Tag: ক্রিকেট নিউজ

  • ৮ ম্যাচ খেলেও একাদশে নেই ধোনি

    ৮ ম্যাচ খেলেও একাদশে নেই ধোনি

    এবিএনএ:চলমান আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংস একের পর এক ম্যাচ খেললেও দলে দেখা যাচ্ছে না মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল, টুর্নামেন্টের প্রথম দুই সপ্তাহ তিনি খেলবেন না। কিন্তু এক মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তার না ফেরায় সমর্থকদের মধ্যে প্রশ্ন বাড়ছিল। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন দলের প্রধান কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং।

    মাংসপেশির চোটেই বিলম্ব

    ফ্লেমিং জানান, ধোনির পায়ের মাংসপেশিতে আবারও টান পড়েছে। এই কারণেই তাকে ঝুঁকি নিয়ে একাদশে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। একটি অনুশীলনমূলক ঘাম ঝরানো ম্যাচে অংশ নেওয়ার সময় নতুন করে চোট বাড়ে বলে জানান তিনি। ফলে তার প্রত্যাবর্তন আরও পিছিয়ে গেছে।

    কোচ বলেন, ধোনি খেলতে আগ্রহী থাকলেও একই জায়গায় পুনরায় আঘাত পেলে পুরো মৌসুমই শেষ হয়ে যেতে পারে। তাই দল তাড়াহুড়া না করে তার ফিটনেস পুরোপুরি নিশ্চিত করতে চাচ্ছে। এ কারণে প্রত্যাশার তুলনায় পুনর্বাসন প্রক্রিয়া দীর্ঘ হচ্ছে।

    নেটে অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন

    চোট কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে নিয়মিত অনুশীলন করছেন ধোনি। নেটে তাকে ব্যাটিং করতে দেখা গেলেও মূলত থ্রোডাউন ও হালকা অনুশীলনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছেন। ফিজিওর তত্ত্বাবধানে দৌড়ানো, স্পিনারদের বিপক্ষে ব্যাটিং এবং ব্যাটিং কোচের সঙ্গে অনুশীলন—সবকিছুই চলছে পুনর্বাসন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে।

    ফ্লেমিং বলেন, ধোনি ফিট হতে কঠোর পরিশ্রম করছেন এবং চিকিৎসক দলের নির্দেশনা মেনে চলছেন। তিনি উন্নতির দিকে আছেন, তবে পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তাকে মাঠে নামানো হবে না।

    চেন্নাইয়ের অবস্থান

    এদিকে আট ম্যাচে পাঁচটিতে হেরে পয়েন্ট টেবিলে মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। পরবর্তী ম্যাচে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মুখোমুখি হওয়ার আগে কিছুটা সময় পাচ্ছে দল। সেই ম্যাচে ধোনি ফিরবেন কি না, তা এখনো অনিশ্চিত হলেও দল তার ফিটনেস পর্যবেক্ষণে রেখেছে।

  • এশিয়া কাপ ২০২৫ এবার আমিরাতে, চূড়ান্ত সূচি প্রকাশ, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে বাড়ছে উত্তেজনা

    এশিয়া কাপ ২০২৫ এবার আমিরাতে, চূড়ান্ত সূচি প্রকাশ, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে বাড়ছে উত্তেজনা

    এবিএনএ:  ২০২৫ সালের এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশ করেছে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (ACC)। এবারের আসর বসছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে, যেখানে ৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এই জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট।

    এবারের এশিয়া কাপ হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে, যেখানে অংশ নিচ্ছে মোট আটটি দল। অংশগ্রহণকারী দলগুলো হলো—বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান ও হংকং

    সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত এসিসির বার্ষিক সাধারণ সভায় টুর্নামেন্টের ভেন্যু ও সময়সূচি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। শুরুতে ভারত-পাকিস্তান রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে ভেন্যু নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও, এসিসি সভাপতি ও পিসিবি চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভি ঘোষণা দেন যে, এবারের পুরো আয়োজনই হবে নিরপেক্ষ ভেন্যু সংযুক্ত আরব আমিরাতে

    যদিও টেকনিক্যালি ভারতের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) আসরের আয়োজক, তবে ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের একটি পূর্ব চুক্তি অনুযায়ী, আগামী তিন বছর এ ধরনের বড় ম্যাচগুলো নিরপেক্ষ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। তাই এবারের আসরের সব ম্যাচই আমিরাতেই হবে।

    ২০২৩ সালের শেষ আসরে ভারত শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। যদিও এবারের আসরের গ্রুপ ভাগ এখনো প্রকাশ হয়নি, তবে ক্রিকেটীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী ভারত ও পাকিস্তানকে একই গ্রুপে রাখা হতে পারে, যা টুর্নামেন্টে বাড়তি উত্তেজনা যোগ করবে।

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবহাওয়া ও অবকাঠামো আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের জন্য আগেও প্রমাণিত হয়েছে। তাই এবারের এশিয়া কাপ নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে বেশ উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে।

    ক্রিকেটবিশ্বের চোখ এখন ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের দিকে, যা প্রতিবারই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে আলোচিত ম্যাচ হয়ে ওঠে।

  • শান্ত-মুশফিকের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে গলে প্রথম দিন বাংলাদেশের দখলে

    শান্ত-মুশফিকের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে গলে প্রথম দিন বাংলাদেশের দখলে

    এবিএনএ:  গল টেস্টের প্রথম দিনেই দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ। একসময় মাত্র ৪৫ রানে তিন উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে টাইগাররা। তবে এরপর দলকে টেনে তুললেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। উভয়ের সেঞ্চুরিতে দিন শেষে ৩ উইকেটে ২৯২ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।

    মঙ্গলবার গলে শুরু হওয়া সিরিজের প্রথম টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু শুরুটা একেবারেই হতাশাজনক ছিল। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে শূন্য রানে ফেরেন এনামুল হক বিজয়। এরপর সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও তা বেশিদূর এগোয়নি।

    সাদমান করেন ৫৩ বলে ১৪ রান, আর মুমিনুল মাত্র ৩৩ বলে ২৯ রান করে বিদায় নেন। দলীয় সংগ্রহ তখন মাত্র ৪৫ রান। তিনটি মূল্যবান উইকেট হারিয়ে যখন বাংলাদেশ কোণঠাসা, তখন শান্ত-মুশফিকের দৃঢ়তা ছিল এক অনন্য দৃশ্য।

    অধিনায়ক শান্ত খেলেন দায়িত্বশীল এক ইনিংস। ২০২ বলে নিজের ষষ্ঠ টেস্ট শতক পূর্ণ করেন তিনি। অন্যদিকে, প্রায় দশ মাস পর টেস্ট সেঞ্চুরি পেলেন মুশফিক। ১৭৬ বল মোকাবেলা করে ১২তম শতকে পৌঁছান তিনি। দিন শেষে মুশফিক অপরাজিত থাকেন ১০৫ রানে, আর শান্ত ১৩৬ রানে।

    এই জুটির ব্যাটিংয়ে কেবল বাংলাদেশের ইনিংসই টিকে যায়নি, বরং প্রথম দিন পুরোপুরি নিজেদের করে নিয়েছে টাইগাররা।