Tag: ছাত্র রাজনীতি

  • ছাত্রদলে নতুন নেতৃত্বের জোর আলোচনা: কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচন হতে পারে কেন্দ্রীয় কমিটি

    ছাত্রদলে নতুন নেতৃত্বের জোর আলোচনা: কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচন হতে পারে কেন্দ্রীয় কমিটি

    এবিএনএ: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় সংগঠনটিতে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে। কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখাসহ বিভিন্ন ইউনিটে নেতৃত্ব পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

    ছাত্রদলের বর্তমান সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরের নেতৃত্বাধীন কমিটির দুই বছরের মেয়াদ গত ১ মার্চ শেষ হয়েছে। ফলে নতুন কমিটি গঠনের প্রত্যাশা এখন সংগঠনের ভেতরে আরও জোরালো হয়ে উঠেছে।

    ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ছাত্রদল

    ১৯৭৯ সালের ১ জানুয়ারি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ছাত্র রাজনীতিতে দেশপ্রেমিক ও প্রগতিশীল নেতৃত্ব গড়ে তুলতে ছাত্রদল প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে।

    বিশেষ করে ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদলের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। পরবর্তী সময়ে সংগঠনের সাংগঠনিক শক্তি কিছুটা কমে গেলেও সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় আবারও সক্রিয় উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

    নতুন কমিটি নিয়ে জোর গুঞ্জন

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের একটি বৈঠকে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে পুনর্গঠনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এরপর থেকেই ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় নতুন নেতৃত্ব আসার গুঞ্জন আরও জোরালো হয়েছে।

    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী সময়ে অনেক পদপ্রত্যাশী নেতা নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শোডাউন, ইফতার মাহফিল এবং সাংগঠনিক সভার মাধ্যমে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন।

    উপরে বাঁ থেকে মমিনুল ইসলাম জিসান, গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক, মনজরুল রিয়াদ, মো. কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত। নিচে বাঁ থেকে আমানউল্লাহ আমান, খোরসেদ আলম সোহেল, শরিফ প্রধান শুভ, গাজী সাদ্দাম হোসেন, ইব্রাহিম খলিল।

    কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচন হতে পারে

    ছাত্রদলের অভ্যন্তরে এবার ‘সিলেকশন’ পদ্ধতির পরিবর্তে কাউন্সিলের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচনের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের উদাহরণ তৈরি হয়েছে।

    ২০২৫ সালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কাউন্সিলের মাধ্যমে ছাত্রদলের নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়। এতে সংগঠনের ভেতরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব বাছাইয়ের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে।

    নেতাকর্মীদের অনেকেই মনে করছেন, নিয়মিত কাউন্সিলের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করলে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং তৃণমূল নেতাকর্মীরাও উৎসাহিত হবেন।

    নেতৃত্ব নির্ধারণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শীর্ষ নেতৃত্বের

    ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির জানিয়েছেন, কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও নতুন কমিটি গঠনের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

    দলীয় সূত্র বলছে, সংগঠনের সাংগঠনিক অভিভাবক হিসেবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

    উপরে বাঁ থেকে বিএম কাউসার, সাইফ খান, নূর আলম ভূঁইয়া ইমন, আবিদুল ইসলাম খান। নিচে বাঁ থেকে আল আমিন, মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামী, ইমাম আল নাসের মিশুক।

    নেতৃত্বের দৌড়ে যেসব নাম আলোচনায়

    আসন্ন কেন্দ্রীয় কমিটিতে ২০০৮ থেকে ২০১২ সেশনের নেতাদের নেতৃত্বে আসার সম্ভাবনা বেশি বলে আলোচনা রয়েছে। বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনায় রয়েছেন মমিনুল ইসলাম জিসান, খোরসেদ আলম সোহেল, মনজরুল রিয়াদ, কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত, আমানউল্লাহ আমান এবং শরিফ প্রধান শুভসহ আরও কয়েকজন নেতা।

    এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখায়ও নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা চলছে। বিভিন্ন সেশনের একাধিক নেতা সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকায় রয়েছেন এবং ক্যাম্পাসে তাদের সাংগঠনিক তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

    নতুন নেতৃত্ব নিয়ে প্রত্যাশা

    ছাত্রদলের অনেক নেতাকর্মীর মতে, দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় এবং রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হওয়া নেতাদের এবার নেতৃত্বে মূল্যায়ন করা উচিত।

    তারা মনে করেন, যোগ্য, অভিজ্ঞ এবং সাংগঠনিক দক্ষ নেতাদের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করা হলে ছাত্রদল আবারও শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করতে পারবে।

  • তিন দফা দাবিতে অনড় ছাত্রদল, সোমবার সকালেই ইসির সামনে ফের ঘেরাও কর্মসূচি

    তিন দফা দাবিতে অনড় ছাত্রদল, সোমবার সকালেই ইসির সামনে ফের ঘেরাও কর্মসূচি

    এবিএনএ: ব্যালট পেপারে অনিয়ম এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কার্যালয়ের সামনে চলমান অবস্থান কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ছাত্রদল। তবে সোমবার সকাল থেকেই আবারও কর্মসূচি শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

    রোববার রাতে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার হোসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব জানান, সোমবার বেলা ১১টা থেকে পুনরায় ইসি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান ও ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হবে।

    তিনি বলেন, রোববার সকাল থেকে ছাত্রদলের কয়েক হাজার নেতাকর্মী শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন কমিশনের সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন। পুরো কর্মসূচি ছিল সুশৃঙ্খল এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

    রাকিব আরও বলেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু মহল আন্দোলন নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছে, তবে সেগুলো তাদের নিজস্ব মতামত। আমাদের মূল তিনটি দাবির বিষয়ে নির্বাচন কমিশন অবগত রয়েছে। পোস্টাল ব্যালট সংক্রান্ত বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় কমিশন সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

    ছাত্রদলের সভাপতি অভিযোগ করেন, অতীতে একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠী নির্বাচন কমিশন ভবনে এসে একাধিক সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করেছে। বিষয়টি ইসির নজরে আনা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে যেন কেউ এমন প্রভাব খাটাতে না পারে, সে বিষয়ে কমিশন সতর্ক থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছে।

    তিনি জানান, রোববারের মতো ঘেরাও কর্মসূচি সাময়িকভাবে শেষ করা হলেও সোমবার আবারও তা শুরু হবে এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা উল্লেখ করে রাকিব বলেন, ২২ জানুয়ারির পর যদি কোনো ষড়যন্ত্র বা কৃত্রিম অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করা হয়, তাহলে ছাত্রদল তা কঠোরভাবে প্রতিহত করবে।

    এর আগে, পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বেলা ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয়, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণসহ বিভিন্ন থানা ইউনিটের সহস্রাধিক নেতাকর্মী।

    কর্মসূচির কারণে নির্বাচন ভবনের সামনের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশি ব্যারিকেডের সামনে ও বিপরীত সড়কে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। এতে সাধারণ মানুষকে বিকল্প পথে চলাচল করতে হয়।

    ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির সরাসরি কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।

    ছাত্রদলের উত্থাপিত তিন দফা অভিযোগ হলো—পোস্টাল ব্যালট ইস্যুতে পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত, একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর চাপে ইসির স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়া এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিতর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি।

  • “জন্ম নিয়েই বাপের সঙ্গে পাল্লা দিও না”—নতুন ছাত্র সংগঠনকে সতর্ক করলেন গোলাম পরওয়ার

    “জন্ম নিয়েই বাপের সঙ্গে পাল্লা দিও না”—নতুন ছাত্র সংগঠনকে সতর্ক করলেন গোলাম পরওয়ার

    এবিএনএ: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার নতুন ছাত্র সংগঠনগুলোর উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “তোমরা নতুন ছাত্রদের দল, আমাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে গেলে এখনও অনেক পথ বাকি। জন্ম নিয়েই বাপের সঙ্গে পাল্লা দিও না।”

    সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ছাত্র-যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নতুন ছাত্র সংগঠনের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “তোমরা এখনো রাজনীতির প্রাথমিক পর্যায়ে আছো। জামায়াতে ইসলামী যে অভিজ্ঞতা ও সংগঠনিক কাঠামো গড়ে তুলেছে, সেখানে পৌঁছাতে আরও সময় লাগবে।”

    তিনি আরও বলেন, “একজন নতুন দলের নেতা সামাজিক মাধ্যমে বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী নাকি সংস্কার চায় না এবং নতুন সংবিধান সংলাপে অংশ নেয়নি। অথচ ঐকমত্য কমিশনে প্রথম পূর্ণাঙ্গ সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াতই। আমরা কাউকে সমালোচনা করি না, বরং কাজ দিয়েই প্রমাণ করি।”

    গোলাম পরওয়ার এ সময় ধর্মীয় সম্প্রদায়ভিত্তিক রাজনৈতিক ধারণার সমালোচনা করে বলেন, “অনেকে মনে করেন হিন্দু মানেই আওয়ামী লীগ ও নৌকা। আমি বলি, হিন্দুরাও এবার প্রমাণ করবে, তারা শুধু নৌকার নয়, দাঁড়িপাল্লার প্রতীকেও আস্থা রাখে।”

    তিনি দাবি করেন, তালা ও কলারোয়ার হিন্দু জনগণ যদি দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেন, তবে তারা অতীতের রাজনৈতিক নিপীড়ন থেকে মুক্তি পাবে।

    সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন তালা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মফিদুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম, অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, আব্দুল খালেক, শহীদুল ইসলাম মুকুলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • ৩৩ বছর পর জাকসু নির্বাচন: ভিপি জিতু, জিএস মাজহারসহ প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ ফলাফল

    ৩৩ বছর পর জাকসু নির্বাচন: ভিপি জিতু, জিএস মাজহারসহ প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ ফলাফল

    এবিএনএ: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩ বছর পর অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে জয়ী হয়েছেন ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন’ প্যানেল থেকে আব্দুর রশিদ জিতু। আর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে জয় পেয়েছেন ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী’ প্যানেলের শিবির সমর্থিত প্রার্থী মো. মাজহারুল ইসলাম।

    শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ২৮ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মনিরুজ্জামান আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন। ভিপি প্রার্থী জিতু পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৩৪ ভোট, আর জিএস প্রার্থী মাজহার পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৩০ ভোট।

    এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ফেরদৌস আল হাসান (২,৩৯৮ ভোট) এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে দর্শন বিভাগের আয়েশা সিদ্দিকা মেঘলা (৩,৪০২ ভোট) নির্বাচিত হয়েছেন।

    অন্য বিজয়ীরা হলেন—

    • শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক: আবু উবায়দা উসামা (ফার্মেসি, ২৪২৮ ভোট)

    • পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণ সম্পাদক: সাফায়েত মীর (গণিত, ২৮১১ ভোট)

    • সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক: জাহিদুল ইসলাম বাপ্পি (ইংরেজি, ১৯০৭ ভোট)

    • সাংস্কৃতিক সম্পাদক: শেখ জিসান আহমেদ (২০১৮ ভোট)

    • সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক: রায়হান উদ্দিন (উদ্ভিদবিজ্ঞান, ১৯৮৬ ভোট)

    • নাট্য সম্পাদক: রুহুল ইসলাম (নাটক ও নাট্যতত্ত্ব, ১৯২৯ ভোট)

    • ক্রীড়া সম্পাদক: মাহমুদুল হাসান কিরণ (বাংলা বিভাগ, ৫৭৭৮ ভোট)

    • সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (ছাত্র): মাহাদী হাসান (মাইক্রোবায়োলজি, ২১০৫ ভোট)

    • সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (ছাত্রী): ফারহানা লুবনা (গণিত, ১৯৭৬ ভোট)

    • আইটি ও গ্রন্থাগার সম্পাদক: রাশেদুল ইমন লিখন (ফার্মেসি)

    • সমাজসেবা সম্পাদক: আহসান লাবিব (১৬৯০ ভোট)

    • সহ-সমাজসেবা সম্পাদক (ছাত্র): তৌহিদ হাসান (মাইক্রোবায়োলজি, ২৪৪২ ভোট)

    • সহ-সমাজসেবা সম্পাদক (ছাত্রী): নিগার সুলতানা (ফার্মেসি, ২১৬৬ ভোট)

    • স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা সম্পাদক: হুসনী মোবারক (প্রাণিবিদ্যা, ২৬৫৩ ভোট)

    • পরিবহন সম্পাদক: তানভীর রহমান (পরিবেশ বিজ্ঞান, ২৫৫৯ ভোট)

    কার্যকরী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন— ফাবলিহা জাহান নাজিয়া (২৪৭৫), নাবিলা বিনতে হারুন (২৭৫০), নুসরাত জাহান ইমা (৩০১৪), হাফেজ তরিকুল ইসলাম (১৭৪৬), আবু তালহা (১৮৫৪) ও মোহাম্মদ আলী চিশতী (২৪১৪)।

    নির্বাচন প্রক্রিয়া ও উপস্থিতি

    এই নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১১,৭৪৩ জন। এর মধ্যে ৮,০০৩ জন ভোট দেন, যা মোট ভোটের প্রায় ৬৮ শতাংশ। ২৫টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ১৭৭ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ভিপি পদে ৯ জন, জিএস পদে ৮ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে ৬ জন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এছাড়া হল সংসদে লড়েছেন আরও ৪৪৫ প্রার্থী।

    ভোটগ্রহণের আগের রাতে কিছু রাজনৈতিক সংগঠন ভোট গণনার মেশিন সরবরাহকারীকে নিয়ে আপত্তি তোলে। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন হাতে ভোট গণনার সিদ্ধান্ত নেয়। ভোটগ্রহণ শেষে দীর্ঘ প্রায় ৪০ ঘণ্টা ধরে চলে ভোট গণনা। তবে বাম সংগঠন ও ছাত্রদলসহ কয়েকটি প্যানেল নানা অভিযোগে নির্বাচন বর্জন করে।

    বর্জন ও বিতর্কের মধ্যেও অবশেষে প্রকাশিত হলো বহু প্রতীক্ষিত জাকসু নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল।

  • জাকসু নির্বাচনে হল সংসদের ফল: ভিপি ও জিএস পদে যারা নির্বাচিত হলেন

    জাকসু নির্বাচনে হল সংসদের ফল: ভিপি ও জিএস পদে যারা নির্বাচিত হলেন

    এবিএনএ: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে অনুষ্ঠিত জাকসু নির্বাচনের হল সংসদে ভিপি ও জিএস পদে নির্বাচিতদের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা ৪০ মিনিট থেকে পর্যায়ক্রমে ফলাফল প্রকাশ শুরু হয়।

    আল বেরুনী হলে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন রিফাত আহমেদ শাকিল এবং জিএস পদে জয় পেয়েছেন মুনতাসির বিল্লাহ খান।

    নবাব জয়জুন্নেসা হলে ভিপি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বুবলি আহমেদ (মার্কেটিং), আর জিএস পদে জয়ী হয়েছেন সুমাইয়া খানম।

    জাহানারা ইমাম হলে ভিপি পদে বিজয়ী হয়েছেন গণিত বিভাগের মাহমুদা খাতুন এবং জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন পাবলিক হেলথ বিভাগের রিজওয়ানা বুশরা।

    ১০ নম্বর ছাত্র হল (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হল) থেকে ভিপি পদে জয় পেয়েছেন আসিফ মিয়া (সরকার ও রাজনীতি বিভাগ) এবং জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের মেহেদী হাসান।

    ১৫ নম্বর ছাত্রী হলে ভিপি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন শারমিন রহমান এবং জিএস পদে জয়ী হয়েছেন মেহনাজ মোহনা।

    শহীদ সালাম-বরকত হলে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন রসায়ন বিভাগের মারুফ হোসেন এবং জিএস পদে জয়ী হয়েছেন ইতিহাস বিভাগের মাসুদ রানা।

    সুফিয়া কামাল হলে ভিপি পদে জয় পেয়েছেন জান্নাতুল নাইম জেরিন এবং জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন রুবিনা জাহান তিথি।

    ফল ঘোষণার পর ক্যাম্পাসজুড়ে নির্বাচিতদের সমর্থকদের উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে।

  • জাকসু নির্বাচন বর্জনের পর ছাত্রদলের বিক্ষোভে উত্তাল জাহাঙ্গীরনগর ক্যাম্পাস

    জাকসু নির্বাচন বর্জনের পর ছাত্রদলের বিক্ষোভে উত্তাল জাহাঙ্গীরনগর ক্যাম্পাস

    এবিএনএ:  জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেওয়ার পরপরই বিক্ষোভে নামে ছাত্রদল। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তারা বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিছিলটি নতুন কলাভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের সামনে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বর পর্যন্ত যায়।

    এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন— “বয়কট বয়কট, জাকসু বয়কট”, “প্রহসনের জাকসু, মানি না, মানবো না”

    মিছিল চলাকালে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্রদল দাবি করে, নির্বাচন ছিল অনিয়ম ও কারচুপিতে ভরা, তাই শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

  • ঢাবি ভিপি প্রার্থী আবিদের ঘোষণা: “আমার পথচলা এখানেই থেমে নেই”

    ঢাবি ভিপি প্রার্থী আবিদের ঘোষণা: “আমার পথচলা এখানেই থেমে নেই”

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, তাঁর রাজনৈতিক পথচলা এখানেই শেষ নয়। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিটি দাবি আদায়ের জন্য ছাত্রনেতা হিসেবেই প্রশাসনের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাবেন।

    বুধবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “আমি কখনো ভাবিনি এতদূর আসতে পারব। আন্দোলন-সংগ্রামের পথই আমাকে আজকের জায়গায় এনেছে। এই নির্বাচনে শুরু থেকেই নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়েছি। তবে এখনও আশা রাখি, সব অভিযোগের সঠিক তদন্ত ও সুষ্ঠু সিদ্ধান্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে আসবে।”

    আবিদ আরও বলেন, “মানুষ হিসেবে আমি হয়তো সবার প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি। তবে মাত্র ২০ দিনের প্রচারণায় আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছাতে। সবাইকে হয়তো ছুঁতে পারিনি, কিন্তু আমি আশ্বস্ত করছি—আমার যাত্রা এখানেই থেমে নেই, এটি আরও দীর্ঘ।”

    তিনি অঙ্গীকার করেন, ছাত্রদলের একজন নেতা হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতির ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ চালিয়ে যাবেন। “আমরা রাজপথের প্রহরী হয়ে লড়াই করব এবং ইনশাআল্লাহ এর প্রতিফলন আগামী ডাকসুতে সবাই দেখতে পাবেন।”

    ফেসবুক পোস্টের শেষে আবিদ লিখেছেন— “আবিদ আপনাদের কখনো ছেড়ে যাবে না।”

  • ডাকসু ভোটে চমক: সাদিক, ফরহাদ ও মহিউদ্দিনের বিপুল জয়

    ডাকসু ভোটে চমক: সাদিক, ফরহাদ ও মহিউদ্দিনের বিপুল জয়

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে শিবির সমর্থিত প্যানেল বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে। ভিপি পদে জয়ী হয়েছেন সাদিক কায়েম এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে নির্বাচিত হয়েছেন এস এম ফরহাদ।

    গত মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর সারারাত ধরে চলে ভোটগণনা। বুধবার সকালে সিনেট ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

    ভিপি পদে সাদিক কায়েম ১৪ হাজার ৪২ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান পান ৫ হাজার ৭০৮ ভোট।

    জিএস পদে এস এম ফরহাদ ১০ হাজার ৭৯৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এ পদে ছাত্রদল সমর্থিত শেখ তানবীর বারী হামিম পান ৫ হাজার ২৮৩ ভোট।

    সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদেও শিবির সমর্থিত প্যানেলের মো. মহিউদ্দিন খান জয়লাভ করেছেন। তিনি পেয়েছেন ১১ হাজার ৭৭২ ভোট।

    অন্যদিকে, নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্যের ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমা ও ছাত্রদলের প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। উমামা ফাতেমা পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৮৯ ভোট এবং বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেলের প্রার্থী আব্দুল কাদের পান ১ হাজার ৩ ভোট।

    তবে প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন দাবি করেছেন, “এই নির্বাচন ছিল একটি মডেল নির্বাচন। কোনও ধরনের কারচুপির সুযোগ ছিল না।”

  • আবদুল কাদেরের পাশে থাকার অঙ্গীকার ছাত্রদল সভাপতির

    আবদুল কাদেরের পাশে থাকার অঙ্গীকার ছাত্রদল সভাপতির

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেলের সহসভাপতি (ভিপি) প্রার্থী আবদুল কাদেরের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম।

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে আবদুল কাদের লেখেন— “আমার ডাকসুতে জেতা জরুরি নয়, আমি শুধু বেঁচে থাকতে চাই। অন্তত আমাকে বাঁচার সুযোগ দিন।” তার এই হৃদয়স্পর্শী বার্তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দেয়।

    এরপর ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কাদেরের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি লিখেন, “কাদের, তোমাকে কথা দিচ্ছি— রাজাকার, আল বদর, আল শামসদের বংশধরদের বিরুদ্ধে ছাত্রদল সবসময় তোমার পাশে থাকবে ইনশাআল্লাহ।”

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাইবার বুলিংয়ের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত একটি চক্র নিয়মিতভাবে বিরোধী মতাদর্শী শিক্ষার্থীদের টার্গেট করছে। শুধু নারী নেতৃত্বই নয়, মতভিন্নতার কারণে ছাত্রসমাজের অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন।

    রাকিবুল ইসলাম জোর দিয়ে বলেন, এইসব সাইবার আক্রমণকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একইসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালায়, তারাই নাকি তরুণ সমাজকে ইসলামের নৈতিকতা শেখাবে? ছাত্রসমাজ এর আসল চেহারা প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করছে।”

  • ডাকসু নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ডিএমপি কমিশনার

    ডাকসু নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ডিএমপি কমিশনার

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদারের আশ্বাস দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি বা ভণ্ডুলের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরে আয়োজিত ডাকসু নির্বাচন–২০২৫ উপলক্ষে নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

    ডিএমপি কমিশনার বলেন, “ডাকসু নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে আমরা প্রস্তুত। কেউ যদি নির্বাচন ব্যাহত করার চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    তিনি আরও জানান, একটি নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকারের সব সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টা জরুরি। যৌথভাবে কাজ করলে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    সভায় শুরুতেই ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (অপারেশনস) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ নির্বাচনের নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। পরে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা মতামত তুলে ধরেন।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম, হাসান মো. শওকত আলী, মো. মাসুদ করিম, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. জিললুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ, ডাকসু নির্বাচন কমিশনের চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও অংশ নেন।