Tag: জাতীয় পরিচয়পত্র

  • বাতিল হওয়া এনআইডি সংশোধন আবেদনকারীদের আবার সুযোগ দিল নির্বাচন কমিশন

    বাতিল হওয়া এনআইডি সংশোধন আবেদনকারীদের আবার সুযোগ দিল নির্বাচন কমিশন

    এবিএনএ:  জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের আবেদন বাতিল হওয়া নাগরিকদের জন্য নতুন সুযোগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ক্র্যাশ প্রোগ্রামের আওতায় যারা পূর্বে আবেদন করেও বিভিন্ন কারণে বাতিল হয়েছেন, তারা আবারও ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন।

    ইসি সূত্রে জানা গেছে, এনআইডি উইং-এর সহকারী পরিচালক (বৈধ ও সঠিকতা যাচাই) মুহা. সরওয়ার হোসেন মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পাঠিয়েছেন।

    গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রথম ধাপে একটি ক্র্যাশ প্রোগ্রাম পরিচালিত হয়। এছাড়া ২১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া দ্বিতীয় ধাপের ক্র্যাশ প্রোগ্রাম ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

    যেসব কারণে আবেদন বাতিল হয়েছিল সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—

    • নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা না দেওয়া

    • অসম্পূর্ণ আবেদন দাখিল

    • দলিলাদির সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ তথ্য জমা

    • সাক্ষাৎকারে ডাকা হলেও উপস্থিত না থাকা

    • ব্যক্তিগত অনুরোধে আবেদন বাতিল

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই ধরনের বাতিল আবেদনগুলোর ক্ষেত্রে অনেক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত প্রতিফলিত হয়নি। তাই পুনরায় আবেদন করলে তা নতুন ক্যাটাগরিতে না নিয়ে পূর্বের ক্যাটাগরিতেই যাচাই-বাছাই করে নিষ্পত্তি করতে হবে।

    গত ছয় মাসে শুধুমাত্র ক্র্যাশ প্রোগ্রামের আওতায় প্রায় ৯ লাখ এনআইডি সংশোধন সংক্রান্ত আবেদন নিষ্পত্তি করেছে নির্বাচন কমিশন।

  • অর্ধলাখ প্রবাসীর ভোটার আবেদন, শীর্ষে আমিরাত—প্রস্তুতি চলছে নতুন ছয় দেশে

    অর্ধলাখ প্রবাসীর ভোটার আবেদন, শীর্ষে আমিরাত—প্রস্তুতি চলছে নতুন ছয় দেশে

    এবিএনএ:  বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ভোটার হওয়ার আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৪৯ হাজার ৫৭৪ জন প্রবাসী ভোটার হতে আবেদন করেছেন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে—২০ হাজার ২০৯ জন।

    তালিকায় সবচেয়ে কম আবেদন জমা পড়েছে অস্ট্রেলিয়া থেকে, মাত্র ২৫ জন।

    ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নয়টি দেশের ১৬টি স্টেশনে বর্তমানে এই কার্যক্রম চালু রয়েছে। ৬ আগস্ট পর্যন্ত ২৯ হাজার ৭৬৩ জন প্রবাসী বায়োমেট্রিকসহ পূর্ণাঙ্গ নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।

    এ পর্যন্ত যাচাই-বাছাই শেষে ২১ হাজার ৯৭১ জন প্রবাসী ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। ১৮ হাজার ৩৪টি আবেদন ইতোমধ্যে সার্ভারে আপলোড হয়েছে, আরও ৩ হাজার ৯৩৭টি আপলোডের অপেক্ষায়। তবে বিভিন্ন তথ্য ঘাটতি ও ত্রুটির কারণে ৩ হাজার ৯৩৭টি আবেদন বাতিল হয়েছে, যার মধ্যে আমিরাতেই বাতিল হয়েছে সবচেয়ে বেশি—২,১৬৯টি।

    নতুন ছয় দেশে কার্যক্রম শুরু হচ্ছে

    জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এএসএম হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র, জর্ডান, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওমান, মালদ্বীপ এবং জাপানে ভোটার কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। এর আগে ২০১৯ সালে যুক্তরাজ্য ও আমিরাত থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়।

    নতুন এসব দেশে কার্যক্রম শুরুর জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে। প্রস্তুত করা হচ্ছে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি। জাপানে কার্যক্রম প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

    পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন প্রবাসীরা

    প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ইসি ‘পোস্টাল ব্যালট’ পদ্ধতি চালু করতে যাচ্ছে। এতে করে প্রবাসীরা অনলাইনে নিবন্ধন করে ব্যালট সংগ্রহ করবেন এবং নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দিয়ে তা ডাকযোগে পাঠাবেন। ব্যালটে কেবল প্রতীক থাকবে, প্রার্থীর নাম থাকবে না। অনলাইনে ভোটার প্রার্থীদের তালিকা দেখতে পাবেন।

    নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, প্রতি ব্যালট পাঠাতে ৫০০ টাকা ব্যয় হবে। পুরো কার্যক্রমের জন্য ৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।

    প্রবাসীদের বাধ্যতামূলক তথ্যপত্র

    ভোটার হতে অনলাইনে আবেদন করার সময় প্রবাসীদের চারটি তথ্যপত্র জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক:

    1. পূরণকৃত ফরম-২(ক)

    2. বৈধ মেয়াদসম্বলিত বাংলাদেশি পাসপোর্ট

    3. জন্মনিবন্ধন সনদ

    4. পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি

    এছাড়া নির্দিষ্ট এলাকার (বিশেষ করে চট্টগ্রাম অঞ্চলের) নাগরিকদের জন্য অতিরিক্ত কিছু ডকুমেন্ট চাওয়া হচ্ছে—যেমন, শিক্ষা সনদ, পিতামাতার এনআইডি, নাগরিকত্ব সনদ, নিকাহনামা, ইউটিলিটি বিল, ভাড়াটিয়া হলে বাড়িওয়ালার অনাপত্তিপত্র ইত্যাদি।

    প্রবাসী নাগরিকরা এসব কাগজপত্র নিবন্ধন কেন্দ্রে না জমা দিতে পারলে দেশে অবস্থানরত আত্মীয়দের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট উপজেলা অফিসে জমা দিতে পারবেন।

    বর্তমান নির্বাচন কমিশন বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই লক্ষ্যেই ধাপে ধাপে দেশের বাইরেও ভোটার কার্যক্রম সম্প্রসারিত হচ্ছে। সীমিত আকারে শুরু হলেও ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত পরিসরে ভোট দিতে পারবেন প্রবাসী নাগরিকরা।

  • ৩০ অক্টোবরের মধ্যে বাড়তি সিম না কাটালে বন্ধ হয়ে যেতে পারে সংযোগ

    ৩০ অক্টোবরের মধ্যে বাড়তি সিম না কাটালে বন্ধ হয়ে যেতে পারে সংযোগ

    এবিএনএ:   একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ১০টি মোবাইল সিম ব্যবহার করতে পারবেন—এমন নীতিমালা বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সময়সীমা নির্ধারণ করেছে।

    বুধবার (৩০ জুলাই) এক ঘোষণায় বিটিআরসি জানায়, যেসব গ্রাহকের নামে ১০টির বেশি সিম নিবন্ধিত আছে, তাদেরকে আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে অতিরিক্ত সিমগুলো সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারের মাধ্যমে ডি-রেজিস্ট্রার করতে হবে।

    বিটিআরসি জানায়, *১৬০০১# ডায়াল করে খুব সহজেই নিজের নামে কতটি সিম রয়েছে তা জেনে নেওয়া যাবে।

    পূর্বে একজন ব্যক্তি একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১৫টি সিম নিবন্ধন করতে পারতেন। তবে আন্তর্জাতিক অনুশীলন ও জাতীয় নিরাপত্তা বিবেচনায় মে মাসে নেওয়া নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সেই সীমা কমিয়ে ১০টি নির্ধারণ করা হয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ইতোমধ্যে বিটিআরসির এ সিদ্ধান্তে সম্মতি দিয়েছে।

    সীমা নির্ধারণের ফলে প্রায় ২৬ লাখ গ্রাহকের নামে থাকা অতিরিক্ত ৬৭ লাখ সিম ডি-রেজিস্ট্রার করতে হবে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।

    এখনই জেনে নিন:
    যদি আপনার নামে ১০টির বেশি সিম থাকে, তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই অতিরিক্ত সিম বাতিল করুন। অন্যথায়, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে সেবা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

    বিটিআরসি বলছে, এই পদক্ষেপ জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় সহায়ক হবে এবং সিম ব্যবহারে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে।