Tag: ক্রিকেট রেকর্ড

  • ক্যাচ মিসের মূল্য চুকাল জিম্বাবুয়ে: ৩৪ বলে ৮৫ করে উইন্ডিজকে রেকর্ড গড়ালেন হেটমায়ার

    ক্যাচ মিসের মূল্য চুকাল জিম্বাবুয়ে: ৩৪ বলে ৮৫ করে উইন্ডিজকে রেকর্ড গড়ালেন হেটমায়ার

    এবিএনএ: ইনিংসের শুরুতেই জীবন পেয়ে যান শিমরন হেটমায়ারব্লেসিং মুজারাবানির করা চতুর্থ ওভারে ক্যাচ উঠলেও তা হাতছাড়া করেন ফিল্ডার। সেই ভুলের পুরো মূল্যই চুকাতে হয় জিম্বাবুয়েকে। এরপর থেকেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল–এর হয়ে তাণ্ডব চালান হেটমায়ার।

    ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম–এ মাত্র ৩৪ বলে ৮৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। তাঁর ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৫৪ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ দাঁড় করায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

    এই ইনিংসের মধ্য দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ক্যারিবিয়ানদের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড গড়ে। চলতি আসরের মধ্যেও এটিই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রান। পাশাপাশি, বিশ্বকাপ ইতিহাসে দলীয় সর্বোচ্চ রানের তালিকায় এই সংগ্রহ জায়গা করে নিয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। শীর্ষে রয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল–এর কেনিয়ার বিপক্ষে করা ২৬০ রান।

    এর আগে টস জিতে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাট করতে পাঠান। শুরুটা সুবিধার হলেও একটি ক্যাচ মিসই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

  • উইকেটের পাহাড় গড়ে বিশ্বরেকর্ড দীপ্তির, নারী টি-টোয়েন্টির শীর্ষে ভারতীয় অলরাউন্ডার

    উইকেটের পাহাড় গড়ে বিশ্বরেকর্ড দীপ্তির, নারী টি-টোয়েন্টির শীর্ষে ভারতীয় অলরাউন্ডার

    এবিএনএ: নারী টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস রচিত হলো ভারতীয় অলরাউন্ডার দীপ্তি শর্মার হাত ধরে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিরুবনন্তপুরমে অনুষ্ঠিত পঞ্চম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে নিলাক্ষিকা সিলভাকে আউট করে তিনি নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বকালের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি বোলারে পরিণত হন।

    এই গুরুত্বপূর্ণ উইকেটের মাধ্যমে দীপ্তি ভেঙে দেন অস্ট্রেলিয়ার মেগান শাটের দীর্ঘদিনের ১৫১ উইকেটের রেকর্ড। ১৩৩টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ শেষে তার উইকেট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫২-এ। এই ফরম্যাটে তার বোলিং গড় ১৯.০০ এবং ইকোনমি রেট মাত্র ৬.১২, যা তার ধারাবাহিকতা ও দক্ষতার প্রমাণ।

    এই অর্জনের ফলে দীপ্তি শর্মা প্রথম ভারতীয় বোলার হিসেবে (নারী ও পুরুষ উভয় বিভাগেই) টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির শীর্ষস্থান দখল করলেন।

    এর আগে একই সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও অনন্য এক কীর্তি গড়েন দীপ্তি। তিনি ইতিহাসের প্রথম নারী ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—উভয় ফরম্যাটেই ১৫০-এর বেশি উইকেট নেওয়ার মাইলফলক স্পর্শ করেন। বর্তমানে ওয়ানডে ক্রিকেটে তার উইকেট সংখ্যা ১৬২।

    এই রেকর্ডের দৌড়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে রয়েছেন মেগান শাট এবং ইংল্যান্ডের স্পিনার সোফি একলেস্টোন, যিনি দুই ফরম্যাটেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নিয়মিত আলোচনায় রয়েছেন।

  • টি-টোয়েন্টিতে নতুন ইতিহাস লিখলেন সুনিল নারিন, ছুঁলেন অবিশ্বাস্য বিশ্ব রেকর্ড

    টি-টোয়েন্টিতে নতুন ইতিহাস লিখলেন সুনিল নারিন, ছুঁলেন অবিশ্বাস্য বিশ্ব রেকর্ড

    এবিএনএ:  ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টি (আইএলটি২০)–তে শারজাহ ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে জয় পেয়েছে আবু ধাবি নাইট রাইডার্স। আর সেই ম্যাচেই নতুন এক বিশ্ব রেকর্ড গড়ে ক্রিকেট দুনিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন সুনিল নারিন।

    ম্যাচের ষষ্ঠ ওভারেই বল হাতে নিয়ে প্রথম ডেলিভারিতেই টম অ্যাবিলকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন অভিজ্ঞ এই ক্যারিবীয় স্পিনার। আর সেই উইকেটেই স্পর্শ করেন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৬০০ উইকেটের অসাধারণ মাইলফলক। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে বিশ্বের মাত্র তৃতীয় বোলার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন নারিন।

    দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছরের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ইতোমধ্যে ৫৬৮টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। চলতি আইএলটি২০ শুরুর সময়ই নারিন ছিলেন এই ঐতিহাসিক অর্জন থেকে মাত্র একটি উইকেট দূরে। অবশেষে শারজাহর মাটিতেই পূর্ণ হলো সেই বহু প্রতীক্ষিত অপেক্ষা।

    নারিনের আগে মাত্র দুইজন বোলার এই ল্যান্ডমার্কে পৌঁছাতে পেরেছেন—রশিদ খান ও ডোয়াইন ব্রাভো। রশিদ ৪৯৯ ম্যাচে ৬৮১ উইকেট নিয়ে শীর্ষে, আর ব্রাভো সংগ্রহ করেছেন ৫৮২ ম্যাচে ৬৩১ উইকেট।

    টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ম্যাচ জেতানো স্পেল ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে পরিচিত নারিনের জন্য এই অর্জন তার লম্বা ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

  • রেকর্ড রান উৎসবে অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহাসিক জয়, দক্ষিণ আফ্রিকা বিধ্বস্ত

    রেকর্ড রান উৎসবে অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহাসিক জয়, দক্ষিণ আফ্রিকা বিধ্বস্ত

    এবিএনএ: দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে রেকর্ড গড়ল অস্ট্রেলিয়া। ম্যাকায়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ এরেনায় তারা ৪৩১ রানের পাহাড় গড়ে প্রোটিয়াদের গুঁড়িয়ে দিয়েছে। ম্যাচটি অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বাধিক বড় জয় হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

    ব্যাট হাতে দুর্দান্ত তিন সেঞ্চুরি উপহার দেন ট্রাভিস হেড, মিচেল মার্শ ও ক্যামেরুন গ্রিন। হেড খেলেন ১০৩ বলে ১৪২ রানের ঝড়ো ইনিংস, যেখানে ছিল ১৭টি চার ও পাঁচটি ছক্কা। তার সঙ্গে ওপেনিং জুটিতে অধিনায়ক মার্শ তুলে নেন ১০৬ বলে ১০০ রান। এরপর তিনে নামা গ্রিন ৫৫ বলে খেলেন বিস্ফোরক ১১৮ রানের ইনিংস, ছয়টি চার ও আটটি ছক্কার মার দিয়ে। অ্যালেক্স কেরিও দলীয় সংগ্রহে যোগ করেন দ্রুতগতির ৫০ রান।

    ৪৩১ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা শুরুতেই ধসে পড়ে। মাত্র ৫০ রানের মধ্যেই তারা হারায় চার উইকেট। যদিও টনি ডি জর্জি (৩০ বলে ৩৩) ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস (২৮ বলে ৪৯) কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন, কিন্তু সেটি যথেষ্ট হয়নি। শেষ পর্যন্ত ২৪.৫ ওভারে ১৫৫ রানে গুটিয়ে যায় প্রোটিয়ারা।

    অস্ট্রেলিয়ার তরুণ বাঁ-হাতি স্পিনার কুপার কনলি ছিলেন বোলিংয়ের নায়ক। মাত্র ২২ রানে পাঁচ উইকেট তুলে নেন তিনি। এছাড়া জাভিয়ের বার্টলেট ও শেন অ্যাবোট পান দুটি করে উইকেট।

    তবে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয়ী হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকাই। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার এই ঐতিহাসিক জয় দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে।

  • মাত্র ১১০ রানে গুটিয়ে পাকিস্তান, মুস্তাফিজের দুর্দান্ত রেকর্ডে উল্লসিত বাংলাদেশ

    মাত্র ১১০ রানে গুটিয়ে পাকিস্তান, মুস্তাফিজের দুর্দান্ত রেকর্ডে উল্লসিত বাংলাদেশ

    এবিএনএ:  টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে শুরু থেকেই দাপট দেখালো বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে মাত্র ১১০ রানে গুটিয়ে দিল টাইগাররা। এই সংস্করণে বাংলাদেশের বিপক্ষে এটিই পাকিস্তানের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। আগের রেকর্ডটি ছিল ২০১৬ সালে মিরপুরে ১২৯ রান।

    ইনিংসের শেষ ওভারে তাসকিন আহমেদ একাই তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানের ইনিংসে শেষ ছাপ টানেন। মাত্র ২২ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা বোলারদের একজন হয়ে ওঠেন তিনি। তবে আলোচনার কেন্দ্রে মুস্তাফিজুর রহমান। ৪ ওভার বোলিং করে মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করে তিনি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে কম রান দেওয়া বোলিংয়ের রেকর্ড গড়েন।

    এর আগে, পাকিস্তানের শুরুটা ছিল হতাশাজনক। ৫০ রান পূরণের আগেই তারা হারায় ৫ উইকেট। ফখর জামান ৪৪ রান করলেও রান আউট হয়ে ফিরতে হয় তাকে। খুশদিল শাহ করেন ১৭ রান। বাকিরা ছিলেন নড়বড়ে। শেখ মেহেদী, তানজিম সাকিব ও রিশাদ হোসেনের সুশৃঙ্খল বোলিংয়ে ধসে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ।

    বাংলাদেশের অধিনায়ক লিটন দাস টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান। নিজের সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল, তা প্রমাণ করে দিয়েছেন তার বোলাররা। নতুন বল হাতে শেখ মেহেদী প্রথম ওভারেই সুযোগ তৈরি করেন, যদিও ক্যাচ ছাড়েন তাসকিন। পরের ওভারেই সেই ভুলের শোধ নেন তিনি সাইম আইয়ুবকে ফিরিয়ে।

    পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আগা ৯ বলে করেন মাত্র ৩ রান। মোহাম্মদ হারিস, হাসান নওয়াজরা ছিলেন আরও ব্যর্থ। রান আউট, ক্যাচ আউট আর দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ের কারণে একের পর এক উইকেট হারায় সফরকারীরা।

    বাংলাদেশ একাদশে একমাত্র পরিবর্তন ছিল শরিফুল ইসলামের বদলে তাসকিন আহমেদের প্রত্যাবর্তন। সেই সিদ্ধান্তই দলের পক্ষে বড় সুবিধা বয়ে আনে। স্পিনারদের সঙ্গে পেসারদের দুর্দান্ত সমন্বয়ে গড়া একাদশ পাকিস্তানকে রীতিমতো ধসিয়ে দেয়।

    এই ম্যাচের আগে বাংলাদেশ ২১টি টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ৩টি জয় পেয়েছিল। তবে শ্রীলঙ্কা সফরের সাফল্যের পর আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ এবার শুরুতেই বার্তা দিল—তারা এবার ভিন্ন কিছু করতে প্রস্তুত।

    বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন, তাওহিদ হৃদয়, শামীম হোসেন, জাকের আলি, শেখ মেহেদী, রিশাদ হোসেন, মুস্তাফিজ, তাসকিন, তানজিম।

    পাকিস্তান একাদশ: ফখর জামান, সাইম আইয়ুব, মোহাম্মদ হারিস, হাসান নওয়াজ, সালমান আগা (অধিনায়ক), মোহাম্মদ নওয়াজ, খুশদিল শাহ, ফাহিম আশরাফ, আব্বাস আফ্রিদি, সালমান মির্জা, আবরার আহমেদ।

  • টি-টোয়েন্টিতে ১৩ হাজার রানের ক্লাবে যোগ দিলেন জস বাটলার!

    টি-টোয়েন্টিতে ১৩ হাজার রানের ক্লাবে যোগ দিলেন জস বাটলার!

    এবিএনএ: টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে আরেকটি মাইলফলক গড়লেন ইংলিশ তারকা জস বাটলার। বিশ্বের সপ্তম এবং ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি ১৩ হাজার রানের ক্লাবে জায়গা করে নিলেন।

    বৃহস্পতিবার হেডিংলিতে অনুষ্ঠিত ভাইটালিটি ব্লাস্টের ম্যাচে ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে ইয়র্কশায়ারের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন বাটলার। ৪৬ বলের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৮টি চার ও ৩টি ছক্কায় তিনি করেন ৭৭ রান, যা দলকে এনে দেয় জয়। এই ইনিংসের মাধ্যমেই তিনি পেরিয়ে যান ১৩ হাজার রানের মাইলফলক।

    ইনিংস শুরুর আগে বাটলারের দরকার ছিল মাত্র ৩১ রান। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে নবম ওভারে অফ স্পিনার ডম বেসকে ছক্কা মেরে কাঙ্ক্ষিত ঠিকানায় পৌঁছে যান ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা। শেষ ওভারে রান আউট হয়ে শেষ হয় তাঁর ৭৭ রানের ঝড়ো ইনিংস।

    এখন পর্যন্ত ৪৩১ ইনিংসে বাটলারের সংগ্রহ ১৩,০৪৬ রান। ইংল্যান্ডের হয়ে তার আগে এই ক্লাবে নাম লিখিয়েছেন অ্যালেক্স হেলস। বিশ্বের বাকি সদস্যরা হলেন ডেভিড ওয়ার্নার, বিরাট কোহলি, শোয়েব মালিক, কাইরন পোলার্ড ও কিংবদন্তি ক্রিস গেইল। এদের মধ্যে গেইল সবার শীর্ষে, যার টি-টোয়েন্টি রান ১৪,৫৬২।

    টি-টোয়েন্টিতে বাটলারের ৫০ ছোঁয়া ইনিংস এখন ১০১টি (৯৩টি ফিফটি ও ৮টি সেঞ্চুরি)। এই তালিকায় তাঁর ওপরে আছেন কেবল বাবর আজম (১০৪), ক্রিস গেইল (১১০), বিরাট কোহলি (১১৪) ও ডেভিড ওয়ার্নার (১১৯)।

    বাটলারের ঐতিহাসিক দিনে আলো ছড়িয়েছেন অভিজ্ঞ পেসার জেমস অ্যান্ডারসনও। ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে শিকার করেন ৩ উইকেট। ৪২ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার এ মৌসুমে ৯ ম্যাচে তুলে নিয়েছেন ১৭ উইকেট। দীর্ঘ বিরতির পর ভাইটালিটি ব্লাস্টের মাধ্যমে অ্যান্ডারসনের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার নতুন করে শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট ‘দ্য হান্ড্রেড’-এর জন্য তাঁকে দলে নিয়েছে ম্যানচেস্টার অরিজিনালস।