Tag: গণফোরাম

  • হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ড. কামাল হোসেন, শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ

    হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ড. কামাল হোসেন, শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ

    এবিএনএ: বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম রচয়িতা এবং গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. কামাল হোসেন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শুক্রবার তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতাল—স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    গণফোরামের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোহাম্মদ উল্লাহ মধু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ড. কামাল হোসেন বর্তমানে ফুসফুসজনিত জটিলতায় ভুগছেন। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে তার চিকিৎসা চলছে।

    তিনি আরও জানান, ড. কামাল হোসেনের দ্রুত আরোগ্য কামনায় দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, অসুস্থ হওয়ার আগেই ড. কামাল হোসেন সর্বশেষ গত বুধবার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে উপস্থিত ছিলেন। এরপরই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

  • জামায়াতকে অতিরিক্ত সময়, ক্ষুব্ধ সিপিবি ও গণফোরাম সংলাপ ছেড়ে বেরিয়ে গেল

    জামায়াতকে অতিরিক্ত সময়, ক্ষুব্ধ সিপিবি ও গণফোরাম সংলাপ ছেড়ে বেরিয়ে গেল

    এবিএনএ: জাতীয় ঐকমত্য সংলাপে জামায়াতে ইসলামিকে অতিরিক্ত সময় ও গুরুত্ব দেওয়ায় সংলাপের একপর্যায়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ওয়াকআউট করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)গণফোরাম। তবে সাময়িক প্রতিবাদের পর আলোচনা সভায় তারা পুনরায় অংশ নেয়।

    বুধবার সকাল ১১:৩০টায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে শুরু হয় দ্বিতীয় দফার সংলাপের তৃতীয় দিনের আলোচনা। দুপুরের বিরতির পর বিকেল ২:৪৫ মিনিটে আবার সংলাপ শুরু হলে কিছুক্ষণ পর সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স এবং গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান স্থান ত্যাগ করেন।

    রুহিন হোসেন প্রিন্স জানান,
    “জামায়াতের তিনজন নেতাকে সময় দেওয়া হলেও আমাদের একজনের বক্তব্য দিতে দেওয়া হচ্ছে না। বৈষম্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে আমরা বের হয়ে এসেছি।”

    গণফোরামের পক্ষ থেকেও একই অভিযোগ ওঠে— সংলাপে পক্ষপাতিত্ব করা হচ্ছে এবং কমিশন নিরপেক্ষতা হারাচ্ছে। গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “যদি কমিশন নিরপেক্ষ না থাকে, তাহলে সংলাপে থাকা আমাদের পক্ষে সম্ভব না।”

    এই ঘটনার পর কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার সহকারী মনির হায়দার নিজে নিচে নেমে দলগুলোকে ফের আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য রাজি করান।

    উল্লেখযোগ্যভাবে, বিএনপি-সমর্থিত ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র ও এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন,
    “জামায়াত তাদের বক্তব্যে বলেছেন, ‘আপনারা তো দশজন মানুষের প্রতিনিধিত্বও করেন না, অথচ আমরা লক্ষাধিক মানুষের প্রতিনিধি।’”
    তিনি আরও বলেন, “আমি ওয়াকআউট করিনি, বরং একটি সমঝোতায় পৌঁছেছিলাম।”

    শেষ পর্যন্ত সিপিবি ও গণফোরাম সংলাপে ফিরে এসে আলোচনায় অংশ নেন, তবে জামায়াতের প্রতি অগ্রাধিকারের প্রশ্নে রাজনৈতিক বিতর্ক জোরদার হয়েছে।

  • প্রয়াত গণফোরাম সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টু, রাজনীতির এক অধ্যায়ের অবসান

    প্রয়াত গণফোরাম সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টু, রাজনীতির এক অধ্যায়ের অবসান

    এবিএনএ:

    রাজনৈতিক অঙ্গনের এক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গণফোরামের সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টু আর নেই। রবিবার বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।

    দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। জীবনের শেষ পর্যায়ে শারীরিক অবস্থা অবনতি ঘটলে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, তবে সেখানেই থেমে যায় তাঁর জীবনের পথচলা।

    মোস্তফা মহসিন মন্টুর মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোক নেমে এসেছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক শোকবার্তায় তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তারা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

    দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মোস্তফা মহসিন মন্টু দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও মানুষের অধিকার আদায়ে তিনি ছিলেন এক নিবেদিত প্রাণ রাজনীতিক।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, মোস্তফা মহসিন মন্টুর মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের ইতি ঘটল। গণফোরাম ও জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর অভাব দীর্ঘদিন অনুভূত হবে।