Tag: জাকের আলী

  • এশিয়া কাপের ব্যর্থতা পেছনে ফেলে আফগানিস্তান সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ দল

    এশিয়া কাপের ব্যর্থতা পেছনে ফেলে আফগানিস্তান সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ দল

    এবিএনএ: এশিয়া কাপে সুপার ফোরে ব্যর্থতার হতাশা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে মাঠে নামতে চায় বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজটিকে ঘুরে দাঁড়ানোর বড় সুযোগ হিসেবেই দেখছেন দলের নতুন অধিনায়ক জাকের আলী।

    লিটন দাস চোটের কারণে ছিটকে যাওয়ায় দলের নেতৃত্ব এখন জাকেরের হাতে। তিনি মনে করেন, এশিয়া কাপে ব্যাটিং ব্যর্থতাই ছিল সবচেয়ে বড় সমস্যা। তাই আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে ব্যাটিং ইউনিটকেই প্রধান ফোকাস হিসেবে নিচ্ছেন তিনি। জাকের বলেন, “নির্দিষ্ট দিনে ভালো খেলাটাই আসল চ্যালেঞ্জ। দল হিসেবে আমরা এশিয়া কাপে ভালো পারফর্ম করতে পারিনি। এবার আমাদের পরিকল্পনা ব্যাটিংকে আরও শক্তিশালী করা।”

    এশিয়া কাপে ব্যাট হাতে উজ্জ্বল ছিলেন সাইফ হাসান। তাকে নিয়ে আশাবাদী জাকের বলেন, “সাইফ ধারাবাহিকভাবে ভালো করছে। চাইব, এবারও সে বড় ইনিংস খেলুক। তার সঙ্গে অন্য ব্যাটাররা ভালো করতে পারলে সিরিজটা আমাদের জন্য দারুণ হবে।”

    লিটনের জায়গায় দলে ডাক পেয়েছেন সৌম্য সরকার। তবে ভিসা সমস্যার কারণে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাতে দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেননি তিনি। জাকের আশাবাদী, প্রথম ম্যাচ থেকেই সৌম্যকে পাওয়া যাবে।

    অন্যদিকে, আফগানিস্তান এই সিরিজকে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে দেখছে। অধিনায়ক রশিদ খান বলেন, “আমরা সবসময় জয়ের জন্য খেলি। এশিয়া কাপে ব্যর্থ হয়েছি, তবে সেখান থেকে শিখেছি। এই সিরিজ আমাদের বিশ্বকাপের জন্য বড় প্রস্তুতি।”

    তিনি আরও যোগ করেন, “মাঠের পারফরম্যান্স নির্ভর করে মাঠের বাইরের যত্নের ওপর। টানা খেলার কারণে রিকভারি আর ফিটনেস খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপের আগে আমরা আরও ভারসাম্যপূর্ণ দল হয়ে উঠতে চাই।”

  • ফাইনালের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে বোলিং

    ফাইনালের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে বোলিং

    এবিএনএ: এশিয়া কাপে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। জয়ী দল ফাইনালে খেলবে ভারতের সঙ্গে, আর হার মানেই বিদায়। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জাকের আলী। তবে ইনজুরির কারণে আবারও দলে নেই লিটন দাস।

    ভারতের বিপক্ষে না খেলা তাসকিন আহমেদকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে পাকিস্তানের বিপক্ষে। মূলত এই ম্যাচকে সামনে রেখেই তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে একাদশে সুযোগ পেয়েছেন অলরাউন্ডার শেখ মাহেদী। বাদ পড়েছেন ওপেনার তানজিদ তামিম, স্পিনার নাসুম আহমেদ এবং পেসার সাইফউদ্দিন। তাদের জায়গায় নুরুল হাসান সোহান, শেখ মাহেদী ও তাসকিন আহমেদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    অন্যদিকে পাকিস্তান অপরিবর্তিত একাদশ নিয়েই মাঠে নামছে।

    ভারত ইতিমধ্যেই দুই ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। শ্রীলঙ্কা দুই ম্যাচ হেরে বিদায় নিয়েছে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দুদলই শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছে, তাই আজকের জয়ী দল ফাইনালে জায়গা করে নেবে।

    বাংলাদেশের একাদশ: সাইফ হাসান, পারভেজ ইমন, তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন, জাকের আলী, নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, শেখ মাহেদী, তানজিম সাকিব, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান।

    পাকিস্তানের একাদশ: শাহিবজাদা ফারহান, ফখর জামান, সাইম আইয়ূব, সালমান আঘা, হুসেইন তালাত, মোহাম্মদ হারিস, মোহাম্মদ নওয়াজ, ফাহিম আশরাফ, শাহিন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ, আবরার আহমেদ।

  • পাকিস্তানকে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে হারিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ

    পাকিস্তানকে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে হারিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ

    এবিএনএ: মিরপুরে আয়োজিত দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ১৩৩ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। মনে হচ্ছিল, জয়ের পথটা সহজ হবে। কিন্তু সেই সহজ লক্ষ্যও কঠিন হয়ে দাঁড়ায় ফাহিম আশরাফের একক প্রতিরোধে। শেষ পর্যন্ত রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ৮ রানের জয় পায় লাল-সবুজ বাহিনী এবং এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করে।

    মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে খেলাটি শুরু হয় মাইলস্টোন কলেজে বিমান বিধ্বস্তে নিহতদের স্মরণে শোক জানিয়ে। একাদশে ছিল দুটি পরিবর্তন—নাঈম শেখ সুযোগ পান তানজিদ তামিমের পরিবর্তে, জাকের আলী ফিরেন দলে। কিন্তু শুরুটা হতাশাজনক ছিল ব্যাটিংয়ে। লিটন দাস, হৃদয়, ইমন কেউই দাঁড়াতে পারেননি। ২৫ রানের মধ্যেই ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ।

    তবে শেখ মেহেদি ও জাকের আলীর ৫৩ রানের জুটি কিছুটা স্বস্তি এনে দেয়। মেহেদি ২৫ বলে ৩৩ রান করেন, আর জাকের শেষ পর্যন্ত ৪৮ বলে ৫৫ রানের মূল্যবান ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসে ছিল ৫টি ছক্কা ও ১টি চার। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৩ রান।

    জবাবে পাকিস্তান ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে শুরুতেই। মাত্র ১৫ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তারা। শরিফুল ইসলাম ও তানজিম সাকিবের আগুনঝরা স্পেলে পাকিস্তানের টপ অর্ডার ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। এক পর্যায়ে ৭ উইকেটে ৪৭ রানে পরিণত হয় সফরকারীরা।

    তবে পেস অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফ একাই লড়াই চালিয়ে যান। আব্বাস আফ্রিদিকে নিয়ে ৪১ রানের জুটি গড়েন। ফাহিম ৩২ বলে ৫১ রান করে রিশাদের বলে বোল্ড হন। শেষ ওভারে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১৩ রান। প্রথম বলেই মুস্তাফিজ চার খেয়ে চাপে পড়লেও পরের বলেই উইকেট তুলে নিয়ে জয় এনে দেন বাংলাদেশকে।

    বাংলাদেশের পক্ষে শরিফুল ৩ উইকেট, তানজিম ও মেহেদি ২টি করে উইকেট নেন। ম্যাচসেরা হন জাকের আলী।

  • টস হারলেও শুরুতেই ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নেই মুস্তাফিজ ও জাকের! চমক নাঈম-সাইফউদ্দিন

    টস হারলেও শুরুতেই ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নেই মুস্তাফিজ ও জাকের! চমক নাঈম-সাইফউদ্দিন

    এবিএনএ: টেস্টে শান্ত, ওয়ানডেতে মিরাজ—দুই সিরিজেই হারের মুখ দেখেছে বাংলাদেশ। এবার টি-২০ ফরম্যাটে বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব লিটন দাসের কাঁধে। তবে পাল্লেকেলেতে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই টসের সময় ভাগ্য সহায় হয়নি লিটনের, জিতেছে শ্রীলঙ্কা, আর বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছে আগে ব্যাট করার আমন্ত্রণ।

    এই ম্যাচের একাদশে রয়েছে বেশ কিছু চমক। অভিজ্ঞ পেসার মুস্তাফিজুর রহমান ও মিডল অর্ডার ব্যাটার জাকের আলী একাদশের বাইরে। পরিবর্তে দলে জায়গা পেয়েছেন নাঈম শেখ ও অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

    বাংলাদেশ এদিন চার অলরাউন্ডার নিয়ে মাঠে নেমেছে—শামীম পাটোয়ারি, মেহেদী হাসান মিরাজ, তানজিম সাকিব ও লেগস্পিনার রিশাদ হোসেন। ওপেনিংয়ে খেলছেন তানজিদ তামিম, পারভেজ ইমন, লিটন দাস ও ফিরতি ম্যাচে সুযোগ পাওয়া নাঈম শেখ। মিডল অর্ডারে থাকছেন তাওহীদ হৃদয়।

    শ্রীলঙ্কা তাদের দলে এনেছে কিছু পরিবর্তন। ইনজুরির কারণে দলের বাইরে থাকা ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার স্থানে জায়গা পেয়েছেন স্পিনার জেফরি ভ্যান্ডারসে। আবার একাদশে ফিরেছেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার দাশুন শানাকা। তবে পেস আক্রমণে মাথিশা পাথিরানার অনুপস্থিতি লক্ষণীয়।

    🔹 বাংলাদেশ একাদশ:
    তানজিদ তামিম, পারভেজ ইমন, লিটন দাস (অধিনায়ক), নাঈম শেখ, তাওহীদ হৃদয়, শামীম পাটোয়ারি, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, রিশাদ হোসেন, তানজিম সাকিব, তাসকিন আহমেদ।

    🔹 শ্রীলঙ্কার একাদশ:
    পাথুম নিশাঙ্কা, কুশল মেন্ডিস, কুশল পেরেরা, আভিস্কা ফার্নান্দো, চারিথ আশালঙ্কা, দাশুন শানাকা, চামিকা করুনারত্নে, জেফরি ভ্যান্ডারসে, মহেশ থিকসানা, নুয়ান থুসারা, বিনোরা ফার্নান্দো।

    এই ম্যাচ দিয়েই শুরু হচ্ছে টি-২০ সিরিজের উত্তাপ। পরিবর্তিত একাদশের বাজি কতটা কাজে আসে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

  • মিরাজ ফিরছেন, কলম্বো টেস্টে বদল আসতে পারে একাদশে – কারা থাকছেন, কারা বাদ পড়বেন?

    মিরাজ ফিরছেন, কলম্বো টেস্টে বদল আসতে পারে একাদশে – কারা থাকছেন, কারা বাদ পড়বেন?

    এবিএনএ: বাংলাদেশ টেস্ট দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ ভাইরাল জ্বর থেকে সেরে উঠেছেন এবং সম্পূর্ণ ফিট হয়ে গেছেন। গল টেস্ট চলাকালীনই তিনি ব্যক্তিগত অনুশীলন শুরু করেন এবং এখন কলম্বোতে দলের সঙ্গে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। সবকিছু ঠিক থাকলে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে মূল একাদশে ফিরছেন তিনি।

    মিরাজের ফেরার ফলে একাদশে পরিবর্তন অবধারিত। সম্ভাব্যভাবে বাদ পড়তে পারেন ডানহাতি স্পিনার নাঈম হাসান, যিনি গল টেস্টে প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিলেও কন্ডিশনের কারণে হয়তো এই ম্যাচে সুযোগ নাও পেতে পারেন।

    কলম্বোর উইকেট সাধারণত পেসারদের সহায়ক। শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা এবং বাংলাদেশের হেড কোচ ফিল সিমন্স ইঙ্গিত দিয়েছেন, উইকেট অনুযায়ী স্পিনের চেয়ে পেসে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। সেই অনুযায়ী তিন পেসার খেলাতে চাইলে একজন ব্যাটারকে জায়গা ছাড়তে হবে।

    এই সমীকরণে সম্ভাব্যভাবে বাদ পড়তে পারেন লোয়ার অর্ডারের ব্যাটার জাকের আলী। যদি তিন পেসার খেলানো হয়, তাহলে একাদশে জায়গা পেতে পারেন এবাদত হোসেন, যিনি ইনজুরি থেকে ফিট হয়ে ফিরেছেন এবং দলে ফিরে আসার জন্য প্রস্তুত।

    তরুণ পেসার নাহিদ রানাকে বিশ্রামে রাখা হতে পারে, কারণ গল টেস্টে তেমন প্রভাব রাখতে পারেননি। অন্যদিকে এবাদত ইনজুরির আগে ছিলেন টেস্ট দলে প্রথম পছন্দের পেসার।

    বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ:
    এনামুল হক বিজয়, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, জাকের আলী/এবাদত হোসেন, হাসান মাহমুদ, এবাদত হোসেন/নাহিদ রানা।