Tag: জাতীয় বিপ্লব দিবস

  • স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে আপস নয়, জনগণের সরকার গঠনের প্রত্যয় মির্জা ফখরুলের

    স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে আপস নয়, জনগণের সরকার গঠনের প্রত্যয় মির্জা ফখরুলের

    এবিএনএ: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব কোনোভাবেই বিসর্জন দেওয়া যাবে না— এমন দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, জাতির অস্তিত্ব রক্ষার এই প্রশ্নে বিএনপি কখনোই আপস করবে না।

    বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে মোবাইল ফোনে যুক্ত হয়ে এ বক্তব্য দেন তিনি।

    নির্ধারিত প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও জরুরি কারণে সরাসরি উপস্থিত হতে পারেননি বিএনপি মহাসচিব।

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আমাদের অস্তিত্বের প্রতীক। আমরা যেকোনো মূল্যে এই মর্যাদা রক্ষা করব। জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফিরিয়ে আনাই আমাদের লক্ষ্য।”

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, “বিএনপি ক্ষমতায় এলে সত্যিকার অর্থে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবে। গণ–অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে মানুষের ভোট ও মতের স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে।”

    বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক। তিনি একদলীয় শাসনের পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্রের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, যা আজও আমাদের প্রেরণা জোগায়।”

  • দেশে পরিকল্পিতভাবে সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে: মির্জা ফখরুল

    দেশে পরিকল্পিতভাবে সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে: মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ: দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, “বর্তমান সংকট কোনো স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার ফল নয়; এটি সম্পূর্ণভাবে পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে তৈরি করা হয়েছে।”

    বুধবার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, “৭ নভেম্বর ছিল আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে একটি ঐতিহাসিক প্রতিরোধের দিন। এই দিনেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের রাজনৈতিক চেহারা পাল্টে দিয়েছিলেন। আজ সেই গণতান্ত্রিক ধারাই পরিকল্পিতভাবে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে।”

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, “বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের যে পথ, সেটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করার চেষ্টা চলছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করে জনগণের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এই সংকটের পেছনে আছে একটি সুপরিকল্পিত উদ্দেশ্য।”

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, “এখনই সময় ঐক্যবদ্ধভাবে সব ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার। আমরা যদি একসঙ্গে কাজ করি, তাহলে বাংলাদেশকে প্রকৃত অর্থে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব।”

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, বেগম সেলিমা রহমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম এবং অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ।