Tag: জমি বিরোধ

  • মীরসরাইয়ে চাঞ্চল্য: রাস্তা বন্ধ করে তিন পরিবারকে অবরুদ্ধ, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী

    মীরসরাইয়ে চাঞ্চল্য: রাস্তা বন্ধ করে তিন পরিবারকে অবরুদ্ধ, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী

    এবিএনএ,মীরসরাই: মীরসরাই উপজেলার ১৫ নং ওয়াহেদপুর ইউনিয়ন মধ্যম ওয়াহেদপুর গ্রামের ৫ নং ওয়ার্ড সালামাত উল্লাহ ফকির বাড়ির চলাচলের পথ বন্ধ করে তিন পরিবার কে এক বছর যাবত অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

    প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে জসিম ও করিম দুই ব্যক্তি চলাচলের রাস্তায় ঘর নির্মান করে রাস্তা বন্ধের অভিযোগ উঠেছে। একমাত্র চলাচলের রাস্তা বন্ধ মধ্যম ওয়াহেদপুর
    গ্রামের সালামত উল্লাহবাড়ির, মোশাররফ, ইয়াসিন,সোহেল, মহিউদ্দিনের পরিবারের লোকজন অবরুদ্ধ অবস্থায় রাত দিন পার করছেন।

    ভুক্তভোগী মোশারফ হোসেন বলেন দীর্ঘ ১০০ বছরের পুরাতন বাড়ী আমাদের আমরা পাঁচ পরিবার আমাদের বাড়ির জায়গা জমি এখনো বন্টক হয়ি, আমাদের বাড়ির চলাচলের যে রাস্তা ছিলো সেটি জসিম ও করিম’রা বন্ধ করে দিয়েছে, আমরা আজ একটি বছর অনেক কষ্ট করে যাতায়াত করতেছি। আমার ছোট ছোট ছেলে মেয়ে স্কুল কলেজে যেতে পারতেছেনা বর্ষায় কেউ ঘর থেকে বের হতে পারেনা আমরা এর একটি সুষ্ঠু বিচার চাই।

    সমাজের সদ্দার বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুদ্দিন আহমেদ জানান রাস্তাটিতে উভয়পক্ষের সমান জমিও ছেড়ে দেওয়া রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে প্রতিপক্ষ জসিম ও করিম রাস্তার উপর ঘর নির্মান করার কারণে অন্য পরিবার গুলা চলাচল করতে পারতেছেনা গণ্যমান্য ব্যক্তিরা একাদিক বার চেষ্টা করেও সমধান করতে পারে নাই, প্রতিপক্ষরা পুরো রাস্তার উপর ঘর তৈরি করে, তিনটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে ফেলেন। বর্তমানে ওইসব পরিবারের লোকজন অন্যের ফসলি জমির আইল ও পুকুরপাড় দিয়ে কষ্টে চলাচল করছে। যেকোনো সময় উভয়ের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।

    প্রতিপক্ষ করিম ও জসিমের সাথে কথা বলতে চাইলে তারা কথা বলতে অস্বীকার করে, তারা বলে আমাদের ঘর ভেঙ্গে রাস্তা দিবো নাকি আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য নয়।
    মীরসরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোমাইয়া আক্তার এর কাছে রাস্তা বন্ধ করে অবরুদ্ধ রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার কারো অধিকার নেই রাস্তা সকলের জন্য উম্মক্ত। রাস্তা বন্ধ রাখার বিষয়ে এখন কোন অভিযোগ আসে নাই।

  • বাগেরহাটে চরের জমি নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: একে একে তিন খুন, আতঙ্কে দুই গ্রাম

    বাগেরহাটে চরের জমি নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: একে একে তিন খুন, আতঙ্কে দুই গ্রাম

    এবিএনএ, বাগেরহাট: বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় মধুমতি নদীর চরের সরকারি খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিরোধ রূপ নিয়েছে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে। বিশ্বাস ও শেখ—এই দুই প্রভাবশালী পক্ষের দ্বন্দ্বে একের পর এক প্রাণহানির ঘটনায় পুরো এলাকা এখন আতঙ্কে আচ্ছন্ন।

    সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংঘটিত সহিংসতায় শেখ পক্ষের যুবক রাজিব শেখ (২৫) নিহত হন। এ ঘটনায় অন্তত আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের পরপরই উভয় পক্ষের মধ্যে প্রতিশোধপরায়ণ হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ৩০টি বসতবাড়ি ও দোকান পুড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

    শনিবার এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে সৌরভ বিশ্বাস (১৯) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। একই দিন দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে নিহত রাজিব শেখকে চিংগড়ী গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

    🔥 গ্রামজুড়ে আতঙ্ক ও ধ্বংসস্তূপ

    ঘটনাস্থল পরিদর্শনে দেখা গেছে, চিংগড়ী ও মচন্দপুর গ্রামের মাঝামাঝি সড়কজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে ইট-পাথরের টুকরো। দুই গ্রামেই বিরাজ করছে থমথমে পরিস্থিতি। আগুনে পুড়ে যাওয়া বাড়িঘর এখন কেবল ছাইয়ের স্তূপ। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অনেকেই শেষ সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।

    নিহত রাজিবের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। একই সঙ্গে এলাকাবাসীর জন্য বড় পরিসরে রান্নার আয়োজন করা হয়েছে। অন্যদিকে শেখ পরিবারের সদস্যরা নিজেদের হারানো সম্পদ ও ভিটেমাটির শোকে নিস্তব্ধ হয়ে পড়েছেন।

    এদিকে সম্ভাব্য পাল্টা হামলার আশঙ্কায় মচন্দপুর গ্রামের বিশ্বাস পরিবারের অনেকেই ঘরবাড়ি ফাঁকা করে মূল্যবান জিনিসপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন।

    ⚔️ দীর্ঘদিনের বিরোধের পটভূমি

    স্থানীয়দের দাবি, ২০১৪ সাল থেকে মধুমতি নদীর চরের সরকারি জমি দখল ও রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই বিরোধের সূত্রপাত। একপক্ষে রয়েছেন মচন্দপুর গ্রামের সাঈদ বিশ্বাসের অনুসারীরা, অন্যপক্ষে চিংগড়ী গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা শেখ মনজুরুল আলমের অনুসারীরা।

    এই বিরোধে এর আগেও একাধিকবার সংঘর্ষ হয়েছে এবং প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। পূর্বের এক ঘটনায় আলম শেখ নিহত হন। এরপরও থামেনি সংঘাত। চলতি বছরের জানুয়ারিতে আরেক দফা সংঘর্ষে নিজাম উদ্দিন নামে একজন নিহত হন।

    স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক বিভাজনও এই সংঘর্ষকে আরও উসকে দিয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

    👮 পুলিশের অবস্থান

    বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন জানিয়েছেন, রাজিব শেখ হত্যাকাণ্ডসহ অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় ইতোমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    তিনি আরও জানান, নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

  • মোংলায় চিংড়ি ঘের দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: আহত ২১ জন, আশঙ্কাজনক ২ জন খুলনায়

    মোংলায় চিংড়ি ঘের দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: আহত ২১ জন, আশঙ্কাজনক ২ জন খুলনায়

    এবিএনএ,মোংলা : বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নের কালিকাবাড়ি এলাকায় চিংড়ি ঘের দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে কানাইনগর এলাকায় সংঘটিত এ ঘটনায় অন্তত ২১ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় দুইজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩০ বিঘা আয়তনের একটি চিংড়ি ঘেরের মালিকানা ও লিজ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। জমিটির মালিক হিসেবে সেলিম রেজা বাচ্চু ও মৃণাল নামের দুইজনের নাম উল্লেখ করা হলেও লিজ ও অর্থ লেনদেন নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়।

    ২০২৫ সালে মো. সেলিম হাওলাদার ঘেরটি লিজ নিয়ে চাষাবাদ করেন। তবে পরবর্তীতে হিসাব-নিকাশ নিয়ে তার সঙ্গে মালিক পক্ষের বিরোধ দেখা দেয়। অভিযোগ রয়েছে, পূর্বের বকেয়া মেটানো ছাড়াই ২০২৬ সালে ঘেরটি জাকির গ্রুপের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এতে করে পূর্বের লিজগ্রহীতা ও নতুন পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে।

    বুধবার দুপুরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সেলিম হাওলাদারের সমর্থক রশিদ গ্রুপ এবং জাকির গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলা এ সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

    সংঘর্ষে রশিদ গ্রুপের অন্তত ১১ জন আহত হন। অন্যদিকে জাকির গ্রুপের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

    স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে গুরুতর আহত দুইজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    এদিকে, এক পক্ষের অভিযোগ—জাকির স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং তার সমর্থকরাই হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছে। যদিও এ বিষয়ে অপর পক্ষের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

    মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসক জানান, দুপুরের পর থেকে একাধিক আহত ব্যক্তি হাসপাতালে আসে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে ভর্তি করা হয়েছে এবং গুরুতরদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়েছে।

    অন্যদিকে পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যাতে নতুন করে কোনো সংঘর্ষ না ঘটে।

    পুলিশ আরও জানায়, এ ঘটনার পেছনে জমির মালিকদের ভূমিকা রয়েছে কিনা তা তদন্ত করা হচ্ছে। এখনো পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি, তবে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    ঘটনার পর পুরো কানাইনগর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগীরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

    উল্লেখ্য, গত কয়েক বছরে মোংলা এলাকায় চিংড়ি ঘের দখল নিয়ে একাধিক সহিংস ঘটনার নজির রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব বিরোধ দ্রুত সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে।

  • কচুয়ায় ভয়াবহ হামলা: জমি বিরোধে যুবকের হাত-পা কুপিয়ে বিচ্ছিন্ন

    কচুয়ায় ভয়াবহ হামলা: জমি বিরোধে যুবকের হাত-পা কুপিয়ে বিচ্ছিন্ন

    এবিএনএ, বাগেরহাট: বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক যুবকের ওপর নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার সকালে মঘিয়া ইউনিয়নের সম্মানকাঠি গ্রামের একটি বাগান এলাকা থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় মো. রহমতউল্লাহ শেখ (২৭)–কে উদ্ধার করে পুলিশ।

    স্থানীয়রা জানান, ধারালো অস্ত্র নিয়ে কয়েকজন ব্যক্তি রহমতউল্লাহকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরিবারের দাবি, উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তরের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।

    আহতের পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের কয়েকজন ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। হামলায় তার দুই হাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, একটি পা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে। চোখ ও মাথায়ও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে পরিবার জানায়।

    কচুয়া উপজেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, আহতের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। একাধিক অঙ্গ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দ্রুত বিশেষায়িত চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে, সে কারণেই তাকে খুলনায় পাঠানো হয়েছে।

    কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকে অভিযান চালানোর প্রস্তুতিও চলছে।

  • মিথ্যা অভিযোগে নাম জড়িয়ে অপপ্রচার! বাগেরহাটে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর ক্ষোভ ও বিচার দাবি

    মিথ্যা অভিযোগে নাম জড়িয়ে অপপ্রচার! বাগেরহাটে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর ক্ষোভ ও বিচার দাবি

    এবিএনএ, বাগেরহাট:মিথ্যা অভিযোগ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে বাগেরহাটে সংবাদ সম্মেলন করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন চিতলমারী উপজেলার বাসিন্দা বাবুল শেখ। শনিবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাব–এর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি তোলেন।

    বাবুল শেখ জানান, সম্প্রতি পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের আতুলনগর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও প্রতিমা ভাঙার ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার নাম জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এসব খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক। ঘটনার দিন ও সময়ে তিনি কিংবা তার ছেলে কেউই ঘটনাস্থলে ছিলেন না; এমনকি ওই স্থান তার ব্যক্তিগতভাবে পরিচিতও নয়।

    লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিনের জমি বিরোধকে ঘিরে পরিকল্পিতভাবে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। তার স্ত্রীর মালিকানাধীন ২৮ শতক জমি দেখাশোনার দায়িত্ব প্রায় ১৭ বছর আগে ধ্রুব বিশ্বাসের কাছে ন্যস্ত করেছিলেন। ব্যবসায়িক কারণে দীর্ঘদিন এলাকার বাইরে থাকায় জমির নিয়মিত তদারকি সম্ভব হয়নি—এই সুযোগে একটি পক্ষ সাজানো অভিযোগ এনে তাকে আসামি করার অপচেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে বাবুল শেখ অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাকে বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করার চেষ্টা চলছে। তিনি এসব অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানান এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।