Tag: জয়া আহসান

  • রসগোল্লা খেয়েও কেন মোটা হন না জয়া আহসান? বিস্ময়কর রহস্য ফাঁস করলেন প্রসেনজিৎ

    রসগোল্লা খেয়েও কেন মোটা হন না জয়া আহসান? বিস্ময়কর রহস্য ফাঁস করলেন প্রসেনজিৎ

    এবিএনএ: অভিনেত্রী জয়া আহসানের সৌন্দর্য ও ফিটনেস বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রে। বয়স বাড়লেও তার ছিপছিপে গড়ন যেন একেবারেই অপরিবর্তিত। ফলে ভক্তদের মনে প্রশ্ন—কীভাবে নিজেকে এতটা ফিট রাখেন তিনি?

    এই কৌতূহলের উত্তর এবার খানিকটা মিলল ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের কথায়। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে জয়া আহসানকে নিয়ে মজার কিন্তু বিস্ময়কর কিছু তথ্য শেয়ার করেন তিনি।

    প্রসেনজিৎ জানান, জয়া আদতে ভীষণ ভোজনরসিক। বিশেষ করে মিষ্টির প্রতি তার দুর্বলতা চোখে পড়ার মতো। রসগোল্লা হোক বা অন্যান্য মিষ্টান্ন—সুযোগ পেলেই খেতে ভালোবাসেন তিনি। কিন্তু অবাক করার বিষয় হলো, এত কিছু খেলেও জয়ার শরীরে বাড়তি মেদ জমে না।

    প্রসেনজিতের ভাষায়, জয়ার এই অভ্যাস প্রায় অবিশ্বাস্য। নিয়মিত শরীরচর্চা না করলেও তার ফিটনেসে কোনো প্রভাব পড়ে না। বিষয়টি নিয়ে নিজেও নাকি মজা করে জয়ার কাছে প্রশ্ন করেছেন তিনি।

    জয়ার উত্তর ছিল আরও চমকপ্রদ—তিনি খেতে ভালোবাসেন এবং শরীর নিজেই তা সামলে নেয়। এই স্বাভাবিক ফিটনেসই যেন তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে।

    সেলিব্রিটি দুনিয়ায় যেখানে কঠোর ডায়েট ও নিয়মিত জিম প্রায় বাধ্যতামূলক, সেখানে জয়া আহসানের এই স্বাভাবিক ফিটনেস সত্যিই অনন্য—এমনটাই মনে করছেন ভক্তরা।

  • বহু বছরের প্রেমের কথা জানালেন জয়া আহসান, বিয়েতে এখনই নেই আগ্রহ

    বহু বছরের প্রেমের কথা জানালেন জয়া আহসান, বিয়েতে এখনই নেই আগ্রহ

    এবিএনএ:  জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান সবসময় ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নীরব থেকেছেন। নিজের প্রেম কিংবা সম্পর্কের কথা কখনও প্রকাশ্যে আনেননি। কিন্তু সম্প্রতি তিনি ভাঙলেন সেই নীরবতা।

    ভারতের গণমাধ্যম ইনডালজ এক্সপ্রেস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জয়া স্বীকার করেছেন, তিনি বহু বছর ধরে প্রেমের সম্পর্কে আছেন। তবে তার সঙ্গী মিডিয়া জগতের কেউ নন।

    জয়া বলেন, “হ্যাঁ, আমার জীবনে একজন আছেন। আমরা অনেক বছর ধরে একসাথে আছি। তিনি মিডিয়ার কেউ নন। আমার কাছে সম্পর্কের ভিত্তি হলো বন্ধুত্ব। আমি প্রায়ই ভ্রমণ করি, দীর্ঘ সময় শুটিং নিয়ে ব্যস্ত থাকি—তবুও তিনি কখনো অভিযোগ করেন না, বরং সবসময় সমর্থন দিয়ে যান। এই মনোভাব সত্যিই বিরল।”

    বিয়ে প্রসঙ্গে তিনি জানান, এখনই সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিকল্পনা নেই। “বিয়ে করে একসঙ্গে থাকার বিষয়টাকে আমি শ্রদ্ধা করি। তবে এই মুহূর্তে তেমন ইচ্ছা বা পরিকল্পনা নেই। কিছুটা ভয়ও কাজ করে, হয়তো আগের অভিজ্ঞতার জন্য।”

    তিনি আরও জানান, দুজনেই ব্যক্তিগত জীবনকে আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন। শান্ত স্বভাব ও ব্যক্তিগত পরিসরকে গুরুত্ব দেওয়ার কারণে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে।

    বর্তমানে জয়া পশ্চিমবঙ্গে মুক্তিপ্রাপ্ত তার অভিনীত দুটি ছবি—ডিয়ার মাপুতুলনাচের ইতিকথা—এর প্রচারণা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কলকাতায়।

  • দশ ছবিতে জয়া আহসানের অনন্য যাত্রা: প্রতিটি ফ্রেমেই ভিন্ন আলোকে নায়িকা

    দশ ছবিতে জয়া আহসানের অনন্য যাত্রা: প্রতিটি ফ্রেমেই ভিন্ন আলোকে নায়িকা

    এবিএনএ:  ঈদের উৎসবে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে জয়া আহসান অভিনীত দুটি বহুল আলোচিত ছবি—‘তাণ্ডব’ ও ‘উৎসব’। চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে ভারতে আসছে তার আরেক ছবি ‘ডিয়ার মা’। এরইমধ্যে তিনি ব্যস্ত কলকাতার একটি নতুন সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’র শুটিংয়ে। আজ ১ জুলাই, এই গুণী অভিনেত্রীর জন্মদিন। দিনটিতে ভক্তদের পক্ষ থেকে ভালোবাসা ও শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন তিনি।

    এই বিশেষ দিনে আমরা ফিরে দেখছি তার অভিনয়জীবনের ১০টি অনন্য ছবি ও সেগুলোর পেছনের গল্প—

    1. শুরুটা গোপালগঞ্জ থেকে:
      জয়া আহসানের জন্ম গোপালগঞ্জে। মুক্তিযোদ্ধা এ এস মাসউদের কন্যা জয়া শৈশবে ছিলেন নাচ, গান ও চিত্রাঙ্কনের প্রতি আগ্রহী।

    2. নাটক থেকে বড় পর্দায়:
      প্রথমে ছোটপর্দা, এরপর সিনেমায় অভিষেক ২০০৪ সালে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ব্যাচেলর’-এর মাধ্যমে। এই ছবিই তাকে নতুনভাবে চিনিয়েছিল দর্শককে।

    1. গেরিলার গৌরব:
      ২০১১ সালে ‘গেরিলা’ চলচ্চিত্রে বিলকিস বানু চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় তাকে এনে দেয় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

    2. পুরস্কারের ঝুলিতে সাফল্য:
      তিনি পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ ফিল্মফেয়ার ও বাচসাসের মতো মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার লাভ করেছেন।

    1. বাংলাদেশ-ভারত দুই বাংলাতেই জনপ্রিয়তা:
      গেরিলার সাফল্যের পর জয়া নিয়মিত হয়ে ওঠেন কলকাতার সিনেমায়। ‘বিসর্জন’, ‘রাজকাহিনি’, ‘কণ্ঠ’ ও ‘এক যে ছিল রাজা’ উল্লেখযোগ্য।

    2. উল্লেখযোগ্য সিনেমা তালিকা:
      ‘ব্যাচেলর’, ‘ডুবসাঁতার’, ‘গেরিলা’, ‘দেবী’, ‘ক্রিসক্রস’, ‘জিরো ডিগ্রি’, ‘বিজয়া’, ‘খাঁচা’, ‘পুত্র’, ‘ঈগলের চোখ’—প্রতিটিই আলাদা পরিচয় বহন করে।

    1. কান উৎসবের পদচারণা:
      ২০১৩ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে আমন্ত্রিত হন। একই বছর তিনি কলকাতার ছবিতে অভিষেক করেন ‘আবর্ত’-এর মাধ্যমে।

    1. প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ:
      অভিনয়ের পাশাপাশি ‘দেবী’ সিনেমাটি প্রযোজনা করেন, যা বাণিজ্যিকভাবেও সফল হয়।

     

    1. ব্যক্তিগত অধ্যায়:
      ১৯৯৮ সালে তিনি বিয়ে করেন মডেল ও অভিনেতা ফয়সাল আহসানকে। ২০১১ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

    2. জয়ার অনন্যতা:
      নিজের অভিনয়শৈলী, চরিত্রে মিশে যাওয়ার ক্ষমতা এবং পেশাদারিত্বের মাধ্যমে জয়া আহসান বাংলা সিনেমার অনন্য মুখ হয়ে উঠেছেন।


    জয়ার এই দীর্ঘ ও বৈচিত্র্যময় পথচলা শুধু সিনেমার পর্দায় নয়, দর্শকদের মনেও এক আলাদা স্থান তৈরি করে নিয়েছে। জন্মদিনে তার প্রতি রইল শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা।