Tag: ক্রিকেট প্রশাসন

  • আজকের ভুল সিদ্ধান্তে এক দশক পিছিয়ে পড়তে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট—বিসিবিকে কড়া বার্তা তামিম ইকবালের

    আজকের ভুল সিদ্ধান্তে এক দশক পিছিয়ে পড়তে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট—বিসিবিকে কড়া বার্তা তামিম ইকবালের

    এবিএনএ: বাংলাদেশ ক্রিকেটের বর্তমান সময়কে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তাঁর মতে, এই সময়ে নেওয়া যেকোনো ভুল সিদ্ধান্তের প্রভাব আগামী ১০ বছর পর্যন্ত দেশের ক্রিকেটে ভোগাতে পারে। তাই আবেগের বশে নয়, সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা মাথায় রেখেই বিসিবিকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তামিম বলেন, হঠাৎ মন্তব্য বা তড়িঘড়ি পদক্ষেপ সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বরং পারস্পরিক আলোচনা ও কার্যকর সংলাপের মাধ্যমেই সংকট থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব। তাঁর বিশ্বাস, সঠিক সময়ে সঠিক ডায়ালগ বড় বড় সমস্যারও পথ খুলে দেয়।

    বিসিবির সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যৎ ভাবনার ওপর জোর দিয়ে তামিম বলেন, আজ যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তার প্রভাব শুধু বর্তমান নয়, পরবর্তী এক দশকের ক্রিকেট কাঠামোতেও পড়বে। তাই স্বল্পমেয়াদি চাপে না পড়ে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নির্ধারণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

    তিনি আরও মনে করেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে একটি স্বাধীন ও স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করতে হবে। সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় জরুরি হলেও, বোর্ডের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা থাকা দরকার। দেশের ক্রিকেট ও খেলোয়াড়দের কল্যাণে প্রয়োজনীয় হলে সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়াও বোর্ডের দায়িত্ব।

    জনমতের বিষয়টি তুলে ধরে তামিম বলেন, দর্শকদের আবেগ মাঠের খেলায় স্বাভাবিকভাবেই প্রতিফলিত হয়। তবে সেই আবেগের ভিত্তিতে কোনো বড় ক্রীড়া সংস্থার নীতি নির্ধারণ করা যুক্তিযুক্ত নয়। জনমত সময়ের সঙ্গে বদলায়, কিন্তু পরিকল্পনা হওয়া উচিত স্থির ও লক্ষ্যভিত্তিক।

    নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তামিম জানান, বর্তমানে তিনি বোর্ডের কোনো দায়িত্বে নেই। তাই নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিয়ে মন্তব্য করাও তাঁর উদ্দেশ্য নয়। তবে বোর্ডের অংশ হলে তিনি সর্বাগ্রে দেশের ক্রিকেট ও খেলোয়াড়দের স্বার্থকেই গুরুত্ব দিতেন—এমনটাই জানান এই অভিজ্ঞ ওপেনার।

  • বিসিবি সভাপতি নির্বাচন: বুলবুল বনাম তামিমের সম্ভাব্য লড়াই জমে উঠছে

    বিসিবি সভাপতি নির্বাচন: বুলবুল বনাম তামিমের সম্ভাব্য লড়াই জমে উঠছে

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচনে সভাপতির আসন ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা। সাবেক ক্রিকেটার তামিম ইকবাল সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি বিসিবি সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান। এর মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে, তার লক্ষ্য সরাসরি বোর্ডের শীর্ষ পদটি।

    তবে নিয়ম অনুযায়ী, তামিমকে প্রথমে কাউন্সিলর হতে হবে। এরপর পরিচালক নির্বাচনে জিততে হবে। পরে পরিচালকদের ভোটেই সভাপতি পদ নির্ধারিত হবে। ইতিমধ্যে দুটি ক্লাবের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তামিম নিজেকে ক্রিকেট সংগঠক হিসেবে গড়ে তুলেছেন, যা তার কাউন্সিলর হওয়ার পথে সহায়ক হতে পারে।

    অন্যদিকে, বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, দেশের ক্রিকেটে অবদান রাখতে তিনি আরও কাজ করতে চান। তবে বুলবুল সরাসরি ক্লাব পর্যায়ে যুক্ত না থাকায় তার কাউন্সিলরশিপের সুযোগ নেই। পরিবর্তে বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা কিংবা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মনোনয়ন থেকে পরিচালক হয়ে তিনি সভাপতি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।

    বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হন ক্লাব ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে, আর ২ জন আসেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মনোনয়নে। এই ২৫ জন পরিচালকই সভাপতির জন্য ভোট দেন।

    ইতিমধ্যেই বুলবুল ও তামিম নির্বাচনে অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছেন। ফলে ক্রিকেট অঙ্গনে জোরালোভাবে আলোচনা হচ্ছে—আগামী বিসিবি নির্বাচন কি বুলবুল বনাম তামিমের লড়াইয়ে পরিণত হতে যাচ্ছে?