Tag: জাতীয় সংসদ ভবন

  • নতুন অধ্যায়ের সূচনা: বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

    নতুন অধ্যায়ের সূচনা: বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় জয় নিশ্চিত করে সরকার গঠনের পথে এগোয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন।

    মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন-এর দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীকে শপথ পাঠ করান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি

    এর আগে একই দিন সকালে জাতীয় সংসদে শপথ নেওয়ার পর সংসদীয় দলের বৈঠকে বিএনপির সংসদ সদস্যরা তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেন। শপথের মধ্য দিয়ে নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • মঙ্গলবার শপথের দিন রাজধানীতে ট্রাফিক সতর্কতা: কোন কোন সড়ক বন্ধ, জেনে নিন বিকল্প পথ

    মঙ্গলবার শপথের দিন রাজধানীতে ট্রাফিক সতর্কতা: কোন কোন সড়ক বন্ধ, জেনে নিন বিকল্প পথ

    এবিএনএ: নতুন সরকারের শপথগ্রহণ উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। অনুষ্ঠানের মূল আয়োজন হবে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে এমপিদের শপথ এবং দক্ষিণ প্লাজায় নবগঠিত মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান। এতে বিপুল মানুষের সমাগম হতে পারে বলে সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত আশপাশের কয়েকটি সড়কে যান চলাচল সীমিত রাখা হবে।

    ডিএমপি জানায়, খেজুর বাগান ক্রসিং থেকে মানিক মিয়া এভিনিউ এবং জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সংলগ্ন গণভবন ক্রসিং থেকে উড়োজাহাজ ক্রসিং পর্যন্ত লেকরোডে চলাচল নিয়ন্ত্রণ থাকবে। যানজট এড়াতে নির্ধারিত ডাইভারশন ও বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    বিকল্প পথের নির্দেশনা (সংক্ষেপে):

    • মিরপুর রোড → ফার্মগেট: প্রতিরক্ষা গ্যাপ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র–উড়োজাহাজ ক্রসিং–বিজয় সরণি হয়ে প্রবেশ।

    • ধানমন্ডি → ফার্মগেট: আসাদগেট–প্রতিরক্ষা গ্যাপ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র–উড়োজাহাজ ক্রসিং–বিজয় সরণি পথ ব্যবহার।

    • এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে/ইন্দিরা রোড → ধানমন্ডি: খেজুর বাগান–উড়োজাহাজ ক্রসিং–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র–প্রতিরক্ষা গ্যাপ–আসাদগেট।

    • ফার্মগেট এক্সিট এড়িয়ে চলুন: হাতিরঝিলের এফডিসি র‌্যাম্প ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

    ডিএমপি নগরবাসীর কাছে সহযোগিতা চেয়ে জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মানিক মিয়া এভিনিউ ও লেকরোড এড়িয়ে চললে ভোগান্তি কমবে। জরুরি প্রয়োজনে ট্রাফিক সদস্যদের নির্দেশনা অনুসরণ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • হাদি আমাদের বিদায় নেয়নি, সে জাতির চেতনায় বেঁচে থাকবে: জানাজায় আবেগঘন বার্তা প্রধান উপদেষ্টার

    হাদি আমাদের বিদায় নেয়নি, সে জাতির চেতনায় বেঁচে থাকবে: জানাজায় আবেগঘন বার্তা প্রধান উপদেষ্টার

    এবিএনএ: শহীদ ওসমান শরীফ হাদিকে বিদায় জানাতে নয়, বরং তার আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করতেই মানুষ একত্র হয়েছে—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “হাদি আমাদের বুকের ভেতরেই আছে। বাংলাদেশ যতদিন টিকে থাকবে, ততদিন সে আমাদের সবার মধ্যে বেঁচে থাকবে।”

    শনিবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শহীদ হাদির জানাজা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আবেগঘন কণ্ঠে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সারা দেশ থেকে ঢেউয়ের মতো মানুষ এখানে এসেছে। শুধু দেশেই নয়, প্রবাসে থাকা বাংলাদেশিরাও এই মুহূর্তে হাদির কথা জানতে, তাকে অনুভব করতে চায়।

    ড. ইউনূস বলেন, “আমরা আজ হাদিকে বিদায় জানাতে আসিনি। আমরা তার কাছে ওয়াদা করতে এসেছি। সে যে স্বপ্ন, যে দায়িত্ব আমাদের দিয়ে গেছে—সেগুলো পূরণ করার অঙ্গীকার করতেই আমরা একত্র হয়েছি।” তিনি বলেন, এই অঙ্গীকার শুধু বর্তমান প্রজন্ম নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মও বহন করবে।

    প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, হাদির মানবিক রাজনীতি, মানুষের সঙ্গে বিনীত আচরণ, রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সংগ্রামী ভাষা আজ সবাইকে অনুপ্রাণিত করছে। এসব গুণ যেন জাতির চেতনায় স্থায়ীভাবে জাগ্রত থাকে—সে আহ্বান জানান তিনি।

    হাদির রেখে যাওয়া আদর্শকে “জাতির মন্ত্র” আখ্যা দিয়ে ড. ইউনূস বলেন, “সে আমাদের মাথা উঁচু করে চলার সাহস দিয়ে গেছে। কারও কাছে মাথা নত না করার শিক্ষা দিয়ে গেছে।” এই শিক্ষা বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জীবনে প্রভাব ফেলবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    তিনি বলেন, নির্বাচনী রাজনীতিতে অংশ নিতে গিয়ে হাদি একটি শুদ্ধ রাজনৈতিক সংস্কৃতির দৃষ্টান্ত রেখে গেছে। কীভাবে মানুষের কাছে যেতে হয়, কীভাবে কষ্ট না দিয়ে নিজের কথা বলতে হয়, কীভাবে বিনয়ের সঙ্গে রাজনীতি করতে হয়—সবকিছুই সে শিখিয়ে গেছে।

    শেষে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “হাদি হারিয়ে যায়নি। সে যুগের পর যুগ আমাদের সঙ্গে থাকবে। আজ আমরা তাকে আল্লাহর হাতে আমানত রেখে গেলাম। তার আদর্শ স্মরণ করেই আমরা জাতির অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাব।”