Tag: খেলা

  • বিশ্বকাপে বাজিমাত জিম্বাবুয়ে! ওমানকে উড়িয়ে উড়ন্ত শুরু রাজার দল

    বিশ্বকাপে বাজিমাত জিম্বাবুয়ে! ওমানকে উড়িয়ে উড়ন্ত শুরু রাজার দল

    এবিএনএ: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এবারের আসর শুরুতেই নিজেদের শক্তির বার্তা দিল জিম্বাবুয়ে। কলম্বোতে ওমানের বিপক্ষে ৮ উইকেটের বড় জয়ে টুর্নামেন্টে দাপুটে সূচনা করল আফ্রিকার দলটি। আগে ব্যাট করে ওমান থামে মাত্র ১০৩ রানে। লক্ষ্য তাড়ায় ৩৯ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে জিম্বাবুয়ে।

    টস জিতে ওমানকে ব্যাটিংয়ে পাঠান জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। শুরু থেকেই টাইগার বোলারদের চাপে পড়ে যায় ওমানের ব্যাটিং লাইনআপ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। শেষ পর্যন্ত লড়াই গড়ে তুলতে না পেরে তিন অঙ্কের ঘর পার করাই তাদের সান্ত্বনা হয়ে দাঁড়ায়।

    ওমানের হয়ে ভিনায়েক শুক্লা করেন সর্বোচ্চ ২৮ রান। সুফিয়ান মাহমুদ যোগ করেন ২৫ ও নাদিম খান ২০ রান। বাকি ব্যাটারদের কেউই দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি।

    জিম্বাবুয়ের বোলিংয়ে সমান তালে ধ্বংসযজ্ঞ চালান রিচার্ড এনগারাভা, ব্লেসিং মুজারাবানি ও ব্রাড ইভান্স—তিনজনই নেন তিনটি করে উইকেট।

    লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ৩০ রানের মধ্যেই দুই উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। তাদিওয়ানাসে মারুমানি ২১ রানে ও ডিওন মেয়ার্স শূন্য রানে ফেরেন। এরপর ব্রায়ান বেনেট ও অভিজ্ঞ ব্রেন্ডেন টেইলর মিলে ৬৮ রানের কার্যকর জুটি গড়ে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন। ৩১ রানে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন টেইলর। পরে অধিনায়ক সিকান্দার রাজাকে সঙ্গে নিয়ে সহজেই ম্যাচ শেষ করেন বেনেট। অপরাজিত থাকেন বেনেট ৪৮ ও রাজা ৫ রানে।

  • বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে আত্মবিশ্বাসে টগবগে বাংলাদেশ: প্রস্তুতি ম্যাচে থাইল্যান্ডকে উড়িয়ে দিল মেয়েরা

    বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে আত্মবিশ্বাসে টগবগে বাংলাদেশ: প্রস্তুতি ম্যাচে থাইল্যান্ডকে উড়িয়ে দিল মেয়েরা

    এবিএনএ: আসন্ন নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের আগে প্রস্তুতি পর্বটা দারুণভাবেই শেষ করল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। নেপালে অনুষ্ঠিত শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে শুক্রবার থাইল্যান্ড নারী দলকে ৩৪ রানের ব্যবধানে পরাজিত করেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন দল।

    মুলাপানিতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরুতেই ধাক্কা খায় দল, ১৯ রানের মাথায় বিদায় নেন দিলারা আক্তার। এরপর জুয়াইরিয়া ফেরদৌস আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ইনিংসে গতি আনেন। দুটি চার ও একটি ছক্কায় ২৯ বলে ৩১ রান করে আউট হন তিনি।

    মাঝের ওভারে শারমিন আক্তার ও অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির ৫১ রানের জুটিতে শক্ত ভিত পায় বাংলাদেশ। শারমিন ৩১ বলে ২৮ এবং জ্যোতি ২২ বলে ২৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন। শেষদিকে ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে দলের স্কোর বাড়ান স্বর্ণা আক্তার ও শবানা মোস্তারি। স্বর্ণা ১৪ বলে অপরাজিত থাকেন এবং শবানা ১৫ বলে ২৪ রান করেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৪৯ রান তোলে বাংলাদেশ।

    ১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে থাইল্যান্ড। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি। নান্নাপাত কোনছারেকাইয়ের ৪৮ বলে ৫২ রানের ইনিংস ও ছানিডা সুথিরুয়াগের ১৮ বলে ২৫ রান ছাড়া বড় কোনো জুটি গড়তে পারেনি তারা। ফলে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১১৭ রানেই থেমে যায় থাইল্যান্ড।

    বাংলাদেশের হয়ে বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন ফারিয়া তৃষ্ণা, যিনি দুটি উইকেট শিকার করেন। বাকি তিন বোলার নেন একটি করে উইকেট। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নেন স্বর্ণা আক্তার।

  • ৯ কোটির চুক্তি বাতিল, তবু এক টাকাও নয়! মুস্তাফিজ ইস্যুতে আইপিএলের ব্যাখ্যা কী?

    ৯ কোটির চুক্তি বাতিল, তবু এক টাকাও নয়! মুস্তাফিজ ইস্যুতে আইপিএলের ব্যাখ্যা কী?

    এবিএনএ: আইপিএল নিলামে বড় অঙ্কে দল পাওয়ার পরও এক ম্যাচ না খেলেই কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে। বিসিসিআইয়ের নির্দেশে চুক্তি বাতিল হলেও আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে—এত বড় অঙ্কের চুক্তি থাকা সত্ত্বেও তিনি কেন কোনো ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন না।

    নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মুস্তাফিজকে দলে নিয়েছিল কেকেআর। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বিষয়টি আরও বিস্ময়কর কারণ, তার বিরুদ্ধে কোনো শৃঙ্খলাভঙ্গ, ইনজুরি কিংবা পারফরম্যান্স-সংক্রান্ত অভিযোগ ছিল না।

    আইপিএল সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এই ঘটনার মূল কারণ আইপিএলের বিমা কাঠামো। প্রতিটি খেলোয়াড়ের চুক্তি বিমাকৃত হলেও বিদেশি ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা প্রযোজ্য হয় নির্দিষ্ট শর্তে। সাধারণত টুর্নামেন্ট চলাকালে বা ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার পর ইনজুরিতে পড়লে বিমা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ পাওয়া যায়।

    কিন্তু মুস্তাফিজের চুক্তি বাতিল হয়েছে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই এবং সেটিও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে। ফলে এটি কোনো ইনজুরি বা ক্রিকেট-সংক্রান্ত কারণে নয়। এ কারণেই বিমা কোম্পানি কিংবা ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষ থেকে অর্থ পরিশোধের কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়নি।

    আইনগতভাবে কেকেআর বা বিসিসিআইয়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ থাকলেও সেটি সহজ নয়। আইপিএল ভারতীয় আইনের অধীনে পরিচালিত হওয়ায় এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের কথা বিবেচনায় রেখে অধিকাংশ বিদেশি ক্রিকেটারই কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টসে যাওয়ার ঝুঁকি নেন না।

    সব মিলিয়ে, আইপিএলের বিমা নীতির জটিল কাঠামোর কারণেই বড় অঙ্কের চুক্তি থাকা সত্ত্বেও ক্ষতিপূরণবঞ্চিত হচ্ছেন মুস্তাফিজুর রহমান—এমনটাই জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।