Tag: খেলাফত মজলিস

  • পিআর নির্বাচনের দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনে যোগ দিল চরমোনাই পীরের দল

    পিআর নির্বাচনের দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনে যোগ দিল চরমোনাই পীরের দল

    এবিএনএ: প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) নির্বাচনের দাবিকে সামনে রেখে যুগপৎ আন্দোলনে যোগ দিচ্ছে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সোমবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আমির সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

    তিনি জানান, ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায়, ১৯ সেপ্টেম্বর বিভাগীয় শহরে এবং ২৬ সেপ্টেম্বর জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। আন্দোলনের মূল দাবি—জুলাই সনদের বাস্তবায়ন, সংসদের উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, লেভেল–প্লেইং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ, গণহত্যার বিচার এবং জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের বিচার।

    এর আগে জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এবং অন্য একটি খেলাফতপন্থী অংশও একই তারিখে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। ফলে ইসলামী দলগুলোর মধ্যে যুগপৎ আন্দোলনের প্রক্রিয়া আরও জোরালো হয়েছে। তবে এনসিপি, এবি পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ ও নেজামে ইসলাম পার্টি ধর্মভিত্তিক দলগুলোর সঙ্গে একই প্ল্যাটফর্মে না গিয়ে আলাদা অবস্থান বজায় রেখেছে।

    সংবাদ সম্মেলনে রেজাউল করীম বলেন, “ইসলামী দলগুলো এখন একত্র হওয়ার দ্বারপ্রান্তে। জনগণের ভোটকে এক বাক্সে আনার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করলেও কোনো ইতিবাচক ফল মেলেনি।

    চরমোনাই পীর জাতীয় পার্টিকে ‘ভারতীয় আধিপত্যের প্রকাশ্য এজেন্ট’ আখ্যা দিয়ে বলেন, “তারা প্রতিটি ভুয়া নির্বাচনে অংশ নিয়ে অবৈধ সরকারকে বৈধতা দিয়েছে। এবারও আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে।”

    তিনি স্পষ্ট করে জানান, নির্বাচনের আগে সংবিধান সংস্কার ছাড়া জুলাই সনদের বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। আর নির্বাচনের পর সংস্কার করার প্রতিশ্রুতি জনগণ আর বিশ্বাস করে না। তাই এই আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে চাপে রাখতে চায় ইসলামী আন্দোলন।

  • বাগেরহাটে সংসদীয় আসন কমানোর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মহাসড়কজুড়ে তীব্র বিক্ষোভ

    বাগেরহাটে সংসদীয় আসন কমানোর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মহাসড়কজুড়ে তীব্র বিক্ষোভ

    এবিএনএ:  বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি করার প্রস্তাব ঘিরে জেলাজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে শহরের দশানী ট্রাফিক মোড় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়, যা খুলনা-বাগেরহাট মহাসড়ক ঘুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে অবস্থান নেয়।

    বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএ সালাম, জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমীর মাওলানা রেজাউল করিম, খেলাফত মজলিস, ইমাম সমিতি, যুব দল ও এনসিপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

    নেতারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন বিদ্যমান। হঠাৎ করেই কোনও পরামর্শ ছাড়াই একটি আসন বাতিলের উদ্যোগ সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। রাজনৈতিক দল, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করে নির্বাচন কমিশন একতরফাভাবে এমন প্রস্তাব দিয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

    বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “এই সিদ্ধান্ত যদি বাতিল না করা হয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হবো। প্রয়োজনে বাগেরহাটকে সারা দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার ডাক দেবো।” তারা আরও জানান, আগামীকালও প্রতিবাদ চলবে এবং জেলা প্রশাসক ও নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে।