলবে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

    এই সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান (অব.) এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন ও সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু।


    উত্তরায় বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের কবর জিয়ারত করলেন ফখরুল

    এর আগে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিএনপি মহাসচিব উত্তরা দিয়াবাড়ির তারারটেক এলাকার একটি পারিবারিক কবরস্থানে যান। সেখানে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিমান দুর্ঘটনায় নিহত তিন শিক্ষার্থী আরিয়ান, হুমায়ূরা ও বাপ্পির কবর জিয়ারত করেন তিনি।

    এছাড়াও শহীদ জুনায়েদ ও শারিয়ারের কবরেও শ্রদ্ধা জানান মির্জা ফখরুল।

    শিশুদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি এবং এই দুঃসময় তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

    এই সফরে তার সঙ্গে ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব মোস্তফা জামান, যুগ্ম আহ্বায়ক এসএম জাহাঙ্গীর, কফিল উদ্দিন, আফাজ উদ্দিন ও বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

  • রোজা, গরম ও ঝড়—এপ্রিল নয়, নির্বাচন হোক ডিসেম্বরেই: মির্জা ফখরুল

    রোজা, গরম ও ঝড়—এপ্রিল নয়, নির্বাচন হোক ডিসেম্বরেই: মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ:

    ঈদুল আজহার নামাজ আদায়ের পর দলের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীসহ আরও অনেক নেতা।

    মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নির্বাচন প্রসঙ্গে কথা বলেন মির্জা ফখরুল। তিনি জানান, এপ্রিল মাসকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সঠিক সময় হিসেবে দেখা যাচ্ছে না। তার মতে, “এ সময় প্রচণ্ড গরম, ঝড়-বৃষ্টি এবং রোজার সময়কাল একত্রে হওয়ায় নির্বাচনের পরিবেশ অনুকূল থাকবে না। তাছাড়া ওই সময় পাবলিক পরীক্ষাও চলবে। এমন পরিস্থিতিতে ভোটের প্রচারণা ও অংশগ্রহণ কঠিন হয়ে পড়বে।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা আগে থেকেই বলে আসছি, ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন দেওয়া উচিত। এটা শুধু আমাদের দাবি নয়, জনগণেরও প্রত্যাশা ছিল। ডিসেম্বরের আবহাওয়া, সময়সূচি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।”

    মির্জা ফখরুল মনে করেন, নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত বাস্তবতার আলোকে হওয়া উচিত, আর সেটিই জাতীয় স্বার্থে গ্রহণযোগ্য হবে।